কোরান সূরা নাজ্ম আয়াত 1 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Najm ayat 1 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা নাজ্ম আয়াত 1 আরবি পাঠে(Najm).
  
   

﴿وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ﴾
[ النجم: 1]

নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়। [সূরা নাজ্ম: 1]

Surah An-Najm in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Najm ayat 1


ভাবো তারকার কথা, যখন তা অস্ত যায়!


Tafsir Mokhtasar Bangla


১. মহান আল্লাহ তারকা যখন পতিত হয় তখনকার শপথ করেছেন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


শপথ নক্ষত্রের, যখন তা অস্তমিত হয়। [১] [১] মুফাসসিরদের কেউ কেউ 'নক্ষত্র' বলতে কৃত্তিকা নক্ষত্রকে বুঝিয়েছেন। আবার কেউ কেউ শুকতারাকে বুঝিয়েছেন। অন্যরা সমস্ত তারাকেই বুঝিয়েছেন। هَوَى উপর থেকে নীচে পড়া। অর্থাৎ, যখন তা রাতের শেষে ফজরের সময় পতিত ( অদৃশ্য ) হয়। অথবা শয়তানদেরকে মারার জন্য তাদের উপর পতিত হয়। অথবা অন্যদের উক্তি অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন পতিত হবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


শপথ নক্ষত্রের, যখন তা হয় অস্তমিত [], সূরা সম্পর্কিত তথ্যঃ মুফাসসিরগণ সূরা আন-নাজমের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। যেমন, সূরা আন-নাজম প্রথম সূরা; যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় ঘোষণা করেন [ আততাহরীর ওয়াত তানওয়ীর ]। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এই সূরাতেই সর্বপ্রথম সেজদার আয়াত নাযিল হয় এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তেলাওয়াতের সেজদা করেন। মুসলিম ও কাফের সবাই এই সেজদায় শরীক হয়েছিল। কেবল এক অহংকারী ব্যক্তি সে সেজদা করেনি। সে এক মুষ্টি মাটি তুলে কপালে লাগিয়ে বলল, ব্যস এতটুকুই যথেষ্ট। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি সেই ব্যক্তিকে কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করতে দেখেছি। সে ছিল উমাইয়া ইবন খালাফ। [ বুখারী: ১০৬৭, ১০৭০, মুসলিম: ৫৭৬ ] ত্বাবরানীর বর্ণনায় এ কাফেরকে ওলীদ ইবনে মুগীরা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। [ মুজামুল কাবীর: ৯/৩৪, হাদীস ৮৩১৬ ] অনুরূপভাবে এই সূরার শুরুতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সত্য নবী হওয়া এবং তার প্রতি অবতীর্ণ ওহীতে সন্দেহ ও সংশয়ের অবকাশ না থাকার কথা বর্ণিত হয়েছে। ত্বাবরানীর বর্ণনায় এ কাফেরকে ওলীদ ইবনে মুগীরা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। [ মুজামুল কাবীর: ৯/৩৪, হাদীস ৮৩১৬ ] -------------------- [] নক্ষত্ৰমাত্রকেই نجم বলা হয় এবং বহুবচন نجوم [ ইরাবুল কুরআন ]। কখনও এই শব্দটি কয়েকটি নক্ষত্রের সমষ্টি সপ্তর্ষিমণ্ডলের অর্থেও ব্যবহৃত হয়। এই আয়াতেও কেউ কেউ নজমের তফসীর “ সুরাইয়া” অৰ্থাৎ সপ্তর্ষিমণ্ডল দ্বারা করেছেন । সুদ্দী বলেন, এর অর্থ শুক্রগ্রহ। [ কুরতুবী ] هوى শব্দটি পতিত হওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়। নক্ষত্রের পতিত হওয়ার মানে অস্তমিত হওয়া। এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা নক্ষত্রের কসম খেয়ে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ওহী সত্য, বিশুদ্ধ ও সন্দেহ-সংশয়ের ঊর্ধ্বে। [ আদওয়াউল বায়ান, সা’দী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


সহীহ বুখারী শরীফে হযরত আবদুল্লাহ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, সিজদা বিশিষ্ট সর্বপ্রথম যে সূরাটি অবতীর্ণ হয় তা হলো এই আন্ নাজম সূরা। নবী ( সঃ ) সিজদা করেন এবং তার পিছনে যত সাহাবী ( রাঃ ) ছিলেন সবাই সিজদা করেন। শুধু একটি লোক তার মুষ্টির মধ্যে মাটি নিয়ে ওরই উপর সিজদা করে। হযরত আবদুল্লাহ ( রাঃ ) বলেনঃ “ আমি দেখি যে, এরপর ঐ লোকটি কুফরীর অবস্থাতেই মারা যায় । ঐ লোকটি ছিল উমাইয়া ইবনে খালফ।” কিন্তু এতে জটিলতা রয়েছে। তা এই যে, অন্য রিওয়াইয়াতে ঐ লোকটি উৎবা ইবনে রাবীআ নামে বর্ণিত হয়েছে। ১-৪ নং আয়াতের তাফসীর: হযরত শা'বী ( রঃ ) বলেন যে, সৃষ্টিকর্তা তার সৃষ্টবস্তুর যেটার ইচ্ছা সেটারই কসম খেতে পারেন, কিন্তু সৃষ্টজীব তার সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারো কসম খেতে পারে না।” ( এটা ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)নক্ষত্রের অস্তমিত হওয়া দ্বারা ফজরের সময় সারিয়া তারকার অস্তমিত হওয়া বুঝানো হয়েছে। কারো কারো মতে এর দ্বারা যুহরা নামক তারকা উদ্দেশ্য। যহ্হাক ( রঃ ) বলেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ওটা ঝরে গিয়ে শয়তানের দিকে ধাবিত হওয়া। এ উক্তিটির ভাল ব্যাখ্যা হতে পারে। মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, এই বাক্যটির তাফসীর হলোঃ শপথ কুরআনের যখন তা অবতীর্ণ হয়। এই আয়াতটি হলো আল্লাহ তা'আলার নিম্নের উক্তিগুলোর মতইঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের, অবশ্যই এটা এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে । নিশ্চয়ই এটা সম্মানিত কুরআন, যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে, যারা পূত পবিত্র তারা ব্যতীত অন্য কেউ তা স্পর্শ করে না। এটা জগত সমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে অবতীর্ণ।” ( ৫৬:৭৫-৮০ )তারপর যে বিষয়ের উপর শপথ করেছেন তার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, নবী ( সঃ ) পুণ্য, সততা ও হিদায়াতের উপর রয়েছেন। তিনি সত্যের অনুসারী। তিনি অজ্ঞতা বশতঃ কোন ভুল পথে পরিচালিত নন বা জেনে শুনে কোন বক্র পথের পথিক নন। পথভ্রষ্ট খৃষ্টান এবং জেনে শুনে সত্যের বিরুদ্ধাচরণকারী ইয়াহুদীদের মত চরিত্র তাঁর নয়। তাঁর জ্ঞান পরিপূর্ণ, ইলম অনুযায়ী তাঁর আমল, তাঁর পথ সোজা ও সরল, তিনি আযীমুশ্মান শরীয়তের আইন রচয়িতা এবং তিনি সত্য মধ্যম পথের উপর দণ্ডায়মান। তাঁর কোন কথা ও আদেশ তার প্রবৃত্তি ও ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে হয় না। বরং আল্লাহ তা'আলা তাঁকে যে বিষয়ের তাবলীগের হুকুম করেন তা-ই তিনি তার মুখ দিয়ে বের করেন। সেখান হতে যা কিছু বলা হয় সেটাই তার মুখে উচ্চারিত হয়। আল্লাহর কথা ও হুকুমের কম বেশী করা হতে তাঁর কালাম পবিত্র। হযরত আবূ উমামা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে বলতে শুনেছেনঃ “ নবী নয় এই রূপ একজন লোকের শাফাআতের দ্বারা দু’টি গোত্র বা দু'টি গোত্রের মধ্যে একটি গোত্রের সংখ্যার সমান লোক জান্নাতে যাবে । গোত্র দুটি হলো রাবীআহ ও মুযার।” তাঁর একথা শুনে একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করলোঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! রাবীআহ কি মুযারের অন্তর্ভুক্ত নয়?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “আমি তো ওটাই বলছি যা আমি বলেছি ।( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) হতে যা শুনতাম তা লিখে নিতাম। অতঃপর কুরায়েশরা আমাকে এ কাজ করতে নিষেধ করে বললোঃ “ তুমি তো রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) হতে যা শুনছো তার সবই লিখে নিচ্ছ, অথচ তিনি তো একজন মানুষ । তিনি কখনো কখনো ক্রোধের বশবর্তী হয়ে কিছু বলে ফেলেন?” আমি তখন লিখা হতে বিরত থাকলাম এবং রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর নিকট এটা উল্লেখ করলাম। রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তখন আমাকে বললেনঃ “ তুমি আমার কথাগুলো লিখতে থাকো । আল্লাহর শপথ! সত্য কথা ছাড়া আমার মুখ দিয়ে অন্য কোন কথা বের হয় না।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ), ইমাম আবু দাঊদ ( রঃ ) এবং ইমাম ইবনে আবি শায়বা ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে আমি তোমাদেরকে যে খবর দিয়ে থাকি তাতে কোন সন্দেহ থাকতে পারে না ।( এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আল বাযযার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ আমি সত্য ছাড়া কিছু বলি না ।” তখন কোন একজন সাহাবী তাঁকে বললেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আপনি তো আমাদের সাথে রসিকতাও করে থাকেন?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “তখনও আমি সত্য কথাই বলে থাকি ( রসিকতার সময়েও আমার মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বের হয় না )( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)

সূরা নাজ্ম আয়াত 1 সূরা

والنجم إذا هوى

سورة: النجم - آية: ( 1 )  - جزء: ( 27 )  -  صفحة: ( 526 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. স্মরণ কর ইব্রাহীমকে। যখন তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন; তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাঁকে ভয়
  2. নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা আছে, তিনি তা জানেন। তিনি আরও জানেন তোমরা যা গোপনে কর
  3. তোমাদের কি ধারণা, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনও দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জেহাদ
  4. এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করেছি।
  5. অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,
  6. নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ
  7. আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে আমার
  8. মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন। তিনিই
  9. অতঃপর যখন তাদের কাছে আমার উজ্জল নিদর্শনাবলী আগমন করল, তখন তারা বলল, এটা তো সুস্পষ্ট
  10. তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, অতঃপর তাকে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তাকে

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা নাজ্ম ডাউনলোড করুন:

সূরা Najm mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Najm শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত নাজ্ম  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত নাজ্ম  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত নাজ্ম  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত নাজ্ম  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত নাজ্ম  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত নাজ্ম  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত নাজ্ম  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত নাজ্ম  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত নাজ্ম  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত নাজ্ম  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত নাজ্ম  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 6, 2026

Please remember us in your sincere prayers