কোরান সূরা তালাক্ব আয়াত 10 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Talaq ayat 10 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা তালাক্ব আয়াত 10 আরবি পাঠে(Talaq).
  
   

﴿أَعَدَّ اللَّهُ لَهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا ۖ فَاتَّقُوا اللَّهَ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ الَّذِينَ آمَنُوا ۚ قَدْ أَنزَلَ اللَّهُ إِلَيْكُمْ ذِكْرًا﴾
[ الطلاق: 10]

আল্লাহ তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন। [সূরা তালাক্ব: 10]

Surah At-Talaq in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Talaq ayat 10


আল্লাহ্ তাদের জন্য ভীষণ শাস্তি তৈরি রেখেছেন, অতএব আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করো, হে জ্ঞানবান লোকেরা -- যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্ তোমাদের কাছে প্রেরণ করেই রেখেছেন এক স্মারক --


Tafsir Mokhtasar Bangla


১০. আল্লাহ তাদের উদ্দেশ্যে কঠিন শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। তাই হে জ্ঞানীরা! তোমরা যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের উপর ঈমান এনেছো তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করো। যাতে তোমাদের উপর তা আরোপিত না হয় যা হয়েছিল তাদের উপর। আল্লাহ তোমাদের উপর এমন উপদেশ অবতীর্ণ করেছেন যা তোমাদেরকে তাঁর অবাধ্যতার কুফল এবং তাঁর আনুগত্যের উত্তম পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


আল্লাহ তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, হে বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ, যারা ঈমান এনেছ! নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন উপদেশ।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আল্লাহ্‌ তাদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। অতএব তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, হে বোধসম্পন্ন ব্যাক্তিগণ ! যারা ঈমান এনেছ। অবশ্যই আল্লাহ্‌ তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন এক উপদশ ---

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৮-১১ নং আয়াতের তাফসীর যারা আল্লাহর হুকুমের বিরোধিতা করে, তাঁর রাসূল ( সাঃ )-কে না মানে এবং তাঁর শরীয়তের উপর না চলে তাদেরকে ধমকের সুরে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ দেখো, পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যেও যারা তোমাদের নীতির উপর চলতো, অহংকার ও ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতো, আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রাসূলদের আনুগত্য হতে মুখ ফিরিয়ে নিতো, তাদেরকে কঠিনভাবে হিসাব দিতে হয়েছিল এবং কঠিন শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করতে হয়েছিল। ক্ষতিই ছিল তাদের কৃতকর্মের পরিণাম। ঐ সময় তারা লজ্জিত হয়েছিল, কিন্তু ঐ সময়ের লজ্জা ও অনুশোচনা তাদের কোন উপকারে আসেনি। দুনিয়ার এই শাস্তিই যদি শেষ শাস্তি হতো তাহলে তো একটা কথা ছিল। কিন্তু না, তা নয়! বরং পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন শাস্তি। সুতরাং হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের পরিণাম হতে শিক্ষা গ্রহণ কর। তোমরা তাদের মত হয়ো না।মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন যিকর। এখানে যিক্‌র দ্বারা কুরআন কারীমকে বুঝানো হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই ওর হিফাযতকারী ।( ১৫:৯ ) কেউ কেউ বলেন যে, এখানে ‘যিক্‌র’ দ্বারা রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) উদ্দেশ্য। যেহেতু সাথে সাথেই বলা হয়েছেঃ ( আরবি ) তাহলে এটা হবে ( আরবি ) রাসূলুল্লাহ( সঃ ) কুরআনকে জনগণের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, এই সম্পর্কের কারণে তাঁকেই ‘যিক্‌র’ শব্দ দ্বারা স্মরণ করা হয়েছে। ইমাম ইবনে জারীরও ( রঃ ) এই ভাবার্থকে সঠিক বলেছেন।এরপর আল্লাহ তা'আলা রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তিনি মানুষের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত আবৃত্তি করে থাকেন, যারা মুমিন ও সকর্মপরায়ণ তাদেরকে অজ্ঞতার অন্ধকার হতে জ্ঞানের আলোকের দিকে আনার জন্যে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ এই কিতাব আমি তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি, যেন তুমি জনগণকে অন্ধকার হতে আলোকের দিকে নিয়ে আস ।( ১৪:১ ) আল্লাহ তা'আলা আরো বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক, তিনি তাদেরকে অন্ধকার হতে আলোকের দিকে নিয়ে আসেন ।( ২৪:২৫৭ ) অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা তাঁর নাযিলকৃত ওহীকে নূর বা জ্যোতি বলেছেন। কেননা, এর দ্বারা হিদায়াত ও সরল সঠিক পথ লাভ করা যায়। আর মহান আল্লাহ এর নাম রূহও রেখেছেন। কেননা, এর দ্বারা অন্তর জীবন লাভ করে থাকে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ এভাবেই আমি তোমার প্রতি আমার হুকুমের রূহের ওহী করেছি, তুমি জানতে না যে, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি ওটাকে দূর করে দিয়েছি, যার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের যাকে ইচ্ছা হিদায়াত করে থাকি । নিশ্চয়ই তুমি সরল সঠিক পথের দিশারী।” ( ৪২:৫২ )এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ যে কেউ আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেথায় তারা চিরস্থায়ী হবে; আল্লাহ তাকে উত্তম জীবনোপকরণ দিবেন। এর তাফসীর ইতিপূর্বে কয়েকবার করা হয়েছে। সুতরাং এখানে পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন।

সূরা তালাক্ব আয়াত 10 সূরা

أعد الله لهم عذابا شديدا فاتقوا الله ياأولي الألباب الذين آمنوا قد أنـزل الله إليكم ذكرا

سورة: الطلاق - آية: ( 10 )  - جزء: ( 28 )  -  صفحة: ( 559 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. লূত (আঃ) বললেন-হায়, তোমাদের বিরুদ্ধে যদি আমার শক্তি থাকত অথবা আমি কোন সূদৃঢ় আশ্রয় গ্রহণ
  2. বলুনঃ তাদের কথামত যদি তাঁর সাথে অন্যান্য উপাস্য থাকত; তবে তারা আরশের মালিক পর্যন্ত পৌছার
  3. বললেন তুই এখান থেকে যা। এখানে অহংকার করার কোন অধিকার তোর নাই। অতএব তুই বের
  4. আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে
  5. অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন, যারা
  6. তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?
  7. কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।
  8. তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।
  9. যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে।
  10. এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা তালাক্ব ডাউনলোড করুন:

সূরা Talaq mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Talaq শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত তালাক্ব  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত তালাক্ব  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত তালাক্ব  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত তালাক্ব  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত তালাক্ব  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত তালাক্ব  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত তালাক্ব  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত তালাক্ব  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত তালাক্ব  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত তালাক্ব  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত তালাক্ব  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 13, 2026

Please remember us in your sincere prayers