কোরান সূরা আ'লা আয়াত 14 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al Ala ayat 14 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা আ'লা আয়াত 14 আরবি পাঠে(Al Ala).
  
   

﴿قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ﴾
[ الأعلى: 14]

নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয় [সূরা আ'লা: 14]

Surah Al-Ala in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al Ala ayat 14


সে-ই যথার্থ সফলকাম হবে যে নিজেকে পবিত্র করেছে,


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৪. নিশ্চয়ই সে ব্যক্তি নিজ উদ্দেশ্যে সফলতা অর্জন করেছে যে শিরক ও পাপাচার থেকে পবিত্রতা লাভ করেছে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


নিশ্চয় সে সাফল্য লাভ করে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে।[১] [১] অর্থাৎ, যে নিজের আত্মাকে নোংরা আচরণ থেকে এবং অন্তরকে শিরক ও পাপাচারের পঙ্কিলতা থেকে পবিত্র করে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে পরিশুদ্ধ হয় []। [] এখানে পরিশুদ্ধ বা পবিত্রতার অর্থ কুফার ও শির্ক ত্যাগ করে ঈমান আনা, অসৎ আচার-আচরণ ত্যাগ করে সদাচার অবলম্বন করা এবং অসৎকাজ ত্যাগ করে সৎকাজ করা। আর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যা নাযিল হয়েছে তার অনুসরণ করা। আয়াতের আরেক অর্থ, ধনসম্পদের যাকাত প্ৰদান করা। তবে যাকাতকেও একারণে যাকাত বলা হয় যে, তা ধন-সম্পদকে পরিশুদ্ধ করে। এখানে تزكى শব্দের অর্থ ব্যাপক হতে পারে। ফলে ঈমানগত ও চরিত্রগত পরিশুদ্ধি এবং আর্থিক যাকাত প্ৰদান সবই এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে। [ দেখুন, ফাতহুল কাদীর ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১৪-১৯ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ যে ব্যক্তি চরিত্রহীনতা হতে নিজেকে পবিত্র করে নিয়েছে, ইসলামের হুকুম আহকামের পুরোপুরি তাবেদারী করেছে এবং নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশ পালন ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে, সে মুক্তি ও সাফল্য লাভ করেছে।হযরত জাবির ইবনে আবদিল্লাহ্ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম ( সঃ ) ( আরবি ) এ আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ “ যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করেছে, সে মুক্তি ও সাফল্য লাভ করেছে । আর ( আরবি ) এ আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ “ এটা হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া এবং এর উপর পুরোপুরি যত্নবান থাকা ।”হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, এখানে দৈনন্দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে বুঝানো হয়েছে।হযরত আবুল আলিয়া ( রঃ ) একবার ঈদের পূর্বের দিন আবূ খালদা ( রঃ )-কে বলেনঃ “ কাল ঈদগাহে যাওয়ার সময় আমার সাথে সাক্ষাৎ করে যেয়ো ।” আবূ খালদা' ( রঃ ) বলেনঃ আমি তার কথামত তাঁর কাছে গেলে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “ তুমি কি কিছু খেয়েছো?” আমি উত্তরে বললামঃ হ্যা ( খেয়েছি ) তিনি প্রশ্ন করলেনঃ “ গোসল করেছো?” আমি জবাব দিলামঃ হ্যা ( করেছি ) তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ “ ফিত্রা’ আদায় করেছো?” আমি জবাবে বললামঃ হ্যা ( করেছি ) তিনি তখন বললেনঃ “ আমি তোমাকে এ কথা বলার জন্যেই ডেকেছিলাম । এ আয়াতের অর্থও এটাই বটে।" মদীনাবাসী ফিত্রা’ আদায় করা এবং পানিপান করানোর চেয়ে উত্তম কোন সাদকার কথা জানতেন হযরত উমার ইবনে আবদিল আযীযও ( রঃ ) লোকদেরকে ফিত্রা’ আদায়ের আদেশ করতেন এবং এ আয়াত পাঠ করে শুনাতেন।হযরত আবুল আহওয়াস ( রঃ ) বলতেনঃ “ যদি তোমাদের মধ্যে কেউ নামায পড়ার ইচ্ছা করে এবং এই অবস্থায় কোন ভিক্ষুক এসে পড়ে তবে যেন সে তাকে কিছু দান করে ।” অতঃপর তিনি ( আরবি ) আয়াত দু’টি পাঠ করতেন। হযরত কাতাদা ( রঃ ) বলেন যে, এ আয়াতদ্বয়ের ভাবার্থ হলোঃ যে নিজের মালকে পবিত্র করেছে এবং স্বীয় সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করেছে ( সে সফলকাম হয়েছে )।এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকো। অর্থাৎ তোমরা আখেরাতের উপর পার্থিব জীবনকেই প্রাধান্য দিচ্ছ, অথচ প্রকৃতপক্ষে আখেরাতের জীবনকে দুনিয়ার জীবনের উপর প্রাধান্য দেয়ার মধ্যেই তোমাদের কল্যাণ নিহিত রয়েছে। দুনিয়া তো হলো ক্ষণস্থায়ী, ভঙ্গুর অমর্যাদাকর। পক্ষান্তরে, আখেরাতের জীবন হলো চিরস্থায়ী ও মর্যাদাকর। কোন বুদ্ধিমান লোক অস্থায়ীকে স্থায়ীর উপর এবং মর্যাদাহীনকে মর্যাদাসম্পন্নের উপর প্রাধান্য দিতে পারে না। দুনিয়ার জীবনের জন্যে আখেরাতের জীবনের প্রস্তুতি পরিত্যাগ করতে পারে না।মুসনাদে আহমদে হযরত আয়েশা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ দুনিয়া ঐ ব্যক্তির ঘর যার ( আখেরাতে কেনি ) ঘর নেই, দুনিয়া ঐ ব্যক্তির সম্পদ যার ( আখেরাতে কোন ) সম্পদ নেই এবং দুনিয়ার জন্যে ঐ ব্যক্তি ( মালধন ) জমা করে যার বিবেক বুদ্ধি নেই ।”হযরত আ’রফাজা’ সাকাফী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হযরত ইবনে মাসউদ ( রাঃ ) কাছে ( আরবি ) এই সূরাটির পাঠ শুনতে শুনতে চাচ্ছিলাম। যখন তিনি ( আরবি ) পর্যন্ত পৌঁছলেন তখন তিনি এর পাঠ ছেড়ে দিয়ে স্বীয় সঙ্গীদেরকে বললেনঃ “ আমরা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের জীবনের উপর প্রাধান্য দিয়েছি । তার এ কথায় জনগণ নীরব থাকলে তিনি বলেনঃ আমরা দুনিয়ার মোহে পড়ে গেছি। দুনিয়ার সৌন্দর্য নারী, খাদ্য ও পানীয় ইত্যাদি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আর আখেরাত আমাদের দৃষ্টির অন্তরালে রয়েছে। তাই আমরা আমাদের সামনের জিনিসের প্রতি মনোযোগ দিয়েছি এবং দূরের জিনিস হতে চক্ষু ফিরিয়ে নিয়েছি।” ( এটা ইমাম ইবনে জারীর (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) হযরত আবদুল্লাহ ( ইবনে মাসউদ (রাঃ ) এ কথাগুলো বিনয় প্রকাশের জন্যে বলেছেন, না মানুষের স্বভাব হিসেবে বলেছেন তা আল্লাহ পাকই ভাল জানেন।মুসনাদে আহমদে হযরত আবু মূসা আশআরী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যে ব্যক্তি দুনিয়াকে ভালবেসেছে সে তার আখেরাতের ক্ষতি করেছে, আর যে ব্যক্তি আখেরাতকে ভালবেসেছে, সে তার দুনিয়ার ক্ষতি করেছে । হে জনমণ্ডলী! যা বাকী থাকবে তাকে যা বাকী থাকবে না তার উপর প্রাধান্য দাও।” এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “ এটা তো পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে ইবরাহীম ( আঃ ) এবং মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে রয়েছে । হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, যখন ( আরবি ) এই আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন নবী করীম ( সঃ ) বলেনঃ “ এর প্রত্যেকটাই হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) হযরত মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে বিদ্যমান ছিল ।( এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আল বাযযার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)সুনানে নাসাঈতে হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, যখন( আরবি ) অবতীর্ণ হয় তখন বলেন “ এর প্রত্যেকটাই হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) হযরত মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে রয়েছে । আর যখন ( আরবি ) ( ৫৩:৩৭ ) অবতীর্ণ হয় তখন বলেনঃ হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) তাঁর দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করেছিলেন। ( আরবি ) ( কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। (১৭:১৫ ) অর্থাৎ এই আয়াত সুরা নাজমের নিম্নের আয়াতগুলোর মতঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ তাকে কি অবগত করা হয়নি যা আছে মূসা ( আঃ ) এর কিতাবে? এবং ইব্রাহীম ( আঃ ) এর কিতাবে, যে পালন করেছিল তার দায়ীত্ব? তা এই যে, কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না । আর এই যে, মানুষ তাই পায় যা সে করে। আর এই যে, তার কর্ম অচিরেই দেখানো হবে। অতঃপর তাকে দেয়া হবে পূর্ণ প্রতিদান। আর এই যে, সবকিছুর সমাপ্তি তো তোমার প্রতিপালকের নিকট [ শেষ পর্যন্ত আয়াতগুলো ]।” ( ৫৩ ৪ ৩৬-৪২ ) অর্থাৎ সমস্ত হুকুম-আহকাম পূর্ববর্তী আয়াতসমূহেও লিপিবদ্ধ ছিল। একইভাবে ( আরবি ) সূরার আয়াতগুলোতেও ঐ সব হুকুম আহকামের কথা বুঝানো হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন যে, সমগ্র সূরাটিতেই এগুলোর বর্ণনা রয়েছে। আবার কারো কারো মতে( আরবি ) হতে ( আরবি ) পর্যন্ত আয়াতগুলোতে এর বর্ণনা রয়েছে। প্রথম উক্তিটিই বেশী সবল। এটাকেই হাসান ( রঃ ) পছন্দ করেছেন। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।

সূরা আ'লা আয়াত 14 সূরা

قد أفلح من تزكى

سورة: الأعلى - آية: ( 14 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 592 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এবং তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।
  2. আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছুকাল মজা লুটে নাও।
  3. আল্লাহ ফয়সালা করেন সঠিকভাবে, আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদেরকে ডাকে, তারা কিছুই ফয়সালা করে না। নিশ্চয়
  4. সে বললঃ তোমরা স্বহস্ত নির্মিত পাথরের পূজা কর কেন?
  5. আর যে লোক তা অস্বীকার করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার প্রয়াস পাবে, তারাই
  6. তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তাঁকে ডাক তাঁর খাঁটি এবাদতের মাধ্যমে। সমস্ত
  7. তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।
  8. অতএব তারা যদি ঈমান আনে, তোমাদের ঈমান আনার মত, তবে তারা সুপথ পাবে। আর যদি
  9. আল্লাহ বললেনঃ আমি যখন নির্দেশ দিয়েছি, তখন তোকে কিসে সেজদা করতে বারণ করল? সে বললঃ
  10. যেমন, আমি পাঠিয়েছি তোমাদেরই মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে একজন রসূল, যিনি তোমাদের নিকট আমার বাণীসমুহ

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা আ'লা ডাউনলোড করুন:

সূরা Al Ala mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al Ala শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত আ'লা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত আ'লা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত আ'লা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত আ'লা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত আ'লা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত আ'লা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত আ'লা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত আ'লা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত আ'লা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত আ'লা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত আ'লা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত আ'লা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত আ'লা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত আ'লা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত আ'লা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত আ'লা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত আ'লা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত আ'লা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত আ'লা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Thursday, June 25, 2026

Please remember us in your sincere prayers