কোরান সূরা আ'লা আয়াত 15 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al Ala ayat 15 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা আ'লা আয়াত 15 আরবি পাঠে(Al Ala).
  
   

﴿وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ﴾
[ الأعلى: 15]

এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে। [সূরা আ'লা: 15]

Surah Al-Ala in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al Ala ayat 15


এবং তার প্রভুর নাম স্মরণ করে, আর নামায পড়ে।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৫. আর স্বীয় রবকে তাঁর পক্ষ থেকে বিধিবদ্ধ বিভিন্ন প্রকার যিকিরের মাধ্যমে স্মরণ করে এবং পছন্দসই পদ্ধতি অনুযায়ী নামায সম্পাদন করে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


এবং নিজ প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও নামায আদায় করে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


এবং তার রবের নাম স্মরণ করে ও সালাত কায়েম করে []। [] কেউ কেউ অর্থ করেছেন, তারা তাদের রবের নাম স্মরণ করে এবং সালাত আদায় করে। বাহ্যতঃ এতে ফরয ও নফল সবরকম সালাত অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ ঈদের সালাত দ্বারা এর তাফসীর করে বলেছেন যে, যে যাকাতুল ফিতর এবং ঈদের সালাত আদায় করে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, ‘নাম স্মরণ করা’ বলতে আল্লাহ্কে মনে মনে স্মরণ করা এবং মুখে তা উচ্চারণ করাও উদ্দেশ্য হতে পারে। অর্থাৎ আল্লাহ্কে মনে মনে বা মুখে উচ্চারণ করে স্মরণ করেছে, তারপর সালাত আদায় করেছে। সে শুধু আল্লাহ্র স্মরণ করেই ক্ষান্ত থাকেনি। বরং নিয়মিত সালাত আদায়ে ব্যাপৃত ছিল। মূলত: এ সবই আয়াতের অর্থ হতে কোন বাধা নেই। [ ফাতহুল কাদীর ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১৪-১৯ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ যে ব্যক্তি চরিত্রহীনতা হতে নিজেকে পবিত্র করে নিয়েছে, ইসলামের হুকুম আহকামের পুরোপুরি তাবেদারী করেছে এবং নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশ পালন ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে, সে মুক্তি ও সাফল্য লাভ করেছে।হযরত জাবির ইবনে আবদিল্লাহ্ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম ( সঃ ) ( আরবি ) এ আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ “ যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করেছে, সে মুক্তি ও সাফল্য লাভ করেছে । আর ( আরবি ) এ আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ “ এটা হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া এবং এর উপর পুরোপুরি যত্নবান থাকা ।”হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, এখানে দৈনন্দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে বুঝানো হয়েছে।হযরত আবুল আলিয়া ( রঃ ) একবার ঈদের পূর্বের দিন আবূ খালদা ( রঃ )-কে বলেনঃ “ কাল ঈদগাহে যাওয়ার সময় আমার সাথে সাক্ষাৎ করে যেয়ো ।” আবূ খালদা' ( রঃ ) বলেনঃ আমি তার কথামত তাঁর কাছে গেলে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “ তুমি কি কিছু খেয়েছো?” আমি উত্তরে বললামঃ হ্যা ( খেয়েছি ) তিনি প্রশ্ন করলেনঃ “ গোসল করেছো?” আমি জবাব দিলামঃ হ্যা ( করেছি ) তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ “ ফিত্রা’ আদায় করেছো?” আমি জবাবে বললামঃ হ্যা ( করেছি ) তিনি তখন বললেনঃ “ আমি তোমাকে এ কথা বলার জন্যেই ডেকেছিলাম । এ আয়াতের অর্থও এটাই বটে।" মদীনাবাসী ফিত্রা’ আদায় করা এবং পানিপান করানোর চেয়ে উত্তম কোন সাদকার কথা জানতেন হযরত উমার ইবনে আবদিল আযীযও ( রঃ ) লোকদেরকে ফিত্রা’ আদায়ের আদেশ করতেন এবং এ আয়াত পাঠ করে শুনাতেন।হযরত আবুল আহওয়াস ( রঃ ) বলতেনঃ “ যদি তোমাদের মধ্যে কেউ নামায পড়ার ইচ্ছা করে এবং এই অবস্থায় কোন ভিক্ষুক এসে পড়ে তবে যেন সে তাকে কিছু দান করে ।” অতঃপর তিনি ( আরবি ) আয়াত দু’টি পাঠ করতেন। হযরত কাতাদা ( রঃ ) বলেন যে, এ আয়াতদ্বয়ের ভাবার্থ হলোঃ যে নিজের মালকে পবিত্র করেছে এবং স্বীয় সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করেছে ( সে সফলকাম হয়েছে )।এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকো। অর্থাৎ তোমরা আখেরাতের উপর পার্থিব জীবনকেই প্রাধান্য দিচ্ছ, অথচ প্রকৃতপক্ষে আখেরাতের জীবনকে দুনিয়ার জীবনের উপর প্রাধান্য দেয়ার মধ্যেই তোমাদের কল্যাণ নিহিত রয়েছে। দুনিয়া তো হলো ক্ষণস্থায়ী, ভঙ্গুর অমর্যাদাকর। পক্ষান্তরে, আখেরাতের জীবন হলো চিরস্থায়ী ও মর্যাদাকর। কোন বুদ্ধিমান লোক অস্থায়ীকে স্থায়ীর উপর এবং মর্যাদাহীনকে মর্যাদাসম্পন্নের উপর প্রাধান্য দিতে পারে না। দুনিয়ার জীবনের জন্যে আখেরাতের জীবনের প্রস্তুতি পরিত্যাগ করতে পারে না।মুসনাদে আহমদে হযরত আয়েশা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ দুনিয়া ঐ ব্যক্তির ঘর যার ( আখেরাতে কেনি ) ঘর নেই, দুনিয়া ঐ ব্যক্তির সম্পদ যার ( আখেরাতে কোন ) সম্পদ নেই এবং দুনিয়ার জন্যে ঐ ব্যক্তি ( মালধন ) জমা করে যার বিবেক বুদ্ধি নেই ।”হযরত আ’রফাজা’ সাকাফী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হযরত ইবনে মাসউদ ( রাঃ ) কাছে ( আরবি ) এই সূরাটির পাঠ শুনতে শুনতে চাচ্ছিলাম। যখন তিনি ( আরবি ) পর্যন্ত পৌঁছলেন তখন তিনি এর পাঠ ছেড়ে দিয়ে স্বীয় সঙ্গীদেরকে বললেনঃ “ আমরা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের জীবনের উপর প্রাধান্য দিয়েছি । তার এ কথায় জনগণ নীরব থাকলে তিনি বলেনঃ আমরা দুনিয়ার মোহে পড়ে গেছি। দুনিয়ার সৌন্দর্য নারী, খাদ্য ও পানীয় ইত্যাদি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আর আখেরাত আমাদের দৃষ্টির অন্তরালে রয়েছে। তাই আমরা আমাদের সামনের জিনিসের প্রতি মনোযোগ দিয়েছি এবং দূরের জিনিস হতে চক্ষু ফিরিয়ে নিয়েছি।” ( এটা ইমাম ইবনে জারীর (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) হযরত আবদুল্লাহ ( ইবনে মাসউদ (রাঃ ) এ কথাগুলো বিনয় প্রকাশের জন্যে বলেছেন, না মানুষের স্বভাব হিসেবে বলেছেন তা আল্লাহ পাকই ভাল জানেন।মুসনাদে আহমদে হযরত আবু মূসা আশআরী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যে ব্যক্তি দুনিয়াকে ভালবেসেছে সে তার আখেরাতের ক্ষতি করেছে, আর যে ব্যক্তি আখেরাতকে ভালবেসেছে, সে তার দুনিয়ার ক্ষতি করেছে । হে জনমণ্ডলী! যা বাকী থাকবে তাকে যা বাকী থাকবে না তার উপর প্রাধান্য দাও।” এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “ এটা তো পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে ইবরাহীম ( আঃ ) এবং মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে রয়েছে । হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, যখন ( আরবি ) এই আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন নবী করীম ( সঃ ) বলেনঃ “ এর প্রত্যেকটাই হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) হযরত মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে বিদ্যমান ছিল ।( এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আল বাযযার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)সুনানে নাসাঈতে হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, যখন( আরবি ) অবতীর্ণ হয় তখন বলেন “ এর প্রত্যেকটাই হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) হযরত মূসা ( আঃ )-এর সহীফাসমূহে রয়েছে । আর যখন ( আরবি ) ( ৫৩:৩৭ ) অবতীর্ণ হয় তখন বলেনঃ হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) তাঁর দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করেছিলেন। ( আরবি ) ( কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। (১৭:১৫ ) অর্থাৎ এই আয়াত সুরা নাজমের নিম্নের আয়াতগুলোর মতঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ তাকে কি অবগত করা হয়নি যা আছে মূসা ( আঃ ) এর কিতাবে? এবং ইব্রাহীম ( আঃ ) এর কিতাবে, যে পালন করেছিল তার দায়ীত্ব? তা এই যে, কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না । আর এই যে, মানুষ তাই পায় যা সে করে। আর এই যে, তার কর্ম অচিরেই দেখানো হবে। অতঃপর তাকে দেয়া হবে পূর্ণ প্রতিদান। আর এই যে, সবকিছুর সমাপ্তি তো তোমার প্রতিপালকের নিকট [ শেষ পর্যন্ত আয়াতগুলো ]।” ( ৫৩ ৪ ৩৬-৪২ ) অর্থাৎ সমস্ত হুকুম-আহকাম পূর্ববর্তী আয়াতসমূহেও লিপিবদ্ধ ছিল। একইভাবে ( আরবি ) সূরার আয়াতগুলোতেও ঐ সব হুকুম আহকামের কথা বুঝানো হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন যে, সমগ্র সূরাটিতেই এগুলোর বর্ণনা রয়েছে। আবার কারো কারো মতে( আরবি ) হতে ( আরবি ) পর্যন্ত আয়াতগুলোতে এর বর্ণনা রয়েছে। প্রথম উক্তিটিই বেশী সবল। এটাকেই হাসান ( রঃ ) পছন্দ করেছেন। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।

সূরা আ'লা আয়াত 15 সূরা

وذكر اسم ربه فصلى

سورة: الأعلى - آية: ( 15 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 592 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।
  2. এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।
  3. যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল
  4. তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ কাফের এবং কেউ মুমিন। তোমরা যা কর,
  5. তারা বললঃ হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ কর, না হয় আমরা প্রথমে নিক্ষেপ করি।
  6. এ দুনিয়ার জীবনে যা কিছু ব্যয় করা হয়, তার তুলনা হলো ঝড়ো হাওয়ার মতো, যাতে
  7. স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের
  8. এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।
  9. এবং বেশী পরিমাণে আপনাকে স্মরণ করতে পারি।
  10. তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলুল্লাহর আনুগত্য কর। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমার

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা আ'লা ডাউনলোড করুন:

সূরা Al Ala mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al Ala শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত আ'লা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত আ'লা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত আ'লা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত আ'লা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত আ'লা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত আ'লা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত আ'লা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত আ'লা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত আ'লা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত আ'লা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত আ'লা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত আ'লা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত আ'লা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত আ'লা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত আ'লা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত আ'লা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত আ'লা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত আ'লা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত আ'লা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত আ'লা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত আ'লা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers