কোরান সূরা মারইয়াম আয়াত 22 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Maryam ayat 22 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা মারইয়াম আয়াত 22 আরবি পাঠে(Maryam).
  
   

﴿۞ فَحَمَلَتْهُ فَانتَبَذَتْ بِهِ مَكَانًا قَصِيًّا﴾
[ مريم: 22]

অতঃপর তিনি গর্ভে সন্তান ধারণ করলেন এবং তৎসহ এক দূরবর্তী স্থানে চলে গেলেন। [সূরা মারইয়াম: 22]

Surah Maryam in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Maryam ayat 22


তারপর তিনি তাঁকে গর্ভে ধারণ করলেন, এবং তৎসহ এক দূরবর্তী স্থানে সরে গেলেন।


Tafsir Mokhtasar Bangla


২২. ফিরিশতার ফুঁয়ের পর মারইয়াম ( আলাইহাস-সালাম ) গর্ভবতী হয়ে যান। ফলে তিনি গর্ভের সন্তানটিকে নিয়ে মানুষ থেকে অনেক দূরের জায়গায় সরে যান।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


অতঃপর সে গর্ভে সন্তান ধারণ করল ও তাকে নিয়ে এক দূরবর্তী স্থানে চলে গেল।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


অতঃপর সে তাকে গর্ভে ধারণ করল এবং তা সহ দূরের এক স্থানে চলে গেল []। [] দূরবতী স্থানে মানে বাইত লাহ্ম। [ কুরতুবী ] কাতাদা বলেন, পূর্বদিকে। [ তাবারী ] মারইয়াম আলাইহাস সালাম হঠাৎ গৰ্ভধারণ করলেন। এ অবস্থায় যদি তিনি নিজের ইতিকাফের জায়গায় বসে থাকতেন এবং লোকেরা তাঁর গর্ভধারণের কথা জানতে পারতো, তাহলে শুধুমাত্র পরিবারের লোকেরাই নয়, সম্প্রদায়ের অন্যান্য লোকেরাও তাঁর জীবন ধারণ কঠিন করে দিতো। তাই তিনি কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবার পর নীরবে নিজের ইতিকাফ কক্ষ ত্যাগ করে বাইরে বের হয়ে পড়লেন, যাতে আল্লাহর ইচ্ছা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নিজ সম্প্রদায়ের তিরস্কার, নিন্দাবাদ ও ব্যাপক দুর্ণাম থেকে রক্ষা পান। [ দেখুন, কুরতুবী; ইবন কাসীর ] ঈসা আলাইহিস সালামের জন্ম যে পিতা ছাড়াই হয়েছিল। এ ঘটনাটি নিজেই তার একটি বিরাট প্রমাণ। যদি তিনি বিবাহিত হতেন এবং স্বামীর ঔরসে সন্তান জন্মলাভের ব্যাপার হতো তাহলে তো সন্তান প্রসবের জন্য তাঁর শ্বশুরালয়ে বা পিতৃগৃহে না গিয়ে একাকী একটি দূরবতী স্থানে চলে যাওয়ার কোন কারণই ছিল না। সুতরাং নাসারাদের মিথ্যাচার এখানে স্পষ্ট। তারা তাকে বিবাহিত বানিয়ে ছাড়ছে।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


২২-২৩ নং আয়াতের তাফসীর: বর্ণিত আছে যে, যখন হযরত মারইয়াম ( আঃ ) আল্লাহর নির্দেশ শুনে নেন এবং তাঁর সামনে নত হয়ে পড়েন তখন হযরত জিবরাঈল ( আঃ ) তার জামার কলারের মধ্যে দিয়ে ফুৎকার দেন, যার ফলে আল্লাহর হুকুমে তিনি গর্ভবতী হয়ে যান। এরপর তিনি কঠিনভাবে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন এবং জনগণকে তিনি কি জবাব দিবেন একথা ভেবে তিনি কেঁপে ওঠেন। তার ধারণা হলো যে, তিনি নিজেকে লক্ষবার দোষমুক্ত বললেও তাঁর ঐ অস্বাভাবিক কথা বিশ্বাস করবে কে? এভাবে ভয়ে ভয়েই তিনি কালাতিপাত করতে থাকেন। কারো কাছেই তিনি ঐ ঘটনা প্রকাশ করেন নাই। হাঁ, তবে একদা তিনি তার খালা হযরত যাকারিয়ার ( আঃ ) স্ত্রীর নিকট আগমন করেন। তাঁর খালা তখন তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলানোর পর বলেন, “ হে আমার বোনের মেয়ে আল্লাহর অসীম ক্ষমতাবলে ও তোমার খালুর প্রার্থনার বরকতে এই বৃদ্ধ বয়সেও আমি গর্ভবতী হয়ে গেছি ।” তখন হযরত মারইয়াম ( আঃ ) তাকে বললেনঃ “ খালাজান! আমার সাথে এরূপ এরূপ ঘটনা ঘটেছে এবং আমিও নিজেকে গর্ভবতী দেখছি ।” তিনি ছিলেন নবী পরিবারের মহিলা, কাজেই তিনি আল্লাহর ক্ষমতার উপর এবং মারইয়ামের ( আঃ ) সত্যবাদিতার উপর ঈমান আনয়ন করেন। এখন থেকে অবস্থা এই দাড়ালো যে, যখনই তাঁরা দু’জন একত্রে মিলিত হতেন তখন খালা অনুভব করতেন যে, তার পেটের সন্তান যেন তার ভাগিনেয়ীর পেটের সন্তানের সামনে ঝুঁকে পড়ছে ও তাকে সম্মান করছে। তাদের মাযহাবে এটা জায়েযও ছিল। এ কারণেই হযরত ইউসুফের ( আঃ ) ভ্রাতাগণ ও তাঁর পিতা মাতা তাকে সিজদা করেছিলেন এবং আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদেরকে হযরত আদমের ( আঃ ) সামনে সিজদাবনত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের শরীয়তে এইরূপ সম্মান প্রদর্শন আল্লাহ তাআলার জন্যেই বিশিষ্ট হয়ে গেছে। অন্যকারো সামনে সিজদাবনত হওয়া আমাদের শরীয়তে হারাম। কেননা, এইরূপ সম্মান প্রদর্শন আল্লাহর মাহাত্ম্যের বিপরীত। এটা একমাত্র তার জন্যেই শোভা পায়।ইমাম মালিক ( রঃ ) বলেন যে, হযরত ঈসা ( আঃ ) হযরত ইয়াহইয়া ( আঃ ) পরস্পর খালাতো ভাই ছিলেন। তাঁরা দুজন একই সময়ে নিজ নিজ মায়ের গর্ভে ছিলেন। হযরত ইয়াহ্ইয়ার ( আঃ ) মাতা প্রায়ই হযরত মারইয়ামকে ( আঃ ) বলতেনঃ “ আমার এরূপ মনে হচ্ছে যে, আমার পেটের সন্তান যেন তোমার পেটের সন্তানের সামনে সিজদা করছে । এর দ্বারা হযরত ঈসার ( আঃ ) উচ্চ মর্যাদার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। কেননা, আল্লাহ তাআলার হুকুমে তিনি মৃতকে জীবিত করতেন এবং জন্মান্ধ ও কুষ্ঠরোগীকে ভাল করতেন। জমহুরের উক্তি তো এটাই যে, তিনি নয় মাস পর্যন্ত মাতার গর্ভে ছিলেন। ইকরামা ( রঃ ) বলেন, আট মাস পর্যন্ত ছিলেন। তিনি বলেন যে, এজন্যেই আট মাস পর্যন্ত থাকা সন্তান প্রায়ই বাঁচে না। হযরত ইবনু আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, হযরত মারইয়াম ( আঃ ) গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথেই হযরত ঈসা ( আঃ ) জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু এটা গারীব উক্তি। সম্ভৱতঃ আয়াতের বাহ্যিক শব্দ দেখেই তিনি এটা ধারণা করেছেন। কেননা, গর্ভ পৃথক হওয়া এবং প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার বর্ণনা ( আরবী ) অক্ষরের সাথে রয়েছে। আর ( আরবী ) অক্ষরটি ( আরবী ) ( পিছনে পিছনে আসা বা পরপরই আসা ) এর জন্যে এসে থাকে। কিন্তু এই যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ ( আরবী ) বিষয় অনুপাতে হয়ে থাকে। অর্থাৎ “ আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার উপাদান হতে । অতঃপর আমি ওকে শুক্রবিন্দুরূপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আধারে। পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি জমাট রক্তে; অতঃপর জমাট রক্তকে পরিণত করি অস্থিপঞ্জরে।" এখানেও দুই জায়গায় রয়েছে এবং এটাও এর জন্যেই বটে। কিন্তু হাদীস দ্বারা এটা প্রমাণিত যে, এই দুই অবস্থায় চল্লিশ দিনের ব্যবধান থাকে। কুরআন কারীমের এক জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ তুমি কি দেখ নাই যে, আল্লাহ আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, অতঃপর যমীন সবুজ-শ্যামল হয়ে ওঠে?" ( ২২:৬৩ ) এটা স্পষ্টভাবে প্রকাশমান যে, বৃষ্টি বর্ষণের বহু দিন পরে মাঠ সবুজ শ্যামল হয়ে থাকে । অথচ ( আরবী ) এখানেও রয়েছে। সুতরাং বুঝা গেল যে, ( আরবী ) প্রত্যেক জিনিসের জন্যে ওর অনুপাতেই হয়ে থাকে।সোজা কথা এটাই যে, হযরত মারইয়াম ( আঃ ) অন্যান্য স্ত্রী লোকদের মতই গর্ভধারণের পূর্ণ সময় অতিবাহিত করেন এবং ঐ সময় তিনি মসজিদেই কাটিয়ে দেন। মসজিদে আরো একজন খাদেম ছিলেন। তাঁর নাম ছিল ইউসুফ নাজ্জার। তিনি হযরত মারইয়ামকে ( আঃ ) ঐ অবস্থায় দেখে তার প্রতি কিছুটা সন্ধিহান হয়ে পড়েন। কিন্তু তার সংসার বিমুখতা খোদাভীরুতা, ইবাদত বন্দেগী এবং সত্যবাদিতার প্রতি খেয়াল করে তার ঐ সন্দেহ দূরীভূত হয়। কিন্তু যত যত দিন অতিবাহিত হয়, তার গর্ভ প্রকাশিত হতে থাকে। কাজেই আর তিনি নীরব থাকতে পারলেন না। একদিন আদবের সাথে তাঁকে বললেনঃ “ হে মারইয়াম ( আঃ )! আপনাকে আমি একটি কথা জিজ্ঞেস করছি অসন্তুষ্ট হবেন না । আচ্ছা বলুন তো, বিনা বীজে গাছ হয়? বিনা দানায় কি ফসল হয়? বিনা বাপে কি সন্তান হয়? হযরত মারইয়াম ( আঃ ) তাঁর উদ্দেশ্য বুঝে ফেললেন। তাই, তিনি উত্তরে বললেনঃ “ এই সবকিছুই সম্ভ । সর্বপ্রথম যে গাছটি আল্লাহ সৃষ্টি করেন তা বিনা বীজেই ছিল। সর্বপ্রথম যে ফসল আল্লাহ উৎপন্ন করেন তা বিনা দানাতেই ছিল। আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম হযরত আদমকে ( আঃ ) সৃষ্টি করেন এবং তাঁর বাপ ছিল না। এমনকি মাও ছিল না। তার এ জবাবে ঐ লোকটি সব কিছু বুঝে নিলেন এবং আল্লাহর শক্তিকে অস্বীকার করতে পারলো না। হযরত মারইয়াম ( আঃ ) যখন দেখলেন যে, তাঁর কওমের লোকেরা তাঁর উপর অপবাদ দিতে শুরু করেছে, তখন তাদেরকে ছেড়ে তিনি বহু দূরে চলে। যান। ইমাম মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক ( রঃ ) বলেন যে, যখন গর্ভের অবস্থা প্রকাশ হয়ে পড়ে, তখন তার কওম তাকে নানা কথা বলে। তারা হযরত ইউসুফ নাজ্জারের ( রঃ ) মত সৎলোকের উপর এই অপবাদ দেয়। তখন তিনি তাদের নিকট থেকে সরে পড়েন। না কেউ তাঁকে দেখতে পায় এবং না তিনি কাউকেও দেখতে পান। প্রসব বেদনা উঠে গেলে হযরত মারইয়াম ( আঃ ) একটি খেজুর গাছের নীচে বসে পড়েন। কথিত আছে যে, এই নির্জন স্থানটি ছিল বায়তুল মুকাদ্দাসের পূর্ব দিকের কক্ষটি। এটাও একটি উক্তি আছে যে, যখন তিনি সিরিয়া ও মিসরের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছেন, তখন তার প্রসব বেদনা শুরু হয়। আর একটি উক্তি আছে যে, তিনি বায়তুল মুকাদ্দাস হতে। আট মাইল দূরে গিয়েছিলেন। ঐ বস্তীটির নাম ছিল বাইতে লাহাম। পর্বে মিরাজের ঘটনায় একটি হাদীস গত হয়েছে। তাতে রয়েছে যে, হযরত ঈসার ( আঃ ) জন্ম গ্রহণের স্থানও ছিল বাইতে লাহাম। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। প্রসিদ্ধ উক্তিও এটাই এবং খৃস্টানরা তো এর উপর একমত। আর উপরোক্ত হাদীস দ্বারাও এটাই প্রমাণিত হয় যদি ও হাদীসটি বিশুদ্ধ হয়।ঐ সময় হযরত মারইয়াম ( আঃ ) মৃত্যু কামনা করতে লাগলেন। কেননা, দ্বীনের ফিৎনার সময় এ কামনাও জায়েয। তিনি জানতেন যে, কেউই তাকে সত্যবাদিনী বলবে না এবং তাঁর বর্ণিত ঘটনাকে সবাই মনগড়া মনে করবে। দুনিয়া তঁাকে হতবুদ্ধি করে ফেলবে। ইবাদত ও স্থিরতায় বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে। সবাই তার দুর্নাম করবে। জনগণের মধ্যে খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে। তাই, তিনি বলতে লাগলেনঃ “ হায়! এর পূর্বে যদি আমি মরে যেতাম । এবং যদি আমাকে সৃষ্টি করাই না হতো! হায়! যদি আমি লোকের স্মৃতি হতে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হতাম!” লজ্জা শরম তাকে এমনভাবে পরিবেষ্টন করে ফেললো। যে, তিনি ঐ কষ্টের উপর মৃত্যুকেই প্রাধান্য দিলেন এবং কামনা করলেন যে, যদি তিনি জনগণের স্মৃতি হতে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে পড়তেন। তবে কতই না ভাল হতো! না কেউ তাকে স্মরণ করতো, না কেউ খোজ খবর নিতো, না তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করতো। হাদীস সমূহে মৃত্যু কামনা।করতে নিষেধ করা হয়েছে। আমরা ঐ রিওয়াইয়াতগুলিকে ( আরবী ) এই আয়াতের তাফসীরে বর্ণনা করে দিয়েছি।

সূরা মারইয়াম আয়াত 22 সূরা

فحملته فانتبذت به مكانا قصيا

سورة: مريم - آية: ( 22 )  - جزء: ( 16 )  -  صفحة: ( 306 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এমন লোকদের ঠিকানা হল আগুন সেসবের বদলা হিসাবে যা তারা অর্জন করছিল।
  2. এদেরকে এবং ওদেরকে প্রত্যেককে আমি আপনার পালনকর্তার দান পৌছে দেই এবং আপনার পালকর্তার দান অবধারিত।
  3. যারা সৎপথপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের সৎপথপ্রাপ্তি আরও বেড়ে যায় এবং আল্লাহ তাদেরকে তাকওয়া দান করেন।
  4. অতঃপর বালিকাদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত পদক্ষেপে তাঁর কাছে আগমন করল। বলল, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, যাতে
  5. এভাবেই আমি আপনার প্রতি কিতাব অবর্তীণ করেছি। অতঃপর যাদের কে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, তারা একে
  6. অনন্তর যখন রজনীর অন্ধকার তার উপর সমাচ্ছন্ন হল, তখন সে একটি তারকা দেখতে পেল, বললঃ
  7. তোমরা কি পুংমৈথুনে লিপ্ত আছ, রাহাজানি করছ এবং নিজেদের মজলিসে গর্হিত কর্ম করছ? জওয়াবে তাঁর
  8. অতঃপর যখন তারা ইউসুফের কাছে পৌঁছল তখন বললঃ হে আযীয, আমরা ও আমাদের পরিবারবর্গ কষ্টের
  9. এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।
  10. ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মারইয়াম ডাউনলোড করুন:

সূরা Maryam mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Maryam শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত মারইয়াম  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত মারইয়াম  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত মারইয়াম  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত মারইয়াম  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত মারইয়াম  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত মারইয়াম  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত মারইয়াম  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত মারইয়াম  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত মারইয়াম  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত মারইয়াম  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত মারইয়াম  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 13, 2026

Please remember us in your sincere prayers