কোরান সূরা যুমার আয়াত 27 তাফসীর
﴿وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ مِن كُلِّ مَثَلٍ لَّعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ﴾
[ الزمر: 27]
আমি এ কোরআনে মানুষের জন্যে সব দৃষ্টান্তই বর্ণনা করেছি, যাতে তারা অনুধাবন করে; [সূরা যুমার: 27]
Surah Az-Zumar in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Zumar ayat 27
আর আমরা অবশ্যই এই কুরআনে মানুষের জন্য হরেক রকমের দৃষ্টান্ত ছোঁড়ে মেরেছি, যেন তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে, --
Tafsir Mokhtasar Bangla
২৭. আর আমি মানুষের উদ্দেশ্যে মুহাম্মাদের উপর অবতীর্ণ কুরআনে ভাল-মন্দ, সত্য-মিথ্যা এবং ঈমান ও কুফরী ইত্যাদি বিষয়ের উদাহরণ পেশ করেছি এ জন্য যে, তারা এ সব উদাহরণের মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্য করে বাতিলকে বর্জন করবে।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আমি এ কুরআনে মানুষের জন্য সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি; যাতে ওরা উপদেশ গ্রহণ করে।[১] [১] অর্থাৎ, মানুষকে বুঝানোর জন্য এই কুরআনে সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি। যাতে সকল কথা তাদের মনে গেঁথে যায় এবং তারা নসীহত গ্রহণ করে।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
আর অবশ্যই আমরা এ কুরআনে মানুষের জন্য সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত উপস্থিত করেছি, যাতে তারা উপদেশ গ্ৰহণ করে,
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
২৭-৩১ নং আয়াতের তাফসীর: দৃষ্টান্ত দ্বারা কথা সঠিকভাবে অনুধাবন করা যায়। এ জন্যেই আল্লাহ তা'আলা নানা প্রকারের দৃষ্টান্তও পেশ করে থাকেন যেন মানুষ ভালভাবে বুঝতে পারে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ ...
( আরবী ) অর্থাৎ “ আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য এই দৃষ্টান্তগুলো বর্ণনা করেছেন যেগুলো তোমরা নিজেদেরই মধ্যে ভালভাবে জানতে বুঝতে পার ( শেষ পর্যন্ত ) ।” আর এক জায়গায় বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ ঐ দৃষ্টান্তগুলো আমি তোমাদের জন্যে বর্ণনা করে থাকি, শুধু জ্ঞানীরাই ওগুলো বুঝে থাকে ।” ( ২৯:৪৩ )।মহান আল্লাহ বলেনঃ আরবী ভাষায় এই কুরআন বক্রতামুক্ত। অর্থাৎ এই কুরআন স্পষ্ট আরবী ভাষায় রয়েছে। এতে নেই কোন বক্রতা এবং নেই কোন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন। এতে রয়েছে খোলাখুলি দলীল ও উজ্জ্বল প্রমাণাদি। যাতে মানুষ এগুলো পড়ে ও বুঝে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারে। তারা যেন এর শাস্তি সম্বলিত আয়াতগুলো পড়ে দুষ্কর্মগুলো পরিত্যাগ করতে পারে এবং এর সাওয়াবের আয়াতগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখে সৎ আমলের প্রতি আগ্রহী হয়। এরপর মহান আল্লাহ একত্ববাদী ও অংশীবাদীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন যে, একজন গোলামের প্রভু অনেক এবং তারাও আবার পরস্পর বিরুদ্ধ ভাবাপন্ন। আর অন্য একজন গোলামের শুধুমাত্র একজন প্রভু ঐ প্রভু ছাড়া তার উপর অন্য কারো আধিপত্য নেই। এ দু’জন কি কখনো সমান হতে পারে? কখনো নয়। অনুরূপভাবে একত্ববাদী, যে শুধু এক ও অংশীবিহীন আল্লাহরই ইবাদত করে এবং মুশরিক, যে তার বহু মা'বুদ বানিয়ে রেখেছে, এ দু’জনও কখনো সমান হতে পারে না। এ দুজনের মধ্যে আসমান যমীনের পার্থক্য রয়েছে। এই প্রকাশ্য ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত যে, তিনি স্বীয় বান্দাদেরকে এমনভাবে বুঝিয়েছেন যে, সত্য সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়ে পড়েছে। শিরকের অসারতা এবং তাওহীদের বাস্তবতা সুন্দরভাবে মানুষের মন মগজে ভরে দেয়া হয়েছে। এখন মহান আল্লাহর সাথে একমাত্র ঐ ব্যক্তি শরীক স্থাপন করতে পারে যে একেবারে অজ্ঞান, যার মধ্যে বিবেক-বুদ্ধি মোটেই নেই। হযরত আবু বকর সিদ্দীক ( রাঃ ) আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলার ( আরবী ) ( নিশ্চয়ই তুমি মরণশীল এবং তারাও মরণশীল ) এই উক্তি এবং ( আরবী ) ( মুহাম্মদ সঃ একজন রাসূল মাত্র, তার পূর্বে বহু রাসূল গত হয়েছে। সুতরাং যদি সে মারা যায় অথবা সে নিহত হয় তবে তোমরা কি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে? এবং কেউ পৃষ্ঠ প্রদর্শন করলে সে কখনো আল্লাহর ক্ষতি করবে না বরং আল্লাহ শীঘ্রই কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কৃত করবেন ) ( ৩:১৪৪ )-এই আয়াতটি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর ইন্তেকালের পর তাঁর মৃত্যুর প্রমাণ হিসেবে পাঠ করেন এবং জনগণকে বুঝিয়ে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) ইন্তেকাল করেছেন। তার একথা শুনে সবারই বিশ্বাস হয় যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) ইন্তেকাল করেছেন। আয়াতের ভাবার্থ এই যে, সবাই এই দুনিয়া হতে বিদায় গ্রহণকারী এবং আখিরাতে সবাই আল্লাহ তাআলার নিকট একত্রিত হবে। সেখানে আল্লাহ তা'আলা অংশীবাদী ও একত্ববাদীদের মধ্যে পরিষ্কারভাবে ফায়সালা করবেন এবং সত্য প্রকাশিত হয়ে পড়বে। তাঁর চেয়ে উত্তম ফায়সালাকারী ও বড় জ্ঞানী আর কে আছে? ঈমানদার, একত্ববাদী এবং সুন্নাতের পাবন্দ ব্যক্তি সেদিন মুক্তি পাবে এবং মুশরিক, কাফির ও মিথ্যাপ্রতিপন্নকারী কঠিন শাস্তির শিকার হবে। অনুরূপভাবে দুনিয়ার যে দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া ও বিরোধ ছিল, তাদেরকে আল্লাহর সামনে হাযির করা হবে এবং মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ তাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন। হযরত ইবনে যুবায়ের ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, যখন ( আরবী )-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন হযরত যুবায়ের ( রাঃ ) বলেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! কিয়ামতের দিন ( দুনিয়ার ) ঝগড়ার পুনরাবৃত্তি হবে?” উত্তরে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “হ্যা, নিশ্চয়ই ।” তখন হযরত যুবায়ের ( রাঃ ) বলেনঃ “ তাহলে তো এটা খুবই কঠিন ব্যাপার হবে ।” ( এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ ) বর্ণনা করেন)মুসনাদে আহমাদের হাদীসে এও রয়েছে যে, যখন ( আরবী ) ( এরপর অবশ্যই সেই দিন তোমাদেরকে নিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হবে ) ( ১০২:৮ ) এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন হযরত যুবায়ের ( রাঃ ) জিজ্ঞেস করেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! কোন নিয়ামত সম্বন্ধে আমরা জিজ্ঞাসিত হবো? আমরা তো খেজুর ও পানি খেয়েই জীবন যাপন করছি!” জবাবে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “এখন বেশী নিয়ামত নেই বটে, কিন্তু সত্বরই তোমরা অধিক নিয়ামত লাভ করবে ।” ( এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রঃ ) ও ইমাম ইবনে মাজাহও ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) এটাকে হাসান বলেছেন) মুসনাদের এই হাদীসেই এটাও রয়েছে যে, ( আরবী ) এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ হলে হযরত যুবায়ের ইবনে মুতঈম ( রাঃ ) বলেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! দুনিয়ায় আমাদের মধ্যে যে ঝগড়া-বিবাদ রয়েছে, কিয়ামতের দিন ওটারই কি পুনরাবৃত্তি করা হবে? সাথে সাথে ওর গুনাহ সম্বন্ধেও কি প্রশ্ন করা হবে?” রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) উত্তরে বলেনঃ “হ্যা, অবশ্যই পুনরাবৃত্তি হবে এবং হকদারকে পূর্ণ হক দেয়া হবে ।” একথা শুনে হযরত যুবায়ের ( রাঃ ) বলেনঃ “ তাহলে তো কঠিন ব্যাপার হবে ।” ( ইমাম তিরমিযীও (রঃ ) এটা বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এটাকে হাসান সহীহ বলেছেন)হযরত উকবা ইবনে আমর ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম দু’জন প্রতিবেশীর পারস্পরিক ঝগড়া পেশ করা হবে ।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু সাঈদ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! কিয়ামতের দিন সমস্ত ঝগড়ারই ফায়সালা করা হবে, এমনকি দু’টি বকরী, যারা দুনিয়ায় লড়াই করেছিল এবং শিং বিশিষ্ট বকরীটি শিং বিহীন বকরীকে শিং দ্বারা গুঁতো দিয়েছিল, তারও প্রতিশোধ আদায় করে দেয়া হবে ।” ( এ হাদীসটিও মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে )হযরত আবু যার ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) একদা দুটি বকরীকে পরস্পর লড়াই করতে দেখে বলেনঃ “ হে আবু যার ( রাঃ )! বকরী দুটি কি নিয়ে লড়াই করছে তা তুমি জান কি?” হযরত আবু যার ( রাঃ ) উত্তরে বলেনঃ “জ্বী, না ।” তখন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বললেনঃ “ আল্লাহ তা'আলা কিন্তু জানেন এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের উভয়ের মধ্যে ইনসাফের সাথে ফায়সালা করবেন ।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আনাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ কিয়ামতের দিন অত্যাচারী ও আত্মসাকারী বাদশাহকে আনয়ন করা হবে এবং তার প্রজারা তার সাথে ঝগড়া করে জয়লাভ করবে । তখন তার ব্যাপারে হুকুম দেয়া হবেঃ যাও, তাকে জাহান্নামের একটি স্তম্ভ বানিয়ে নাও।” ( এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আল বাযযার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের আগলাব ইবনে তামীম নামক একজন বর্ণনাকারীর স্মরণশক্তি দুর্বল ছিল)হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, ঐদিন প্রত্যেক সত্যবাদী মিথ্যাবাদীর সাথে, প্রত্যেক অত্যাচারিত ব্যক্তি অত্যাচারীর সাথে, প্রত্যেক সুপথপ্রাপ্ত ব্যক্তি পথভ্রষ্ট ব্যক্তির সাথে এবং প্রত্যেক দুর্বল ব্যক্তি সবল ব্যক্তির সাথে ঝগড়া করবে।ইবনে মুনদাহ ( রঃ ) কিতাবুর রূহ এর মধ্যে হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে রিওয়াইয়াত করেছেন যে, জনগণ কিয়ামতের দিন ঝগড়া করবে, এমন কি আত্মা ও দেহের মধ্যেও ঝগড়া বাঁধবে। আত্মা দেহের উপর দোষারোপ করে বলবেঃ “ এসব দুষ্কার্য তো তুমিই করেছিলে ।” তখন দেহ আত্মাকে বলবেঃ “ সমস্ত চাহিদা ও দুষ্টামি তো তোমারই ছিল ।” তখন একজন ফেরেশতা তাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন। তিনি বলবেনঃ “ তোমাদের দৃষ্টান্ত এমন দুটি লোকের মত যাদের একজন চক্ষু বিশিষ্ট, কিন্তু খোড়া ও বিকলাঙ্গ । চলাফেরা করতে পারে না। দ্বিতীয়জন অন্ধ, কিন্তু তার পা ভাল, খোড়া নয়। সে চলাফেরা করতে পারে। তারা দু'জন একটি বাগানে রয়েছে। খোড়া অন্ধকে বললোঃ “ ভাই, এই বাগানটি তো ফলে ভরপুর রয়েছে । কিন্তু আমার তো পা নেই যে, ফল পাড়বো?" তখন অন্ধ বললোঃ “ এসো, আমার তো পা রয়েছে, আমি তোমাকে আমার পিঠের উপর চড়িয়ে নিচ্ছি ।” অতঃপর তারা দুজন এভাবে পৌঁছলো এবং ইচ্ছা ও চাহিদা মত ফল পাড়লো। আচ্ছা বলতো, এ দু'জনের মধ্যে অপরাধী কে?” দেহ ও আত্মা উভয়ে জবাব দিলোঃ “ দু'জনই সমান অপরাধী ।” ফেরেশতারা তখন বলবেনঃ “ তাহলে তো তোমরা নিজেরাই তোমাদের ফায়সালা করে দিলে । অর্থাৎ দেহ যেন সওয়ারী এবং আত্মা যেন সওয়ার বা আরোহী।” ( এটা ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবনে উমার ( রাঃ ) বলেনঃ “ এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর আমরা বিস্ময়বোধ করছিলাম যে, আমাদের ও আহলে কিতাবের মধ্যে তো কোন ঝগড়া নেই । তাহলে কিয়ামতের দিন কার সাথে আমরা ঝগড়া করবো? এরপর যখন মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে ফিনা শুরু হয়ে গেল তখন আমরা বুঝলাম যে, এটাই হলো পরস্পরের ঝগড়া যা কিয়ামতের দিন পেশ করা হবে।” হযরত আবুল আলিয়া ( রঃ ) বলেন যে, এর দ্বারা আহলে কিবলার ঝগড়া বুঝানো হয়েছে। আর ইবনে যায়েদ ( রঃ ) বলেন যে, এর দ্বারা মুসলমান ও কাফিরের ঝগড়া উদ্দেশ্য। এসব ব্যাপারে সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।
সূরা যুমার আয়াত 27 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি, অথচ তিনি
- ফেরাউন বলল, হে পরিষদবর্গ, আমি জানি না যে, আমি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য আছে। হে
- যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন, তিনিই কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? হ্যাঁ
- তারা বলল, হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর অথবা আমরা নিক্ষেপ করছি।
- তোমরা যদি মীমাংসা কামনা কর, তাহলে তোমাদের নিকট মীমাংসা পৌছে গেছে। আর যদি তোমরা প্রত্যাবর্তন
- তিনিই বৃষ্টির পূর্বে সুসংবাদবাহী বায়ু পাঠিয়ে দেন। এমনকি যখন বায়ুরাশি পানিপূর্ন মেঘমালা বয়ে আনে, তখন
- এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?
- অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।
- তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি উষর ভূমিতে পানি প্রবাহিত করে শস্য উদগত করি,
- আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা যুমার ডাউনলোড করুন:
সূরা Zumar mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Zumar শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



