কোরান সূরা ফালাক আয়াত 3 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Falaq ayat 3 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ফালাক আয়াত 3 আরবি পাঠে(Falaq).
  
   

﴿وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ﴾
[ الفلق: 3]

অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, [সূরা ফালাক: 3]

Surah Al-Falaq in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Falaq ayat 3


''আর অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা আচ্ছন্ন করে ফেলে,


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩. আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি প্রত্যেক সে সব অনিষ্ট থেকে যেগুলো রাত্রিতে প্রকাশ পায়। তথা জীব-জন্তু কিংবা চোর ইত্যাদি।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


অনিষ্ট হতে রাত্রির, যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়। [১] [১] রাতের অন্ধকারেই হিংস্র জন্তু, ক্ষতিকর প্রাণী ও পোকা-মাকড়; অনুরূপভাবে অপরাধপ্রবণ হিংস্র মানুষ নিজ নিজ জঘন্য ইচ্ছা পূরণের আশা নিয়ে বাসা হতে বের হয়। এই বাক্য দ্বারা সে সকল অনিষ্টকর জীব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে। غَاسِق শব্দের অর্থ হল রাত্রিকাল এবং وَقَب শব্দের অর্থ হল প্রবেশ করে, ছেয়ে যায় প্রভৃতি।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়, [] [] পূর্বোক্ত আয়াতের ভাষায় সমগ্র সৃষ্টির অনিষ্টই রয়েছে। কাজেই আশ্রয় গ্রহণের জন্যে এ বাক্যটিই যথেষ্ট ছিল, কিন্তু এস্থলে আরও তিনটি বিষয় আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রায়ই বিপদ ও মুসীবতের কারণ হয়ে থাকে। প্ৰথমে বলা হয়েছে, وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ এখানে غسق শব্দের অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন হওয়া। কোন কোন মুফাসসির এর অর্থ নিয়েছেন রাত্রি। وقب এর অর্থ অন্ধকার পূর্ণরূপে বৃদ্ধি পাওয়া বা ছেয়ে যাওয়া। আয়াতের অর্থ এই যে, আমি আল্লাহ্র আশ্রয় চাই রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তার অন্ধকার গভীর হয়। রাতের অন্ধকারের অনিষ্টকারিতা থেকে বিশেষ করে পানাহ চাওয়ার নির্দেশ দেবার কারণ হচ্ছে এই যে, রাত্ৰিবেলায় জিন, শয়তান, ইতরপ্রাণী কীট-পতঙ্গ ও চোর-ডাকাত বিচরণ করে এবং অপকার করতে পারে। তাই রাতের বেলা যেসব অনিষ্টকারিতা ও বিপদ-আপদ নাযিল হয় সেগুলো থেকে আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাওয়ার হুকুম দেয়া হয়েছে। [ আদ্ওয়াউল বায়ান, সা’দী ] সহীহ হাদীসে এসেছে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, এক রাতে আকাশে চাঁদ ঝলমল করছিলরাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার হাত ধরে তার দিকে ইশারা করে বললেন, আল্লাহ্র কাছে পানাহ চাও: هَذَا الغَا سِقُ إِذَا وَقَبَ অর্থাৎ এ হচ্ছে সেই গাসেক ইযা ওয়াকাব [ মুসনাদে আহমাদ: ৬/৬১, তিরমিয়ী: ৩৩৬৬ ]। চাঁদের উদয় যেহেতু রাতের বেলায়ই হয়ে থাকে এবং দিনের বেলা চাঁদ আকাশের গায়ে থাকলেও উজ্জ্বল থাকে না, তাই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উক্তির অর্থ হচ্ছে এর ( অর্থাৎ চাঁদের ) আগমনের সময় অর্থাৎ রাত থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় চাও [ ইবন কাসীর ]। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ যখন সূর্য ডুবে যায়, তখন শয়তানরা সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে । কাজেই শিশুদেরকে তখন ঘরের মধ্যে রাখো এবং নিজেদের গৃহপালিত পশুগুলোও বেঁধে রাখো যতক্ষণ রাতের আঁধার খতম না হয়ে যায়।” [ বুখারী: ৩২৮০, ৩৩১৬, মুসলিম: ২০১২ ]।

সূরা ফালাক আয়াত 3 সূরা

ومن شر غاسق إذا وقب

سورة: الفلق - آية: ( 3 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 604 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের কাছে গমন এবং নারীরা
  2. এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায় অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময় তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন
  3. তোমরা স্মরণ কর, যখন তোমাদেরকে আদ জাতির পরে সর্দার করেছেন; তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠিকানা দিয়েছেন। তোমরা
  4. অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে।
  5. অতঃপর ঈসা (আঃ) যখন বণী ইসরায়ীলের কুফরী সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারলেন, তখন বললেন, কারা আছে
  6. আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি
  7. আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।
  8. একদলকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং একদলের জন্যে পথভ্রষ্টতা অবধারিত হয়ে গেছে। তারা আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানদেরকে
  9. সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।
  10. তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ফালাক ডাউনলোড করুন:

সূরা Falaq mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Falaq শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ফালাক  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ফালাক  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ফালাক  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ফালাক  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ফালাক  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ফালাক  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ফালাক  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ফালাক  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ফালাক  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ফালাক  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ফালাক  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ফালাক  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ফালাক  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ফালাক  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ফালাক  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ফালাক  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ফালাক  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ফালাক  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ফালাক  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ফালাক  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ফালাক  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ফালাক  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ফালাক  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ফালাক  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ফালাক  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, April 10, 2026

Please remember us in your sincere prayers