কোরান সূরা নাযি'আত আয়াত 32 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Naziat ayat 32 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা নাযি'আত আয়াত 32 আরবি পাঠে(Naziat).
  
   

﴿وَالْجِبَالَ أَرْسَاهَا﴾
[ النازعات: 32]

পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, [সূরা নাযি'আত: 32]

Surah An-Naziat in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Naziat ayat 32


আর পাহাড়-পর্বত -- তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩২. তিনি পর্বতমালাকে যমীনের উপর স্থির করেছেন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


আর পর্বতসমূহকে তিনি দৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করেছেন;

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


২৭-৩৩ নং আয়াতের তাফসীরযারা মৃত্যুর পর পুনরুজ্জীবনে বিশ্বাস করতো না তাদের সামনে আল্লাহ তাআলা যুক্তি পেশ করছেন যে, আকাশ সৃষ্টি করার চেয়ে মৃত মানুষকে পুনরুজ্জীবিত করা আল্লাহর নিকট বহুগুণে সহজ ব্যাপার। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ আসমান ও জমীন সৃষ্টি করা মানুষ সৃষ্টি অপেক্ষা বহুগুণে কঠিন কাজ ।" ( ৪০:৫৭ ) অন্য এক আয়াতে আল্লাহ পাক বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সমর্থ নন? হ্যাঁ, নিশ্চয়ই তিনি মহা স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ ।( ৩৬:৮১ ) ।তিনি অত্যন্ত উঁচু, প্রশস্ত ও সমতল করে আকাশ সৃষ্টি করেছেন। তারপর অন্ধকার রাত্রে চমকিত ও উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি ঐ আকাশের গায়ে বসিয়ে দিয়েছেন। তিনি অন্ধকার কৃষ্ণকায় রাত্রি সৃষ্টি করেছেন। দিনকে উজ্জ্বল এবং আলোকমণ্ডিত করে সৃষ্টি করেছেন। জমীনকে তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন। পানি এবং খাদ্যদ্রব্যও তিনি বের করেছেন। সূরা হা-মীম সাজদায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আকাশের পূর্বেই জমীন সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে যমীনের বিস্তৃতিকরণ আকাশ সৃষ্টির পরে ঘটেছে। এখানে এটাই বর্ণনা করা হচ্ছে।হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) এবং বহু সংখ্যক তাফসীরকার এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ইবনে জারীরও ( রঃ ) এই উক্তিটি পছন্দ করেছেন। পাহাড়সমূহকে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছেন। তিনি বিজ্ঞানময় এবং অভ্রান্ত ও সঠিক জ্ঞানের অধিকারী। তিনি তাঁর সৃষ্টজীবের প্রতি দয়ালু ও পরম করুণাময়।হযরত আনাস ইবনে মালিক ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যখন আল্লাহ তা'আলা যমীন সৃষ্টি করেন তখন তা দুলতে শুরু করে । সূতরাং তিনি তখন পাহাড় সৃষ্টি করে যমীনের বুকে স্থাপন করে দেন। ফলে যমীন স্থির ও নিশ্চল হয়ে যায়। এতে ফেরেশতামণ্ডলী খুবই বিস্মিত হন। তাঁরা আল্লাহকে জিজ্ঞেস করেনঃ “ হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের অপেক্ষাও অধিক শক্ত অন্য কিছু আছে কি?" তিনি উত্তরে বলেন! হ্যা আছে । তা হলে লোহা।” ফেরেশতাগণ পুনরায় প্রশ্ন করেনঃ “ লোহা অপেক্ষাও কঠিনতর কিছু আছে কি?" আল্লাহ তা'আলা জবাবে বলেনঃ “হ্যা, আছে । তা হলো আগুন। ফেরেশতারা আবার জিজ্ঞেস করেনঃ “ আগুন অপেক্ষাও বেশী কঠিন কিছু কি আছে?” আল্লাহ তা'আলা উত্তর দেনঃ “হ্যা আছে । তা হলো পানি।” তাঁরা পুনরায় প্রশ্ন করেন “ পানির চেয়েও বেশী কঠিন কিছু আছে কি?” তিনি জবাবে বলেনঃ “হ্যা, আছে । তা হচ্ছে বাতাস।" তারা আবারও প্রশ্ন করেনঃ “ হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বায়ু অপেক্ষাও অধিক কঠিন কিছু কি আছে? তিনি জবাব দেনঃ “হ্যা আছে । সে হলো ঐ আদম সন্তান যে তার ডান হাতে যা খরচ ( দান ) করে বাম হাত তা জানতে পারে না।” ( এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণনা করা হয়েছে )হযরত আলী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আল্লাহ যখন যমীন সৃষ্টি করেন তখন তা কাঁপতে থাকে এবং বলতে থাকেঃ “আপনি আমার উপর আদম ( আঃ )-কে এবং তাঁর সন্তানদেরকে সৃষ্টি করলেন যারা আমার উপর তাদের ময়লা আবর্জনা নিক্ষেপ করবে এবং আমার উপরে অবস্থান করে পাপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়বে? তখন আল্লাহ তা'আলা পাহাড় স্থাপন করে যমীনকে স্থির ও নিশ্চল করে দেন । তোমরা বহু সংখ্যক পাহাড় পর্বত দেখতে পাচ্ছ। আরো বহু পাহাড় তোমাদের দৃষ্টির অগোচরে রয়েছে। পর্বতরাজি স্থাপনের পর যমীনের স্থির হয়ে যাওয়া ঠিক তেমনিই ছিল যেমন উট যবেহ করার পর ওর গোশত কাঁপতে থাকে এবং কিছুক্ষণ কম্পনের পর স্থির হয়ে যায়।” ( এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু জাফর ইবনে জারীর (রঃ )। কিন্তু এটা অত্যন্ত গারীব বা দুর্বল হাদীস)এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ এসব কিছু তোমাদেরও তোমাদের জন্তুগুলোর উপকারের জন্যে ও উপভোগের জন্যে ( সৃষ্টি করা হয়েছে )। অর্থাৎ যমীন হতে কূপ ও ঝর্ণা বের করা, গোপনীয় খনি প্রকাশিত করা, ক্ষেতের ফসল ও গাছ-পালা জন্মাননা, পাহাড়-পর্বত স্থাপন করা ইত্যাদি, এগুলোর ব্যবস্থা আল্লাহ করেছেন যাতে তোমরা জমীন হতে পুরোপুরি লাভবান হতে পার। সবকিছুই মানুষের এবং তাদের পশুদের উপকারার্থে সৃষ্টি করা হয়েছে। ঐসব পশুও তাদেরই উপকারের উদ্দেশ্যে আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন। তারা কোন পশুর গোশত ভক্ষণ করে, কোন পশুকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করে এবং এই পৃথিবীতে সুখে-শান্তিতে জীবন অতিবাহিত করে থাকে।

সূরা নাযি'আত আয়াত 32 সূরা

والجبال أرساها

سورة: النازعات - آية: ( 32 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 584 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তাদের কাছে কি আপনার পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক?
  2. এটা লিখিত রয়েছে পূর্ববতী কিতাবসমূহে;
  3. আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দেই, যাতে তারা একে উপলব্ধি করতে না পারে এবং
  4. আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে
  5. যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত
  6. অতঃপর তাদের মধ্যে যারা জাহান্নামে প্রবেশের অধিক যোগ্য, আমি তাদের বিষয়ে ভালোভাবে জ্ঞাত আছি।
  7. তাদের জন্যে এক নিদর্শন রাত্রি, আমি তা থেকে দিনকে অপসারিত করি, তখনই তারা অন্ধকারে থেকে
  8. তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে।
  9. আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়, তখন
  10. তাদের উদাহরণ অতি নিকৃষ্ট, যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে আমার আয়াত সমূহকে এবং তারা নিজেদেরই ক্ষতি

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা নাযি'আত ডাউনলোড করুন:

সূরা Naziat mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Naziat শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত নাযি'আত  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত নাযি'আত  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত নাযি'আত  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত নাযি'আত  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত নাযি'আত  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত নাযি'আত  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত নাযি'আত  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত নাযি'আত  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত নাযি'আত  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত নাযি'আত  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত নাযি'আত  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Thursday, June 11, 2026

Please remember us in your sincere prayers