কোরান সূরা যারিয়াত আয়াত 4 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah zariyat ayat 4 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা যারিয়াত আয়াত 4 আরবি পাঠে(zariyat).
  
   

﴿فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا﴾
[ الذاريات: 4]

অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের, [সূরা যারিয়াত: 4]

Surah Adh-Dhariyat in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah zariyat ayat 4


তারপর বিতরণকারীদের কাজকর্মের কথা, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪. আর ওই সকল ফিরিশতার যাঁরা আল্লাহর নির্দেশে বান্দাদের মধ্যকার বিষয়গুলো বণ্টন করে থাকেন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশতাদের, [১] [১] مُقَسِّمَاتِ এ থেকে সেই ফিরিশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে, যাঁরা কর্মসমূহ বণ্টন করে নেন। কেউ রহমতের, কেউ শাস্তির, কেউ পানির, কেউ কষ্টের ( অনাবৃষ্টি ইত্যাদির ), কেউ বাতাসের, কেউ মৃত্যু ও দুর্ঘটনার ফিরিশতা প্রভৃতি। কেউ কেউ উক্ত শব্দগুলো থেকে কেবল 'হাওয়া' উদ্দিষ্ট মনে করেছেন। আর এগুলোকে হাওয়ার বিশেষণ নির্ণয় করেছেন। কিন্তু আমরা ইমাম ইবনে কাসীর এবং ইমাম শাওকানীর তাফসীর অনুযায়ী ব্যাখ্যা করেছি। কসম খাওয়ার উদ্দেশ্য হল, যে জিনিসের জন্য কসম খাওয়া হয় তার সত্যতা বর্ণনা করা। কখনো আবার কেবল তাকীদ স্বরূপ কসম খাওয়া হয়। আবার কখনো যে জিনিসের জন্য কসম খাওয়া হয়, সেটাকে দলীল হিসাবে পেশ করা উদ্দেশ্য হয়। এখানে এই তৃতীয় কসম উদ্দেশ্য। পরে কসমের জওয়াব এটাই বর্ণনা করা হয়েছে যে, তোমাদের সাথে যে প্রতিশ্রুতি করা হচ্ছে, অবশ্যই তা সত্য এবং কিয়ামত সংঘটিত হবেই; যাতে সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। হাওয়া চলা, মেঘমালার পানি বহন করা, সামুদ্রিক জাহাজের বিচরণ এবং ফিরিশতামন্ডলীর বিভিন্ন কর্মাদি সম্পাদন করা ইত্যাদি কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার দলীল। কারণ, যে সত্তা এই সমস্ত কাজগুলো করেন যা বাহ্যতঃ অতি কঠিন এবং স্বাভাবিক উপায়-উপকরণের বিপরীত, সেই সত্তাই কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষকে পুনরায় জীবিত করতেও পারেন।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


অতঃপর নির্দেশ বন্টনকারী ফেরেশতাগণের ---

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১-১৪ নং আয়াতের তাফসীর: হযরত তুফায়েল ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, একবার তিনি মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে জনগণকে বলেনঃ “ তোমরা আমাকে যে কোন আয়াত বা যে কোন হাদীস সম্বন্ধে ইচ্ছা প্রশ্ন করতে পার ।” তখন ইবনুস সাকওয়া দাঁড়িয়ে বললোঃ “ হে আমীরুল মুমিনীন! আল্লাহ তা'আলার ( আরবী ) -এই উক্তির অর্থ কি?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “বাতাস ।( আরবী )-এর অর্থ কি?” সে জিজ্ঞেস করলো । “ এর অর্থ মেঘ ।” উত্তর দিলেন তিনি। ( আরবী )-এর ভাবার্থ কি?” প্রশ্ন করলো সে । তিনি জবাবে বললেনঃ “ এর ভাবার্থ হলো নৌযানসমূহ ।” সে জিজ্ঞেস করলোঃ ( আরবী )-এর অর্থ কি?” “এর অর্থ হলো ফেরেশতামণ্ডলী ।” উত্তর দিলেন তিনি। হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়া ( রঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, সাবীগ তামীমী হযরত উমার ইবনে খাত্তাব ( রাঃ )-এর নিকট এসে বলেঃ “ হে আমীরুল মুমিনীন! ( আরবী ) সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন!" উত্তরে তিনি বললেনঃ “ওটা হলো বাতাস । আমি যা বললাম তা যদি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে আমি বলতে না। শুনতাম তবে তোমাকে এটা বলতাম না।” সে প্রশ্ন করলোঃ ( আরবী )-এর অর্থ কি?” তিনি জবাব দিলেনঃ ( আরবী ) হলেন ফেরেশতামণ্ডলী । রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে এই অর্থ বলতে না শুনলে আমি তোমার কাছে এ অর্থ বলতাম না।” সে আবার প্রশ্ন করলোঃ ( আরবী ) কি?” তিনি উত্তর দিলেনঃ “ ( আরবী ) হলো নৌযানসমূহ । এ অর্থ যদি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর মুখে আমি না শুনতাম তবে তোমার কাছে আমি এ অর্থ বলতাম না।” অতঃপর তিনি তাকে একশ চাবুক মারার নির্দেশ দিলেন। সুতরাং তাকে একশ’ চাবুক মারা হলো এবং একটি ঘরে রাখা হলো। যখন তার দেহের ক্ষত ভাল হয়ে গেল তখন তাকে ডাকিয়ে নিয়ে পুনরায় একশটি বেত্রাঘাত করা হলো এবং তাকে সওয়ার করিয়ে দিয়ে হযরত আবু মূসা আশআরী ( রাঃ )-এর নিকট হযরত উমার ( রাঃ ) পত্র লিখলেনঃ “ এ ব্যক্তি যেন কোন মজলিসে না বসে ।" কিছুদিন পর সে হযরত আবু মূসা আশআরী ( রাঃ )-এর নিকট এসে কঠিনভাবে শপথ করে বললোঃ “ এখন আমার মনের কু-ধারণা দূর হয়ে গেছে । আমার অন্তরে বদ-আকীদা আর নেই যা পূর্বে ছিল।” তখন হযরত আবু মূসা আশআরী ( রাঃ ) হযরত উমার ( রাঃ )-কে এ খবর অবহিত করলেন এবং সাথে সাথে একথাও লিখলেনঃ “ আমারও ধারণা যে, সে এখন বাস্তবিকই সংশোধিত হয়ে গেছে ।” উত্তরে হযরত উমার ( রাঃ ) হযরত আবূ মূসা ( রাঃ )-কে লিখেনঃ “ তাকে এখন মজলিসে বসার অনুমতি দেয়া হোক ।( এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আল বাযযার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি দুর্বল। সঠিক কথা এটাই জানা যাচ্ছে যে, হাদীসটি মাওকুফ অর্থাৎ হযরত উমর ( রাঃ )-এর নিজের ফরমান। এটা মারফু হাদীস নয়)আমীরুল মুমিনীন হযরত উমার ( রাঃ ) সাবীগ তামীমীকে যে বেত্রাঘাত করিয়েছিলেন তার কারণ এই যে, তার বদ-আকীদা তার কাছে প্রকাশ পেয়েছিল এবং তার প্রশ্ন ছিল প্রত্যাখ্যান ও বিরুদ্ধাচরণ মূলক। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। তার এ ঘটনাটি প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যা হাফিয ইবনে আসাকির ( রঃ ) পুরোপুরিভাবে বর্ণনা করেছেন। হযরত মুজাহিদ ( রঃ ), হযরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের ( রঃ ), হযরত হাসান ( রঃ ), হযরত কাতাদা ( রঃ ), হযরত সুদ্দী ( রঃ ) প্রমুখ গুরুজন হতে এই তাফসীরই বর্ণিত আছে। ইমাম ইবনে জারীর ( রঃ ) এবং ইমাম ইবনে আবি হাতিম ( রঃ ) তো এ আয়াতগুলোর তাফসীরে অন্য কোন উক্তি আনয়নই করেননি।( আরবী ) -এর ভাবার্থ যে মেঘ তা নিম্নের কবিতাংশের পরিভাষাতেও রয়েছেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমি নিজেকে তাঁরই বশীভূত করছি যার বশীভূত হয়েছে ঐ মেঘ যা পরিষ্কার সুমিষ্ট পানি উঠিয়ে নিয়ে থাকে ।( আরবী ) -এর অর্থ কেউ কেউ ঐ নক্ষত্ররাজি নিয়েছেন যেগুলো আকাশে চলাফেরা করে। এই অর্থ নিলে নীচ হতে উপরের দিকে উঠে যাওয়া হবে। প্রথমে বাতাস, তারপর মেঘ, তারপর নক্ষত্ররাজি এবং এরপর ফেরেশতামণ্ডলী, যারা কখনো কখনো আল্লাহ তা'আলার হুকুম নিয়ে অবতরণ করেন এবং কখনো পাহারার কাজ করার জন্যে তাশরীফ আনয়ন করেন। যেহেতু এসব কসম এই ব্যাপারে যে, কিয়ামত অবশ্যই সংঘটিত হবে এবং লোকদেরকে পুনর্জীবিত করা হবে সেই হেতু এগুলোর পরেই বলেনঃ “ তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য এবং কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী ।' অতঃপর মহান আল্লাহ আকাশের কসম খেয়েছেন যা সুন্দর, উজ্জ্বল ও সৌন্দর্যমণ্ডিত। পূর্বযুগীয় গুরুজনদের অনেকেই ( আরবী ) শব্দের এ অর্থই করেছেন। হযরত যহহাক ( রঃ ) প্রমুখ মনীষী বলেন যে, পানির তরঙ্গ, বালুকার কণা, ক্ষেতের ফসলের পাতা জোরে প্রবাহিত বাতাসে যখন আন্দোলিত হয় তখন এগুলোতে যেন রাস্তা হয়ে যায়। ওটাকেই ( আরবী ) বলা হয়েছে।রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর সাহাবীদের ( রাঃ ) এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ তোমাদের পিছনে মিথ্যাবাদী বিভ্রান্তকারী । তার মাথার চুল পিছনের দিকে ‘হুবুক’ ‘হুবুক’ অর্থাৎ কুঞ্চিত। আবূ সালেহ ( রঃ ) বলেন যে, ( আরবী ) দ্বারা কাঠিন্য বুঝানো হয়েছে। খাসীফ ( রঃ ) বলেন। ( আরবী ) -এর অর্থ হলো সুদৃশ্য। হাসান ইবনে হাসান বসরী ( রঃ ) বলেন যে, আকাশের সৌন্দর্য হলো নক্ষত্ররাজি। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রাঃ ) বলেন যে, ( আরবী ) দ্বারা সপ্তম আকাশকে বুঝানো হয়েছে। সম্ভবতঃ তার উদ্দেশ্য এই যে, প্রতিষ্ঠিত থাকে এমন তারকারাজি আকাশে রয়েছে। অধিকাংশ জ্যোতির্বিদের বর্ণনা এই যে, এটা অষ্টম আকাশে রয়েছে, যা সপ্তম আকাশের উপরে রয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।এই সমুদয় উক্তির সারাংশ একই অর্থাৎ এর দ্বারা সৌন্দর্যমণ্ডিত আকাশকে বুঝানো হয়েছে। আরো বুঝানো হয়েছে আকাশের উচ্চতা, ওর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ওর পবিত্রতা, ওর নির্মাণ চাতুর্য, ওর দৃঢ়তা, ওর প্রশস্ততা, তারকারাজি দ্বারা ওর জাক-জমকপূর্ণ হওয়া, যেগুলোর মধ্যে কতকগুলো চলতে ফিরতে থাকে এবং কতকগুলো স্থির থাকে, ওর সূর্য ও চন্দ্রের ন্যায় নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুষমামণ্ডিত হওয়া। এসব হচ্ছে আকাশের সৌন্দর্যের উপকরণ।এরপর আল্লাহ পাক বলেনঃ “ হে মুশরিকের দল! তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত রয়েছে । কোন কিছুর উপর তোমরা একমত হতে পারনি। হযরত কাতাদা ( রঃ ) বলেন যে, তাদের কেউ কেউ তো সত্য বলে বিশ্বাস করতো এবং কেউ কেউ মিথ্যা মনে করতো। অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “ যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সেই ওটা পরিত্যাগ করে ।' অর্থাৎ এই অবস্থা ওদেরই হয় যারা নিজেরা পথভ্রষ্ট। তারা নিজেদের বাতিল, মিথ্যা ও বাজে উক্তির কারণে বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট হয়ে যায়। সঠিক বোধ ও সত্য জ্ঞান তাদের মধ্য হতে লোপ পেয়ে যায়। যেমন অন্য আয়াতে আছেঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ তোমরা ও তোমাদের বাতিল মা'বৃদরা জাহান্নামী লোকদেরকে ছাড়া আর কাউকেও পথভ্রষ্ট করতে পারবে না ।( ৩৭:১৬১-১৬৩ ) হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হযরত সুদ্দী ( রঃ ) বলেন যে, এর দ্বারা পথভ্রষ্ট শুধু সেই হয় যে নিজেই পথভ্রষ্ট হয়ে রয়েছে। হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, এর থেকে ঐ ব্যক্তিই দূর হয় যাকে সর্বপ্রকারের কল্যাণ হতে দূরে নিক্ষেপ করা হয়েছে। হযরত হাসান বসরী ( রঃ ) বলেন যে, কুরআন কারীম হতে ঐ ব্যক্তিই সরে পড়ে যে ব্যক্তি পূর্ব হতেই এটাকে অবিশ্বাস করার উপর উঠে পড়ে লেগেছিল।এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ ‘বাজে ও অযৌক্তিক উক্তিকারীরা ধ্বংস হোক।' অর্থাৎ তারাই ধ্বংস হোক যারা বাজে ও মিথ্যা উক্তি করতো, যাদের মধ্যে ঈমান ছিল না, যারা বলতোঃ আমাদের পুনরুত্থান ঘটবে না। হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ সন্দেহ পোষণকারীরা অভিশপ্ত। হযরত মুআয ( রাঃ ) স্বীয় ভাষণে এ কথাই বলতেন। এরা প্রতারক ও সন্দিহান।এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ ধ্বংস হোক তারা যারা অজ্ঞ ও উদাসীন। যারা বেপরোয়াভাবে কুফরী করতে রয়েছে। তারা প্রত্যাখ্যান করার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করেঃ কর্মফল দিবস কবে হবে? আল্লাহ তা'আলা উত্তরে বলেনঃ এটা হবে সেই দিন, যেই দিন তাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে অগ্নিতে। যেমনভাবে সোনাকে আগুনে উত্তপ্ত করা হয় তেমনিভাবে তারা আগুনে জ্বলতে থাকবে। তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে। একথা তাদেরকে ধমকের সুরে বলা হবে।

সূরা যারিয়াত আয়াত 4 সূরা

فالمقسمات أمرا

سورة: الذاريات - آية: ( 4 )  - جزء: ( 26 )  -  صفحة: ( 520 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।
  2. যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখবে, সেদিন অপরাধীদের জন্যে কোন সুসংবাদ থাকবে না এবং তারা বলবে, কোন
  3. তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।
  4. নিশ্চয় যারা মুসলমান, যারা ইহুদী, ছাবেয়ী বা খ্রীষ্টান, তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর
  5. হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে ন্যায় সাক্ষ্যদানের ব্যাপারে অবিচল থাকবে এবং কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতার কারণে
  6. তাকে কি জানানো হয়নি যা আছে মূসার কিতাবে,
  7. তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়, যা আকাশ থেকে বর্ষিত
  8. বরং পরকাল সম্পর্কে তাদের জ্ঞান নিঃশেষ হয়ে গেছে; বরং তারা এ বিষয়ে সন্দেহ পোষন করছে
  9. তারা যা কিছু করেছে, সবই আমলনামায় লিপিবদ্ধ আছে।
  10. নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা যারিয়াত ডাউনলোড করুন:

সূরা zariyat mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি zariyat শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত যারিয়াত  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত যারিয়াত  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers