কোরান সূরা ইনশিক্বাক আয়াত 4 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Inshiqaq ayat 4 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ইনশিক্বাক আয়াত 4 আরবি পাঠে(Inshiqaq).
  
   

﴿وَأَلْقَتْ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتْ﴾
[ الانشقاق: 4]

এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে। [সূরা ইনশিক্বাক: 4]

Surah Al-Inshiqaq in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Inshiqaq ayat 4


আর তার ভেতরে যা-কিছু রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শূন্যগর্ভ হবে,


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪. যখন যমীন তার ভেতরের গুপ্ত ভাÐার ও মৃতদেরকে বাইরে নিক্ষেপ করে খালি হয়ে যাবে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


এবং পৃথিবী তার অভ্যন্তরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে এবং খালি হয়ে যাবে। [১] [১] অর্থাৎ, তাতে যেসব মুর্দা দাফন থাকবে, সমস্ত জীবিত হয়ে বের হয়ে আসবে। আর যেসব গুপ্ত ধন ( খনিজ পদার্থ ) তার গর্ভে মজুদ রয়েছে, তা বের করে ফেলবে। আর সে একেবারে খালি হয়ে যাবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর যমীন তার অভ্যন্তরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শূন্যগর্ভ হবে []। [] অর্থাৎ পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু উদগিরণ করে একেবারে শূন্যগর্ভ হয়ে যাবে। পৃথিবীর গর্ভে গুপ্ত ধন-ভাণ্ডার, খনি এবং সৃষ্টির আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত মৃত মানুষের দেহকণা ইত্যাদি রয়েছে। যমীন এসব বস্তু আপন গৰ্ভ থেকে বাইরে নিক্ষেপ করবে। অনুরূপভাবে যত মৃত মানুষ তার মধ্যে রয়েছে সবাইকে ঠেলে বাইরে বের করে দেবে। [ ফাতহুল কাদীর; সা‘দী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


ইমাম মালিক ( রঃ )-এর মুআত্তা নামক হাদীস গ্রন্থে হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি জনগণকে নামায পড়ান এবং ঐ নামাযে তিনি( আরবি ) এ সূরাটি পাঠ করেন। অতঃপর তিনি ( সিজদার আয়াতে নামাযের মধ্যেই ) সিজদা করেন। নামায শেষে তিনি জনগণকে সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) এভাবে নামাযের মধ্যে সিজদা করেছেন। ( এ হাদীসটি সহীহ মুসলিম ও সুনানে নাসাঈতেও বর্ণিত হয়েছে )হযরত আবু রাফে ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আবু হুরাইরার ( রাঃ ) সাথে এশার নামায পড়েছি। তিনি নামাযে ( আরবি ) সূরাটি পাঠ করেন এবং ( সিজদার আয়াতে ) সিজদা করেন। আমি তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ আমি আবুল কাসেমের ( সঃ ) পিছনে ( নামায পড়েছি এবং তার সিজদার সাথে ) সিজদা করেছি। আমি তার সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত ( অর্থাৎ যতদিন বেঁচে আছি ততদিন পর্যন্ত ) এই স্থলে সিজদা করতেই থাকবো। ( ইমাম বুখারী (রঃ ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের আরো সনদ রয়েছে) সহীহ মুসলিম ও সুনানে নাসাঈতে হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর সাথে ( আরবি ) এবং( আরবি ) এই সূরাদ্বয়ে সিজদা করেছি।১-১৫ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তাআলা বলেনঃ কিয়ামতের দিন আকাশ ফেটে যাবে, ওটা স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ পালনের জন্যে উৎকর্ণ হয়ে থাকবে এবং ফেটে যাওয়ার আদেশ পাওয়া মাত্র ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। তার করণীয়ই হলো আল্লাহর আদেশ পালন। কেননা, এটা ঐ আল্লাহর আদেশ যা কেউ ঠেকাতে পারে না, যিনি সবারই উপর বিজয়ী সবকিছুই যার সামনে অসহায় ও নাচার ।জমীনকে যখন সম্প্রসারিত করে দেয়া হবে। অর্থাৎ জমীনকে প্রসারিত করা হবে, বিছিয়ে দেয়া হবে এবং প্রশস্ত করা হবে। হযরত আলী ইবনে হুসাইন ( রঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী পাক ( সঃ ) বলেছেনঃ “ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা জমীনকে চামড়ার মত টেনে নিবেন । তাতে সব মানুষ শুধু দুটি পা রাখার মত জায়গা পাবে। সর্বপ্রথম আমাকে ডাকা হবে। হযরত জিব্রাঈল ( আঃ ) আল্লাহ তা'আলার ডান দিকে থাকবেন। আল্লাহর কসম! হযরত জিবরাঈল ( আঃ )-এর পূর্বে আল্লাহ তাআলাকে কখনো দেখেননি। আমি তখন বলবো: হে আমার প্রতিপালক! ইনি হযরত জিবরাঈল ( আঃ ), আমাকে খবর দিয়েছেন যে, আপনি তাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। ( এটা কি সত্য ) তখন মহামহিমান্বিত আল্লাহ উত্তরে বলবেনঃ হ্যা, সত্য বলেছে।” অতঃপর আমি শাফাআতের অনুমতিপ্রাপ্ত হবো এবং বলবো: “ হে আমার প্রতিপালক! আপনার বান্দারা পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে আপনার ইবাদত করেছে ।!” ঐ সময় তিনি মাকামে মাহমুদে থাকবেন। ( এ হাদীসটি ইমাম ইবনু জারীর (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ পৃথিবী তার অভ্যন্তরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শূন্যগর্ভ হবে অর্থাৎ জমীন তার অভ্যন্তরভাগ থেকে সকল মৃতকে উঠিয়ে ফেলবে এবং এভাবে ও গর্ভ শূন্য হয়ে যাবে। সেও প্রতিপালকের ফরমানের অপেক্ষায় থাকবে তার জন্যে এটাই করণীয়ও বটে। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট পৌছানো পর্যন্ত যে কঠোর সাধনা করে থাকো পরে তোমরা তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করবে। অর্থাৎ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি অগ্রসর হতে থাকবে, আমল করতে থাকবে, অবশেষে একদিন তার সাথে মিলিত হবে এবং তার সম্মুখে দাঁড়াবে। তখন তোমরা নিজেদের প্রচেষ্টা ও কার্যাবলী স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে।হযরত জাবির ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ হযরত জিবরাঈল ( আঃ ) বলেনঃ “হে মুহাম্মদ ( সঃ ) আপনি যতদিন ইচ্ছা জীবন যাপন করুন, অবশেষে একদিন আপনার মৃত্যু অনিবার্য । যা কিছুর প্রতি মনের আকর্ষণ সৃষ্টি করার করুন, একদিন তা থেকে বিচ্ছেদ অবধারিত। যা ইচ্ছা আমল করুন, একদিন তার সাথে সাক্ষাৎ হবে।” ( আরবি ) শব্দের ( আরবি ) সর্বনাম দ্বারা রব হবে বা প্রতিপালককে বুঝানো হয়েছে বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। তখন অর্থ হবেঃ তোমার সাথে তোমার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ হবেই। তিনি তোমাকে তোমার সকল আমলের পারিশ্রমিক দিবেন। তোমার সকল প্রচেষ্টার প্রতিফল তোমাকে প্রদান করবেন। এ উভয় কথাই পরস্পরের সাথে সম্পৃক্ত। কাতাদা ( রঃ ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ হে আদম সন্তান! তোমরা চেষ্টা কর বটে কিন্তু নিজেদের চেষ্টায় তোমরা দুর্বল। সকল চেষ্টা পুণ্যাভিমুখী যেন হতে পারে এ চেষ্টা করো। প্রকৃতপক্ষে পূণ্যকাজ করাবার এবং পাপকাজ হতে বিরত রাখার শক্তি একমাত্র আল্লাহর। তাঁর সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব নয়।মহান আল্লাহ বলেনঃ যাকে তার আমলনামা দক্ষিণ হস্তে দেয়া হবে তার হিসাব নিকাশ সহজেই নেয়া হবে। অর্থাৎ তার ছোট খাট পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর খুটিনাটিভাবে যার আমলের হিসাব গ্রহণ করা হবে তার ধ্বংস অনিবার্য। সে শাস্তি হতে পরিত্রাণ পাবে না।হযরত আয়েশা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ ( কিয়ামতের দিন ) যার হিসাব যাচাই করা হবে, আযাব তার জন্য অবধারিত । হযরত আয়েশা ( রাঃ ) একথা শুনে বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা কি একথা বলেন নাই? “ অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে প্রদান করা হবে তার হিসাব হবে সহজতর ।” উত্তরে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেন, সেটা তো হিসাবের নামে দৃশ্যতঃ পেশ করা মাত্র ( যথার্থ হিসাব নয় )। কিয়ামতের দিন যে ব্যক্তির হিসাব যাচাই করা হবে, আযাব তার জন্যে অবধারিত।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ ) ইমাম বুখারী ( রঃ ) ইমাম তিরমিযী ( রঃ, ইমাম নাসাঈ (রঃ ) এবং ইমাম ইবনে জারীর ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন)অন্য একটি বিওয়াইয়াতে আছে যে, এটা বর্ণনা করার পর রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) স্বীয় অক্ষুণী স্বীয় হস্তের উপর রেখে যেভাবে কেউ কোন জিনিস তন্ন তন্ন করে বুজে ঠিক সেইভাবে অঙ্গুলি নাড়াচাড়া করে বলেনঃ “ অর্থাৎ যাকে তন্ন তন্ন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সে আযাব থেকে বাঁচতে পারবে না । হযরত আয়েশা ( ব্রাঃ ) বলেন যে, যার কাছ থেকে যথারীতি হিসাব নেয়া হবে সে আযাব থেকে রক্ষা পাবে না। তাকে শাস্তি ভোগ থেকে রেহাই দেয়া হবে না। ( আরবি ) দ্বারা শুধু পেশকরণ বুঝানো হয়েছে। হযরত আয়েশা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) কে তার কোন এক নামাযে বলতে শুনি? ( আরবি ) অর্থাৎ “ হে আল্লাহ! আমার হিসাব আপনি সহজভাবে গ্রহণ করুন ।” তিনি এ নামায হতে ফারেগ হলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! এ সহজ হিসাব কি? তিনি উত্তরে বললেনঃ “ শুধু আমলনামার প্রতি দৃষ্টি দেয়ানো হবে অর্থাৎ ভাসাভাসা ন্যর দেয়ানো হবে । তারপর বলা হবেঃ যাও, আমি তোমাকে মাফ করে দিয়েছি। কিন্তু হে আয়েশা ( রাঃ )! আল্লাহ তা'আলা যার কাছ থেকে হিসাব নিবেন সে ধ্বংস হয়ে যাবে। মোটকথা, যার ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে সে তা পেশ হওয়ার পরপরই ছাড়া পেয়ে যাবে। তারপর দলীয় লোকদের কাছে উৎফুল্লভাবে ফিরে আসবে। হযরত সাওবান ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ "তোমরা আমল করতে রয়েছে, কিন্তু প্রকৃত অবস্থা কারো জানা নেই। শীঘ্রই এমন সময় আসবে যখন তোমরা নিজেদের আমলসমূহ চিনতে পারবে। কোন কোন লোক উৎফুল্লভাবে দলীয় লোকদের সাথে মিলিত হবে। আর কোন কোন লোক বিমর্ষভাবে, মলিন মুখে এবং উদাসীন চেহারায় ফিরে আসবে। যারা পিঠের কাছে বাম হাতে আমলনামা পাবে তারা ক্ষতিগ্রস্ততা ও ধ্বংসের কথা ভেবে চীৎকার করবে, মৃত্যু কামনা করবে এবং জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে। পৃথিবীতে তারা খুব হাসিখুশী বা নিশ্চিন্ত আরাম আয়েশে দিন কাটিয়েছে। পরকালের জন্যে সামান্যতম ভয়ও তাদের ছিল না। আজ তাদেরকে সর্বপ্রকারের দুঃখ যাতনা, বিমর্ষতা, মলিনতা এবং উদাসীনতা সবদিক দিয়ে ঘিরে ফেলেছে। তারা মনে করেছিল যে মৃত্যুর পর আর পুনরুত্থান হবে না এবং আর কোন জীবন নেই। তারা আল্লাহ তাআলার কাছে যাওয়ার কথা মোটেই বিশ্বাস করেনি।তাই, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ নিশ্চয়ই তারা ফিরে যাবে। আল্লাহ অবশ্য তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। প্রথমবার তিনি যেভাবে সৃষ্টি করেছেন দ্বিতীয় বারও সেভাবেই সৃষ্টি করবেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে পাপ ও পূণ্য কর্মের প্রতিফল প্রদান করবেন। তিনি তাদের প্রতি সবিশেষ দৃষ্টি রাখেন। তারা যা কিছু করছে সে সম্পর্কে তিনি পূর্ণ ওয়াকিফহাল।

সূরা ইনশিক্বাক আয়াত 4 সূরা

وألقت ما فيها وتخلت

سورة: الانشقاق - آية: ( 4 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 589 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. মেহমান ফেরেশতাগন বলল-হে লূত (আঃ) আমরা তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হতে প্রেরিত ফেরেশতা। এরা কখনো তোমার
  2. তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা আল্লাহ
  3. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।
  4. হে মারইয়াম! তোমার পালনকর্তার উপাসনা কর এবং রুকুকারীদের সাথে সেজদা ও রুকু কর।
  5. তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও। আর তুমিই
  6. অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।
  7. তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের
  8. এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।
  9. আর যখন আমি মূসার সাথে ওয়াদা করেছি চল্লিশ রাত্রির অতঃপর তোমরা গোবৎস বানিয়ে নিয়েছ মূসার
  10. অতঃপর তিনি এক উপায় অবলম্বন করলেন।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ইনশিক্বাক ডাউনলোড করুন:

সূরা Inshiqaq mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Inshiqaq শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ইনশিক্বাক  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 12, 2026

Please remember us in your sincere prayers