কোরান সূরা ওয়াকি'আ আয়াত 47 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Waqiah ayat 47 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ওয়াকি'আ আয়াত 47 আরবি পাঠে(Waqiah).
  
   

﴿وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ﴾
[ الواقعة: 47]

তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব? [সূরা ওয়াকি'আ: 47]

Surah Al-Waqiah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Waqiah ayat 47


আর তারা বলত -- ''কী! আমরা যখন মরে যাব ও মাটি ও হাড্ডি হয়ে যাব তখন কি আমরা আদৌ পুনরুত্থিত হব, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪৭. আর তারা পুনরুত্থানকে অস্বীকার করতো। তাই তারা ঠাট্টা ও এটিকে দুস্কর মনে করে বলবে, আমরা যখন মারা গিয়ে মাটি হয়ে যাবো এবং আমাদের হাড়গুলো বিগলিত হয়ে যাবে তখন কি আবার আমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে?!

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


তারা বলত, ‘মরে হাড় ও মাটিতে পরিণত হলেও কি আমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হব?

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর তারা বলত, ‘মরে অস্থি ও মাটিতে পরিণত হলেও কি আমাদেরকে উঠানো হবে?

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৪১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা আসহাবুল ইয়ামীন বা ডান দিকের লোকদের বর্ণনা দেয়ার পর এখন আসহাবুশ শিমাল বা বাম দিকের লোকদের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, কত হতভাগা বাম দিকের দল! তারা কতই না কঠিন শাস্তি ভোগ করবে! অতঃপর তাদের শাস্তির বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তারা থাকবে অত্যন্ত উষ্ণ বায়ু ও উত্তপ্ত পানিতে এবং কৃষ্ণবর্ণ ধূম্রের ছায়ায়। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ তোমরা যাকে অস্বীকার করতে, চল তারই দিকে । চল তিন শাখা বিশিষ্ট ছায়ার দিকে, যে ছায়া শীতল নয় এবং যা রক্ষা করে না অগ্নিশিখা হতে। এটা উৎক্ষেপণ করবে বৃহৎ স্ফুলিঙ্গ অট্টালিকা তুল্য, ওটা পীতবর্ণ উষ্ট্ৰশ্রেণী সদৃশ। সেই দিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্যে।” ( ৭৭:২৯-৩৪ ) এজন্যেই এখানে বলেছেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ তারা থাকবে কৃষ্ণ বর্ণ ধূম্র ছায়ায়। যা শীতল নয়, আরামদায়কও নয়। এটা আরবদের বাক পদ্ধতি যে, তারা যখন কোন জিনিসের মন্দ গুণ অধিক রূপে বর্ণনা করে তখন ওর সর্বপ্রকারের খারাপ গুণ বর্ণনা করার পর ( আরবী ) বলে থাকে। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা এ লোকেদেরকে শাস্তির যোগ্য বলার কারণ বর্ণনা করছেন যে, দুনিয়ায় তাদেরকে যে নিয়ামতের অধিকারী করা হয়েছিল তার মধ্যে তারা মত্ত ছিল। রাসূলদের ( আঃ ) কথায় তারা মোটেই ভ্রুক্ষেপ করেনি। তারা ভোগ-বিলাসে সম্পূর্ণরূপে মগ্ন ছিল এবং অবিরাম ঘোরতর পাপকর্মে লিপ্ত ছিল।হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ )-এর উক্তি এই যে, ( আরবী ) দ্বারা কুফরী ও শিরক উদ্দেশ্য। কেউ কেউ বলেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মিথ্যা কসম।এরপর তাদের আর একটি দোষের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, তারা কিয়ামত সংঘটিত হওয়াকেও অসম্ভব মনে করে। তারা এটাকে মিথ্যা মনে করে এবং জ্ঞান সম্পর্কীয় দলীল পেশ করে যে, মৃত্যুর পরে মাটিতে মিশে গিয়ে পুনরায় জীবিত হওয়া কি কখনো সম্ভব হতে পারে? তাদেরকে উত্তর দেয়া হচ্ছে যে, কিয়ামতের দিন সমস্ত আদম সন্তানকে পুনরায় নতুনভাবে সৃষ্টি করা হবে এবং সবাই এক মাঠে একত্রিত হবে। একজন লোকও এমন থাকবে না যে দুনিয়ায় এসেছে এবং সেখানে থাকবে না। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ এটা সেই দিন যেদিন সমস্ত মানুষকে একত্রিত করা হবে, এটা সেই দিন যেদিন সকলকে উপস্থিত করা হবে । আর আমি নির্দিষ্ট কিছুকালের জন্যে ওটা স্থগিত রাখি মাত্র। যখন সেদিন আসবে তখন আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত। কেউ কথা বলতে পারবে না। তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য এবং কেউ হবে ভাগ্যবান।” ( ১১:১০৩-১০৫ ) এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা এখানে বলেনঃ “ সকলকে একত্রিত করা হবে এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে ।” কিয়ামতের দিন এবং সময় নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত রয়েছে। কম বেশী এবং আগে পরে হবে না।প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ অতঃপর হে বিভ্রান্ত মিথ্যা আরোপকারীরা! তোমরা অবশ্যই আহার করবে যাকূম বৃক্ষ হতে এবং ওটা দ্বারা তোমরা উদর পূর্ণ করবে। কেননা, ওটা জোরপূর্বক তোমাদের কণ্ঠনালীতে ঢুকিয়ে দেয়া হবে। তারপর তোমরা পান করবে অত্যুষ্ণ পানি এবং ঐ পানি তোমরা পান করবে তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রের ন্যায়।( আরবী ) শব্দটি বহুবচন, এর একবচন হলো ( আরবী ) এবং স্ত্রীলিঙ্গ ( আরবী ) হবে। এটাকে ( আরবী ) এবং ( আরবী ) ও বলা হয়। কঠিন তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রকে ( আরবী ) বলা হয়, যার পিপাসাযুক্ত রোগ রয়েছে। সে পানি চুষে নেয় কিন্তু পিপাসা দূর হয় না। এই রোগেই সে শেষে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। অনুরূপভাবে জাহান্নামীকে গরম পানি পান করাবো, যা নিজেই একটা জঘন্যতম শাস্তি হবে। সুতরাং এর দ্বারা পিপাসা কিরূপে নিবারণ হতে পারে? হযরত খালিদ ইবনে মাদান ( রাঃ ) বলেন যে, একই নিঃশ্বাসে পানি পান করাও পিপাসার্ত উষ্ট্রের পানের সাথে তুলনীয়। এ জন্যে এভাবে পানি পান করা মাকরূহ!এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ “ কিয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন । যেমন মুমিনদের সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের আপ্যায়নের জন্যে আছে ফিরদাউসের উদ্যান ।( ১৮:১০৭ ) অর্থাৎ সম্মানিত আপ্যায়ন।

সূরা ওয়াকি'আ আয়াত 47 সূরা

وكانوا يقولون أئذا متنا وكنا ترابا وعظاما أئنا لمبعوثون

سورة: الواقعة - آية: ( 47 )  - جزء: ( 27 )  -  صفحة: ( 535 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তোমরা যা দেখ, আমি তার শপথ করছি।
  2. কাফেররা যখন আপনাকে দেখে তখন আপনার সাথে ঠাট্টা করা ছাড়া তাদের আর কোন কাজ থাকে
  3. আর বানিয়ে নিল মূসার সম্প্রদায় তার অনুপস্থিতিতে নিজেদের অলংকারাদির দ্বারা একটি বাছুর তা থেকে বেরুচ্ছিল
  4. যারা স্বীয় ধন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা
  5. যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ
  6. এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া।
  7. তোমরা কি এই বিষয়ে আশ্চর্যবোধ করছ?
  8. আর যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে দ্বিখন্ডিত করেছি, অতঃপর তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং ডুবিয়ে দিয়েছি
  9. তোমাদেরও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপাকারার্থে।
  10. যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ওয়াকি'আ ডাউনলোড করুন:

সূরা Waqiah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Waqiah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ওয়াকি'আ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers