কোরান সূরা আম্বিয়া আয়াত 54 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Anbiya ayat 54 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা আম্বিয়া আয়াত 54 আরবি পাঠে(Anbiya).
  
   

﴿قَالَ لَقَدْ كُنتُمْ أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ﴾
[ الأنبياء: 54]

তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ-দাদারাও। [সূরা আম্বিয়া: 54]

Surah Al-Anbiya in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Anbiya ayat 54


তিনি বললেন -- ''নিশ্চয়ই তোমরা, তোমরা ও তোমাদের পিতৃপুরুষরা, রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’’


Tafsir Mokhtasar Bangla


৫৪. ইব্রাহীম ( আলাইহিস-সালাম ) তাদেরকে বললেন: হে বাপ-দাদাদের অনুসারীরা! তোমরা ও তোমাদের অনুসরণীয় বাপ-দাদারা নিশ্চয়ই সত্য পথ থেকে সুস্পষ্টরূপে পথভ্রষ্ট ছিলে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পিতৃ-পুরুষরাও রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


তিনি বললেন, ‘অবশ্যই তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পিতৃপুরুষরাও স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছ

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, তিনি তাঁর বন্ধু হযরত ইবরাহীমকে ( আঃ ) বাল্যকাল হতেই হিদায়াত দান করেছিলেন। তাঁকে তিনি তাঁর দলীল প্রমাণাদি প্রদান করেছিলেন ও কল্যাণের জ্ঞান দিয়েছিলেন। যেমন অন্য জায়গায় বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ এই হচ্ছে আমার দলীল যা আমি ইবরাহীমকে ( আঃ ) তার কওমের উপর প্রদান করেছিলাম ।( ৬:৮৩ ) এই কাহিনীটি যে প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে, হযরত ইবরাহীমকে ( আঃ ) তাঁর মাতা তার দুধ পানের যুগেই একটি গুহায় রেখে এসেছিলেন। যেখান থেকে তিনি বহুদিন পর বেরিয়ে আসেন এবং আল্লাহর সৃষ্ট বস্তুর উপর, বিশেষ করে চন্দ্র, তারকা ইত্যাদির উপর দৃষ্টিপাত করে আল্লাহর পরিচয় লাভ করেছিলেন এসব বানী ইসরাঈলের বানানো কাহিনী। নিয়ম এই যে, আমাদের কাছে মহান আল্লাহর যে সত্য গ্রন্থ আল কুরআন এবং সুন্নাতে রাসূল ( সঃ ) বিদ্যমান রয়েছে, বনী ইসরাঈলের কোন ঘটনা যদি এগুলির সাথে মিলে যায় তবে তা সত্য ও গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি এগুলির বিপরীত হয় তবে তা হবে সম্পূর্ণরূপে বর্জনীয়। যদি তাদের কোন ঘটনার ব্যাপারে আমাদের শরীয়ত নীরব থাকে, ওর অনুকুলও না। হয় এবং প্রতিকলও না হয় তবে যদিও অধিকাংশ তাফসীরকারদের মতে ওর রিওয়াইয়াত করা জায়েয, তথাপি আমরা ওটাকে সত্যও বলতে পারি না এবং মিথ্যাও না। আর এটা তো প্রকাশমান যে, তাদের ঘটনাবলী আমাদের জন্যে সনদও নয় এবং তাতে আমাদের কোন দ্বীনী উপকারও নেই। এরূপ হলে আমাদের ব্যাপক ও পরিপূর্ণ শরীয়ত ওগুলি বর্ণনা করতে মোটেই কার্পণ্য করতো না। আমাদের এই তাফসীরে আমাদের নীতি তো এই রয়েছে যে, আমরা এর মধ্যে বানী ইসরাঈলের এরূপ রিওয়াইয়াত অনিয়ন করি না। কেননা, এতে সময় নষ্ট ছাড়া কোনই উপকার নেই, বরং ক্ষতিই আছে। কেননা, আমাদের বিশ্বাস আছে যে, বানী ইসরাঈলের মধ্যে রিওয়াইয়াতে সত্য-মিথ্যা যাচাই করার কোন যোগ্যতাই ছিল না। তাদের মধ্যে মিথ্যা অনুপ্রবেশ করেছিল, যেমন আমাদের হাফিয ইমমিগণ ব্যাখ্যা করেছেন।মোট কথা, এই আয়াতে মহান আল্লাহ বলেনঃ ইতিপূর্বে আমি ইবরাহীমকে ( আঃ ) সৎ পথের জ্ঞান দান করেছিলাম এবং তার সম্বন্ধে ছিলাম সম্যক পরিজ্ঞাত।হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) বাল্যকালেই তাঁর কওমের গায়রুল্লাহর পূজাপার্বন অপছন্দ করেন। অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে কঠোর ভাবে তিনি ওটা অস্বীকার করেন। তাঁর কওমকে তিনি প্রকাশ্যভাবে বলেনঃ “ এই মুর্তিগুলি কি, যাদের পূজায় তোমরা, রত রয়েছো?'বর্ণিত আছে যে, হযরত ইসবাগ ইবনু নাবাতা' ( রঃ ) একদা পথ চলছিলেন । পথে এক জায়গায় তিনি দেখতে পান যে, কতকগুলি লোক দাবা খেলায় রত রয়েছে। তখন তিনি তাদের সামনে ( আরবী ) আয়াতটি পাঠ করেন এবং বলেনঃ “ তোমাদের কারো দাবার মোহর স্পর্শ করার চেয়ে হাতে জ্বলন্ত অঙ্গার রেখে দেয়াই উত্তম ।" ( এটা ইবনু আবি হাতিম (রাঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবরাহীমের ( আঃ ) ঐ স্পষ্ট দলীলের কোন জবাব তার কওমের কাছে ছিল না। তাই, তারা তাঁকে বললোঃ “ আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এগুলির পূজা করতে দেখেছি ।” তিনি তখন তাদেরকে বললেনঃ “ এটা কোন দলীল হলো কি? তোমাদের উপর আমি যে প্রতিবাদ করছি ঐ প্রতিবাদ তোমাদের পিতৃ পুরুষদের উপরও বটে । তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষরাও স্পষ্ট বিভ্রান্তির উপর রয়েছে। তার একথা শুনে তাদের কান খাড়া হয়ে যায়। কেননা, তারা দেখলো যে, তিনি তাদের জ্ঞানী লোকদেরকে অবজ্ঞা করছেন। তাদের পিতৃ পুরুষদের সম্পর্কে তিনি যে মন্তব্য। করলেন তা তাদের শোনার মত নয়। আর তিনি তাদের উপর উপাস্য দেবদেবীদেরকেও অবজ্ঞা করলেন। তাই, তারা হতবুদ্ধি হয়ে তাঁকে বললোঃ “ হে ইব্রাহীম ( আঃ )! তুমি কি আমাদের নিকট কোন সত্য এনেছে, না তুমি আমাদের সাথে কৌতুক করছো?” এবার তিনি ( হযরত ইবরাহীম আঃ ) তাদের কাছে সত্য প্রচার করার সুযোগ পেলেন এবং পরিস্কারভাবে ঘোষণা করলেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক তো আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক, যিনি ওগুলিকে সৃষ্টি করেছেন । সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও অধিপতি তিনিই। তোমাদের এই উপাস্য দেব-দেবীগুলি কোন ক্ষুদ্র ও নগণ্য জিনিসেরও সৃষ্টি কর্তা ও মালিক নয়। সুতরাং তারা উপাস্য ও ইবাদতের যোগ্য কিরূপে হতে পারে? আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, সৃষ্টিকর্তা ও মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনিই ইবাদতের যোগ্য। তিনি ছাড়া অন্য কেউই উপাস্য হতে পারে না।”

সূরা আম্বিয়া আয়াত 54 সূরা

قال لقد كنتم أنتم وآباؤكم في ضلال مبين

سورة: الأنبياء - آية: ( 54 )  - جزء: ( 17 )  -  صفحة: ( 326 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. যখন সমুদ্রে তোমাদের উপর বিপদ আসে, তখন শুধু আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে তোমরা আহবান করে থাক
  2. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
  3. আর যার পাল্লা হালকা হবে,
  4. প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি
  5. অবশ্যই মুনাফেকরা প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে, অথচ তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতারিত করে। বস্তুতঃ তারা যখন
  6. তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ-বস্তু কত উদগত করেছি।
  7. গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।
  8. বলুনঃ তোমরা কোরআনকে মান্য কর অথবা অমান্য কর; যারা এর পূর্ব থেকে এলেম প্রাপ্ত হয়েছে,
  9. অতঃপর আমি কাফেরদেরকে ধৃত করেছিলাম। কেমন ছিল আমার আযাব!
  10. যখন তারা দাউদের কাছে অনুপ্রবেশ করল, তখন সে সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। তারা বললঃ ভয় করবেন

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা আম্বিয়া ডাউনলোড করুন:

সূরা Anbiya mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Anbiya শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Tuesday, July 21, 2026

Please remember us in your sincere prayers