কোরান সূরা আ'রাফ আয়াত 8 তাফসীর
﴿وَالْوَزْنُ يَوْمَئِذٍ الْحَقُّ ۚ فَمَن ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ﴾
[ الأعراف: 8]
আর সেদিন যথার্থই ওজন হবে। অতঃপর যাদের পাল্লা ভারী হবে, তারাই সফলকাম হবে। [সূরা আ'রাফ: 8]
Surah Al-Araf in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Araf ayat 8
আর সেদিন ওজন হবে সঠিকভাবে। কাজেই যার পাল্লা ভারী হবে তারাই তবে হবে সফলকাম।
Tafsir Mokhtasar Bangla
৮. কিয়ামতের দিন আমলসমূহের ওজন এমন ইনসাফ ভিত্তিক হবে যাতে কোন ধরনের যুলুম ও অত্যাচার থাকবে না। সুতরাং ওজনের সময় যার নেকীর পাল্লা তার পাপের পাল্লার চেয়ে ভারী হবে সেই হবে সফলকাম ও ভয়মুক্ত।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
সেদিন ওজন ঠিকভাবেই করা হবে, যাদের ওজন ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
আর সেদিন ওজন [ ১ ] যথাযথ হবে [ ২ ] সুতরাং যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে [ ৩ ]। [ ১ ] সেদিনের সে দাঁড়িপাল্লায় কোন অপরাধীর অপরাধ বাড়িয়ে দেয়া হবে না। আর কোন নেককারের নেক কমিয়ে দেয়া হবে না। [ আদওয়াউল বায়ান ] অন্য আয়াতেও আল্লাহ সেটা বলেছেন, “ আর কেয়ামতের দিনে আমরা ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব, সুতরাং কারো প্রতি কোন যুলুম করা হবে না এবং কাজ যদি শস্য দানা পরিমাণ ওজনেরও হয় তবুও তা আমরা উপস্থিত করব;" |সূরা আল-আম্বিয়া: ৪৭] তবে আল্লাহ্ তা'আলা কোন কোন নেক বান্দার আমলকে বহুগুণ বর্ধিত করবেন । আল্লাহ বলেন, “ নিশ্চয় আল্লাহ অণু পরিমাণও যুলুম করেন না । আর কোন পুণ্য কাজ হলে আল্লাহ সেটাকে বহুগুণ বর্ধিত করেন এবং আল্লাহ তার কাছ থেকে মহাপুরস্কার প্রদান করেন।” [ সূরা আন-নিসা:৪০ ] অনুরূপভাবে ‘হাদীসে বিতাকাহ’ নামে বিখ্যাত হাদীসেও দেখুন, [ ইবন মাজাহঃ ৪৩০০; তিরমিযী ২১২৭ ] সেটা বর্ণিত হয়েছে। [ ২ ] এ আয়াতে বলা হয়েছেঃ “ সেদিন যে ভাল-মন্দ কাজকর্মের ওজন হবে তা সত্যসঠিকভাবেই হবে ।” এতে কোনরূপ সন্দেহের অবকাশ নেই। এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, এতে মানুষ ধোঁকায় পড়তে পারে যে, যেসব বস্তু ভারী, সেগুলোর ওজন ও পরিমান হতে পারে। মানুষের ভাল-মন্দ কাজকর্ম কোন জড় পদার্থ নয় যে, এগুলোকে ওজন করা যেতে পারে। এমতাবস্থায় কাজকর্মের ওজন কিরূপে করা হবে? উত্তর এই যে, প্রথমতঃ আল্লাহ্ তা'আলা সর্বশক্তিমান। তিনি সব কিছুই করতে পারেন। অতএব, আমরা যা ওজন করতে পারি না আল্লাহ তা'আলাও তা ওজন করতে পারবেন, এটা বিচিত্র কিছু নয়। দ্বিতীয়তঃ আজকাল জগতে ওজন করার নতুন নতুন যন্ত্র আবিস্কার হয়েছে যাতে দাঁড়িপাল্লা, স্কেলকাঁটা ইত্যাদির কোন প্রায়োজন নেই। এসব নবাবিস্কৃত যন্ত্রের সাহায্যে আজকাল এমন বস্তুও ওজন করা যায়, যা ইতোপূর্বে ওজন করার কল্পনাও করা যেত না। আজকাল বাতাসের চাপ এবং বৈদ্যুতিক প্রবাহও ওজন করা যায়। এমনকি শীত-গ্রীষ্ম পর্যন্ত ওজন করা হয়। এগুলোর মিটারই এদের দাঁড়িপাল্লা। যদি আল্লাহ তা'আলা স্বীয় অসীম শক্তি-বলে মানুষের কাজকর্ম ওজন করে নেন, তবে এতে বিস্ময়ের কিছুই নেই। হাদীসে রয়েছে যে, যদি কোন বান্দার ফরয কাজসমূহে কোন ক্রটি পাওয়া যায়, তবে রাববুল আলামীন বলবেনঃ দেখ, তার নফল কাজও আছে কি না। নফল কাজ থাকলে ফরযের ক্রটি নফল দ্বারা পূরণ করা হবে। [ মুসনাদে আহমাদঃ ৪/৬৫ ] আমলের ওজন পদ্ধতিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পাখার সমানও হবে না। এ কথার সমর্থনে কুরআনুল কারীমের এ আয়াত পাঠ করলেন। " ( فَلَا نُقِيْمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيٰمَةِ وَزْنًا ) অর্থাৎ কেয়ামতের দিন আমি তাদের কোন ওজন স্থির করবো না ’ [ বুখারীঃ ৪৪৫২, মুসলিমঃ ২৭৮৫ ] আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রশংসায় বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তার পা দুটি বাহ্যতঃ যতই সরু হোক, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, কেয়ামতের দাড়িপাল্লায় তার ওজন ওহুদ পর্বতের চাইতেও বেশী হবে। [ মুসনাদে আহমাদ: ১/৪২০ ] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, ‘দুটি বাক্য উচ্চারণের দিক দিয়ে খুবই হাল্কা; কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় অত্যন্ত ভারী এবং আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। বাক্য দুটি হচ্ছে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’, ‘সুবহানাল্লাহিল আযীম'। [ বুখারীঃ ৭৫৬৩ ] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ ‘সুবহানাল্লাহ’ বললে আমলের দাড়িপাল্লার অর্ধেক ভরে যায় আর ‘আলহামদুলিল্লাহ' বললে বাকী অর্ধেক পূর্ণ হয়ে যায়। [ মুসনাদে আহমাদঃ ৪/২৬০, ৫/৩৬৫; সুনান দারমীঃ ৬৫৩ ] অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘আমলের ওজনের বেলায় কোন আমলই সচ্চরিত্রতার সমান ভারী হবে না। [ আবু দাউদঃ ৪৭৯৯; তিরমিয়ীঃ ২০০৩ ] অন্যত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ যে ব্যক্তি জানাযার সাথে কবরস্থান পর্যন্ত যায়, তার আমলের ওজনে দু'টি কিরাত রেখে দেয়া হবে” [ বুখারীঃ ১২৬১ ] । অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, এই কিরাতের ওজন হবে ওহুদ পাহাড়ের সমান। [ মুসলিমঃ ৬৫৪ ] কেয়ামতে আমলের ওজন সম্পর্কে এ ধরণের বহু হাদীস রয়েছে। [ ৩ ] মানুষের জীবনের সমগ্র কার্যাবলী দু’টি অংশে বিভক্ত হবে। একটি ইতিবাচক বা সৎকাজ এবং অন্যটি নেতিবাচক বা অসৎকাজ। ইতিবাচক অংশের অন্তর্ভুক্ত হবে সত্যকে জানা ও মেনে নেয়া এবং সত্যের অনুসরণ করে সত্যের খাতিরে কাজ করা। আখেরাতে এটিই হবে ওজনদার, ভারী ও মূল্যবান। আর সে মূল্যবান কাজের ফলাফলও মূল্যবান হবে। এ আয়াতে তা উল্লেখ না হলেও অন্য আয়াতে সেটা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ বলেন, “ অতঃপর যার পাল্লাসমূহ ভারী হবে, সে তো থাকবে সন্তোষজনক জীবনে " [ সূরা আল-কারি'আহ:৬-৭ ] অর্থাৎ জান্নাতে । অন্যদিকে সত্য থেকে গাফিল হয়ে অথবা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়ে মানুষ নিজের নফস-প্রবৃত্তি বা অন্য মানুষের ও শয়তানের অনুসরণ করে অসত্য পথে যা কিছুই করে, তা সবই নেতিবাচক অংশে স্থান লাভ করবে। আর এ নেতিবাচক অংশটি কেবল যে মূল্যহীন হবে তাই নয়, বরং এটি মানুষের ইতিবাচক অংশের মর্যাদাও কমিয়ে দেবে। কাজেই মানুষের জীবনের সমুদয় কার্যাবলীর ভাল অংশ যদি তার মন্দ অংশের ওপর বিজয় লাভ করে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে অনেক কিছু দেবার পরও তার হিসেবে কিছু না কিছু অবশিষ্ট থাকে, তবেই আখেরাতে তার সাফল্য লাভ করা সম্ভব।
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
৮-৯ নং আয়াতের তাফসীর: ইরশাদ হচ্ছে যে, কিয়ামতের দিন আমলসমূহ ওজন করা হবে এটা সত্য কথা, যেন কারো উপর যুলুম না হতে পারে। যেমন এক জায়গায় বলেনঃ “ কিয়ামতের দিন আমি সত্য ও ন্যায়ের দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করবো যাতে কারো উপর বিন্দুমাত্রও যুলুম না হতে পারে । সরিষার দানা পরিমাণও যদি কোন আমল থেকে থাকে সেটাও ছুটে যাবে না। গণনার জন্যে আমিই যথেষ্ট।” অন্য জায়গায় আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “ আল্লাহ অণু পরিমাণও কারো উপর অত্যাচার করবেন না । যদি একটি পুণ্য হয় তবে ওকে দ্বিগুন ত্রিগুণ করে দেয়া হবে। তাঁর এই বিরাট প্রতিদান তাঁর পক্ষ থেকে পুরস্কার স্বরূপ।” আর এক জায়গায় তিনি বলেনঃ “ যার ( পুণ্যের ) পাল্লা ভারী হবে সে তো তার বাসনানুরূপ সুখে অবস্থান করবে । আর যার ( পুণ্যের ) পাল্লা হাল্কা হবে, তার বাসস্থান হবে হাবিয়া। তোমার কি জানা আছে, ওটা কি? ওটা হচ্ছে জ্বলন্ত অগ্নি।” আর এক স্থানে তিনি বলেনঃ “ যখন শিঙ্গায় ফু দেয়া হবে তখন আত্মীয়তার সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে । কেউ কাউকেও কিছুই জিজ্ঞেস করবে না। যার ( পুণ্যের ) ওজন ভারী, হবে সে তো হবে কৃতকার্য ও সফলকাম, আর যর ( পুণ্যের ) ওজন হালকা হবে সে বড়ই ক্ষতিগ্রস্ত ও বিফল মনোরথ হবে। আর তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম।” দাড়িপাল্লায় যা ওজন করা হবে তা হচ্ছে কারো কারো মতে স্বয়ং আমল। যদিও ওর কোন আকার নেই অর্থাৎ যদিও ওটা কোন দৃশ্যমান অস্তিত্ব বিশিষ্ট পদার্থ নয়, তবুও সেই দিন আল্লাহ তা'আলা ওকে পদার্থের আকার দান করবেন। এই বিষয়েরই হাদীস হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, সূরায়ে বাকারা’ এবং সূরায়ে আলে-ইমরান’ কিয়ামতের দিন দু’টি মেঘখণ্ডের আকারে সামনে আসবে। অথবা দু’টি সামিয়ানার আকারে কিংবা আকাশে ছড়িয়ে পড়া পাখীদের আঁকের আকারে আসবে। সহীহ হাদীসে রয়েছে যে, কুরআন পাঠকের কাছে কুরআন মাজীদ একজন নবযুবকের আকারে হজির হবে। কুরআনের পাঠক তাকে জিজ্ঞেস করবেঃ ‘তুমি কে? সে উত্তরে বলবেঃ “ আমি কুরআন । আমি তোমাকে রাত্রিকালে জাগিয়ে রাখতাম এবং সারাদিন রোযার হুকুম পালনার্থে পিপাসার্ত রাখতাম।” কবরের প্রশ্নের ঘটনায় রয়েছে যে, কবরে মুমিনের কাছে একজন সুগন্ধময় সুন্দর যুবক আগমন করবে। কবরবাসী তাকে জিজ্ঞেস করবেঃ ‘তুমি কে? সে বলবেঃ “ আমি তোমার সৎ আমল ।”হাদীসে বেতাকার মধ্যে রয়েছে যে, একজন লোককে একটি কাগজের টুকরা দেয়া হবে এবং ওটা তারাযুর এক পাল্লায় রাখা হবে। আর অপর পাল্লায় রাখা হবে কাগজের নিরানব্বইটি দফতর। এক একটি দফতর এতো বড় হবে যে, যতদূর দৃষ্টি যায় ততদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকবে। ঐ কাগজের টুকরায় ( আরবী ) ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ লিখা থাকবে। লোকটি বলবেঃ “ কোথায় এই কাগজের টুকরাটি এবং কোথায় ঐ বড় বড় দফতরগুলো ।” তখন আল্লাহ পাক তাকে বলবেনঃ “ আজ কিন্তু তোমার উপর অত্যাচার করা হবে না ।” রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেন যে, তার পাপরাশির বড় বড় দফতরের পাল্লা হালকা হয়ে যাবে এবং ঐ কাগজখণ্ডের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে।আবার এ কথাও বলা হয়েছে যে, আমল বা আমলনামা ওজন করা হবে না, বরং আমলকারীকে ওজন করা হবে। যেমন হাদীসে রয়েছে যে, কিয়ামতের দিন একজন মোটা লোকটে আনয়ন করা হবে, কিন্তু সে আল্লাহর কাছে পাখীর পালকের সমানও ওজনের হবে না। অতঃপর তিনি ( আরবী ) -এই আয়াতটি পাঠ করেন।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, একদা রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তাঁর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেনঃ “ তোমরা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রাঃ )-এর সরু সরু পা দেখে কেন বিস্ময় বোধ করছো? আল্লাহর শপথ! এটা দাঁড়িপাল্লায় ওজন করলে এর ওজন উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বেশী হবে ।” এই তিনটি বর্ণনাকে এভাবে জমা করা যেতে পারে যে, কখনো ওজন করা হবে আমল, কখনো আমলনামা এবং কখনো আমলকারীকে।
সূরা আ'রাফ আয়াত 8 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!
- আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম
- আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে সাহায্য করবে। আল্লাহ তা’আলা যাকে
- আপাততঃ বর্তমান এ শাস্তি তোমরা আস্বাদন করে নাও এবং জেনে রাখ যে, কাফেরদের জন্য রয়েছে
- আর যখন আপনি তাদের নিকট কোন নিদর্শন নিয়ে না যান, তখন তারা বলে, আপনি নিজের
- বস্তুতঃ ইহুদীদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্তু যা তাদের জন্য হালাল ছিল-তাদের
- এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে
- অতঃপর সে তার সম্প্রদায়কে বোকা বানিয়ে দিল, ফলে তারা তার কথা মেনে নিল। নিশ্চয় তারা
- অতঃপর আমি সুলায়মানকে সে ফায়সালা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম এবং আমি উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম। আমি
- আর যখন আমি বললাম, তোমরা প্রবেশ কর এ নগরীতে এবং এতে যেখানে খুশী খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা আ'রাফ ডাউনলোড করুন:
সূরা Araf mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Araf শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



