কোরান সূরা শাম্স আয়াত 11 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Shams ayat 11 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা শাম্স আয়াত 11 আরবি পাঠে(Shams).
  
   

﴿كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَاهَا﴾
[ الشمس: 11]

সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল। [সূরা শাম্স: 11]

Surah Ash-Shams in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Shams ayat 11


ছামূদ জাতি তাদের অবাধ্যতা বশত মিথ্যা বলেছিল,


Tafsir Mokhtasar Bangla


১১. সামূদ সম্প্রদায় নিজেদের নবী সালিহ ( আলাইহিস-সালাম ) এর প্রতি মিথ্যারোপ করেছে এ জন্য যে, তারা অবাধ্যতা ও পাপাচারে সীমালঙ্ঘন করেছে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতাবশতঃ ( সত্যকে ) মিথ্যা জ্ঞান করল। [১] [১] طغيان সেই অবাধ্যতাকে বলে, যা সীমা ছাড়িয়ে যায়। সেই অবাধ্যতাই তাদেরকে মিথ্যাজ্ঞান করায় উদ্বুদ্ধ করে তুলেছিল।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতাবশত [] মিথ্যারোপ করেছিল। [] অর্থাৎ তারা সালেহ্ আলাইহিস্সালামের নবুওয়াতকে মিথ্যা গণ্য করলো। তাদেরকে হেদায়াত করার জন্যে সালেহকে পাঠানো হয়েছিল। যে দুস্কৃতিতে তারা লিপ্ত হয়েছিল তা ত্যাগ করতে তারা প্ৰস্তুত ছিল না এবং সালেহ আলাইহিস্ সালাম যে তাকওয়ার দিকে তাদেরকে দাওয়াত দিচ্ছিলেন তা গ্ৰহণ করতেও তারা চাইছিল না। নিজেদের এই বিদ্রোহী মনোভাব ও কার্যক্রমের কারণে তাই তারা তার নবুওয়াতকে মিথ্যা বলছিল। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন সূরা আল-আ‘রাফ ৭৩– ৭৬, হুদা ৬১-৬২.
আশ শু‘আরা: ১৪১-১৫৩.
আন-নামল ৪৫-৪৯, আল-ক্বামার ২৩-২৫

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১১-১৫ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তা'আলা বলেনঃ সামূদ গোত্রের লোকেরা হঠকারিতা করে এবং অহংকারের বশবর্তী হয়ে তাদের রাসূল ( আঃ ) কে অবিশ্বাস ও অস্বীকার করেছে। মুহাম্মদ ইবনে কাব ( রঃ ) বলেন, ( আরবি ) এর ভাবার্থ হলোঃ তারা সবাই মিথ্যাপ্রতিপন্ন করেছে। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই অধিক উত্তম। হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) এবং হযরত কাতাদা ও ( রঃ ) এ কথাই বলেছেন। এ হঠকারিতা এবং মিথ্যাচারের কারণে তারা এমন দুর্ভাগ্যের সম্মুখীন হয়েছিল যে, তাদের মধ্যে যে ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি সে প্রস্তুত হয়ে যায়। তার নাম ছিল কিদার ইবনে সালিফ। সে হযরত সালিহ্র ( আঃ ) উন্ত্রীকে কেটে ফেলে। এ সম্পর্কে কুরআন কারীমে বলা হয়েছেঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ তারা তাদের সঙ্গীকে আহ্বান করলো, তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সে এসে গেল এবং উস্ত্রীকে মেরে ফেললো ।( ৫৪:২৯ ) এ লোকটিও তার কওমের মধ্যে সম্মানিত ছিল। সে ছিল সদ্বংশজাত, সম্ভ্রান্ত এবং কওমের নেতা।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যামআহ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) একবার তাঁর ভাষণে ঐ উস্ত্রীর এবং ওর হত্যাকারীর বিষয়ে আলোচনা করেন এবং এ আয়াত তিলাওয়াত করেন। তারপর বলেনঃ “ ঠিক যেন আবু যামআ’হ । এ লোকটিও কিদারের মতই নিজের কওমের নিকট প্রিয়, সম্মানিত এবং সম্ভ্রান্ত ছিল।” ( এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ ) স্বীয় তাফসীরে, ইমাম মুসলিম ( রঃ ) সিফাতুন্নারের মধ্যে এবং ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) ও ইমাম নাসাঈ ( রঃ ) তাফসীরের মধ্যে বর্ণনা করেছেন)মুসনাদে ইবনে আবী হাতিমে হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসার ( রঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) হযরত আলীকে ( সঃ ) বলেনঃ “ আমি তোমাকে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে পাপী ও নিকৃষ্ট দু’টি লোকের কথা বলছি । এক ব্যক্তি হলো সামূদ জাতির সেই নরাধম যে হযরত সালিহ্র ( আঃ ) উষ্ট্রীকে হত্যা করেছে, আর দ্বিতীয় হলো ঐ ব্যক্তি যে তোমার কপালে যখম করবে। তাতে তোমার শ্মশু রক্ত রঞ্জিত হয়ে যাবে।” আল্লাহর রাসূল হযরত সালিহ ( আঃ ) তাঁর কওমকে বললেনঃ হে আমার কওম! তোমরা আল্লাহর উস্ত্রীর কোন ক্ষতি করা হতে বিরত থাকো। তার পানি পান করার নির্ধারিত দিনে জুলুম করে তার পানি বন্ধ করো না। তোমাদের এবং তার পানি পানের দিন তারিখ এবং সময় নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু ঐ দুবৃত্তরা নবীর ( আঃ ) কথা মোটেই গ্রাহ্য করলো না। এই পাপের কারণে তাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেল। তারপর তারা তাদের প্রকাশ্য মুকাবিলার জন্যে প্রস্তুত হয়ে গেল এবং ঐ উস্ত্রীকে হত্যা করলো, যাকে আল্লাহ পিতা মাতা ছাড়াই পাথরের একটা টুকরোর মধ্য হতে সৃষ্টি করেছিলেন। ঐ উষ্ট্ৰীটি ছিল হযরত সালিহ্র ( আঃ ) একটি মু'জিযা। এবং আল্লাহর কুদরতের পূর্ণ নিদর্শন। ফলে আল্লাহ তা'আলাও তাদের উপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হন এবং পাইকারী হারে আযাব দিয়ে তাদের সবাইকে ধ্বংস করে দেন। নবী ( আঃ )-এর উষ্ট্রী হত্যাকারী ব্যক্তিকে তার সম্প্রদায়ের ছোট বড় নারী পুরুষ সবাই এ ব্যাপারে সমর্থন করেছিল এবং সবারই পরামর্শক্রমেই সেই নরাধম উষ্ট্রীকে হত্যা করেছিল। এ কারণে আল্লাহর আযাবে সবাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।( আরবি ) শব্দটি ( আরবি ) রূপেও পঠিত হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা কাউকে শাস্তি দিয়ে তার পরিণাম কি হবে তা চিন্তা করেন না। তারা বিগড়ে বসে কিনা সেটারও আল্লাহ তাবারাকাওয়া তাআলা কোন পরোয়া করেন না। এখানে এও অর্থ হতে পারে যে ঐ দুবৃত্ত উস্ত্রীকে মেরে ফেলেছে, কিন্তু এর পরিণামকে ভয় করেনি। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই উত্তম। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।

সূরা শাম্স আয়াত 11 সূরা

كذبت ثمود بطغواها

سورة: الشمس - آية: ( 11 )  - جزء: ( 30 )  -  صفحة: ( 595 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তিনি বললেনঃ যার কাছে আমরা আমাদের মাল পেয়েছি, তাকে ছাড়া আর কাউকে গ্রেফতার করা থেকে
  2. যখন সে তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি ভয় কর না ?
  3. আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। বরং
  4. আর তোমাদের উপাস্য একইমাত্র উপাস্য। তিনি ছাড়া মহা করুণাময় দয়ালু কেউ নেই।
  5. সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।
  6. তিনিই প্রথমবার অস্তিত্ব দান করেন এবং পুনরায় জীবিত করেন।
  7. এমনিভাবে আমি সুস্পষ্ট আয়াত রূপে কোরআন নাযিল করেছি এবং আল্লাহ-ই যাকে ইচ্ছা হেদায়েত করেন।
  8. তার কর্ম শীঘ্রই দেখা হবে।
  9. এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।
  10. তোমরা ক্রীড়া-কৌতুক করছ,

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা শাম্স ডাউনলোড করুন:

সূরা Shams mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Shams শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত শাম্স  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত শাম্স  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত শাম্স  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত শাম্স  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত শাম্স  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত শাম্স  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত শাম্স  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত শাম্স  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত শাম্স  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত শাম্স  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত শাম্স  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত শাম্স  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত শাম্স  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত শাম্স  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত শাম্স  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত শাম্স  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত শাম্স  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত শাম্স  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত শাম্স  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত শাম্স  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত শাম্স  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত শাম্স  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত শাম্স  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত শাম্স  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত শাম্স  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Tuesday, June 9, 2026

Please remember us in your sincere prayers