কোরান সূরা মা'আরিজ আয়াত 13 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Maarij ayat 13 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা মা'আরিজ আয়াত 13 আরবি পাঠে(Maarij).
  
   

﴿وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ﴾
[ المعارج: 13]

তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত। [সূরা মা'আরিজ: 13]

Surah Al-Maarij in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Maarij ayat 13


আর তার নিকট-আ‌ত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৩. নিজ নিকটতম বংশধরদেরকে দিয়ে মুক্তিপণ দিতে। যারা কঠিন মুহূর্তে তার পাশে দাঁড়াতো।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত,

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ যে শাস্তি তলব করছে ঐ শাস্তি ঐ তলবকারী কাফিরদের উপর ঐ দিনে আসবে যেই দিন আকাশ গলিত ধাতুর মত অথবা তেলের গাদের মত হয়ে যাবে এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত পশমের মত। অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রঙ্গিন পশমের মত ।( ১০১ :৫ ) মহান আল্লাহ্ বলেনঃ সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব নিবে না। অর্থাৎ কোন বন্ধু তার বন্ধুর অথবা কোন নিকট আত্মীয় তার নিকট আত্মীয়ের কোন খবর নিবে না। অথচ একে অপরকে মন্দ অবস্থায় দেখতে পাবে, কিন্তু নিজে এমন ব্যস্ত থাকবে যে, অন্য কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করার খেয়ালই তার থাকবে না। হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, একে অপরকে দেখবে এবং চিনতেও পারবে, কিন্তু সেখান থেকে পালিয়ে যাবে। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ সেই দিন তাদের প্রত্যেকের হবে এমন গুরুতর অবস্থা যা তাকে সম্পূর্ণরূপে ব্যস্ত রাখবে ।( ৮০:৩৭ ) আর এক জায়গায় বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর এবং এমন দিনকে ভয় কর যেই দিন পিতা পুত্রের কোন উপকার করবে না এবং পুত্রও পিতার কোন উপকার করবে না, নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য ।( ৩৩:৩৩ ) আরো বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ কেউ কাউকেও তার বোঝা উঠাবার জন্যে আহ্বান করলে সে তার বোঝার কিছুই উঠাতে আসবে না, যদিও সে তার নিকটতম আত্মীয় হয় ।( ৩৫:১৮ ) অন্য এক জায়গায় আল্লাহ পাক বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে তখন তাদের পারস্পরিক আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে এবং তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করবে না ।( ২৩:১০১ ) আর এক জায়গায় বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ সেই দিন মানুষ পলায়ন করবে তার ভ্রাতা হতে, তার মাতা, তার পিতা, তার পত্নী ও তার সন্তান হতে । সেই দিন তাদের প্রত্যেকের হবে এমন গুরুতর অবস্থা যা তাকে সম্পূর্ণরূপে ব্যস্ত রাখবে।” ( ৮০:৩৪-৩৭ ) মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ্ বলেনঃ অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে, তার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে, তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিতে এবং পৃথিবীর সকলকে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে মুক্তি দেয়। না, কখনই নয়।' হায়! এটা কতই না মর্মান্তিক দৃশ্য! সেই দিন মানুষ। তার কলিজার টুকরা এবং নিজের শাখা ও মূলকে এবং সবকিছুকেই মুক্তিপণ হিসেবে প্রদান করতে প্রস্তুত থাকবে, যেন সে নিজে বেঁচে যায়! ( আরবি )-এর একটি অর্থ ধন-সম্পদও করা হয়েছে। মোটকথা, সেই দিন মানুষ আত্মরক্ষার জন্যে প্রিয় হতে প্রিয়তম জিনিসকেও মুক্তিপণ হিসেবে আন্তরিয্‌কভাবে দিতে চাইবে। কিন্তু কোন জিনিসই উপকারে আসবে না। কোন বিনিময় ও মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না। বরং ঐ আগুনের শাস্তিতে নিক্ষেপ করা হবে যা হবে লেলিহান শিখাযুক্ত এবং ভীষণভাবে প্রজ্বলিত। তা গাত্র হতে চামড়া খসিয়ে দিবে। অস্থিকে করে দিবে মাংস শূন্য। শিরাগুলোকে করে দিবে নিষ্কাষিত, পদনালী হয়ে যাবে কর্তিত, চেহারাকে করে দিবে কুৎসিত ও বিবর্ণ, প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে নষ্ট করে দিবে, অস্থি হয়ে যাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ। এই আগুন সুন্দর ভাষায় ও উচ্চস্বরে ঐ ব্যক্তিকে ডাকবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করে রেখেছিল। যে মুখেও অস্বীকার করতো এবং দৈহিক দিক থেকেও আমল পরিত্যাগ করতো। যে মাল শুধু জমা করেই রাখতো এবং আল্লাহ তা'আলার জরুরী নির্দেশের ক্ষেত্রে তা খরচ করতো না। এমনকি যাকাত আদায় করতো না। হাদীসে রয়েছেঃ “ মাল পুঞ্জীভূত ও সংরক্ষিত করে রেখো না, অন্যথায় আল্লাহ্ও ( পাপ ) পুঞ্জীভূত ও সংরক্ষিত করে রাখবেন । হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে উকায়েম ( রঃ ) এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে থলের মুখ বন্ধই করতেন না। ইমাম বসরী ( রঃ ) বলেনঃ “ হে আদম সন্তান! আল্লাহ তা’আলার ভীতি-প্রদর্শনমূলক কথা শোনার পরেও মাল পুঞ্জীভূত করে রাখছো? হ্যরত কাতাদাহ্ ( রঃ ) ( আরবি )-এর অর্থ করেনঃ মাল পুঞ্জীভূত করার ব্যাপারে সে হালাল হারামের কোন পরোয়া করতো না এবং আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশ সত্ত্বেও খরচ করতো না ।

সূরা মা'আরিজ আয়াত 13 সূরা

وفصيلته التي تؤويه

سورة: المعارج - آية: ( 13 )  - جزء: ( 29 )  -  صفحة: ( 569 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. আপনার পালনকর্তার আযাবের কিছুমাত্রও তাদেরকে স্পর্শ করলে তারা বলতে থাকবে, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা অবশ্যই
  2. আল্লাহ ফয়সালা করেন সঠিকভাবে, আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদেরকে ডাকে, তারা কিছুই ফয়সালা করে না। নিশ্চয়
  3. আর যখন আমি মূসার সাথে ওয়াদা করেছি চল্লিশ রাত্রির অতঃপর তোমরা গোবৎস বানিয়ে নিয়েছ মূসার
  4. এবং সকাল বিকাল আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা কর।
  5. তবুও কি সেই আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?
  6. আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে সাহায্য করবে। আল্লাহ তা’আলা যাকে
  7. একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।
  8. অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।
  9. এখন আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী প্রদর্শন করাব পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে তাদের
  10. কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মা'আরিজ ডাউনলোড করুন:

সূরা Maarij mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Maarij শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত মা'আরিজ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Wednesday, June 10, 2026

Please remember us in your sincere prayers