কোরান সূরা সাদ আয়াত 14 তাফসীর
﴿إِن كُلٌّ إِلَّا كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ﴾
[ ص: 14]
এদের প্রত্যেকেই পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। ফলে আমার আযাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। [সূরা সাদ: 14]
Surah Saad in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Sad ayat 14
সকলেই রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল বৈ তো নয়, সেজন্য আমার শাস্তিদান ছিল ন্যায়সঙ্গত।
Tafsir Mokhtasar Bangla
১৪. এসব জোটের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে রাসূলদেরকে অবিশ্বাস করার কাজ সংঘটিত হয়েছে। ফলে কিছু কাল বিলম্বে হলেও তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি অবধারিত ও আপতিত হয়েছে।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
ওদের প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে। ফলে, ওদের ক্ষেত্রে আমার শাস্তি বাস্তব হয়েছে।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
তাদের প্রত্যেকেই রাসূলগণের প্ৰতি মিথ্যারোপ করেছিল। ফলে তাদের ক্ষেত্রে আমার শাস্তি ছিল যথার্থ।।
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
১২-১৬ নং আয়াতের তাফসীর: পূর্বযুগীয় এসব কাফিরের ঘটনা বেশ কয়েক জায়গায় বর্ণিত হয়েছে যে, তাদের পাপের কারণে কিভাবে তাদের উপর আল্লাহর আযাব এসেছিল এবং তারা সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পূর্বযুগের ঐ সব কাফিরের দল ধন-সম্পদে ও সন্তান-সন্ততিতে এবং শক্তি-সামর্থে এ যুগের এসব কাফিরের অপেক্ষা বহুগুণে অগ্রবর্তী ছিল। এদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি এবং শক্তি-সামর্থ্য তাদের তুলনায় অতি নগণ্য। এতদসত্ত্বেও আল্লাহর শাস্তি এসে যাবার পর এগুলো তাদের কোনই উপকারে আসেনি।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা অতীত যুগের ঐ সব কাফির দলের ধ্বংসের কারণ প্রসঙ্গে বলেন যে, তাদের প্রত্যেকেই রাসূলদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছে। তারা ছিল রাসূলদের চরম শত্রু।মহান আল্লাহ বলেনঃ এরা তো অপেক্ষা করছে একটি মাত্র প্রচণ্ড নিনাদের, যাতে কোন বিরাম থাকবে না। আর এতেও কোন বিলম্ব নেই। একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ হবে এবং তা কানে আসা মাত্রই সবাই অজ্ঞান ও প্রাণহীন হয়ে পড়বে। ঐ লোকগুলো এর অন্তর্ভুক্ত হবে না যাদেরকে আল্লাহ স্বতন্ত্র করে নিবেন।( আরবী ) শব্দের অর্থ হচ্ছে অংশ। এখানে এর দ্বারা মুশরিকদের নির্বুদ্ধিতা এবং তাদের আল্লাহর আযাবকে অসম্ভব মনে করতঃ নির্ভয় হয়ে আযাব চাওয়ার বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ তা'আলা কাফিরদের উক্তি উদ্ধৃতি করেছেনঃ ( আরবী ) অথাৎ “ হে আল্লাহ! যদি এটা আপনার নিকট হতে সত্য হয়ে থাকে তবে আকাশ হতে আমাদের উপর প্রস্তর বর্ষণ করুন অথবা অন্য কোন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আমাদের উপর নাযিল করুন ।” ( ৮:৩২ )।একথাও বলা হয়েছে যে, তারা তাদের জান্নাতের অংশ এখানে চেয়েছিল। তারা যা কিছু বলেছিল সবই ওটা মিথ্যা ও অসম্ভব মনে করার কারণেই ছিল। ইমাম ইবনে জারীর ( রঃ )-এর উক্তি এই যে, দুনিয়ায় তারা যে ভাল ও মন্দের দাবীদার ছিল তা তারা তাড়াতাড়ি চেয়েছিল। এ উক্তিটিই সঠিক। যহ্হাক ( রঃ ) ও ইসমাঈল ( রঃ )-এর তাফসীরের সারমর্ম এটাই। এসব ব্যাপারে আল্লাহই সবচেয়ে ভাল জানেন। আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় রাসূল ( সঃ )-কে তাদের স্ক্রিপের ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণের উপদেশ দিচ্ছেন।
সূরা সাদ আয়াত 14 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- আমি মূসাকে নিদর্শনাবলী সহ প্রেরণ করেছিলাম যে, স্বজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন এবং তাদেরকে
- পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ
- পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
- যখন জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম।
- উর্ধ্ব দিগন্তে,
- ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
- আপনি তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন যখন সব ব্যাপারের মীমাংসা হয়ে যাবে। এখন
- আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি তাতে নির্ঝরিণী।
- তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত,
- অতঃপর মানুষ তাদের বিষয়কে বহুধা বিভক্ত করে দিয়েছে। প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে আনন্দিত
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা সাদ ডাউনলোড করুন:
সূরা Sad mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Sad শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



