কোরান সূরা বাকারাহ্ আয়াত 160 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Baqarah ayat 160 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা বাকারাহ্ আয়াত 160 আরবি পাঠে(Baqarah).
  
   

﴿إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا وَأَصْلَحُوا وَبَيَّنُوا فَأُولَٰئِكَ أَتُوبُ عَلَيْهِمْ ۚ وَأَنَا التَّوَّابُ الرَّحِيمُ﴾
[ البقرة: 160]

তবে যারা তওবা করে এবং বর্ণিত তথ্যাদির সংশোধন করে মানুষের কাছে তা বর্ণনা করে দেয়, সে সমস্ত লোকের তওবা আমি কবুল করি এবং আমি তওবা কবুলকারী পরম দয়ালু। [সূরা বাকারাহ্: 160]

Surah Al-Baqarah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Baqarah ayat 160


তারা ছাড়া যারা তওবা করে ও সংশোধন করে, আর প্রকাশ করে, তাহলে তারাই! -- তাদের প্রতি আমি ফিরি আর আমি বারবার ফিরি, অফুরন্ত ফলদাতা।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৬০. তবে যারা এ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ লুকানোর পর লজ্জিত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসবে এবং তাদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল আমল ঠিক করে নিবে উপরন্তু লুক্কায়িত সে সত্য ও হিদায়েত মানুষকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিবে আমি আল্লাহ আমার আনুগত্যের দিকে তাদের প্রত্যাবর্তনকে সাদরে গ্রহণ করবো। নিশ্চয়ই আমি আমার তাওবাকারী বান্দাহর তাওবা গ্রহণকারী এবং তাদের প্রতি বিশেষ দয়ালু।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


কিন্তু যারা তওবা করে ( ক্ষমা প্রার্থনা করে ) আর নিজেদেরকে সংশোধন করে এবং ( আল্লাহর আয়াতকে ) স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে, এরাই তো তারা, যাদের তওবা আমি গ্রহণ করি। আর আমি তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


তবে যারা তাওবা করেছে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করেছে এবং সত্যকে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছে। অতএব, এদের তাওবা আমি কবুল করব। আর আমি অধিক তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১৫৯-১৬২ নং আয়াতের তাফসীরএখানে ঐসব লোককে ভীষণভাবে ধমক দেয়া হয়েছে যারা আল্লাহ তা'আলার কথাগুলো এবং শরীয়তের বিষয়গুলো গোপন" করতো। কিতাবীরা হযরত মুহাম্মদ ( সঃ )-এর প্রশংসা বিষয়ক কথাগুলো গোপন করে রাখতো। এ জন্যেই এরশাদ হচ্ছে যে, সত্যকে গোপনকারীরা অভিশপ্ত। যেমন প্রত্যেক জিনিস ঐ আলেমের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে যিনি জনসাধারণের মধ্যে আল্লাহ পাকের কথাগুলো প্রচার করে থাকেন। এমন কি পানির মৎসগুলো এবং বাতাসের পক্ষীগুলোও তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। অনুরূপভাবে যারা সত্য কথা জেনে শুনে গোপন করে এবং বোকা ও বধির হওয়ার ভান করে তাদের প্রতি প্রত্যেক জিনিসই অভিশাপ দিয়ে থাকে। বিশুদ্ধ হাদীসের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যে ব্যক্তি শরীয়তের কোন বিষয় সপর্কে জিজ্ঞাসিত হয় এবং সে তা গোপন করে, কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে ।' হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) বলেনঃ “ এই আয়াতটি না থাকলে আমি একটি হাদীসও বর্ণনা করতাম না । হযরত বারা বিন আযিব ( রাঃ ) বর্ণনা করে আমরা রাসূলুল্লাহ( সঃ ) সঙ্গে একটি জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেনঃ ‘কবরের মধ্যে কাফিরের কপালে এত জোরে হাতুড়ী মারা হয় যে, মানব ও দানব ছাড়া সমস্ত প্রাণী ওর শব্দ শুনতে পায় এবং ওরা সবাই তাঁর প্রতি অভিশাপ দেয়। অভিসম্পাতকারীগণ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করে থাকেন এ কথার অর্থ এটাই। অর্থাৎ সমস্ত প্রাণীর অভিশাপ তাদের উপর রয়েছে। হযরত আতা’ ( রঃ ) বলেন ( আরবী ) শব্দের ভাবার্থে সমুদয় জীবজন্তু এবং সমস্ত দানব ও মানবকে বুঝানো হয়েছে। হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, যে বছর ভূমি শুকিয়ে যায় এবং বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায় তখন চতুষ্পদ জন্তুরা বলে-'এটা বানী আদমের পাপেরই ফল, আল্লাহ তা'আলা বানী আদমের পাপীদের উপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কোন কোন মুফাসসির বলেন যে, এর দ্বারা ফেরেশতা এবং মুমিনগণকে বুঝানো হয়েছে।হাদীস শরীফে রয়েছে যে, আলেমের জন্যে প্রত্যেক জিনিসই ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকে-এমন কি সমুদ্রের মাছও ( ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকে ), এই আয়াতের মধ্যে রয়েছে যে, যারা ইলম'-কে গোপন করে আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতাগণ, সমস্ত মানুষ ও প্রত্যেক অভিসম্পাতকারী অভিসম্পাত করে থাকে। অর্থাৎ প্রত্যেক বাকশক্তিহীন ( জীব ) অভিসম্পাত দান করে থাকে। সেটা ভাষার মাধ্যমেই হউক অথবা ইঙ্গিত দ্বারাই হউক। কিয়ামতের দিনেও সমস্ত জিনিস তাকে অভিসম্পাত দিয়ে থাকবে। এরপর আল্লাহ তা'আলা ঐসব মানুষকে অভিশপ্তদের মধ্য হতে বের করে নেন যারা তাদের এই কাজ হতে বিরত হয় এবং সম্পূর্ণরূপে সংশোধিত হয়। আর পূর্বে যা গোপন করেছিল এখন তা প্রকাশ করে দেয়। সেই তওবা কবুলকারী দয়ালু। আল্লাহ এইসব মানুষের তওবা কবূল করে নেন। এর দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, যে ব্যক্তি মানুষকে কুফর ও বিদআতের দিকে আহ্বান করে সেও যদি খাটি অন্তরে তওবা করে তবে তার তওবাও গৃহীত হয়ে থাকে। কোন কোন বর্ণনা দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, পূর্বের উম্মতদের মধ্যে যারা এই রকম বড় বড় পাপ কার্যে লিপ্ত হয়ে পড়তো তাদের তওবা আল্লাহ তা'আলার দরবারে গৃহীত হতো না। কিন্তু তওবা ও দয়ার নবী হযরত মুহাম্মদ ( সঃ )-এর উম্মতের উপর আল্লাহ পাকের এটা বিশেষ মেহেরবানী। অতঃপর ঐসব লোকের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যারা কুফরী ও অন্যায় করেছে এবং তওবা করা তাদের ভাগ্যে জুটেনি। এরা কুফরের অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেছে। সুতরাং এদের উপর বর্ষিত হয়েছে আল্লাহর-তার ফেরেশতাদের এবং সমস্ত মানুষের অভিসম্পাত। এই অভিশাপ তাদের উপর সংশ্লিষ্ট থাকে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদের সঙ্গেই সংযুক্ত থাকবে। অবশেষে এই অভিশাপ তাদেরকে নরকের আগুনে নিয়ে যাবে। তারা চিরকাল সেই শাস্তি ভোগ করতে থাকবে। তাদের এই শাস্তি এতটুকুও হ্রাস করা হবে না এবং কখনও তা বন্ধ করা হবে না। বরং চিরকালব্যাপী তাদের উপর ভীষণ শাস্তি হতে থাকবে। আমরা করুণাময় আল্লাহর নিকট তাঁর এই শাস্তি হতে আশ্রয় চাচ্ছি। হযরত আবুল আলিয়া ( রঃ ) এবং হযরত কাতাদাহ ( রঃ ) বলেন যে, কিয়ামতের দিন কাফিরকে থামিয়ে রাখা হবে। অতঃপর তার উপর আলাহ। তা'আলা অভিসম্পাত করবেন এবং তারপরে ফেরেশতাগণ ও মানুষ তাকে অভিশাপ দেবে। কাফিরদের প্রতি অভিশাপ বর্ষণের ব্যাপারে কারও কোন মত বিরোধ নেই। হযরত উমার বিন খাত্তাব ( রাঃ ) এবং তার পরের সম্মানিত ইমামগণ সবাই কুনূত' প্রভৃতির মাধ্যমে কাফিরদের উপর অভিশাপ দিতেন। কিন্তু কোন নির্দিষ্ট কাফিরের উপর অভিসম্পাত বর্ষণের ব্যাপারে উলামা-ইকিরামের একটি দল বলেন যে, এটা জায়েয় নয়। কেননা তার পরিণাম কারও জানা নেই। কুফরির অবস্থায় তার মৃত্যু হলো এ কথাটি এ আয়াতের মধ্যে জড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কোন নির্দিষ্ট কাফিরকে অভিশাপ না দেয়ার ( ব্যাপারে ) আল্লাহ তা'আলার এই কথাটি দলীল রূপে পেশ করা যেতে পারে। আলেমদের অন্য একটি দলের মতে নির্দিষ্ট কাফিরের উপরও লানত বর্ষণ করা জায়েয। যেমন ধর্মশাস্ত্রবিদ হযরত আবু বকর বিন আরবী মালিকী ( রঃ ) এই মত পোষণ করে থাকেন এবং এর দলীল রূপে তিনি একটি দুর্বল হাদীসও পেশ করে থাকেন। কোন নির্দিষ্ট কাফিরের উপর যে অভিসম্পাত বর্ষণ করা জায়েয নয় এর দলীল রূপে কেউ কেউ এই হাদীসটিও এনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর নিকটে একটি লোককে বার বার মাতাল অবস্থায় আনা হয় এবং বার বারই তার উপরে হদ্দ লাগানো হয়। এই সময় এক ব্যক্তি মন্তব্য করে তার উপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক। কেননা, সে বার বার মদ্যপান করতেছে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তাকে বলেনঃ “ ওর উপর লা'নত বর্ষণ করো না । কেননা, সে আল্লাহ ও তার রাসূলকে ভালবাসে। এর দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ( সঃ ) সাথে ভালবাসা রাখে না, তার উপর অভিসম্পাত বর্ষণ করা জায়েয।

সূরা বাকারাহ্ আয়াত 160 সূরা

إلا الذين تابوا وأصلحوا وبينوا فأولئك أتوب عليهم وأنا التواب الرحيم

سورة: البقرة - آية: ( 160 )  - جزء: ( 2 )  -  صفحة: ( 24 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তারা বললঃ আমরা আপনাকে সত্য সু-সংবাদ দিচ্ছি! অতএব আপনি নিরাশ হবেন না।
  2. মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।
  3. যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,
  4. আর আল্লাহ তা’আলা শিখালেন আদমকে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীর নাম। তারপর সে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীকে ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন
  5. আমি সত্ত্বরই তাকে শাস্তির পাহাড়ে আরোহণ করাব।
  6. মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
  7. এবং অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে ধুলি ধূসরিত।
  8. সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
  9. বিলকীস বলল, হে পরিষদবর্গ, আমাকে আমার কাজে পরামর্শ দাও। তোমাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে আমি কোন কাজে
  10. আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা বাকারাহ্ ডাউনলোড করুন:

সূরা Baqarah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Baqarah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Thursday, June 11, 2026

Please remember us in your sincere prayers