কোরান সূরা বাকারাহ্ আয়াত 166 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Baqarah ayat 166 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা বাকারাহ্ আয়াত 166 আরবি পাঠে(Baqarah).
  
   

﴿إِذْ تَبَرَّأَ الَّذِينَ اتُّبِعُوا مِنَ الَّذِينَ اتَّبَعُوا وَرَأَوُا الْعَذَابَ وَتَقَطَّعَتْ بِهِمُ الْأَسْبَابُ﴾
[ البقرة: 166]

অনুসৃতরা যখন অনুসরণকারীদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে যাবে এবং যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে আর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে তাদের পারস্পরিক সমস্ত সম্পর্ক। [সূরা বাকারাহ্: 166]

Surah Al-Baqarah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Baqarah ayat 166


চেয়ে দেখো! যাদের অনুসরণ করা হতো তারা যারা অনুসরণ করেছিল তাদের অস্বীকার করবে, আর তারা দেখতে পাবে শাস্তি, আর তাদের মধ্যেকার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৬৬. আর তা যখন হবে তখন অনুসৃত নেতারা কিয়ামতের ভয়াবহতা দেখে তাদের অনুগত দুর্বলদের কোন দায়িত্ব না নেয়ার ঘোষণা দিবে। সে দিন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে এবং তাদের মুক্তির সকল উপায়-উপকরণ ছিন্ন হয়ে যাবে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


( স্মরণ কর ) যখন অনুসৃত ব্যক্তিবর্গরা অনুসারীদের প্রতি বিমুখ হবে এবং তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে ও তাদের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


যখন যাদের অনুসরণ করা হয়েছে তারা, যারা অনুসরণ করেছে তাদের থেকে নিজেদের মুক্ত করে নেবে এবং তারা শাস্তি দেখতে পাবে। আর তাদের পারস্পরিক সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে,

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১৬৫-১৬৭ নং আয়াতের তাফসীরএই আয়াতসমূহে মুশরিকদের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে। তারা আল্লাহ তা'আলার অংশীদার স্থাপন করে থাকে এবং অন্যদেরকে তার সদৃশ স্থির করে থাকে। অতঃপর তাদের সাথে এমন আন্তরিক ভালবাসা স্থাপন করে যেমন ভালবাসা আল্লাহ তা'আলার সাথে স্থাপন করা উচিত ছিল। অথচ তিনিই প্রকৃত উপাস্য এবং তিনি এক। তিনি অংশীদার হতে সম্পূর্ণ রূপে পবিত্র। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “ আমি জিজ্ঞেস করি-হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে বড় পাপ কিতিনি বলেনঃ “আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে শিরক করা, অথচ সৃষ্টি তিনি একাই করেছেন । অতঃপর আস্লাহ বলেনঃ ‘আল্লাহ তা'আলার প্রতি মু'মিনদের প্রেম দৃঢ়তর হয়ে থাকে, অর্থাৎ তাদের অন্তর আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের বিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকে। মহান আল্লাহ ছাড়া আর কারও সাথে তাদের এরূপ ভালবাসাও নেই এবং তারা আর কারও কাছে প্রার্থনাও করে না। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও কাছে তারা মস্তক অবনত করে -তার সাথে অন্য কাউকে অংশীদারও করে না। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা ঐসব লোককে শাস্তির সংবাদ দিচ্ছেন যারা শিবুকের মাধ্যমে তাদের আত্মার উপর অত্যাচার করতেছে। যদি তারা শাস্তি অবলোকন করতো তবে তাদের অবশ্যই বিশ্বাস হতো যে, মহা ক্ষমতাবান তো একমাত্র আল্লাহ তা'আলাই। সমস্ত জিনিস তার অধীনস্থ এবং তাঁরই আজ্ঞাধীন। তার শাস্তিও খুব কঠিন। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ “ সেই দিন তার শাস্তির মত কেউ শাস্তিও দিতে পারে না এবং তাঁর পাকড়াও এর মত কেউ পাকড়াও করতে পারে না । দ্বিতীয় ভাবার্থ এও হতে পারে যে, যদি ঐ দৃশ্য সম্বন্ধে তাদের জ্ঞান থাকতো তবে কখনও তারা ‘শিরক ও কুফর'কে আঁকড়ে থাকতো না। দুনিয়ায় যাদেরকে তারা তাদের নেতা মনে করে রেখেছিল, কিয়ামতের দিন ঐ নেতারা তাদের থেকে পৃথক হয়ে যাবে। ফেরেশতাগণ বলবেনঃ “ হে আমাদের প্রভু! আমরা এদের প্রতি অসন্তুষ্ট । এরা আমাদের উপাসনা করতো না। হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র এবং আপনিই আমাদের অভিভাবক। বরং এৱা জ্বিনদের উপাসনা করতো। এদের অধিকাংশই ওদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী ছিল। অনুরূপভাবে জ্বিনরাও তাদের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে এবং পরিষ্কারভাবে তাদের শত্রু হয়ে যাবে এবং তাদের ইবাদতকে অস্বীকার করবে। কুরআন মাজীদের মধ্যে অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবি )অর্থাৎ ‘অতিসত্ত্বরই তারা তাদের ইবাদতকে অস্বীকার করবে এবং তারা তাদের শক্ত হয়ে যাবে।' ( ১৯৮২ ) হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) কাফিরদের প্রতি যে উক্তি করেছিলেন কুরআন মাজীদে তা নকল করা হয়েছেঃ “ তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে মূর্তির ভালবাসা তোমাদের অন্তরে স্থান দিয়েছে এবং তাদের পূজা অর্চনা শুরু করে দিয়েছো অথচ কিয়ামতের দিন তারা তোমাদের উপাসনাকে অস্বীকার করে বসবে এবং তোমরা একে অপরের প্রতি লা'নত বর্ষণ করবে । তোমাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী হবে না। এভাবেই অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ‘অত্যাচারিরা তাদের প্রভুর সামনে দণ্ডায়মান অবস্থায় তাদের পরিচালকদেরকে বলবে-তোমরা না হলে আমরা ঈমানদার হয়ে যেতাম। তারা তখন উত্তরে বলবে আমরা কি তোমাদেরকে আল্লাহর ইবাদত হতে বিরত রেখেছিলাম। প্রকৃত ব্যাপার তো এই যে, তোমরা নিজেরাই পাপী ছিলে। তারা বলবে-তোমাদের রাত দিনের প্রতারণা, তোমাদের কুফরীপূর্ণ নির্দেশাবলী এবং তোমাদের শিরকের শিক্ষা আমাদেরকে প্রতারিত করেছে। এখন তারা শাস্তি দেখার পরে সবাই ভিতরে ভিতরে লজ্জিত হবে এবং তাদের কৃতকর্মের ফল স্বরূপ তাদের গলদেশে গলাবন্ধ পরিয়ে দেয়া হবে। অন্য স্থানে রয়েছেঃ ‘সেই শয়তানও বলবে, “ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের সঙ্গে সত্য অঙ্গীকার করেছিলেন আর আমি তোমাদের সাথে অঙ্গীকার করেছি অতঃপর অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছি, তোমাদের উপর আমার কোন প্রভাবই ছিল না, বরং আমি তোমাদেরকে আহ্বান করেছি আর তোমরা তাতে সাড়া দিয়েছো। সুতরাং তোমরা আমাকে তিরস্কার করো না, বরং নিজেদেরকে তিরস্কার কর; না আমি তোমাদের সাহায্যকারী হতে পারি, না তোমরা আমার সাহায্যকারী হতে পার; আমি নিজেও তোমাদের এ কাজে অসন্তুষ্ট যে, তোমরা ইতিপূর্বে আমাকে ( আল্লাহ ) অংশীদার সাব্যস্ত করতে; নিশ্চয়ই অত্যাচারিদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। তারপরে আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, তারা শাস্তি দেখে নেবে এবং সমস্ত সম্বন্ধ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। পলায়নেরও কোন জায়গা থাকবে না এবং মুক্তিরও কোন পথ চোখে পড়বে না। বন্ধুত্ব কেটে যাবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন হবে। বিনা প্রমাণে যারা তাদের পরিচালকদের কথামত চলতো, তাদের প্রতি বিশ্বাস রাখতো এবং তাদের আনুগত্য স্বীকার করত, পূজা অর্চনা করতো, তারা যখন তাদের পরিচালক ও নেতাদেরকে দেখবে যে, তারা তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে, তখন তারা অত্যন্ত দুঃখ ও নৈরাশ্যের সাথে বলবে-যদি আমরা পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারতাম তবে আমরাও ওদেরকে প্রত্যাখ্যান করতাম যেমন এরা আমাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমরা এদের প্রতি কোন ক্ৰক্ষেপ করতাম না, এদের কথা মানতাম না এবং এদেরকে আল্লাহর অংশীদার সাব্যস্ত করতাম না। বরং খাটি অন্তরে এক আল্লাহর ইবাদত করতাম। অথচ প্রকৃতই যদি ফিরিয়ে দেয়া হয় তবুও তারা পূর্বে যা করেছিল তাই করবে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন ( আরবি ) অর্থাৎ যদি তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয় তবে অবশ্যই তারা ঐ কাজই করবে যা থেকে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে।' ( ৬:২৮ ) এজন্যেই বলা হয়েছে তাদের কৃতকর্মসমূহ আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে দুঃখজনকভাবে প্রদর্শন করবেন। অর্থাৎ তাদের ভাল কর্ম যা কিছু ছিল সেগুলোও নষ্ট হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ তাদের কৃতকর্মের অবস্থা ঐ ছাই এর মত যাঁকে ভীষণ ঝড়ের দিন বায়ু প্রবল বেগে উড়িয়ে নিয়ে যায়। অন্য স্থানে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যারা কাফির হয়েছে তাদের কার্যাবলী যেন মরুভূমির মরীচিকা-পিপাসার্ত লোক যাকে পানি বলে মনে করে, কিন্তু ওর নিকটে গিয়ে কিছুই পায় না। তারপরে আল্লাহ তাআলা বলেন যে, তারা জাহান্নামের অগ্নি হতে উদ্ধার পাবে না। বরং তথায় তারা চিরকাল অবস্থান করবে।

সূরা বাকারাহ্ আয়াত 166 সূরা

إذ تبرأ الذين اتبعوا من الذين اتبعوا ورأوا العذاب وتقطعت بهم الأسباب

سورة: البقرة - آية: ( 166 )  - جزء: ( 2 )  -  صفحة: ( 25 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?
  2. তিনিই আল্লাহ নভোমন্ডলে এবং ভূমন্ডলে। তিনি তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় জানেন এবং তোমরা যা
  3. হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে
  4. আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তা দেবেন।
  5. এ প্রত্যাহার না করা আপনার পালনকর্তার মেহেরবানী। নিশ্চয় আপনার প্রতি তাঁর করুণা বিরাট।
  6. আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে
  7. আলিফ-লা-ম-রা; এগুলো সুস্পষ্ট গ্রন্থের আয়াত।
  8. যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলে বিশ্বাস করে না, আমি সেসব কাফেরের জন্যে জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত
  9. যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন, তবে তারা আপনার দাস এবং যদি আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন,
  10. তারা সবাই সমান নয়। আহলে কিতাবদের মধ্যে কিছু লোক এমনও আছে যারা অবিচলভাবে আল্লাহর আয়াতসমূহ

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা বাকারাহ্ ডাউনলোড করুন:

সূরা Baqarah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Baqarah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত বাকারাহ্  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers