কোরান সূরা মুজাদালা আয়াত 17 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Mujadilah ayat 17 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা মুজাদালা আয়াত 17 আরবি পাঠে(Mujadilah).
  
   

﴿لَّن تُغْنِيَ عَنْهُمْ أَمْوَالُهُمْ وَلَا أَوْلَادُهُم مِّنَ اللَّهِ شَيْئًا ۚ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ﴾
[ المجادلة: 17]

আল্লাহর কবল থেকে তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদেরকে মোটেই বাঁচাতে পারবেনা। তারাই জাহান্নামের অধিবাসী তথায় তারা চিরকাল থাকবে। [সূরা মুজাদালা: 17]

Surah Al-Mujadilah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Mujadilah ayat 17


আল্লাহ্‌র মোকাবিলায় তাদের ধনদৌলত কোনো প্রকারেই তাদের কোনো কাজে আসবে না, আর তাদের সন্তানসন্ততিও না। এরা হচ্ছে আগুনের অধিবাসী। তারা তাতেই অবস্থান করবে।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১৭. আল্লাহর নিকট তাদের সম্পদ ও সন্তানরা কোন উপকার সাধন করতে পারবে না। তারা জাহান্নামের অধিবাসী। তারা তথায় চিরস্থায়ী অবস্থানকারী হিসেবে প্রবেশ করবে। তাদের থেকে কখনো শাস্তি সরানো হবে না।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


আল্লাহর শাস্তির মুকাবিলায় তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের কোন কাজে আসবে না, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আল্লাহর শাস্তি মোকাবিলায় তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের কোন কাজে আসবে না ; তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১৪-১৯ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে আল্লাহ্ তা'আলা মুনাফিকদের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তারা অন্তরে ইয়াহুদীদের প্রতি ভালবাসা পোষণ করে, কিন্তু প্রকৃত তারা এ ইয়াহদীদেরও দলভুক্ত নয় এবং মুমিনদেরও দলভুক্ত নয়। তারা এদিকেরও নয়, ওদিকেরও নয়। তারা প্রকাশ্যভাবে মিথ্যা শপথ করে থাকে। মুমিনদের কাছে এসে তারা তাদের পক্ষেই কথা বলে। রাসূল ( সঃ )-এর কাছে এসে কসম খেয়ে তারা নিজেদেরকে ঈমানদার হিসেবে প্রমাণ করতে চেষ্টা করে এবং বলে যে, তারা নিশ্চিতরূপে মুসলমান। অথচ অন্তরে তারা সম্পূর্ণ বিপরীত মত পোষণ করে। তারা যে মিথ্যাবাদী এটা জেনে শুনেও মিথ্যা শপথ করতে মোটেই দ্বিধা বোধ করে না। তাদের এই দুস্কার্যের কারণে আল্লাহ তা'আলা তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন কঠিন শাস্তি। এই প্রতারণার জন্যে তাদেরকে মন্দ প্রতিদান দেয়া হবে। তারা তো তাদের শপথগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এবং মানুষকে তারা আল্লাহর পথ হতে নিবৃত্ত করে। মুখে তারা ঈমান প্রকাশ করে এবং অন্তরে কুফরী গোপন রাখে। কসমের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভিতরের দুস্কৃতিকে গোপন করে। অভিজ্ঞ লোকদের উপর তারা কসমের দ্বারা নিজেদেরকে সত্যবাদী রূপে পেশ করে এবং তাদেরকে তাদের প্রশংসাকারী বানিয়ে নেয়। ধীরে ধীরে তারা তাদেরকে নিজেদের রঙে রঞ্জিত করে এবং এই ভাবে তাদেরকে আল্লাহর পথ হতে ফিরিয়ে রাখে। মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেন যে, এই মুনাফিকদের জন্যে রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহর শাস্তির মুকাবিলায় তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের কোনই কাজে আসবে না, তারা জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে, কখনই তাদেরকে সেখান হতে বের করা হবে না। কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ তাদের সকলকেই এক ময়দানে একত্রিত করবেন, কাউকেও বাদ রাখবেন না তখন দুনিয়ায় যেমন তাদের অভ্যাস ছিল যে, নিজেদের মিথ্যা কথাকে তারা শপথ করে সত্যরূপে দেখাতো, অনুরূপভাবে ঐ দিনও তারা আল্লাহর সামনে নিজেদের হিদায়াত ও সঠিক পথের অনুসারী হওয়ার উপর বড় বড় কসম খাবে এবং মনে করবে যে, সেখানেও বুঝি তাদের চালাকী ধরা পড়বে না। কিন্তু মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহর কাছে কি তাদের এই ফাকিবাজি ধরা না পড়ে থাকতে পারে? তিনি তো তাদের মিথ্যাবাদী হওয়ার কথা এ দুনিয়াতেও মুমিনদের নিকট বর্ণনা করে দিয়েছেন। যেমন তিনি বলেছেনঃ সাবধান! তারাই তো মিথ্যাবাদী।হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, ( একদা ) নবী ( সঃ ) তাঁর কোন এক কক্ষের ছায়ায় বসেছিলেন এবং কিছু সাহাবায়ে কিরামও ( রাঃ ) তাঁর নিকট ছিলেন। ছায়াযুক্ত স্থান কম ছিল। কষ্ট করে তারা সেখানে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। তিনি সাহাবীদেরকে সম্বোধন করে বলেনঃ “ দেখো, এখানে এখনই এমন একজন লোক আসবে যে শয়তানী দৃষ্টিতে তাকাবে । সে আসলে তোমরা কেউই তার সাথে কথা বলবে না।” অল্পক্ষণের মধ্যেই একজন কয়বা চক্ষু বিশিষ্ট লোক আসলো। রাসূলুল্লাহ( সঃ ) তাকে কাছে ডেকে নিয়ে বললেনঃ “ তুমি এবং অমুক অমুক লোক আমাকে গালি দাও কেন?” একথা শুনেই লোকটি চলে গেল এবং রাসূলুল্লাহ( সঃ ) যে কয়েকজনের নাম করেছিলেন তাদের সবাইকে সে ডেকে নিয়ে আসলো এবং সবাই শপথ করে করে বললো যে, তাদের কেউই রাসূলুল্লাহ( সঃ )-কে বেয়াদবী মূলক কথা বলেনি । তখন মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ নিম্নের আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ তারা ( আল্লাহর নিকট ) সেই রূপ শপথ করবে যেই রূপ শপথ তোমাদের নিকট করে এবং তারা মনে করে যে, তাতে তারা উপকৃত হবে । সাবধান! তারাই তো মিথ্যাবাদী।” এই একই অবস্থা, আল্লাহর দরবারে মুশরিকদেরও হবে যে, তারা বলবেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমাদের প্রতিপালক আল্লাহর শপথ! আমরা মুশরিক ছিলাম না ।( ৬:২৩ ) এরপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ শয়তান তাদের উপর প্রভুত্ব বিস্তার করেছে এবং তাদের অন্তরকে নিজের মুষ্টির মধ্যে নিয়ে ফেলেছে, ফলে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছে।হযরত আবু দারদা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে বলতে শুনেছেনঃ “ যে গ্রামে বা জঙ্গলে তিনজন রয়েছে এবং তাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠিত করা হয় না, তাদের উপর শয়তান প্রভুত্ব বিস্তার করে ফেলে । সুতরাং তুমি জামাআতকে অপরিহার্য রূপে ধরে নাও। বাঘ ঐ বকরীকে খেয়ে ফেলে যে দল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।” ( এ হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত সায়েব ( রঃ ) বলেন যে, এখানে জামাআত দ্বারা নামাযের জামাআতকে বুঝানো হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ “ তারা শয়তানেরই দল' অর্থাৎ যাদের উপর শয়তান প্রভুত্ব বিস্তার করেছে এবং এর ফলে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছে ।এরপর আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ 'সাবধান! শয়তানের দল অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত।

সূরা মুজাদালা আয়াত 17 সূরা

لن تغني عنهم أموالهم ولا أولادهم من الله شيئا أولئك أصحاب النار هم فيها خالدون

سورة: المجادلة - آية: ( 17 )  - جزء: ( 28 )  -  صفحة: ( 544 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তারা কি দেখে না যে, আমি একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল করেছি। অথচ এর চতুপার্শ্বে যারা আছে,
  2. অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।
  3. অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
  4. অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহভীরুদের জন্য উপদেশ গ্রহণের
  5. সে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, আমি মোটেই নির্বোধ নই, বরং আমি বিশ্ব প্রতিপালকের প্রেরিত পয়গম্বর।
  6. অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।
  7. কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র-পশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতেই। সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে।
  8. যিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?
  9. তবুও কি সেই আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?
  10. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মুজাদালা ডাউনলোড করুন:

সূরা Mujadilah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Mujadilah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত মুজাদালা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত মুজাদালা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত মুজাদালা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত মুজাদালা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত মুজাদালা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত মুজাদালা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত মুজাদালা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত মুজাদালা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত মুজাদালা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত মুজাদালা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত মুজাদালা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers