কোরান সূরা হিজর আয়াত 21 তাফসীর
﴿وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَائِنُهُ وَمَا نُنَزِّلُهُ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ﴾
[ الحجر: 21]
আমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার রয়েছে। আমি নির্দিষ্ট পরিমানেই তা অবতরণ করি। [সূরা হিজর: 21]
Surah Al-Hijr in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Hijr ayat 21
আর এমন কোনো-কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।
Tafsir Mokhtasar Bangla
২১. যা কিছু দিয়ে মানুষ ও পশু লাভবান হয় আমি তা সবই সৃষ্টি করতে ও মানুষকে তা দিয়ে লাভবান করতে সক্ষম। তবে আমি নিজ প্রজ্ঞা ও ইচ্ছা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাপ ও পরিমাণেই তা সৃষ্টি করে থাকি।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আমারই কাছে আছে প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার[১] এবং আমি তা প্রয়োজনীয় পরিমাণেই সরবরাহ করে থাকি। [১] কেউ কেউ خزائن ( ভান্ডার ) থেকে বৃষ্টি অর্থ নিয়েছেন। কারণ বৃষ্টিই শস্য উৎপাদনের মূল উপাদান। কিন্তু এখানে সঠিক অর্থে পৃথিবীর সকল ভান্ডারকে বুঝানো হয়েছে। যে সবকে মহান আল্লাহ নিজ ইচ্ছানুসারে অস্তিত্বহীনতা থেকে অস্তিতত্ত্ব দান করেন।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
আর আমাদের কাছেই আছে প্রত্যেক বস্তুর ভাণ্ডার এবং আমরা তা পরিজ্ঞাত পরিমানেই নাযিল করে থাকি [ ১ ]। [ ১ ] এখানে এ সত্যটি সম্পর্কে সজাগ করে দেয়া হয়েছে যে, সবকিছুর খযীনা তো তাঁর কাছেই। ( خزينة ) বলা হয় এমন স্থানকে যেখানে মূল্যবান সামগ্ৰী হেফাযত করা হয়। খযীনা বলে এটাই বুঝানো হয়েছে যে, যত কিছু হওয়া সম্ভব সবই তার কাছে তিনিই সেগুলোকে পরিমানমত অস্তিত্বহীন অবস্থা থেকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন কোন কোন মুফাসসিরের মতে, এখানে বৃষ্টি বোঝানো হয়েছে। কারণ, বৃষ্টির কারণে সেগুলো উৎপন্ন হয়। [ ফাতহুল কাদীর ] সুতরাং বায়ু, পানি, আলো, শীত, গ্রীষ্ম, জীব, জড়, উদ্ভিদ তথা প্রত্যেকটি জিনিস, প্রত্যেকটি প্রজাতি, প্রত্যেকটি শ্রেণী ও প্রত্যেকটি শক্তির জন্য একটি সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোন কিছুই তাঁর নির্ধারিত সীমার বাইরে কেউ পেতে পারে না। আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেন, “ আর যদি আল্লাহ তাঁর বান্দাদের রিযক প্রশস্ত করে দিতেন তবে তারা যমীনে অবশ্যই বিপর্যয় সৃষ্টি করত; কিন্তু তিনি তার ইচ্ছেমত পরিমাণেই নাযিল করে থাকেন । নিশ্চয় তিনি তার বান্দাদের সম্পর্কে সম্যক অবহিত ও সর্বদ্ৰষ্টা" [ সূরা আশ-শূরা:২৭ ]
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
২১-২৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, সমস্ত জিনিসের তিনি একাই মালিক। প্রত্যেক কাজই তাঁর কাছে সহজ। সমস্ত কিছুর ভাণ্ডার তাঁর কাছে বিদ্যমান রয়েছে। যেখানে যখন যতটা ইচ্ছা তিনি অবতীর্ণ করে থাকেন। তাঁর হিকমত ও নিপুণতা তিনিই জানেন। বান্দার কল্যাণ সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত। এটা একমাত্র তাঁর মেহেরবানী, নচেৎ এমন কে আছে যে তাকে বাধ্য করতে বা তার উপর জোর খাটাতে পারে? হযরত আবদুল্লাহ ( রাঃ ) বলেন, প্রতি বছর বৃষ্টি বরাবর বর্ষিত হতেই আছে। হাঁ, তবে বন্টন আল্লাহ তাআলার হাতে রয়েছে। অতঃপর তিনি এই আয়াতটিই পাঠ করেন। হাকীম ইবনু উয়াইনা ( রঃ ) হতেও এই উক্তিই বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ “ বৃষ্টির সাথে এতো ফেরেস্তা অবতীর্ণ হন যাদের সংখ্যা সমস্ত মানবও দানব অপেক্ষা বেশী । তাঁরা বৃষ্টির এক একটি ফোঁটার খেয়াল রাখেন যে, ওটা কোথায় বর্ষিত হচ্ছে এবং তা থেকে কি উৎপন্ন হচ্ছে।”হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ আল্লাহ তাআলার ভাণ্ডার হচ্ছে কালাম বা কথা মাত্র । সুতরাং যখন তিনি কোন কিছুর ইচ্ছা করেন তখন বলেনঃ ‘হও, তখন হয়ে যায়।” ( এ হাদীসটি বাযয়ার (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। এর একজন বর্ণনাকারী হচ্ছেন আগনাব। তিনি খুব বিশ্বাসযোগ্য বর্ণনাকারী নন)মহান আল্লাহ বলেনঃ “ আমি মেঘমালাকে বৃষ্টি দ্বারা ভারী করে দিই । তখন তার থেকে বৃষ্টি বর্ষণ হতে শুরু করে। এই বাতাসই প্রবাহিত হয়ে গাছপালাকে সিক্ত করে দেয়। ফলে ওগুলিতে পাতা ও কুঁড়ি ফুটে ওঠে।” এটাও লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, এখানে ( আরবি ) বলা হয়েছে অর্থাৎ এর বিশেষণকে বহু বচন ব্যবহার করা হয়েছে। আর বৃষ্টি শূন্য বায়ুকে বলা হয়েছে। অর্থাৎ ( আরবি ) এর বিশেষণকে একবচন রূপে ব্যবহার করা হয়েছে। বৃষ্টি পূর্ণ বায়ুর বিশেষণকে বহু বচনরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্য হচ্ছে বেশী ফলদায়ক হওয়া। বৃষ্টি বহন কম পক্ষে দুটি জিনিস ছাড়া সম্ভব নয়। বাতাস প্রবাহিত হয় এবং তা আকাশ থেকে পানি উঠিয়ে নেয়, আর মেঘমালাকে পরিপূর্ণ করে দেয়। এক বায়ু এমন হয় যা যমীনের উৎপাদন শক্তি সৃষ্টি করে। আর এক বায়ু। মেঘমালাকে এদিকে ওদিকে চালিয়ে নিয়ে যায়। আর এক বায়ু ওগুলিকে একত্রিত করে স্তরে স্তরে সাজিয়ে নেয়। আর এক বায়ু ওগুলিকে পানি দ্বারা ভারী করে দেয়। আর এক বায়ু এমন হয় যে, তা গাছপালা ও বৃক্ষরাজিকে ফলদানকারী হওয়ার যোগ্য করে তোলে।হযরত আবু হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী ( সঃ ) বলেছেনঃ “ দক্ষিণা বায়ু জান্নাত হতে প্রবাহিত হয়ে থাকে এবং তাতে জনগণের উপকার লাভ হয় ।” ( এ হাদীসটি ইমাম বনুজারীর (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। এর ইসনাদ দুর্বল)হযরত আবু যার ( রাঃ ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ বাতাস সৃষ্টির সাত বছর পরে আল্লাহ তাআলা জান্নাতে এক বায়ু সৃষ্টি করেছেন যা একটি দরজা দ্বারা বন্ধ করা আছে । ঐ দরজা দ্বারাই তোমাদের কাছে বায়ু পৌছে থাকে। যদি ঐ দরজাটি খুলে দেয়া হয় তবে যমীন ও আসমানের সমস্ত জিনিস ওলট পালট হয়ে যাবে। আল্লাহর কাছে ওর নাম হচ্ছে আযইয়াব। তোমরা ওকে দক্ষিণা বায়ু বলে থাকো।” ( এ হাদীসটি ইমাম আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর আল হুমাইদী (রঃ ) তাঁর ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “ আমি তোমাদেরকে তা পান করতে দিই ।' অর্থাৎ আমি তোমাদের উপর মিষ্টি পানি বর্ষণ করি, যাতে তোমরা তা পান করতে পার এবং অন্য কাজে লাগাতে পার। আমি ইচ্ছা করলে ওকে তিক্ত ও লবণাক্ত করে দিতে পারি। যেমন সূরায়ে ওয়াকিয়ার আয়াতে রয়েছেঃ “ তোমরা যে পানি পান কর তা সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করেছো? তোমরাই কি তা মেঘ হতে নামিয়ে আন, না আমি তা বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি, তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?” আর এক জায়গায় রয়েছেঃ “তিনিই আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন; তাতে তোমাদের জন্যে রয়েছে পানীয় এবং তা হতে জন্মে উদ্ভিদ যাতে তোমরা পশু চারণ করে থাকো ।”( আরবি ) ( ওর ভাণ্ডার তোমাদের কাছে নেই )। সুফইয়ান সাওয়ারী ( রঃ ) এর ভাবার্থ করেছেনঃ “ তোমরা ওকে আবদ্ধকারী নও ।” আর এর ভাবার্থ এও হতে পারে। “ তোমরা ওর রক্ষক নও । বরং আমিই তা বর্ষণ করি ও রক্ষা করে থাকি। আমি ইচ্ছা করলে ওটা যমীনে ঢুকিয়ে দিতে পারি। এটা শুধু মাত্র আমার করুণা যে, আমি ওকে বর্ষণ করি, রক্ষা করি, মিষ্ট করি এবং স্বচ্ছ ও নির্মল করি, যেমন তোমরা নিজেরা পান কর এবং তোমাদের জন্তু গুলিকে পান করাও। আর তা জমিতে সেচন কর, বাগান তৈরী কর এবং অন্যান্য প্রয়োজনে ব্যবহার কর।”মহান আল্লাহ বলেনঃ “ আমিই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী । অর্থাৎ সৃষ্টির সূচনা আমিই করেছি এবং পুনরায় সৃষ্টি করতে আমিই সক্ষম। আমিই সব কিছু অস্তিত্বহীনতা থেকে অস্তিত্বে আনয়ন করেছি। আবার সবকে আমি অস্তিত্বহীন করে দেবো। এরপর কিয়ামতের দিন সবকে উঠাবো। যমীন ও যমীনবাসীদের ওয়ারিস আমিই। সবকে-ই আমার কাছে ফিরে আসতে হবে। আমার জ্ঞানের কোন শেষ নেই। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সবারই খবর আমি রাখি।পূর্ববর্তীদের দ্বারা এই যামানার পূর্ববর্তী সকল লোককেই বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ হযরত আদম ( আঃ ) পর্যন্ত সবাই। আর পরবর্তীদের দ্বারা এই যুগ এবং এই যুগের পরবর্তী সমস্ত যুগের লোককে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ কিয়ামত পর্যন্ত যত লোক আসবে সবাই। ইকরামা ( রাঃ ) , মুজাহিদ ( রঃ ), যাহহাক ( রঃ ), কাতাদা ( রঃ ) মুহাম্মদ ইবনু কা'ব ( রঃ ), শাবী ( রঃ ) প্রভৃতি গুরুজন হতে এইরূপ বর্ণিত আছে। এটাই ইমাম ইবনু জারীরের ( রঃ ) পছন্দনীয় মত মারওয়ান ইবনুল হাকাম ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, কতকগুলি লোক ( নামাযে ) স্ত্রী লোকদের কারণে পিছনের কাতারে থাকতো। তখন আল্লাহ তাআ’লা ( আরবি ) এই আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। ( এটা ইবনু জারীর (রঃ ) স্বীয় তাফসীরের বর্ণনা করেছেন)এ সম্পর্কে একটি অত্যন্ত গারীব বা দুর্বল হাদীসও বর্ণিত হয়েছে। তা এই যে, হযরত ইবনু আব্বাস ( রাঃ ) বলেনঃ “ একটি অত্যন্ত সুন্দরী মহিলা নবীর ( সঃ ) পিছনে নামায পড়তে আসতো ।” হযরত ইবনু আব্বাস ( রাঃ ) বলেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি ওর মত ( সুন্দরী মহিলা কখনো দেখি নাই। কতকগুলি মুসলমান নামায পড়ার সময় এই উদ্দেশ্যে সামনে বেড়ে যেতেন যে, যেন তাকে (মহিলাটিকে দেখতে না পান। আর কতকগুলি লোক পিছনে সরে আসতো। অতঃপর যখন তারা সিজদা করতো তখন তাদের হাতের নীচে দিয়ে তার দিকে তাকাতো।” ঐ সময় আল্লাহ তাআলা (আরবি ) এই আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। ( এটা ইবনু জারীর (রঃ ) স্বীয় তাফসীরে, ইমাম আহমদ ( রঃ ) তাঁর মুসনাদে, ইবনু আবি হাতিম ( রঃ ) স্বীয় তাফসীরে, এবং ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) ও ইমাম নাসায়ী ( রঃ ) তাঁদের সুনান গ্রন্থের কিতাবুত তাফসীরে বর্ণনা করেছেন। তবে এতে কঠিন নাকারাত বা অস্বীকৃতি রয়েছে)এই আয়াতের ব্যাপারে আবুল জাওযার ( রঃ ) -এর উক্তি বর্ণিত আছে যে, এরা হচ্ছে ওরাই যারা নামাযের কাতারসমূহে আগে বেড়ে যায় এবং পিছনে সরে আসে। ( এটা আবদুর রায্যাক (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) এটা শুধু মাত্র আবুল জাওযার ( রঃ )-এর উক্তি। এতে হযরত ইবনু আব্বাসের ( রাঃ ) কোন উল্লেখ নেই। ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) বলেন, এটাই বেশী সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।মুহাম্মদ ইবনু কা'বের ( রঃ ) সামনে আউন ইবনু আবদিল্লাহ ( রঃ ) এই ভাবার্থ বর্ণনা করলে তিনি বলেনঃ “ ভাবার্থ এটা নয় । বরং অগ্রবর্তীদের দ্বারা বুঝানো হয়েছে এ লোকদেরকে যারা মৃত্যুবরণ করেছে। আর পরবর্তীদের দ্বারা বুঝানো হয়েছে তাদেরকে যারা এখন সৃষ্ট হয়েছে এবং পরে সৃষ্ট হবে। আর তোমার প্রতিপালকই তাদেরকে সমবেত করবেন; তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।” এ কথা শুনে হযরত আউন ( রাঃ ) মুহাম্মদ ইবনু কা'বকে ( রঃ ) লক্ষ্য করে বলেনঃ “ আল্লাহ তাআলা আপনাকে তাওফীক ও জাযায়ে খায়ের দান করুন ।”
সূরা হিজর আয়াত 21 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ,
- নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে,
- অথবা (তাদের কর্ম) প্রমত্ত সমুদ্রের বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ,
- আর অতঃপর যখন হজ্জ্বের যাবতীয় অনুষ্ঠানক্রিয়াদি সমাপ্ত করে সারবে, তখন স্মরণ করবে আল্লাহকে, যেমন করে
- তিনি খুঁটি ব্যতীত আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করেছেন; তোমরা তা দেখছ। তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা, যাতে
- অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।
- অদ্য চীৎকার করো না। তোমরা আমার কাছ থেকে নিস্কৃতি পাবে না।
- তারা কি দেখে না যে, আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টিকর্ম শুরু করেন অতঃপর তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন?
- আল্লাহ তোমাদের জন্যে সব কিছু পরিষ্কার বর্ণনা করে দিতে চান, তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ প্রদর্শন করতে
- তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে।
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা হিজর ডাউনলোড করুন:
সূরা Hijr mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Hijr শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



