কোরান সূরা ক্বাফ আয়াত 23 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Qaf ayat 23 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ক্বাফ আয়াত 23 আরবি পাঠে(Qaf).
  
   

﴿وَقَالَ قَرِينُهُ هَٰذَا مَا لَدَيَّ عَتِيدٌ﴾
[ ق: 23]

তার সঙ্গী ফেরেশতা বলবেঃ আমার কাছে যে, আমলনামা ছিল, তা এই। [সূরা ক্বাফ: 23]

Surah Qaf in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Qaf ayat 23


আর তার সঙ্গী বলবে -- ''এই তো যা আমার কাছে তৈরি রয়েছে।’’


Tafsir Mokhtasar Bangla


২৩. তার সাথে নিয়োজিত ফিরিশতা বলবে: এই যে আমার নিকট তার কৃতকর্ম কোনরূপ বেশ-কম ব্যতিরেকে বিদ্যমান রয়েছে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


তার সঙ্গী ( ফিরিশতা ) বলবে, ‘এই তো আমার নিকট ( আমলনামা ) প্রস্তুত।’ [১] [১] অর্থাৎ, ফিরিশতা মানুষের সমস্ত রেকর্ড সামনে রেখে দেবেন এবং বলবেন, এটা হল তোমার কর্ম-তালিকা ( আমলনামা ) যা আমার কাছে ছিল।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর তার সঙ্গী ফেরেশতা বলবে, এই তো আমার কাছে ‘আমলনামা প্রস্তুত।’

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


২৩-২৯ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, যে ফেরেশতা আদম সন্তানের আমলের উপর নিযুক্ত রয়েছে সে কিয়ামতের দিন তার আমলের সাক্ষ্যদান করবে। সে বলবেঃ এই তো আমার নিকট আমলনামা প্রস্তুত। এতে একটুও কম-বেশী করা হয়নি।হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, এটা ঐ ফেরেশতার কথা হবে যাকে ( আরবী ) বলা হয়েছে, যিনি তাকে হাশরের ময়দানের দিকে নিয়ে যাবেন। ইমাম ইবনে জারীর ( রাঃ ) বলেনঃ “ আমার নিকট পছন্দনীয় উক্তি এটাই যে, এটা অন্তর্ভুক্ত করে এই ফেরেশতাকেও এবং সাক্ষ্যদানকারী ফেরেশতাকেও । আল্লাহ তা'আলা আদল ও ইনসাফের সাথে মাখলুকের মধ্যে ফায়সালা করবেন।( আরবী ) শব্দটি দ্বিবচনের রূপ। কোন কোন নাহভী বলেন যে, কোন কোন আরব একবচনকে দ্বিবচন করে থাকে। যেমন হাজ্জাজের উক্তি প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে। তিনি তাঁর জল্লাদকে বলতেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ তোমরা দু'জন তার গর্দান মেরে দাও ।” অথচ জল্লাদ তো একজনই ছিল। কেউ কেউ বলেন যে, প্রকৃতপক্ষে এটা নূনে তাকীদ, যার তাসহীল আলিফের দিকে করা হয়েছে। কিন্তু এটা খুব দূরের কথা। কেননা, এরূপ তো ওয়াকফ-এর অবস্থায় হয়ে থাকে। বাহ্যতঃ এটাও জানা যাচ্ছে যে, এই সম্বোধন উপরোক্তে দু’জন ফেরেশতার প্রতি হবে। হাঁকিয়ে আনয়নকারী ফেরেশতা তাকে হিসাবের জন্যে পেশ করবেন এবং সাক্ষ্যদানকারী ফেরেশতা সাক্ষ্য দিয়ে দিবেন। তখন আল্লাহ তাআলা দু’জনকেই নির্দেশ দিবেনঃ “ তোমরা দু'জন তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ কর ।” যা অত্যন্ত জঘন্য স্থান। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে রক্ষা করুন!আল্লাহ তা'আলা এরপর বলেনঃ কল্যাণকর কাজে প্রবল বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, সন্দেহ পোষণকারী এবং আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপনকারী লোককে কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর।হাদীস গত হয়েছে যে, এই লোকদেরকে লক্ষ্য করে কিয়ামতের দিন জাহান্নাম স্বীয় গর্দান উঁচু করে হাশরের ময়দানের সমস্ত লোককে শুনিয়ে বলবেঃ “ আমি তিন প্রকারের লোকের জন্যে নিযুক্ত হয়েছি । ( এক ) উদ্ধত ও সত্যের বিরুদ্ধাচরণকারীর জন্যে, ( দুই ) আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপনকারীর জন্যে এবং ( তিন ) ছবি তৈরীকারীর জন্যে।” অতঃপর জাহান্নাম এসব লোককে জড়িয়ে ধরবে। মুসনাদে আহমাদের হাদীসে তৃতীয় প্রকারের লোক ওদেরকে বলা হয়েছে যারা অন্যায়ভাবে হত্যাকারী।অতঃপর আল্লাহ পাক বলেনঃ তার সহচর অর্থাৎ শয়তান বলবে- হে আল্লাহ! আমি তাকে পথভ্রষ্ট করিনি, বরং সে নিজেই পথভ্রষ্ট হয়েছিল। বাতিলকে সে স্বয়ং গ্রহণ করে নিয়েছিল। সে নিজেই সত্যের বিরোধী ছিল। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ যখন সব কিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবেঃ আল্লাহ তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সত্য প্রতিশ্রুতি, আমিও তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করিনি । আমার তো তোমাদের উপর কোন আধিপত্য ছিল না, আমি শুধু তোমাদেরকে আহ্বান করেছিলাম এবং তোমরা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং তোমরা আমার প্রতি দোষারোপ করো না, তোমরা নিজেদেরই প্রতি দোষারোপ কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্য করতে সক্ষম নই এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্য করতে সক্ষম নও। তোমরা যে পূর্বে আমাকে আল্লাহর শরীক করেছিলে তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। যালিমদের জন্যে তো যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আছেই।” ( ১৪:২২ )।অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেন যে, তিনি মানুষ ও তার সঙ্গী শয়তানকে বলবেনঃ তোমরা আমার সামনে বাক-বিতণ্ডা করো না, কেননা আমি তো তোমাদেরকে পূর্বেই সতর্ক করেছি। অর্থাৎ আমি রাসূলদের মাধ্যমে তোমাদেরকে সতর্ক করেছিলাম এবং কিতাবসমূহ অবতীর্ণ করেছিলাম। আর তোমাদের উপর দলীল-প্রমাণাদি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অতএব, জেনে রেখো যে, আমার কথার রদবদল হয় না এবং আমি আমার বান্দাদের প্রতি কোন অবিচার করি না যে, একজনের পাপের কারণে অন্যজনকে পাকড়াও করবে। প্রত্যেকের উপর হুজ্জত পুরো হয়ে গেছে এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ পাপের যিম্মাদার।

সূরা ক্বাফ আয়াত 23 সূরা

وقال قرينه هذا ما لدي عتيد

سورة: ق - آية: ( 23 )  - جزء: ( 26 )  -  صفحة: ( 519 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. নিশ্চয় যারা কোরআন আসার পর তা অস্বীকার করে, তাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার অভাব রয়েছে। এটা অবশ্যই
  2. তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর স্রোতধারা প্রবাহিত হতে থাকে নিজ নিজ পরিমাণ অনুযায়ী।
  3. এবং বলেঃ আমাদের পালনকর্তা পবিত্র, মহান। নিঃসন্দেহে আমাদের পালকর্তার ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে।
  4. আর যখন তাদের কাছে আমার প্রকৃষ্ট আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে সমস্ত লোক
  5. অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল না।
  6. আর নৌকাখানি তাদের বহন করে চলল পর্বত প্রমাণ তরঙ্গমালার মাঝে, আর নূহ (আঃ) তাঁর পুত্রকে
  7. ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
  8. বস্তুতঃ মূসার সম্প্রদায়ে একটি দল রয়েছে যারা সত্যপথ নির্দেশ করে এবং সে মতেই বিচার করে
  9. তিনি বলেন, উহা তোমাদের কাছে আল্লাহই আনবেন, যদি তিনি ইচ্ছা করেন তখন তোমরা পালিয়ে তাঁকে
  10. যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে;

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ক্বাফ ডাউনলোড করুন:

সূরা Qaf mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Qaf শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ক্বাফ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ক্বাফ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ক্বাফ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ক্বাফ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ক্বাফ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ক্বাফ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ক্বাফ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ক্বাফ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ক্বাফ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ক্বাফ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ক্বাফ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 20, 2026

Please remember us in your sincere prayers