কোরান সূরা হাজ্জ আয়াত 34 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Hajj ayat 34 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা হাজ্জ আয়াত 34 আরবি পাঠে(Hajj).
  
   

﴿وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِّيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَىٰ مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ ۗ فَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ فَلَهُ أَسْلِمُوا ۗ وَبَشِّرِ الْمُخْبِتِينَ﴾
[ الحج: 34]

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও; [সূরা হাজ্জ: 34]

Surah Al-Hajj in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Hajj ayat 34


আর প্রত্যেক জাতির জন্য আমরা কুরবানির বিধান দিয়েছি, যেন তারা আল্লাহ্‌র নাম স্মরণ করে চতুস্পদ গবাদি-পশুদের যেগুলো দিয়ে তিনি তাদের রিযেক দিয়েছেন সে-সবের উপরে। বস্তুতঃ তোমাদের উপাস্য একক উপাস্য, সুতরাং তাঁরই নিকট তোমরা আ‌ত্মসমর্পণ করো। আর সুসংবাদ দাও বিনয়নম্রদের,


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩৪. আমি বিগত প্রত্যেক জাতির জন্য আমার নৈকট্য অর্জনের উদ্দেশ্যে রক্ত প্রবাহিত করার বিধান করে দিয়েছি। যাতে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে যে উট, গাভী ও ছাগলের রিযিক দিয়েছেন তার কৃতজ্ঞতা আদায়ের জন্য তারা এ কুরবানীগুলো জবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে পারে। হে মানুষ! তোমাদের সত্য মা’বূদ হলেন এমন এক মা’বূদ যাঁর কোন শরীক নেই। তাই বিনয় ও আনুগত্যের মাধ্যমে একমাত্র তাঁরই অনুগত হও। হে রাসূল! আপনি বিনয়ী ও নিষ্ঠাবানদেরকে সুসংবাদ দিন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কুরবানীর নিয়ম করে দিয়েছি; যাতে আমি তাদেরকে জীবনোপকরণ স্বরূপ যে সব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছি[১] সেগুলির উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য। সুতরাং তোমরা তাঁরই নিকট আত্মসমর্পণ কর। আর সুসংবাদ দাও বিনীতগণকে; [১] مَنسَك শব্দটি نَسك يَنسك এর ক্রিয়ামূল। অর্থ আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে কুরবানী করা। ذَبِيحَة ( যবেহকৃত পশুকে )ও نَسِيكَة বলা হয়, যার বহুবচন نُسُك । এর একটি অর্থঃ আনুগত্য ও ইবাদত করাও বটে। যেহেতু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় পশু কুরবানী করাও তাঁর এক প্রকার ইবাদত। আর সেই জন্য আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে তার সন্তুষ্টি লাভের আশায় জন্তু যবেহ করলে আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত ( বা শিরক ) করা হয়। অথবা مَنسَِك ( সীনে যবর বা যের দিয়ে ) স্থানবাচক শব্দ। অর্থঃ যবেহ বা ইবাদত করার জায়গা। এখান হতেই مَنَاسِك الحَجّ বলা হয়; অর্থাৎ ঐ সমস্ত জায়গা যেখানে হজ্জের কার্যাদি সমাধা করা হয়। যেমন আরাফাত, মুযদালিফা, মিনা ও মক্কা। সাধারণভাবে শুধু হজ্জের কার্যসমূহকেও مَنَاسِك الحَج বলা হয়ে থাকে। আয়াতের অর্থ হল, আমি পূর্বেও প্রত্যেক জাতির জন্য যবেহ বা ইবাদতের নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করে এসেছি, যার মাধ্যমে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করত। এর মধ্যে হিকমত এই যে, তারা আমার নাম নিবে; অর্থাৎ, 'বিসমিল্লাহ, অল্লাহু আকবার' বলে যবেহ করবে। অথবা আমাকে স্মরণে রাখবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য ‘মানসাক’ [] এর নিয়ম করে দিয়েছি; যাতে তিনি তাদেরকে জীবনোপকরণস্বরূপ যেসব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন, সেসবের উপর তারা আল্লাহ্‌র নাম উচ্চারণ করে []। তোমাদের ইলাহ এক ইলাহ, কাজেই তাঁরই কাছে আত্মসমর্পণ কর এবং সুসংবাদ দিন বিনীতদেরকে []। [] আরবী ভাষায় منسك ও نسك কয়েক অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন, জন্তু যবেহ করা, হজ্জের ক্রিয়াকর্ম, ঈদের জন্য একত্রিত হওয়া ইত্যাদি। তাফসীরকারক মুজাহিদ রাহেমাহুল্লাহ সহ অনেকে এখানে منسك এর অর্থ হাদঈর প্রাণী যবেহ করা নিয়েছেন। তখন আয়াতের অর্থ হবে, এই উম্মতকে হাদঈ যবেহ করার আদেশ দেয়া হয়েছে, তা কোন নতুন আদেশ নয়, পূর্ববর্তী উম্মতদেরকেও এ ধরনের আদেশ দেয়া হয়েছিল। [ ইবন কাসীর ] পক্ষান্তরে কাতাদাহ রাহেমাহুল্লাহর মতে আয়াতের অর্থ এই যে, হজ্জের ক্রিয়াকর্ম যেমন এই উম্মতের উপর আরোপ করা হয়েছে, তেমনি পূর্ববর্তী উম্মতদের উপরও হজ্জ ফরয করা হয়েছিল। তখন মক্কার সাথে এটি সুনির্দিষ্ট হবে। হজ্জের জায়গা মক্কা ছাড়া আর কোথাও ছিল না। তখন منسك শব্দের অর্থ হবে হজ্জ এর স্থান। [ কুরতুবী ] তবে প্রথম মতটি বেশী বিশুদ্ধ। পরবর্তী আয়াতাংশ এর উপর প্রমাণবাহ। [ কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর ] [] أنعام বলে উট, গরু, ছাগল, মেষ, দুম্বা ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে। এগুলোকে যবেহ করার সময় আল্লাহ্‌র কথা স্মরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বরং যবেহ যেন একমাত্র তাঁরই উদ্দেশ্যে হয় সেটার খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে, কারণ, তিনিই তো এ রিযিক তাদেরকে দিয়েছেন। [ কুরতুবী ] এ প্রসংগে গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তুর হালাল হওয়ার কথা উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হচ্ছে এটা প্রমাণ করা যে, হাদঈ বা কুরবানী কেবল চতুষ্পদ জন্তু দ্বারাই সম্ভব। অন্য কিছু দ্বারা সম্ভব নয়। [ ফাতহুল কাদীর ] [] মূলে এসেছে, المخبتين। আরবী ভাষায় خبت শব্দের অর্থ নিম্নভূমি। [ ফাতহুল কাদীর ] এ কারণে এমন ব্যক্তিকে خبيت বলা হয়, যে নিজেকে হেয় মনে করে। [ ফাতহুল কাদীর ] এ কারণেই কাতাদাহ ও দাহহাক مخبتين এর অর্থ করেছেন বিনয়ী। মুজাহিদ বলেন, এর অর্থ সন্তুষ্টচিত্ত মানুষ। আমর ইবন আউস বলেনঃ এমন লোকদেরকে مخبتين বলা হয়, যারা অন্যের উপর যুলুম করে না। কেউ তাদের উপর যুলুম করলে তারা তার প্রতিশোধ নেয় না। সুফিয়ান সাওরী বলেনঃ যারা সুখে-দুঃখে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও অভাব-অনটনে আল্লাহ্‌র ফায়সালা ও তাকদীরে সন্তুষ্ট থাকে, তারাই مخبتين । [ ইবন কাসীর ] মূলতঃ কোন একটিমাত্র শব্দের সাহায্যে এর অন্তরনিহিত অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি অর্থঃ অহংকার ও আত্মম্ভরিতা পরিহার করে আল্লাহ্‌র সামনে অক্ষমতা ও বিনয়াবনত ভাব অবলম্বন করা। তাঁর বন্দেগী ও দাসত্ত্বে একাগ্র ও একনিষ্ঠ হয়ে যাওয়া। তাঁর ফায়সালায় সন্তুষ্ট হওয়া। পরবর্তী আয়াতই এর সবচেয়ে সুন্দর তাফসীর। [ ইবন কাসীর ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৩৪-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলেনঃ সমস্ত উম্মতের মধ্যে, সমস্ত মাযহাবে এবং সমস্ত দলে আমি কুরবানীর নিয়ম চালু করে দিয়েছিলাম। তাদের জন্যে ঈদের একটা দিন নির্ধারিত ছিল। তারাও আল্লাহর নামে পশু যবাহ করতো। সবাই মক্কা শরীফে নিজেদের কুরবানীর জন্তু পাঠিয়ে দিতো। যাতে আমি তাদেরকে জীবনোপকরণ স্বরূপ যে সব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছি সেগুলির উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।রাসূলুল্লাহ( সঃ ) নিকটও সাদা কালো মিশ্রিত রঙ এর বড় বড় শিং বিশিষ্ট দুটি ভেড়া আনয়ন করা হয়। তিনি ওগুলিকে মাটিতে ফেলে দিয়ে ওগুলোর গর্দানে পা রেখে বিসমিল্লাহে আল্লাহু আকবার বলে যবাহ করেন।হযরত যায়েদ ইবনু আসলাম ( রঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! এই কুরবানী কি?" জবাবে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “এটা তোমাদের পিতা হযরত ইবরাহীমের ( আঃ ) সুন্নাত ।” তারা আবার জিজ্ঞেস করেনঃ “ আমরা এতে কি পরিমাণ পূণ্য লাভ করি?” উত্তরে বলেনঃ “প্রত্যেক চুলের বিনিময়ে এক নেকী ।" পুনরায় তারা প্রশ্ন করেনঃ “ পশমের হুকুম কি?” তিনি জবাব দেনঃ “ওর প্রত্যেক লোমের বিনিময় এক পূণ্য ।( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রঃ ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মদ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু মাজাহ ( রঃ ) তার সুনানে সালাম ইবনু মিসকীনের ( রঃ ) হাদীস হতে তাখরীজ করেছেন) মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের সবারই মা'বুদ একই মা'বুদ। সুতরাং তোমরা তাঁরই নিকট আত্ম সমর্পণ কর। শরীয়তের কোন কোন হুকুমের মধ্যে কিছু কিছু পরিবর্তন হলেও আল্লাহর একত্ববাদের ব্যাপারে কোন রাসূলের মধ্যে ও কোন ভাল উম্মতের মধ্যে কোনই মতানৈক্য নেই। সবাই আল্লাহর একত্ববাদ ও তঁরই ইবাদতের দিকে মানুষকে আহবান করতে থেকেছেন। প্রত্যেকের উপর প্রথম ওয়াহী এটাই অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তোমরা সবাই তারই দিকে ঝুঁকে পড়ে তার হুকুম মেনে চল এবং দৃঢ়ভাবে। তার আনুগত্য করতে থাকে। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ সুসংবাদ দাও বিনীতদেরকে। যারা মানুষের উপর অত্যাচার করে না, অত্যাচারিত অবস্থায় প্রতিশোধ গ্রহণে ইচ্ছুক নয়, সদা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে তাদেরকে শুভসংবাদ প্রদান কর। তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। মহামহিমান্বিত আল্লাহর উক্তিঃ যাদের হৃদয় ভয়-কম্পিত হয় আল্লাহর নাম স্মরণ করা হলে। সুতরাং তারা আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়ে। আর তারা তাদের বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণ করে।ইমাম হাসান বসরী ( রঃ ) বলেনঃ আল্লাহর শপথ! তোমরা যদি ধৈর্য ধারণে অভ্যস্ত না হও, তবে তোমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হবে ।( আরবী ) শব্দটি ( আরবী ) এর সাথে হওয়া জমহুর উলামার কিরআত। কিন্তু ইবনু সামীফা ( রঃ ) ( আরবী ) পড়েছেন এবং ( আরবী ) এর উপর ( আরবী ) বা যবর দিয়েছেন। তিনি বলেন যে, এ স্থলে ( আরবী ) এর নুনকে ( আরবী ) ( হালকা ) এর জন্যে লোপ করা হয়েছে। কেননা, যদি ( আরবী ) এর কারণে নূনকে লোপ করা হয়েছে বলে মেনে নেয়া হয় তবে অবশ্যই তাতে যের হওয়া জরুরী হবে। আবার হতে পারে যে, নুনকে ( আরবী ) ( নিকটবর্তী ) এর কারণে লোপ করা হয়েছে। ভাবার্থ এই যে, তারা আল্লাহর বাধ্যতামূলক কাজগুলির পাবন্দ এবং তার হক আদায়ের ব্যাপারে পূর্ণ তৎপর।মহান আল্লাহর উক্তিঃ আমি তাদেরকে রিযুক দিয়েছি তা হতে তারা ব্যয় করে। তারা আত্মীয় স্বজনকে, অভাবী ও দরিদ্রদেরকে এবং আল্লাহর সৃষ্ট জীবের মধ্যে যারাই অভাবগ্রস্ত তাদেরকে আল্লাহর দেয়া ধন সম্পদ হতে দান করে থাকে। আর তারা সবারই সাথে সদ্ব্যবহার করে। তারা আল্লাহর নির্ধারিত। সীম'র রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। তারা মুনাফিকদের মত নয় যে, একটা করবে এবং একটা ছেড়ে দেবে! সূরায়ে বারাআতেও তাদের এসব বিশেষণের বর্ণনা দেয় হয়েছে এবং সেখানে আমরা এর পূর্ণ তাফসীরও করে এসেছি। অতএব, সমস্ত প্রসংসা আল্লাহর।

সূরা হাজ্জ আয়াত 34 সূরা

ولكل أمة جعلنا منسكا ليذكروا اسم الله على ما رزقهم من بهيمة الأنعام فإلهكم إله واحد فله أسلموا وبشر المخبتين

سورة: الحج - آية: ( 34 )  - جزء: ( 17 )  -  صفحة: ( 336 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তিনি শহরে প্রবেশ করলেন, যখন তার অধিবাসীরা ছিল বেখবর। তথায় তিনি দুই ব্যক্তিকে লড়াইরত দেখলেন।
  2. বলে দিনঃ অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্য তোমাকে বিস্মিত করে। অতএব, হে
  3. আর ক্ষমা করার অভ্যাস গড়ে তোল, সৎকাজের নির্দেশ দাও এবং মূর্খ জাহেলদের থেকে দূরে সরে
  4. তারা আপনাকে যুলকারনাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুনঃ আমি তোমাদের কাছে তাঁর কিছু অবস্থা বর্ণনা করব।
  5. ঐ দিনকে ভয় কর, যে দিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কর্মের
  6. বলুন, তোমরা সত্যবাদী হলে এখন আল্লাহর কাছ থেকে কোন কিতাব আন, যা এতদুভয় থেকে উত্তম
  7. মুমিনগণ, যখন তোমাদেরকে বলা হয়ঃ মজলিসে স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা স্থান প্রশস্ত করে
  8. তারা বলল, তোমরা পরস্পরে আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ কর যে, আমরা রাত্রিকালে তাকে ও তার
  9. যেমন, আমি পাঠিয়েছি তোমাদেরই মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে একজন রসূল, যিনি তোমাদের নিকট আমার বাণীসমুহ
  10. তারা বলতে লাগলঃ হে আযীয, তার পিতা আছেন, যিনি খুবই বৃদ্ধ বয়স্ক। সুতরাং আপনি আমাদের

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা হাজ্জ ডাউনলোড করুন:

সূরা Hajj mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Hajj শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত হাজ্জ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত হাজ্জ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত হাজ্জ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত হাজ্জ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত হাজ্জ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত হাজ্জ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত হাজ্জ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত হাজ্জ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত হাজ্জ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত হাজ্জ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত হাজ্জ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Monday, June 22, 2026

Please remember us in your sincere prayers