কোরান সূরা যারিয়াত আয়াত 34 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah zariyat ayat 34 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা যারিয়াত আয়াত 34 আরবি পাঠে(zariyat).
  
   

﴿مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ﴾
[ الذاريات: 34]

যা সীমাতিক্রমকারীদের জন্যে আপনার পালনকর্তার কাছে চিহিߦ#2468; আছে। [সূরা যারিয়াত: 34]

Surah Adh-Dhariyat in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah zariyat ayat 34


''যা অমিতাচারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে তোমার প্রভুর কাছে।’’


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩৪. যা তোমার রবের নিকট চিহ্নিত হে ইবরাহীম! যেগুলো আল্লাহর সীমা লঙ্ঘনকারী এবং কুফরী ও পাপাচারে বাড়াবাড়ি প্রদর্শনকারীদের উপর প্রেরণ করা হয়ে থাকে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


যা সীমালংঘনকারীদের জন্য তোমার প্রতিপালকের নিকট চিহ্নিত।’ [১] [১] مُسَوَّمَةً ( নামাঙ্কিত বা চিহ্নিত ) এগুলোর বিশেষ চিহ্ন ছিল, যার দ্বারা সেগুলো চিনা যেত। অথবা সেগুলো আযাবের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। কেউ কেউ বলেছেন, যে কাঁকর দিয়ে যার মৃত্যু ঘটার ছিল, সেই কাঁকরের উপর তার নাম লেখা ছিল। مُسْرِفِيْنَ ( সীমালংঘনকারী ); যারা শিরক ও ভ্রষ্টতায় বড়ই বেড়ে যায় এবং অবাধ্যতা ও পাপাচরণে সীমালঙ্ঘন করে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


যা সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত আপনার রবের কাছ থেকে []।’ [] ফেরেশতারা বলল, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ চিহ্নযুক্ত ছিল অথবা প্রত্যেক কংকরের গায়ে সেই ব্যক্তির নাম লিখিত ছিল, যাকে ধ্বংস করার জন্যে কংকরটি প্রেরিত হয়েছিল। সে যেদিকে পলায়ন করেছে, কংকরও তার পশ্চাদ্ধাবন করেছে [ কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর ]।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৩১-৩৭ নং আয়াতের তাফসীর: ইতিপূর্বে গত হয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) সম্পর্কে সংবাদ দিতে গিয়ে বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ অতঃপর যখন ইবরাহীম ( আঃ )-এর ভীতি দূরীভূত হলো এবং তার নিকট সুসংবাদ আসলো তখন সে লূত ( আঃ )-এর সম্প্রদায়ের সম্বন্ধে আমার সাথে বাদানুবাদ করতে লাগলো । ইবরাহীম ( আঃ ) তো অবশ্যই সহনশীল, কোমল হৃদয়, সতত আল্লাহ অভিমুখী। হে ইবরাহীম ( আঃ )! এটা হতে তুমি বিরত হও। তোমার প্রতিপালকের বিধান এসে পড়েছে; তাদের উপর তো শাস্তি আসবে যা অনিবার্য।" ( ১১:৭৪-৭৬ ) আর এখানে আল্লাহ তা'আলা হযরত ইবরাহীম ( আঃ )-এর উক্তি উদ্ধৃত করেন যে, তিনি ফেরেশতাদেরকে সম্বোধন করে বলেনঃ “ হে প্রেরিত দূতগণ! আপনাদের বিশেষ কাজ কি?' অর্থাৎ আপনাদের শুভাগমনের উদ্দেশ্য কি? ফেরেশতাগণ জবাবে বলেনঃ আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছে । এই সম্প্রদায় দ্বারা তারা হযরত লূত ( আঃ )-এর সম্প্রদায়কে বুঝিয়েছেন। তারা আরো বলেনঃ “ আমরা আদিষ্ট হয়েছি যে, আমরা যেন তাদের উপর মাটির শক্ত ঢেলা নিক্ষেপ করি; যা সীমালংঘনকারীদের জন্যে আপনার প্রতিপালকের নিকট হতে চিহ্নিত ।' অর্থাৎ আল্লাহ তাআলার নির্দেশক্রমে ঐ পাপীদের নাম ঢেলাগুলোর উপর পূর্ব হতেই লিখিত আছে। প্রত্যেকের জন্যে পৃথক পৃথক ঢেলা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সূরায়ে আনকাবুতে রয়েছেঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ সে ( ইবরাহীম আঃ ) বললোঃ এই জনপদে তো লূত ( আঃ ) রয়েছে । তারা বললোঃ সেথায় কারা আছে তা আমরা ভাল জানি, আমরা তো দূত ( আঃ )-কে ও তার পরিজনবর্গকে রক্ষা করবেই, তার স্ত্রী ব্যতীত; সে তো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।" ( ২৯:৩২ ) অনুরূপভাবে এখানেও আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ ‘সেখানে যেসব মুমিন ছিল আমি তাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম। এর দ্বারাও হযরত লূত ( আঃ ) এবং তাঁর পরিবার পরিজনকে বুঝানো হয়েছে। তার স্ত্রী ব্যতীত, যে ঈমান আনয়ন করেনি। মহান আল্লাহ বলেনঃ ‘সেখানে একটি পরিবার ব্যতীত কোন অত্মিসমর্পণকারী আমি পাইনি।' এ আয়াত দু’টি ঐ লোকদের দলীল যারা বলেন যে, ঈমানের নামই ইসলাম। কেননা, এখানে যাদেরকে মুমিন বলা হয়েছে তাদেরকেই মুসলিম বলা হয়েছে। মুতাজিলাদের মাযহাবও এটাই যে, ঈমান ও ইসলাম একই জিনিস। কিন্ত তাদের এ দলীল খুবই দুর্বল। কেননা, এ লোকগুলো মুমিন ছিলেন। আর আমরাও তো এটা স্বীকার করি যে, প্রত্যেক মুমিনই মুসলিম হয়। কিন্তু প্রত্যেক মুসলিম মুমিন হয় না। সুতরাং অবস্থার বিশেষত্বের কারণে তাঁদেরকে মুমিন ও মুসলিম বলা হয়েছে। এর দ্বারা সাধারণভাবে এটা প্রমাণিত হয় না যে, প্রত্যেক মুসলিম মুমিন হয়ে থাকে। হযরত ইমাম বুখারী ( রঃ ) এবং অন্যান্য মুহাদ্দিসদের মাযহাব এই যে, যখন ইসলাম প্রকত ও সঠিক হয় তখন ঈমান ও ইসলাম একই হয়। তবে ইসলাম প্রকৃত ও বাস্তবরূপী না হলে ঈমান ও ইসলামের পার্থক্য অবশ্যই হবে।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ এই কাফিরদেরকে ধ্বংস করে দেয়ার মধ্যে ঐ লোকদের জন্যে অবশ্যই নিদর্শন, শিক্ষা ও উপদেশ রয়েছে যারা আল্লাহর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে। তারা ঐ সব লোকের কৃতকর্মের পরিণাম দেখে যথেষ্ট শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

সূরা যারিয়াত আয়াত 34 সূরা

مسومة عند ربك للمسرفين

سورة: الذاريات - آية: ( 34 )  - جزء: ( 27 )  -  صفحة: ( 522 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল
  2. এটা হল আল্লাহ-প্রদত্ত মহত্ত্ব। আর আল্লাহ যথেষ্ট পরিজ্ঞাত।
  3. এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।
  4. আর আমি মূসাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি ত্রিশ রাত্রির এবং সেগুলোকে পূর্ন করেছি আরো দশ দ্বারা। বস্তুতঃ
  5. কেয়ামতের দিন সে তার জাতির লোকদের আগে আগে থাকবে এবং তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে পৌঁছে দিবে।
  6. যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত,
  7. শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়,
  8. মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক,
  9. বলুন, সত্য আগমন করেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে এবং না পারে
  10. নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছেন।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা যারিয়াত ডাউনলোড করুন:

সূরা zariyat mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি zariyat শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত যারিয়াত  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত যারিয়াত  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত যারিয়াত  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত যারিয়াত  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত যারিয়াত  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers