কোরান সূরা ফাত্হ আয়াত 4 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al Fath ayat 4 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ফাত্হ আয়াত 4 আরবি পাঠে(Al Fath).
  
   

﴿هُوَ الَّذِي أَنزَلَ السَّكِينَةَ فِي قُلُوبِ الْمُؤْمِنِينَ لِيَزْدَادُوا إِيمَانًا مَّعَ إِيمَانِهِمْ ۗ وَلِلَّهِ جُنُودُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا﴾
[ الفتح: 4]

তিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরও ঈমান বেড়ে যায়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। [সূরা ফাত্হ: 4]

Surah Al-Fath in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al Fath ayat 4


তিনিই সেইজন যিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি বর্ষণ করেছেন যেন তিনি তাদের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে পারেন। আর মহাকাশমন্ডলীর ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহরই, আর আল্লাহ্ হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪. আল্লাহই মু’মিনদের অন্তরে দৃঢ়তা ও প্রশান্তি ঢেলে দিয়েছেন। যাতে করে তাদের ঈমান আরো বৃদ্ধি পায়। আসমান ও যমীনের বাহিনী এককভাবে আল্লাহর। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা সাহায্য প্রদান করেন। আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের সুবিধা সম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তিনি সাহায্য ও সহযোগিতা হিসাবে যা পরিচালনা করেন তাতে প্রজ্ঞাবান।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


তিনিই বিশ্বাসীদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেন, যেন তারা তাদের ঈমানের সাথে ঈমান ( বিশ্বাস ) বৃদ্ধি করে নেয়, [১] আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহরই[২] এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। [১] অর্থাৎ, সেই অস্থিরতা ও অশান্তির পর, যা হুদাইবিয়া সন্ধির শর্তাবলীর কারণে মুসলিমদের উপর এসেছিল। মহান আল্লাহ তাদের অন্তরে প্রশান্তি প্রক্ষিপ্ত করেন। যার ফলে তাদের অন্তরে শান্তি, স্বস্তি ও ঈমান আরো বেড়ে যায়। এই আয়াতও প্রমাণ করে যে, ঈমান বাড়ে ও কমে। [২] অর্থাৎ, আল্লাহ চাইলে তার যে কোন সৈন্যের ( যেমন, ফিরিশতাগণ ) দ্বারা কাফেরদেরকে ধ্বংস করে দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তাঁর পূর্ণ কৌশলের ভিত্তিতে এ রকম না করে তার পরিবর্তে মু'মিনদেরকে যুদ্ধ ও জিহাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই কারণেই পরে ( আয়াতের শেষে ) তাঁর সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময় হওয়ার গুণ উল্লেখ করেছেন। অথবা অর্থ হল, আকাশ ও পৃথিবীর ফিরিশতাগণ, অনুরূপ অন্যান্য সমস্ত প্রতাপ ও বিক্রমশালী সেনাবাহিনী আল্লাহরই অধীনস্থ। তিনি যেভাবে চান তাদের দ্বারা কাজ নেন। বলার উদ্দেশ্য হল, হে মু'মিনগণ! মহান আল্লাহ তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তিনি তাঁর রসূল এবং তাঁর দ্বীনের সাহায্যের কাজ যে কোন দল ও সৈন্য দিয়ে নিতে পারেন। ( ইবনে কাসীর, আয়সারুত তাফাসীর )

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


তিনিই মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেছেন [] যেন তারা তাদের ঈমানের সাথে ঈমান বৃদ্ধি করে নেয় []। আর আসমানসমূহ ও যমীনের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ্‌ হলেন সর্বজ্ঞ, হিকমতওয়ালা। [] سَكِيْنَةٌ আরবী ভাষায় স্থিরতা, প্রশান্তি ও দৃঢ় চিত্ততাকে বুঝায়। হুদাইবিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনের পথে যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ‘কুরা গামীম’ নামক স্থানে পৌঁছেন, তখন আলোচ্য “ সূরা ফাতাহ” অবতীর্ণ হয় তিনি সাহাবায়ে কেরামকে সূরাটি পাঠ করে শুনালেন। তাদের অন্তর পূর্বেই আহত ছিল। এমতাবস্থায় সূরায় একে প্রকাশ্য বিজয় আখ্যা দেয়ায় উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আবার প্রশ্ন করে বসলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ। এটা কি বিজয়? তিনি বললেনঃ যার হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, এটা প্রকাশ্য বিজয়। [ মুসনাদে আহমাদ:৩/৪২০, আবু দাউদ: ২৭৩৬, ৩০১৫ ] [] তাদের যে ঈমান এ অভিযানের পূর্বে ছিল, তার সাথে আরো ঈমান তারা অর্জন করলো এ কারণে যে, এ অভিযান চলাকালে একের পর এক যত পরীক্ষা এসেছে তার প্রত্যেকটিতে তারা নিষ্ঠা, তাকওয়া ও আনুগত্যের নীতির ওপর দৃঢ়পদ থেকেছে। এ আয়াত ও অনুরূপ আরো কিছু আয়াত ও হাদীস থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, ঈমানের হ্রাস-বৃদ্ধি আছে। আর এটাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের আকীদা। [ আদওয়াউল-বায়ান ] ইমাম বুখারী তার গ্রন্থে এ আয়াত থেকে ঈমানের হ্রাস-বৃদ্ধির উপর দলীল গ্রহণ করেছেন।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৪-৭ নং আয়াতের তাফসীর: মহান আল্লাহ্ বলেন যে, তিনি মুমিনদের অন্তরে সাকীনা অর্থাৎ প্রশান্তি, করুণা ও মর্যাদা দান করেন। ইরশাদ হচ্ছে যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির দিনে যেসব ঈমানদার সাহাবী ( রাঃ ) আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল ( সঃ )-এর কথা মেনে নেন, আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তাদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন। এর ফলে তাঁদের ঈমান আরো বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। এর দ্বারা ইমাম বুখারী ( রঃ ) প্রমুখ গুরুজন দলীল গ্রহণ করেছেন যে, অন্তরে ঈমান বাড়ে ও কমে। ঘোষিত হচ্ছেঃ আকাশ মণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহরই। তাঁর সেনাবাহিনীর কোন অভাব নেই। ইচ্ছা করলে তিনি নিজেই কাফিরদেরকে ধ্বংস করে দিতেন। একজন ফেরেশতা প্রেরণ করলে তিনি সবকেই নিশ্চিহ্ন করে ফেলতেন। কিন্তু তা না করে তিনি মুমিনদেরকে জিহাদের নির্দেশ দিয়েছেন। এতে তাঁর পূর্ণ নিপুণতা রয়েছে। তা এই যে, এর মাধ্যমে তার হুজ্জতও পূর্ণ হয়ে যাবে এবং দলীল-প্রমাণও সামনে এসে যাবে। এ জন্যেই তিনি বলেনঃ ‘আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়। তাঁর কোন কাজই জ্ঞান ও নিপুণতা শূন্য নয়। এতে এক যৌক্তিকতা এও আছে যে, ঈমানদারদেরকে তিনি স্বীয় উত্তম নিয়ামত দান করবেন। পূর্বে এ রিওয়াইয়াতটি গত হয়েছে যে, সাহাবীগণ ( রাঃ ) যখন রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে মুবারকবাদ দিলেন এবং তাদের জন্যে কি রয়েছে তা জিজ্ঞেস করলেন তখন মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ ...
( আরবী ) এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। অর্থাৎ “ এটা এ জন্যে যে, তিনি মুমিন পুরুষ ও মুমিনা নারীদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত, যেথায় তারা স্থায়ী হবে এবং তিনি তাদের পাপ মোচন করবেন, এটাই আল্লাহর দৃষ্টিতে মহা সাফল্য ।” যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ যাকে জাহান্নাম হতে দূর করা হয়েছে ও জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে সে সফলকাম হয়েছে ।( ৩:১৮৫ )এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা আর একটি কারণ বর্ণনা করছেন যে, তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিকা নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিকা নারী, যারা আল্লাহ্ সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে তাদেরকে শাস্তি দিবেন। অর্থাৎ শির্ক ও নিফাকে জড়িত যেসব নরনারী আল্লাহ তাআলার আহকাম সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে এবং রাসূলুল্লাহ( সঃ ) ও তাঁর সাহাবীদের সম্পর্কে কু-ধারণা রাখে, তাদের নাম ও নিশানা মিটিয়ে দেয়া হবে, আজ হোক বা কাল হোক। এই যুদ্ধে যদি তারা রক্ষা পেয়ে যায় তবে অন্য যুদ্ধে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেন যে, অমঙ্গল চক্র তাদের জন্যে, আল্লাহ তাদের প্রতি রুষ্ট হয়েছেন এবং তাদেরকে অভিশপ্ত করেছেন, আর তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন জাহান্নাম এবং এ জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট আবাস!পুনরায় মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ্ স্বীয় ব্যাপক ক্ষমতা এবং শত্রুদের উপর প্রতিশোধ গ্রহণের শক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন যে, আকাশ-মণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহ্ই এবং তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

সূরা ফাত্হ আয়াত 4 সূরা

هو الذي أنـزل السكينة في قلوب المؤمنين ليزدادوا إيمانا مع إيمانهم ولله جنود السموات والأرض وكان الله عليما حكيما

سورة: الفتح - آية: ( 4 )  - جزء: ( 26 )  -  صفحة: ( 511 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান।
  2. তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
  3. তুমি কি তাদেকে দেখনি, যারা নিজেদেরকে পূত-পবিত্র বলে থাকে অথচ পবিত্র করেন আল্লাহ যাকে ইচ্ছা
  4. আপনার কাছে মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি।
  5. নিশ্চয় তার জন্যে আমার কাছে রয়েছে মর্যাদা ও শুভ পরিণতি।
  6. রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই
  7. তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!
  8. দেখুন, ওরা আপনার জন্যে কেমন উপমা দেয়। ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে। অতএব, ওরা পথ পেতে পারে
  9. তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র-সন্তান,
  10. তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। এ সময় আপনি আমার

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ফাত্হ ডাউনলোড করুন:

সূরা Al Fath mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al Fath শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ফাত্হ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ফাত্হ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ফাত্হ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ফাত্হ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ফাত্হ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ফাত্হ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ফাত্হ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ফাত্হ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ফাত্হ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ফাত্হ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ফাত্হ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Wednesday, June 10, 2026

Please remember us in your sincere prayers