কোরান সূরা ইউসুফ আয়াত 59 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Yusuf ayat 59 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ইউসুফ আয়াত 59 আরবি পাঠে(Yusuf).
  
   

﴿وَلَمَّا جَهَّزَهُم بِجَهَازِهِمْ قَالَ ائْتُونِي بِأَخٍ لَّكُم مِّنْ أَبِيكُمْ ۚ أَلَا تَرَوْنَ أَنِّي أُوفِي الْكَيْلَ وَأَنَا خَيْرُ الْمُنزِلِينَ﴾
[ يوسف: 59]

এবং সে যখন তাদেরকে তাদের রসদ প্রস্তুত করে দিল, তখন সে বললঃ তোমাদের বৈমাত্রেয় ভাইকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তোমরা কি দেখ না যে, আমি পুরা মাপ দেই এবং মেহমানদেরকে উত্তম সমাদার করি? [সূরা ইউসুফ: 59]

Surah Yusuf in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Yusuf ayat 59


আর তিনি যখন তাদের পরিবেশন করলেন তাদের রসদের দ্বারা তখন তিনি বললেন, ''তোমরা তোমাদের পিতার তরফের তোমাদের ভাইকে আমার কাছে নিয়ে এস। তোমরা কি দেখো নি যে আমি আলবৎ পুরো মাপ দিই এবং আমি ভাল আপ্যায়ণকারী।


Tafsir Mokhtasar Bangla


৫৯. তিনি যখন তাদেরকে তাদের তলবকৃত খাদ্য ও সম্বল দিয়ে দিলেন এবং ইতিমধ্যে তারাও তাঁকে জানিয়ে দিলো যে, তাদের একজন সৎ ভাই আছে যাকে তারা তার পিতার কাছেই রেখে এসেছে তখন তিনি বললেন: তোমরা নিজেদের সৎ ভাইকে নিয়ে আসবে তাহলে আমি তোমাদেরকে আরেক উটের বোঝা বাড়িয়ে দেবো। তোমরা কি দেখোনি আমি পুরোপুরি পাত্র ভরে দেই; সামান্যও কম দেই না। আর আমি সর্বোত্তম অতিথি পরায়ণ।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


আর সে যখন তাদের খাদ্য-সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দিল, তখন বলল, ‘তোমরা আমার নিকট তোমাদের বৈমাত্রেয় ভাইকে নিয়ে এস। তোমরা কি দেখছ না যে, আমি মাপে পূর্ণ মাত্রায় দিই এবং আমিই উত্তম অতিথিপরায়ণ? [১] [১] ইউসুফ ( আঃ ) অপরিচিত থেকে স্বীয় ভাইদেরকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করলে তারা অন্যান্য কথা বলার সাথে সাথে এটাও বলে ফেলল যে, আমরা দশ ভাই এখানে উপস্থিত রয়েছি, কিন্তু আরো দুজন বৈমাত্রেয় ভাই আছে, তাদের একজন তো জঙ্গলে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দ্বিতীয়জনকে আববা সান্ত্বনা স্বরূপ নিজের কাছে রেখে নিয়েছেন, আমাদের সাথে পাঠাননি। তখন ইউসুফ ( আঃ ) বললেন, আগামীতে তাকেও নিয়ে আসবে, তোমরা কি দেখ না যে, আমি মাপও পরিপূর্ণ দিচ্ছি এবং চমৎকাররূপে আতিথ্যও করছি।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর তিনি যখন তাদেরকে তাদের সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দিলেন তখন তিনি বললেন [], ‘তোমরা আমার কাছে তোমাদের পিতার পক্ষ থেকে বৈমাত্রেয় ভাইকে নিয়ে আস []। তোমরা কি দেখছ না যে, আমি মাপে পূর্ণ মাত্রায় দেই এবং আমি উত্তম অতিথিপরায়ণ []। [] ভাইদের কাছে সব বিবরণ জানার পর তার মনে এরূপ আকাঙ্খার উদয় হওয়া স্বাভাবিক যে, তারা পুনর্বার আসুক। এজন্যে একটি প্রকাশ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিনি স্বয়ং ভাইদেরকে বললেন, তোমরা যখন পুনর্বার আসবে, তখন তোমাদের সে ভাইকেও সঙ্গে নিয়ে এসো। তোমরা দেখতেই পাচ্ছ যে, আমি কিভাবে পুরোপুরি খাদ্যশস্য প্রদান করি এবং কিভাবে অতিথি আপ্যায়ন করি। এরপর একটি সাবধান বাণীও শুনিয়ে দিলেন, তোমরা যদি ভাইকে সাথে না আন, তবে আমি তোমাদের কাউকেই খাদ্যশস্য দেব না। কেননা, আমি মনে করব যে, তোমরা আমার সাথে মিথ্যা বলেছ। এভাবে তোমরা আমার কাছে আসবে না। অপর একটি গোপন ব্যবস্থা এই করলেন যে, তারা খাদ্যশস্যের মূল্যবাবদ যে নগদ অর্থকড়ি কিংবা অলংকার জমা দিয়েছিল, সেগুলো গোপনে তাদের আসবাবপত্রের মধ্যে রেখে দেয়ার জন্য কর্মচারীদেরকে আদেশ দিলেন, যাতে বাড়ী পৌঁছে যখন তারা আসবাবপত্র খুলবে এবং নগদ অর্থ ও অলংকার পাবে, তখন যেন পুনর্বার খাদ্যশস্য নেয়ার জন্য আসতে পারে। মোটকথা, ইউসুফ ‘আলাইহিস্ সালাম কর্তৃক এসব ব্যবস্থা সম্পন্ন করার কারণ ছিল এই যে, ভবিষ্যতেও ভাইদের আগমন যেন অব্যাহত থাকে এবং ছোট সহোদর ভাইয়ের সাথেও তার সাক্ষাত ঘটার সুযোগ উপস্থিত হয়। [ দেখুন, কুরতুবী; ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর ] [] এ আয়াতাংশের দু’টি অর্থ হতে পারে। এক.
তোমরা তোমাদের পিতার কাছ থেকে আরেকজনকে নিয়ে আস, যাতে তোমরা আরও এক বোঝা বেশী নিতে পার। তোমরা কি দেখতে পাওনা যে, মিসরে আমি সুন্দরভাবে সওদার ওজন প্রদান করে থাকি। [ তাবারী ] তাছাড়া আরেকটি অনুবাদ হচ্ছে, তোমরা তোমাদের পিতার পক্ষীয় ভাই অর্থাৎ তোমাদের বৈমাত্রেয় ভাইকে নিয়ে আস। তোমরা তো দেখছ যে আমি পূর্ণ মাপ প্রদান করে থাকি। মাপে কম দেই না। [ তাবারী; আত-তাফসীরুস সহীহ ] কোন কোন তাফসীরে এসেছে যে, তারা কথায় কথায় তাদের অপর ভাইয়ের কথা ইউসুফের কাছে বর্ণনা করেছিল। তিনি তাদেরকে সেটার সত্যতা নিরূপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। যাতে করে তার আপন ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ হয়ে যায় [ যামাখশারী; ফাতহুল কাদীর ] [] এর দুই অর্থ হতে পারে, এক.
আমি সুন্দর অতিথি পরায়ণ। দুই.
আমার এখানে মানুষ নিরাপদ। [ কুরতুবী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৫৮-৬২ নং আয়াতের তাফসীর সুদ্দী ( রঃ ), মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক ( রঃ ) প্রভৃতি মুফাসসিরগণ হযরত ইউসুফের ( আঃ ) ভাইদের মিসরে গমনের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে হযরত ইউসুফ ( আঃ ) মিসরের উযীর নিযুক্ত হওয়ার পর সাত বছর পর্যন্ত খাদ্য শস্য প্রচুর পরিমাণে জমা করেন। এরপরে যখন সাধারণভাবে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যায় এবং জনগণ এক একটি দানার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ফিরতে থাকে তখন তিনি অভাবীদেরকে দান করতে শুরু করেন। এই দুর্ভিক্ষ মিসরের এলাকায় ছাড়াও কিনআ’ন ইত্যাদি শহরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। হযরত ইউসুফ ( আঃ ) বিদেশী লোকদেরকে উট বোঝাই করে খাদ্য দান করতেন। স্বয়ং তিনি ও বাদশাহ দিনে শুধুমাত্র একবার দুপুরের সময় দু’ এক গ্রাস খাবার খেতেন এবং মিসরবাসীকে পেট পুরে খাওয়াতেন। সুতরাং ঐ যুগে মিসরবাসীদের উপর এটা একটা আল্লাহর রহমত ছিল। কোন কোন মুফাসসির হতে এটাও বর্ণিত আছে যে, হযরত ইউসুফ ( আঃ ) প্রথম বছর মালের বিনিময়ে খাদ্য বিক্রি করেন, দ্বিতীয় বছর বিক্রি করেন আসবাবপত্রের বিমিনমিয়ে। এভাবে তিনি তৃতীয় ও চতুর্থ বছরেও খাদ্য বিক্রি করেন। তারপরে বিক্রি করেন স্বয়ং মানুষের জীবন এবং তাদের সন্তানদের বিনিময়ে। সুতরাং তিনি মানুষের জীবন, তাদের সন্তান এবং তাদের অধিকারভুক্ত সমস্ত ধন মালের মালিক হয়ে যান। কিন্তু এরপর তিনি সকলকেই আযাদ করে দেন এবং তাদের মালধনও তাদেরকে ফিরিয়ে দেন। এটা হচ্ছে বণী ইসরাঈলের রিওয়াইত বা বর্ণনা। সুতরাং এটাকে আমরা সত্য মিথ্যা কিছুই বলতে পারি না।এখানে এই বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, মিসরে আগমনকারীদের মধ্যে হযরত ইউসুফের ( আঃ ) ভাইয়েরাও ছিলেন। তাঁরা তাঁদের পিতার নির্দেশক্রমে মিসরে আগমন করেছিলেন। তাঁদের পিতা অবগত হয়েছিলেন যে, মিসরের আযীয মালের বিনিময়ে খাদ্য প্রদান করে থাকেন। তাই তিনি তাঁর দশজন ছেলেকে সেখানে পাঠিয়েছিলেন এবং হযরত ইউসুফের ( আঃ ) সহোদর ভাই বিনইয়ামীনকে নিজের কাছে রেখেছিলেন। যাকে তিনি হযরত ইউসুফের ( আঃ ) পরে খুবই ভালবাসতেন। যখন এই যাত্রীদল হযরত ইউসুফের ( আঃ ) নিকট পৌঁছেন তখন তিনি এক নজর দেখেই তাঁদেরকে চিনে নেন। কিন্তু তাঁদের কেউই তাকে চিনতে পারেন নাই। কেননা, বাল্যাবস্থাতেই তিনি তাঁদের থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিলেন। ভ্রাতাগণ তাঁকে সওদাগরদের নিকট বিক্রি করে দিয়েছিলেন। তারপরে কি হলো তা তারা কি করে জানবেন? এটা তো ছিল কল্পনাতীত কথা যে, যাঁকে তাঁরা গোলাম হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি আজ মিসরের আযীয হয়ে বসেছেন। এদিকে হযরত ইউসুফ ( আঃ ) এমনভাবে তাদের সাথে কথাবার্তা বলেন যে, তিনিই যে ইউসুফ ( আঃ ) এ ধারণাও তাঁদের অন্তরে স্থান পায় নাই। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “ আপনারা কিভাবে আমাদের দেশে আসলেন?” তাঁরা উত্তরে বললো: “আপনি খাদ্য দান করে থাকেন এ খবর শুনেই আমরা আপনার রাজ্যে এসেছি ।” তিনি বলেনঃ “ আমার মনে সন্দেহ হচ্ছে যে, আপনারা হয়তো গুপ্তচর ।” তাঁরা বলেনঃ “ আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমরা গুপ্তচর নই ।” তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ “ আপনাদের বাসস্থান কোথায়?” তারা জবাবে বলেনঃ “আমরা কিনআ’নের অধিবাসী । আমাদের পিতার নাম ইয়াকুব ( আঃ ), তিনি আল্লাহ তাআ’লার একজন নবী।” তিনি তাঁদেরকে প্রশ্ন করেনঃ “ তোমরা ছাড়া তার আর কোন ছেলে আছে কি? তারা জবাবে বলল “হ্যাঁ, আমরা বারো ভাই ছিলাম । আমাদের মধ্যে যে ছিল সবচেয়ে ছোট এবং পিতার চোখের মণি সে তো ধ্বংস হয়ে গেছে। তারই এক সহোদর ভাই আছে। তাকে পিতা আমাদের সাথে পাঠান নাই। তাকে তিনি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন। তারই মাধ্যমে তিনি কিছুটা সান্ত্বনা লাভ করে থাকেন।” এরপর হযরত ইউসুফ ( আঃ ) তার ভৃত্যদের নির্দেশ দেন যে, তাদেরকে যেন সরকারী মেহমান মনে করা হয় এবং সম্মানজনক স্থানে তাদেরকে থাকার ব্যবস্থা করা হয় ও উত্তম খাবার খেতে দেয়া হয়। অতঃপর যখন তাঁদেরকে খাদ্য শস্য দেয়া শুরু হলো এবং বস্তা ভর্তি করে দেয়া হলো, আর তাঁদের সাথে যতগুলি বাহন জন্তু ছিল সেগুলি যতগুলি বোঝা বইতে পারে ততগুলিই ওগুলির উপর চাপিয়ে দেয়া হলো তখন হযরত ইউসুফ ( আঃ ) তাঁদেরকে বললেনঃ “ দেখুন! আপনাদের কথার সত্যতার প্রমাণ হিসেবে আপনাদের যে ভাইটিকে এবার সঙ্গে আনেন নাই, পরবর্তী সময়ে তাকে অবশ্যই সাথে নিয়ে আসবেন । দেখুন! আমি আপনাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করেছি এবং আপনাদের সম্মান প্রদর্শনে একটুও ক্রটি করি নাই।” এভাবে তাঁদের উৎসাহ প্রদানের পর আবার ধমকও দেন। তিনি বলেনঃ “ পরের দফে যদি আপনারা আপনাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে না আনেন তবে খাদ্যের একটি দানাও আপনাদেরকে দেয়া হবে না এমনকি আপনাদেরকে আমার কাছেও আসতে দেবো না ।” তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিল এবং বললো, “ আমরা আমাদের পিতাকে বুঝিয়ে সুঝিয়েবলবো এবং যে কোন প্রকারেই হোক না কেন আমরা আমাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে আনার চেষ্টা করবো । যাতে আমরা বাদশাহর কাছে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত না হই।” সুদ্দী ( রঃ ) বলেন যে, হযরত ইউসুফ ( আঃ ) তাঁর ভাইদের নিকট থেকে কিছু জিনিষ তার কাছে বন্ধক রেখেছিলেন এবং তাদেরকে বলেছিলেনঃ “ আপনারা আপনাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে করে আমার কাছে আসলেই এটা পেয়ে যাবেন । কিন্তু এটা সত্য বলে মনে হচ্ছে না। কেননা, তিনি তো তাদেরকে পুনরায় তাঁর কাছে ফিরে আসার ব্যাপারে বেশ উৎসাহ প্রদান করেছিলেন এবং অনেক কিছু লোভ দেখিয়ে ছিলেন।যখন ভ্রাতাগণ বিদায়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন তখন হযরত ইউসুফ ( আঃ ) তাঁর চতুর ভৃত্যদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, খাদ্য দ্রব্য গ্রহণের বিনিময় হিসেবে যে সব আসবাবপত্র তাঁরা আনয়ন করেছে তা যেন তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু এমন কৌশলে এটা করতে হবে যে, তাঁরা যেন মোটেই টের না পায়। তাঁদের বস্তার মধ্যে ঐ আসবাবপত্র গুলি অতি সন্তর্পণে ভরে দিতে হবে। সম্ভবতঃ এর একটি কারণ হচ্ছে: তাঁর মনে হলো যে, যে সব আসবাব তাঁরা খাদ্য দ্রব্য গ্রহণের বিনিময় হিসেবে আনয়ন করেছে সেগুলি যদি তিনি নিয়ে নেন তবে তাদের বাড়ীর অবস্থা কি হবে! আবার এটাও হতে পারে যে, তিনি পিতা ও ভাইদের নিকট থেকে খাদ্যের বিনিময় গ্রহণ করা সমীচীন মনে করেননি। তাছাড়া এও হতে পারে যে, তাঁর ধারণায় যখন তারা বাড়ীতে গিয়ে বস্তা খুলবে এবং তাদের আসবাবপত্রগুলি বস্তার মধ্যে পাবে তখন অবশ্যই তার প্রাপ্য জিনিষ তাঁকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্যে তার কাছে তারা ফিরে আসবে। এই সুযোগে তিনি তাঁদের সাথে পুনরায় মিলিত হতে পারবেন।

সূরা ইউসুফ আয়াত 59 সূরা

ولما جهزهم بجهازهم قال ائتوني بأخ لكم من أبيكم ألا ترون أني أوفي الكيل وأنا خير المنـزلين

سورة: يوسف - آية: ( 59 )  - جزء: ( 13 )  -  صفحة: ( 242 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. ইহুদীদের জন্যে আমি তো কেবল তাই হারাম করেছিলাম যা ইতিপূর্বে আপনার নিকট উল্লেখ করেছি। আমি
  2. আপনি বলে দিন, আমি আমার নিজের কল্যাণ সাধনের এবং অকল্যাণ সাধনের মালিক নই, কিন্তু যা
  3. মানুষ যা চায়, তাই কি পায়?
  4. তারা মুমিনদেরকে ডেকে বলবেঃ আমরা কি তোমাদের সাথে ছিলাম না? তারা বলবেঃ হঁ্যা কিন্তু তোমরা
  5. এবং তাদের গৃহের জন্যে দরজা দিতাম এবং পালংক দিতাম যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত।
  6. ফেরাউন সে ছিল সীমালংঘনকারীদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়।
  7. তারা বলবেঃ আমরা ইতিপূর্বে নিজেদের বাসগৃহে ভীত-কম্পিত ছিলাম।
  8. আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের
  9. আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন
  10. আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ইউসুফ ডাউনলোড করুন:

সূরা Yusuf mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Yusuf শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ইউসুফ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ইউসুফ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ইউসুফ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ইউসুফ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ইউসুফ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ইউসুফ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ইউসুফ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ইউসুফ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ইউসুফ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ইউসুফ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ইউসুফ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 13, 2026

Please remember us in your sincere prayers