কোরান সূরা আম্বিয়া আয়াত 74 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Anbiya ayat 74 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা আম্বিয়া আয়াত 74 আরবি পাঠে(Anbiya).
  
   

﴿وَلُوطًا آتَيْنَاهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَت تَّعْمَلُ الْخَبَائِثَ ۗ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَاسِقِينَ﴾
[ الأنبياء: 74]

এবং আমি লূতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান এবং তাঁকে ঐ জনপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম, যারা নোংরা কাজে লিপ্ত ছিল। তারা মন্দ ও নাফরমান সম্প্রদায় ছিল। [সূরা আম্বিয়া: 74]

Surah Al-Anbiya in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Anbiya ayat 74


আর লূতের ক্ষেত্রে -- আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম বুদ্ধি-বিবেচনা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান, আর আমরা তাঁকে উদ্ধার করেছিলাম সেই জনপদ থেকে যারা জঘন্য কাজ করত। নিঃসন্দেহ তারা ছিল দুষ্ট দুরাচারী সম্প্রদায়।


Tafsir Mokhtasar Bangla


৭৪. আমি লুত ( আলাইহিস-সালাম ) কে দ্ব›দ্বকারীদের মাঝে ফায়সালা করার ক্ষমতা দিয়েছি এবং তাঁকে তাঁর ধর্মের জ্ঞানও দিয়েছি। উপরন্তু আমি তাঁকে সেই আযাব থেকে রক্ষা করেছি যা আমি তাঁর এলাকা সাদূমের উপর নাযিল করেছি। যার অধিবাসীরা সমকামিতায় লিপ্ত হতো। বস্তুতঃ তারা এক পাপী জাতি ছিলো, যারা তাদের প্রতিপালকের আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেছে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


লুতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান, আর তাকে উদ্ধার করেছিলাম এমন এক জনপদ হতে, যার অধিবাসীরা লিপ্ত ছিল অশ্লীল কর্মে; তারা ছিল এক সত্যত্যাগী মন্দ সম্প্রদায়।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর লূতকে আমরা দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান [] এবং তাকে উদ্ধার করেছিলাম এমন এক জনপদ থেকে [] যার অধিবাসীরা লিপ্ত ছিল অশ্লীল কাজে []; নিশ্চয় তারা ছিল এক মন্দ ফাসেক সম্প্রদায়। [] মূলে “ হুকুম ও ইলম” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে । “ হুকুম” অর্থ এখানে নবুওয়ত । তাছাড়া এর অন্য অর্থ, প্রজ্ঞা। [ ফাতহুল কাদীর ] আর “ ইলম” এর অর্থ হচ্ছে এমন সত্য যথার্থ ইলাম যা অহীর মাধ্যমে দান করা হয়েছে । অন্য কথায় দ্বীনের জ্ঞান এবং মানুষের মধ্যে যা ঘটবে তার সঠিক ফয়সালা [ কুরতুবী ] লূতের সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্যে দেখুন সূরা আল-আ’রাফ ৮০-৮৪, সূরা হুদ ৬৯-৮৩ এবং সূরা আল-হিজর ৫৭-৭৬ আয়াত [] যে জনপদ থেকে লুত আলাইহিস সালামকে উদ্ধার করার কথা আলোচ্য আয়াতদ্বয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই জনপদের নাম ছিল সাদৃম। [ ইবন কাসীর ] এর অধীনে আরও সাতটি জনপদ ছিল। এগুলোকে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম ওলট-পালট করে দিয়েছিলেন। শুধু লুত আলাইহিস সালাম ও তার সঙ্গী মুমিনদের বসবাসের জন্যে একটি জনপদ অক্ষত রেখে দেয়া হয়েছিল। [ কুরতুবী ] [] পুরুষের সাথে পুরুষের কামপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করা ছিল তাদের সর্বপ্রধান নোংরা অভ্যাস, যা থেকে বন্য জন্তুরাও বেঁচে থাকে। কোন কোন তফসীরবিদ বলেনঃ এ ছাড়া অন্যান্য নোংরা অভ্যাসও তাদের মধ্যে ছিল। [ দেখুন, কুরতুবী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৭১-৭৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলছেন যে, তিনি তার বন্ধু হযরত ইবরাহীমকে ( আঃ ) কাফিরদের অগ্নি হতে রক্ষা করে সিরিয়ার পবিত্র ভূমিতে পৌঁছিয়ে দেন। হযরত উবাই ইবনু কা'ব ( রাঃ ) বলেন যে, সমস্ত সুমিষ্ট পানি সিরিয়ায় সাখরা'র নিম্নদেশ হতে বের হয়ে থাকে। হযরত কাতাদা ( রাঃ ) বলেন যে, আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীমকে ( আঃ ) ইরাকের ভূ-খণ্ড হতে মুক্তি দিয়ে সিরিয়ায় পৌঁছিয়ে দেন। সিরিয়াই নবীদের ( আঃ ) হিজরতের জায়গা। যমীন। হতে যা ঘাটতি হয় সিরিয়ায় তা বৃদ্ধি পায় এবং সিরিয়ায় যা ঘাটতি হয়। ফিলিস্তিনে তা বৃদ্ধি হয়। সিরিয়াই হলো হাশরের মাঠ। এখানেই হযরত ঈসা ( আঃ ) অবতরণ করবেন। এখানেই দাজ্জালকে হত্যা করা হবে। হযরত কাবের ( রাঃ ) উক্তি হিসেবে জানা যায় যে,হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) হিরানে গমণ করেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে, তথাকার বাদশাহর কন্যা তার কওমের দ্বীনের প্রতি বীতঃশ্রদ্ধা হয়ে পড়েছেন এবং ওটাকে তিনি অন্তরে ঘৃণা করেন এমনকি ঐ ধর্মকে তিনি বিদ্রুপ করে থাকেন। তখন হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) তাকে তার এই স্বীকারোক্তির উপর বিয়ে করেন যে, তিনি তার সাথে হিজরত করে সেখান থেকে চলে যাবেন। তারই নাম হযরত সারা’ ( রাঃ )। আর এটাও প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে, হযরত সারা’ ( রাঃ ) ( এই রিওয়াইয়াতটি গারীব বা দুর্বল ) ছিলেন তার চাচাতো বোন। তিনি তার সাথেই হিজরত করে চলে এসেছিলেন। হযরত ইবন আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, তাঁর এই হিজরত মক্কা শরীফে শেষ হয়। এই মক্কা শরীফ সম্পর্কেই মহান আল্লাহ বলেনঃ “ এটাই আল্লাহর প্রথম ঘর যা মানবমণ্ডলীর জন্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা কল্যাণময় ও সারা বিশ্বের জন্যে হিদায়াত স্বরূপ । এতে বহু নিদর্শন রয়েছে, যেগুলির মধ্যে একটি নিদর্শন হলো মাকামে ইব্রাহীম। যে তাতে প্রবেশ করে সে নিরাপত্তা লাভ করে।”এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে ( আঃ ) দান করেছিলাম ইসহাক ( আঃ ) ও পৌত্ররূপে ইয়াকূব ( আঃ )। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের ( আঃ ) এবং ইসহাকের ( আঃ ) পিছনে ( পরে ) ইয়াকূবের ( আঃ ) ( ১১:৭১ ) হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) শুধু একটি সন্তানের জন্যে প্রার্থনা করেছিলেন। তিনি প্রার্থনায় বলেছিলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একটি সুসন্তান দান করুন!” ( ৩৭:১০০ ) আল্লাহ তাঁর এ প্রার্থনা কবুল করেন । সন্তানও দান করেন। কাজেই এটা ছিল তার প্রার্থনার উপর অতিরিক্ত দান। আর প্রত্যেককেই তিনি সৎকর্মপরায়ণ করে দেন।অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আমি তাদেরকে করেছিলাম নেতা; তারা আমার নিদের্শ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করতো। আর আমি তাদেরকে সৎকর্ম করার ওয়াহী করেছিলাম। এই সাধারণ কথার উপর আতফ বা সংযোগ করে তিনি বিশেষ কথা অর্থাৎ নামায ও যাকাতের বর্ণনা দেন। ইরশাদ হয় যে, তারা জনগণকে ভাল কাজের আদেশ করতেন এবং সাথে সাথে নিজেরাও ভাল কাজ করতেন। এরপর হযরত লুতের ( আঃ ) বর্ণনা শুরু হচ্ছে। তিনি হলেন নূত ইবনু। হারাণ ইবনু আযন ( আঃ )। তিনি হযরত ইবরাহীমের ( আঃ ) উপর ঈমান এনেছিলেন, তার অনুসরণ করেছিলেন এবং তাঁর সাথে হিজরত করেছিলেন। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ লুত ( আঃ ) তার উপর ঈমান আনয়ন করে এবং বলেঃ আমি আমার প্রতিপালকের দিকে হিজরতকারী ।" ( ২৯:২৬ ) আল্লাহ তাআলা তাঁকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করেছিলেন এবং তার উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করেন ও তাঁকে নবীদের দলভূক্ত করেন। তাঁকে তিনি সুদূম ও ওর পার্শ্ববর্তী জনপদগুলির দিকে প্রেরণ করেন। তারা তার বিরুদ্ধাচরণে উঠে পড়ে লেগে যায়। এই কারণে তারা আল্লাহর শাস্তির কবলে পতিত হয় এবং তাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়। তাদের ধ্বংসের ঘটনা আল্লাহ তাআলার পবিত্র গ্রন্থের কয়েক জায়গায় বর্ণিত হয়েছে। এখানে মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আমি তাকে এমন জনপদ হতে উদ্ধার করেছিলাম যার অধিবাসীরা লিপ্ত ছিল অশ্লীল কর্মে তারা ছিল একমন্দ সম্প্রদায়, সত্যত্যাগী। আর সে সৎকর্মপরায়ণ ছিল বলে আমি তার উপর আমার করুণা বর্ষণ করি।

সূরা আম্বিয়া আয়াত 74 সূরা

ولوطا آتيناه حكما وعلما ونجيناه من القرية التي كانت تعمل الخبائث إنهم كانوا قوم سوء فاسقين

سورة: الأنبياء - آية: ( 74 )  - جزء: ( 17 )  -  صفحة: ( 328 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. বাদশাহ বললঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো। আমি তাকে নিজের বিশ্বস্ত সহচর করে রাখব। অতঃপর
  2. তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরই তারা পারস্পরিক বিভেদের কারণে মতভেদ করেছে। যদি আপনার পালনকর্তার পক্ষ
  3. আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একেকজন রসূল রয়েছে। যখন তাদের কাছে তাদের রসূল ন্যায়দন্ডসহ উপস্থিত হল, তখন
  4. অতঃপর তাদের থেকে নিজেকে আড়াল করার জন্যে সে পর্দা করলো। অতঃপর আমি তার কাছে আমার
  5. যখন আমি বনী-ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিলাম যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারও উপাসনা করবে না,
  6. আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের
  7. যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি কথা বানায়।
  8. আমি কোরআনকে আপনার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে আপনি এর দ্বারা পরহেযগারদেরকে সুসংবাদ দেন এবং
  9. আল্লাহ বললেন, হে ইবলীস, আমি স্বহস্তে যাকে সৃষ্টি করেছি, তার সম্মুখে সেজদা করতে তোমাকে কিসে
  10. তিনিই সঠিকভাবে নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। যেদিন তিনি বলবেনঃ হয়ে যা, অতঃপর হয়ে যাবে। তাঁর কথা

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা আম্বিয়া ডাউনলোড করুন:

সূরা Anbiya mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Anbiya শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত আম্বিয়া  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers