কোরান সূরা তাগাবুন আয়াত 8 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Taghabun ayat 8 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা তাগাবুন আয়াত 8 আরবি পাঠে(Taghabun).
  
   

﴿فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالنُّورِ الَّذِي أَنزَلْنَا ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ﴾
[ التغابن: 8]

অতএব তোমরা আল্লাহ তাঁর রসূল এবং অবতীর্ন নূরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। তোমরা যা কর, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত। [সূরা তাগাবুন: 8]

Surah At-Taghabun in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Taghabun ayat 8


অতএব তোমরা আল্লাহ্‌তে বিশ্বাস করো, আর তাঁর রসূলে ও সেই আলোকে যা আমরা অবতারণ করেছি। আর তোমরা যা করছ সে-সম্পর্কে আল্লাহ্ পূর্ণ-ওয়াকিফহাল।


Tafsir Mokhtasar Bangla


৮. হে মানব সমাজ! তোমরা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের উপর ঈমান আনো এবং ওই কুরআনের উপরও ঈমান আনো যা আমি নিজ রাসূলের উপর অবতীর্ণ করেছি। বস্তুতঃ আল্লাহ তোমাদের আমল সম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তাঁর নিকট তোমাদের কোন আমলই গোপন নয় এবং তিনি এর প্রতিদান দিবেন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


অতএব[১] তোমরা আল্লাহ, তাঁর রসূল ও যে জ্যোতি আমি অবতীর্ণ করেছি, তাতে বিশ্বাস স্থাপন কর।[২] তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। [১] فَآمِنُوا তে 'ফা' অক্ষরটিকে বলা হয় 'ফা ফাসীহাহ' ( যার অর্থঃ অতএব, সুতরাং, তাহলে ) যা প্রমাণ করছে যে, এর পূর্বে কোন শর্ত ঊহ্য আছে। অর্থাৎ, ব্যাপার যখন এই রকমই যা বর্ণিত হয়েছে, সুতরাং তোমরা আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের উপর ঈমান আন এবং তাঁকে সত্য বলে মানো। [২] নবী ( সাঃ )-এর সাথে যে নূর অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা হল এই কুরআন মাজীদ। যার দ্বারা ভ্রষ্টতার অন্ধকার দূরীভূত হয় এবং ঈমানের জ্যোতি বিচ্ছুরিত হয়।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


অতএব তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও যে নূর আমরা নাযিল করেছি তাতে ঈমান আন []। আর তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ্ সবিশেষ অবহিত। [] এখানে নূর বা জ্যোতি বলে কুরআনকে বোঝানো হয়েছে। [ কুরতুবী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৭-১০ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, কাফির, মুশরিক ও মুলহিদরা মৃত্যুর পরে পুনরুত্থানকে অবিশ্বাস করছে, তাই তিনি স্বীয় নবী ( সঃ )-কে বলছেনঃ হে নবী ( সঃ )! তুমি তাদেরকে বলে দাও আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে। অতঃপর তোমরা যা করতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হবে। জেনে রেখো যে, তোমাদেরকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করা, তোমাদের বিনিময় প্রদান করা ইত্যাদি কাজ আল্লাহ তা'আলার পক্ষে খুবই সহজ।এটা হচ্ছে তৃতীয় আয়াত যাতে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা স্বীয় নবী ( সঃ )-কে কসম খেয়ে কিয়ামতের সত্যতা বর্ণনা করতে বলেছেন। প্রথম সূরায়ে ইউনুসে রয়েছেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ তারা তোমার নিকট জানতে চায় যে, এটা কি সত্য? বল- হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের শপথ! এটা অবশ্যই সত্য । আর তোমরা এটা ব্যর্থ করতে পারবে না।” ( ১০:৫৩ ) দ্বিতীয় আয়াত সূরায়ে সাবাতে রয়েছেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ কাফিররা বলে- আমাদের কিয়ামত আসবে না । বল- আসবেই, শপথ আমার প্রতিপালকের, নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ওটা আসবেই।” ( ৩৪:৩ ) আর তৃতীয় হলো এই আয়াতটিঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ কাফিররা ধারণা করে যে, তারা কখনো পুনরুত্থিত হবে না । বল- নিশ্চয়ই হবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে।অতঃপর তোমরা যা করতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হবে। এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।”এরপর ইরশাদ হচ্ছেঃ অতএব তোমরা ঈমান আনয়ন কর আল্লাহর উপর, তাঁর রাসূলের উপর এবং যে নূর আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন তার উপর অর্থাৎ কুরআনের উপর। আর তোমাদের কোন গোপন আমলও আল্লাহর নিকট অজানা নয়, বরং তিনি সব কিছুরই খবর রাখেন।মহান আল্লাহর উক্তিঃ সমাবেশের দিন অর্থাৎ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাদেরকে সমবেত করবেন। ঐদিন আল্লাহ তা’আলা সকলকে একত্রিত করবেন বলেই ঐ দিনকে অর্থাৎ কিয়ামতের দিনকে ( আরবি ) বলা হয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ ওটা লোকদেরকে একত্রিত করার ও হাযির করার দিন ।( ১১:১০৩ ) আর এক জায়গায় বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ বলঃ নিশ্চয়ই পূর্ববর্তীগণ ও পরবর্তীগণ সকলকে একত্রিত করা হবে এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে ।( ৫৬:৪৯-৫০ ) হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, ( আরবি ) হলো কিয়ামতের একটি নাম। কিয়ামতের এই নামের কারণ এই যে, জান্নাতবাসীরা জাহান্নামবাসীদেরকে ক্ষতির মধ্যে নিক্ষেপ করবে। হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেনঃ এর চেয়ে বড় তাগাবুন যা ক্ষতি কি হতে পারে যে, জান্নাতীদের সামনে তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হবে? এর পরবর্তী আয়াতই যেন এর তাফসীর। মহান আল্লাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তার পাপ মোচন করবেন এবং তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেথায় তারা হবে চিরস্থায়ী। এটাই মহাসাফল্য। কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেথায় তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ সে প্রত্যাবর্তন স্থল!

সূরা তাগাবুন আয়াত 8 সূরা

فآمنوا بالله ورسوله والنور الذي أنـزلنا والله بما تعملون خبير

سورة: التغابن - آية: ( 8 )  - جزء: ( 28 )  -  صفحة: ( 556 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. বিপদাপদ স্পর্শ করার পর আমি যদি তাকে আমার অনুগ্রহ আস্বাদন করাই, তখন সে বলতে থাকে,
  2. তোমাদের কুফরের কারণে আজ এতে প্রবেশ কর।
  3. সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।
  4. সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা
  5. ত্বা-সীন; এগুলো আল-কোরআনের আয়াত এবং আয়াত সুস্পষ্ট কিতাবের।
  6. তাদেরকে কালিমা আচ্ছন্ন করে রাখবে।
  7. আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।
  8. যদি কাফেররা তোমাদের মোকাবেলা করত, তবে অবশ্যই তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করত। তখন তারা কোন অভিভাবক ও
  9. এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে
  10. তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা তাগাবুন ডাউনলোড করুন:

সূরা Taghabun mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Taghabun শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত তাগাবুন  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত তাগাবুন  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত তাগাবুন  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত তাগাবুন  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত তাগাবুন  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত তাগাবুন  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত তাগাবুন  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত তাগাবুন  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত তাগাবুন  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত তাগাবুন  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত তাগাবুন  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Thursday, August 6, 2026

Please remember us in your sincere prayers