কোরান সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত 86 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al Isra ayat 86 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত 86 আরবি পাঠে(Al Isra).
  
   

﴿وَلَئِن شِئْنَا لَنَذْهَبَنَّ بِالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ بِهِ عَلَيْنَا وَكِيلًا﴾
[ الإسراء: 86]

আমি ইচ্ছা করলে আপনার কাছে ওহীর মাধমে যা প্রেরণ করেছি তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে পারতাম। অতঃপর আপনি নিজের জন্যে তা আনয়নের ব্যাপারে আমার মোকাবিলায় কোন দায়িত্ব বহনকারী পাবেন না। [সূরা বনী ইসরাঈল: 86]

Surah Al-Isra in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al Isra ayat 86


আর আমরা যদি চাইতাম তবে তোমার কাছে যা প্রত্যাদেশ পাঠিয়েছি তা আমরা আলবৎ প্রত্যাহার করতাম, তখন এ বিষয়ে তুমি আমাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যনির্বাহক পেতে না, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৮৬. হে রাসূল! আল্লাহর কসম! আমি যদি আপনার নিকট যে ওহী নাযিল করেছি তা মানুষের অন্তর ও কিতাব থেকে মুছে দিতে চাই তাহলে আমি তা করতে পারি। ফলে আপনি কাউকে আপনার সাহায্যকারী পাবেন না যে তা আবারো ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


ইচ্ছা করলে আমি তোমার প্রতি যা প্রত্যাদেশ করেছি, তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে পারতাম;[১] অতঃপর তুমি এ বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে কোন কর্মবিধায়ক পেতে না।[২] [১] অর্থাৎ, অহী মারফৎ সামান্য যে জ্ঞান তোমাকে দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে সেটুকুও ছিনিয়ে নিতে পারতেন। অর্থাৎ, তোমার অন্তর অথবা কিতাব থেকেই তা মিটিয়ে দিতে পারতেন। [২] যে পুনরায় এই অহীকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দিত।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর আমরা ইচ্ছে করলে আপনার প্রতি যা ওহী করেছি তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে পারতাম; তারপর এ বিষয়ে আপনি আমাদের বিরুদ্ধে কোন কর্মবিধায়ক পেতেন না []। [] আয়াতে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, মানুষকে যতটুকুই জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাও তার ব্যক্তিগত জায়গীর নয়। আল্লাহর তা’আলা ইচ্ছা করলে তাও ছিনিয়ে নিতে পারে। কাজেই বর্তমান জ্ঞানের জন্য তার কৃতজ্ঞ থাকা এবং অনৰ্থক ও বাজে গবেষণায় সময় নষ্ট না করা উচিত। বিশেষতঃ যখন উদ্দেশ্য গবেষণা করা নয়; বরং অপরকে পরীক্ষা করা ও লজ্জিত করাই উদ্দেশ্য হয়। মানুষ যদি এরূপ করে, তবে এই বক্রতার পরিণতিতে তার অর্জিত জ্ঞানটুকু বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আশ্চর্য নয়। এ আয়াতে যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্বোধন করা হয়েছে, কিন্তু আসলে উম্মতকে শোনানোই উদ্দেশ্য; অর্থাৎ রাসূলের জ্ঞানও যখন তার ক্ষমতাধীন নয়, তখন অন্যের তো প্রশ্নই উঠে না। আয়াতে আরেকটি দিকে দৃষ্টিপাত করা হয়েছে, তা হলো, এ কুরআন ওহী হিসেবে আপনার কাছে আসে। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন তাহলে তিনি যা এসেছে তাও প্রত্যাহার করে নিতে পারেন। সহীহ হাদীসে এসেছে যে, বাস্তবিকই কিয়ামতের পূর্বে আল্লাহ্ তা'আলা এ কুরআনকে মানুষের মন ও কিতাবের পাতা থেকে উঠিয়ে নেবেন। [ দেখুন, সুনান ইবনে মাজাহঃ ৪০৪৯ ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৮৬-৮৯ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা নিজের ঐ বড় অনুগ্রহ ও ব্যাপক নিয়ামতের বর্ণনা দিচ্ছে না যে, নিয়ামত তিনি তাঁর প্রিয় রাসূল ( সঃ ) এর উপর নাযিল করেছেন। অর্থাৎ তিনি তার উপর ঐ পবিত্র কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার মধ্যে কখনো কোন মিথ্যা মিশ্রণ অসম্ভব। তিনি ইচ্ছা করলে এই ওয়াহীকে প্রত্যাহারও করতে পারতেন। হযরত ইবনু মাসউদ ( রাঃ ) বলেন যে, শেষ যুগে সিরিয়ার দিক থেকে এক লাল বায়ু প্রবাহিত হবে। ঐ সময় কুরআনের পাতা থেকে এবং হাফিযদের অন্তর হতে কুরআন ছিনিয়ে নেয়া হবে। এক হরফ বা অক্ষরও বাকী থাকবে না। তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করেন।এরপর মহান আল্লাহ নিজের ফল ও করম এবং অনুগ্রহের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তার এই পবিত্র কুরআনের শ্রেষ্ঠত্বের এক বড় প্রমাণ হচ্ছেঃ সমস্ত মাখলুক এর মুকাবিলা করতে অপারগ হয়ে গেছে। কারো ক্ষমতা নেই, এর মত ভাষা প্রয়োগ করতে পারে। আল্লাহ তাআ'লা নিজে যেমন নযীর বিহীন ও তুলনা বিহীন, অনুরূপভাবে তাঁর কালামও অতুলনীয়। ইবনু ইসহাক ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন যে, একবার ইয়াহূদীরা রাসূলুল্লাহ( সঃ ) কাছে আগমন করে বলেঃ “ আমরাও এই কুরআনের মত কালাম বানাতে পারি ।” এ সময় এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। ( কিন্তু আমরা এটা মানতে পারি না। কেননা, এই সূরাটি মক্কী সূরা। আর এর সমস্ত বর্ণনা কুরায়েশদের সম্পর্কেই রয়েছে এবং তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। মক্কায় ইয়াহুদীর সাথে নবীর (সঃ ) মিলন ঘটে নাই। মদীনায় এসে তাদের সাথে মিলন হয়। এ সব ব্যাপারে আল্লাহই সবচেয়ে ভাল জানান) মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “ আমি এই পবিত্র কিতাবে সর্বপ্রকারের দলীল বর্ণনা করে সত্যকে প্রকাশ করে দিয়েছি এবং সমস্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি । এতদসত্ত্বেও অধিকাংশ লোক সত্যের বিরুদ্ধাচরণ করতে রয়েছে এবং সত্যকে প্রত্যাখ্যান করছে। আর তারা আল্লাহর অকৃতজ্ঞ বান্দা হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে।”

সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত 86 সূরা

ولئن شئنا لنذهبن بالذي أوحينا إليك ثم لا تجد لك به علينا وكيلا

سورة: الإسراء - آية: ( 86 )  - جزء: ( 15 )  -  صفحة: ( 290 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে
  2. সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।
  3. অতঃপর যখন চন্দ্রকে ঝলমল করতে দেখল, বললঃ এটি আমার প্রতিপালক। অনন্তর যখন তা অদৃশ্য হয়ে
  4. অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,
  5. তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও তোমাদের কাছে আযাব আসার পূর্বে। এরপর
  6. আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,
  7. স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের
  8. পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ
  9. বাদশাহ বললঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম, সাতটি মোটাতাজা গাভী-এদেরকে সাতটি শীর্ণ গাভী খেয়ে যাচ্ছে এবং সাতটি
  10. আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা বনী ইসরাঈল ডাউনলোড করুন:

সূরা Al Isra mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al Isra শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত বনী ইসরাঈল  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers