কোরান সূরা ত্বা-হা আয়াত 87 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah TaHa ayat 87 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা ত্বা-হা আয়াত 87 আরবি পাঠে(TaHa).
  
   

﴿قَالُوا مَا أَخْلَفْنَا مَوْعِدَكَ بِمَلْكِنَا وَلَٰكِنَّا حُمِّلْنَا أَوْزَارًا مِّن زِينَةِ الْقَوْمِ فَقَذَفْنَاهَا فَكَذَٰلِكَ أَلْقَى السَّامِرِيُّ﴾
[ طه: 87]

তারা বললঃ আমরা তোমার সাথে কৃত ওয়াদা স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি; কিন্তু আমাদের উপর ফেরউনীদের অলংকারের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর আমরা তা নিক্ষেপ করে দিয়েছি। এমনি ভাবে সামেরীও নিক্ষেপ করেছে। [সূরা ত্বা-হা: 87]

Surah Ta-Ha in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah TaHa ayat 87


তারা বললে -- ''আমরা নিজেদের থেকে তোমাকে দেওয়া ওয়াদার খেলাফ করি নি, কিন্তু আমাদের উপরে লোকেদের অলংকারের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল আমরা সে-সব ফেলে দিই, আর এভাবেই সামিরী বাতলেছিল।’’


Tafsir Mokhtasar Bangla


৮৭. মূসা ( আলাইহিস-সালাম ) এর সম্প্রদায় বললো: আমরা ইচ্ছাকৃত আপনার ওয়াদার বরখেলাফ করিনি। বরং আমরা তা করতে বাধ্য হয়েছি। আমরা ফিরআউনের সম্প্রদায়ের বোঝা বোঝা অলঙ্কার বহন করে এনে সেগুলো থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য সেগুলোকে গর্তে ফেলে দিয়েছি। যেভাবে আমরা সেগুলোকে গর্তে ফেলেছি সেভাবে সামিরীও তার সাথে থাকা জিব্রীল ( আলাইহিস-সালাম ) এর ঘোড়ার খুরের মাটি সেখানে ফেলে দিয়েছে।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


ওরা বলল, ‘আমরা তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি[১] বরং আমাদেরকে সম্প্রদায়ের অলঙ্কারের ভার বহন করতে দেওয়া হয়েছিল, পরে আমরা তা আগুনে নিক্ষেপ করেছিলাম; অতঃপর সামেরীও ঐরূপ নিক্ষেপ করেছিল। [১] অর্থাৎ, আমরা নিজ এখতিয়ারে এ কাজ করিনি। বরং এই ভুল আমাদের বিনা এখতিয়ারে হয়ে গেছে। পরবর্তীতে সে কারণ বলা হচ্ছে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


তারা বলল, ‘আমরা আপনাকে দেয়া অঙ্গীকার স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি []; তবে আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল লোকের অলংকারের বোঝা। তাই আমরা তা আগুনে নিক্ষেপ করি [], অনুরুপভাবে সামেরীও ( সেখানে কিছু মাটি ) নিক্ষেপ করে। [] উদ্দেশ্য এই যে, আমরা গো-বৎস পূজায় স্বেচ্ছায় লিপ্ত হইনি; বরং সামেরীর কাজ দেখে বাধ্য হয়েছি। বলাবাহুল্য, তাদের এই দাবী সর্বৈব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। [ দেখুন, ইবন কাসীর ] সামেরী অথবা তার কর্ম তাদেরকে বাধ্য করেনি। বরং তারা নিজেরাই চিন্তা-ভাবনার অভাবে তাতে লিপ্ত হয়েছে। তবে এটা সত্য যে, সামেরী তাদের গোবাছুর পূজার কারণ ছিল। [] যারা সামেরীর ফিতনায় জড়িয়ে পড়েছিল। এটি ছিল তাদের ওজর। তাদের বক্তব্য ছিল, আমরা অলংকার ছুড়ে দিয়েছিলাম। এরপর যা ঘটেছে তা আসলে এমন ব্যাপারই ছিল যে, সেগুলো দেখে জাতির পথভ্রষ্ট লোকেরা বলতে লাগল যে, এটাই ইলাহ। [ ইবন কাসীর ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৮৩-৮৯ নং আয়াতের তাফসীর: মূসা ( আঃ ) যখন বানী ইসরাঈলসহ সমুদ্র অতিক্রম করেন তখন তাদেরকে নিয়ে সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে দেন। তাদেরকে নিয়ে তিনি এমন এক জায়গায় পৌঁছেন যেখানে লোকেরা প্রতিমাসমূহের খাদেম হয়ে বসেছিল। তা দেখে বানী ইসরাঈল হযরত মূসাকে( আঃ ) বলেঃ “ হে মূসা( আঃ ) ! এদের মত আমাদের জন্যেও আপনি কোন মাবুদ নির্ধারণ করে দিন ।!" উত্তরে হযরত মূসা ( আঃ ) তাদেরকে বলেনঃ “ তোমরা তো খুবই অজ্ঞলোক । এরা তো ধ্বংস প্রাপ্ত লোক এবং তাদের ইবাদতও বাতিল।" অতঃপর আল্লাহ তাআলা হযরত মূসাকে ( আঃ ) ত্রিশ দিন রোযা রাখার নির্দেশ দেন। তারপর তা বাড়িয়ে দিয়ে চল্লিশ দিন করা হয়। তিনি দিন রাত রোযার অবস্থায় থাকতেন। অতঃপর তাড়াতাড়ি তিনি তূর পর্বতের দিকে গমন করেন এবং বানী ইসরাঈলের উপর তার ভাই হারূণকে ( আঃ )। প্রতিনিধি নিযুক্ত করেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ “ হে মূসা ( আঃ )! তোমার সম্প্রদায়কে পশ্চাতে ফেলে তোমাকে ত্বরা করতে বাধ্য করলো কিসে?" উত্তরে তিনি বললেনঃ “এই তো আমার পশ্চাতে তারা রয়েছে এবং হে আমার প্রতিপালক! আমি তাড়াতাড়ি করে আপনার নিকট আসলাম, আপনি সন্তুষ্ট হবেন এই জন্যে ।" তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে বললেনঃ “ হে মূসা ( আঃ )! তোমার চলে আসার পর আমি তোমার সম্প্রদায়কে পরীক্ষায় ফেলেছি এবং সামেরী তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে । তারা গো-বংসের পূজা শুরু করে দিয়েছে। ইসরাঈলী পুস্তক সমূহে আছে যে, সামেরীর নামও হারূণ ছিল। হযরত মূসাকে ( আঃ ) দান করার জন্যে তাওরাতের ফলক লিখে নেয়া হয়েছিল। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমি তার জন্যে ফলকে সর্ববিষয়ের বর্ণনা এবং সবকিছুর বিস্তারিত বিবরণ লিখে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলামঃ ওটাকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং তোমার কওমকেও বলে দাও যে, তারা যেন উত্তমরূপে ওর উপর আমল করে; আমি তোমাদেরকে সত্বরই ফাসেকদের পরিণাম প্রদর্শন করবো ।" ( ৭:১৪৫ )হযরত মূসা ( আঃ ) যখন স্বীয় কওমের শিকপূর্ণ কাজের খবর পেলেন তখন তিনি অত্যন্ত দুঃখিত হলেন এবং ক্রোধ ও ক্ষোভের অবস্থায় সেখান থেকে ফিরে আসলেন। তিনি দেখতে চান যে, তার কওমের লোকেরা আল্লাহ তাআলার অসংখ্য নিয়ামত রাশি লাভ করার পরেও এরূপ কঠিন অজ্ঞতাপূর্ণ ও শিরকজনিত কাজ করেছে? অতঃপর তিনি অত্যন্ত ক্রুব্ধ ও ক্ষুব্ধ অবস্থায় তাঁর কওমের কাছে এসে বললেনঃ “ হে আমার সম্প্রদায় তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদেরকে এক উত্তম প্রতিশ্রুতি দেন নাই । তোমাদেরকে কি তিনি বড় বড় নিয়ামত দান করেন নাই? কিন্তু অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তোমরা তার নিয়ামতসমূহ ভুলে বসলে? তবে কি তোমরা চাচ্ছ যে, তোমাদের প্রতি আপতিত হোক তোমাদের প্রতিপালকের ক্রোধ, যে কারণে তোমরা আমার প্রতি প্রদত্ত অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে?” তার কওম তখন তার কাছে ওজর পেশ করে বললোঃ “ আমরা এই কাজ নিজেদের ইচ্ছায় করি নাই । প্রকৃত ব্যাপার এই যে, ফিরাউনীদের যে সব অলংকার আমাদের নিকট ছিল সেগুলি নিক্ষেপ করাই আমরা ভাল মনে করলাম। সুতরাং আমরা সবকিছুই আল্লাহর ভয়ে নিক্ষেপ করে দিলাম।”একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, স্বয়ং হযরত হারূণ ( আঃ ) একটি গর্ত খনন করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেন এবং বানী ইসরাঈলকে নির্দেশ দেন যে, তারা যেন সমস্ত অলংকার ঐ গর্তে নিক্ষেপ করে। হযরত হারূণের ( আঃ ) ইচ্ছা ছিল যে, সমস্ত অলংকার এক জায়গায় জমা হয়ে যাবে এবং গলে গিয়ে একটা জমাট পাথরের রূপ ধারণ করবে। তারপর যখন হযরত মূসা ( আঃ ) ফিরে আসবেন তখন তিনি যা বলবেন তাই করা হবে। সামেরী তাতে ঐ মুষ্টিও নিক্ষেপ করেছিল যা সে আল্লাহর দূতের নিদর্শন হতে পূর্ণ করে নিয়েছিল এবং হযরত হারূণকে ( আঃ ) বলেছিলঃ “ আপনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করুন যেন তিনি আমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন । হযরত হারূণ ( আঃ ) তো আর তার মনের কথা জানতেন না, তাই তিনি প্রার্থনা করেন। সে ইচ্ছা করে যে, ওর থেকে যেন একটা গো-বৎস নির্মিত হয়ে যায় এবং ওর থেকে যেন বাছুরের মত শব্দও বের হয়। ওটা তাই হয়ে যায় এবং বানী ইসরাঈলের পরীক্ষার কারণ হয়ে দাড়ায়। এ কারণেই মহান আল্লাহ বানী ইসরাঈলের কথা উদ্ধৃত করে বলেনঃ “ সেিমরীও তা নিক্ষেপ করে । একবার হযরত হারূন ( আঃ ) সামেরীর পার্শ্ব দিয়ে গমন করেন। ঐ সময় সে ঐ গো-বৎসটি ঠিকঠাক করছিল। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ “ ওটা কি করছো?” সে উত্তরে বলেঃ “এমন জিনিস তৈরী করছি যা ক্ষতি সাধন করে, কিন্তু উপকার করে না । তিনি দুআ করেনঃ “ হে আল্লাহ! তাকে আপনি এরূপই করে দিন ।” অতঃপর তিনি সেখান হতে চলে যান। সামেরীর দুআ’য় ওটা গো-বৎস হয়ে যায় এবং ওর থেকে শব্দও বের হতে থাকে। বানী ইসরাঈল বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায়। এবং ওর পূজা করতে শুরু করে। ওর একটি শব্দের সময় তারা ওর সামনে সিজদায় পড়ে যেতো এবং আর একটি শব্দের সময় সিজদা হতে মাথা উঠাতো। এই দলটি অন্যান্য মুসলমানদেরকেও পথ ভ্রষ্ট করতে থাকে। তারা তাদেরকে বলেঃ “ আসল মা’রূদ এটাই । হযরত মূসা ( আঃ ) ভুল করে তার অনুসন্ধানে অন্য জায়গায় চলে গেছেন। তিনি এটা বলতে ভুলে গেছেন যে, এটাই তোমাদের মাবূ’দ।”এ লোকগুলি খাদেমরূপে ওর সামনে বসে পড়ে। তাদের অন্তরে এর মুহব্বত জমে ওঠে। অর্থ এও হতে পারে যে, সামেরী নিজের সত্য ও সঠিক মাবুদকে এবং নিজের পবিত্র দ্বীন ইসলামকে ভুলে বসেছিল। সে এতো নির্বোধ যে, ঐ বাছুর যে একেবারে নির্জীব এটুকুও সে বুঝতে পারে নাই। ওটা তো তাদেরকে কোন কথার জবাব দিতে পারে না এবং কিছু শুনতেও পায় না। দুনিয়া ও আখেরাতের কোন কাজের তার অধিকার নেই এবং লাভ ও ক্ষতি করারও তার কোন ক্ষমতা নেই। তার থেকে যে শব্দ বের হয় ওর একমাত্র কারণ তো এই যে, তার পিছনের ছিদ্র দিয়ে বায়ু প্রবেশ করে এবং সামনের ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে যায়। ওটারই শব্দ হয়। তারা ছিল কতো নির্বোধ যে, ছোট পাপ হতে বাচবার জন্যে তারা বড় পাপ করে বসলো। ফিরাউনীদের আমানত হতে মুক্ত হতে গিয়ে তারা শিরক করে বসলো। এর দৃষ্টান্ত তো এটাই হলো যে, কোন এক ইরাকবাসী হযরত আবদুল্লাহ ইবনু উমারকে ( রাঃ ) জিজ্ঞেস করেঃ “কাপড়ে যদি মশার রক্ত লেগে যায় তবে নামায হবে কি হবে না?” তিনি উত্তরে জনগণকে বলেনঃ “তোমরা ইরাকবাসীদের ব্যবহারের প্রতি লক্ষ্য কর, তারা রাসূলুল্লাহ( সঃ ) প্রিয়তমা কন্যা হযরত ফাতেমার ( রাঃ ) কলেজার টুকরা হযরত হুসাইনকে ( রাঃ ) হত্যা করেছে, অথচ আজ মশার রক্তের মাসআলা জিজ্ঞেস করছে!”

সূরা ত্বা-হা আয়াত 87 সূরা

قالوا ما أخلفنا موعدك بملكنا ولكنا حملنا أوزارا من زينة القوم فقذفناها فكذلك ألقى السامري

سورة: طه - آية: ( 87 )  - جزء: ( 16 )  -  صفحة: ( 317 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. অতঃপর যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে, সেদিন তাদের পারস্পরিক আত্নীয়তার বন্ধন থাকবে না এবং একে
  2. যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
  3. তারা কি জানে না যে, আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং এগুলোর সৃষ্টিতে
  4. অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
  5. সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা কেমন করে আমার পুত্র হবে অথচ আমার স্ত্রী যে বন্ধ্যা,
  6. তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
  7. তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না,
  8. অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
  9. যদি তুমি উচ্চকন্ঠেও কথা বল, তিনি তো গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয়বস্তু জানেন।
  10. আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা ত্বা-হা ডাউনলোড করুন:

সূরা TaHa mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি TaHa শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত ত্বা-হা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers