পবিত্র কুরআনে জাহান্নামের নামসমূহ সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
🍃 বিষয়ের অংশসমূহ
🕌 আল-হাজার মিন আল-আখিরাহ (আখিরাত সম্পর্কে সতর্কতা)🕌 বি'সা আল-কারার (নিকৃষ্ট আবাস)🕌 বি'সা আল-মাসীর (নিকৃষ্ট গন্তব্য)🕌 বি'সা আল-মিহাদ (নিকৃষ্ট বিছানা)🕌 বি'সা আল-ওয়ারদু আল-মাওরুদ (নিকৃষ্ট পানীয় স্থান)🕌 আল-জাহীম (প্রজ্বলিত আগুন)🕌 জাহান্নাম (জাহান্নাম)🕌 আল-হাফিরাহ (প্রত্যাবর্তন/প্রাথমিক অবস্থা)🕌 আল-হুতামাহ (চূর্ণকারী আগুন)🕌 ধ্বংসের আবাস🕌 জাহান্নামে চিরস্থায়ী অবস্থান🕌 পাপীদের আবাস🕌 যাক্কুম গাছ🕌 সাহিরা (ভয়ংকর ভূমি)🕌 সাঈর (প্রজ্বলিত আগুন)🕌 সাকার (জাহান্নাম)🕌 সামুম (দাহ্য বাতাস)🕌 মন্দ আবাস🕌 মন্দকারীদের পরিণতি🕌 লাযা (জাহান্নাম)🕌 আগুন যার জ্বালানি মানুষ🕌 হাবিয়া (জাহান্নামের গভীর গর্ত)
📖 কুরআনে জাহান্নামের নামসমূহ - একটি অংশ নির্বাচন করুন
(9) যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, পরকালের আশংকা রাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান।
সূরা: Az-Zumar - আয়াত: 9 - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 459
(29) দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 29 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 259
(60) তারা বলবে, তোমাদের জন্যে ও তো অভিনন্দন নেই। তোমরাই আমাদেরকে এ বিপদের সম্মুখীন করেছ। অতএব, এটি কতই না ঘৃণ্য আবাসস্থল।
সূরা: Ṣād - আয়াত: 60 - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 456
(126) যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 126 - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 19
(162) যে লোক আল্লাহর ইচ্ছার অনুগত, সে কি ঐ লোকের সমান হতে পারে, যে আল্লাহর রোষ অর্জন করেছে? বস্তুতঃ তার ঠিকানা হল দোযখ। আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 162 - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 71
(16) আর যে লোক সেদিন তাদের থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য যে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনকল্পে কিংবা যে নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসে সে ব্যতীত অন্যরা আল্লাহর গযব সাথে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর তার ঠিকানা হল জাহান্নাম। বস্তুতঃ সেটা হল নিকৃষ্ট অবস্থান।
সূরা: Al-Anfāl - আয়াত: 16 - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 178
(206) আর যখন তাকে বলা হয় যে, আল্লাহকে ভয় কর, তখন তার পাপ তাকে অহঙ্কারে উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং তার জন্যে দোযখই যথেষ্ট। আর নিঃসন্দেহে তা হলো নিকৃষ্টতর ঠিকানা।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 206 - পারা: 2 - পৃষ্ঠা: 32
(12) কাফেরদিগকে বলে দিন, খুব শিগগীরই তোমরা পরাভূত হয়ে দোযখের দিকে হাঁকিয়ে নীত হবে-সেটা কতই না নিকৃষ্টতম অবস্থান।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 12 - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 51
(197) এটা হলো সামান্য ফায়দা-এরপর তাদের ঠিকানা হবে দোযখ। আর সেটি হলো অতি নিকৃষ্ট অবস্থান।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 197 - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 76
(98) কেয়ামতের দিন সে তার জাতির লোকদের আগে আগে থাকবে এবং তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে পৌঁছে দিবে। আর সেটা অতীব নিকৃষ্ট স্থান, সেখানে তারা পৌঁছেছে।।
সূরা: Hūd - আয়াত: 98 - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 233
(119) নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 119 - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 18
(10) যারা অবিশ্বাস করে এবং আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তার দোযখী।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 10 - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 109
(86) যারা কাফের হয়েছে এবং আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলেছে, তারাই দোযখী।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 86 - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 122
(206) আর যখন তাকে বলা হয় যে, আল্লাহকে ভয় কর, তখন তার পাপ তাকে অহঙ্কারে উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং তার জন্যে দোযখই যথেষ্ট। আর নিঃসন্দেহে তা হলো নিকৃষ্টতর ঠিকানা।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 206 - পারা: 2 - পৃষ্ঠা: 32
(4) কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
(5) আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?
সূরা: Al-Humazah - আয়াত: 4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 601
(28) তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত করেছে এবং স্ব-জাতিকে সম্মুখীন করেছে ধ্বংসের আলয়ে।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 28 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 259
(28) এটা আল্লাহর শত্রুদের শাস্তি-জাহান্নাম। তাতে তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আবাস, আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করার প্রতিফলস্বরূপ।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 28 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 479
(145) আর আমি তোমাকে পটে লিখে দিয়েছি সর্বপ্রকার উপদেশ ও বিস্তারিত সব বিষয়। অতএব, এগুলোকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং স্বজাতিকে এর কল্যাণকর বিষয়সমূহ দৃঢ়তার সাথে পালনের নির্দেশ দাও।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 145 - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 168
(62) এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 62 - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 448
(43) নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 43 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 498
(52) তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 52 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 536
(14) তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 14 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(10) যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 10 - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 78
(55) অতঃপর তাদের কেউ তাকে মান্য করেছে আবার কেউ তার কাছ থেকে দূরে সরে রয়েছে। বস্তুতঃ (তাদের জন্য) দোযখের শিখায়িত আগুনই যথেষ্ট।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 55 - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 87
(4) শয়তান সম্পর্কে লিখে দেয়া হয়েছে যে, যে কেউ তার সাথী হবে, সে তাকে বিভ্রান্ত করবে এবং দোযখের আযাবের দিকে পরিচালিত করবে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 4 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 332
(48) যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।
সূরা: Al-Qamar - আয়াত: 48 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 530
(26) আমি তাকে দাখিল করব অগ্নিতে।
(27) আপনি কি বুঝলেন অগ্নি কি?
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 26-27 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 576
(27) অতঃপর আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন।
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 27 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 524
(25) এবং যারা আল্লাহর অঙ্গীকারকে দৃঢ় ও পাকা-পোক্ত করার পর তা ভঙ্গ করে, আল্লাহ যে, সম্পর্ক বজায় রাখতে আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, ওরা ঐ সমস্ত লোক যাদের জন্যে রয়েছে অভিসম্পাত এবং ওদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 25 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 252
(52) সে দিন যালেমদের ওযর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 52 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 473
(10) অতঃপর যারা মন্দ কর্ম করত, তাদের পরিণাম হয়েছে মন্দ। কারণ, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলত এবং সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 10 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 405
(15) কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 15 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 569
(24) আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 24 - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 4


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers