পবিত্র কুরআনে কুরআনে পর্বত সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(74) তোমরা স্মরণ কর, যখন তোমাদেরকে আদ জাতির পরে সর্দার করেছেন; তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠিকানা দিয়েছেন। তোমরা নরম মাটিতে অট্টালিকা নির্মান কর এবং পর্বত গাত্র খনন করে প্রকোষ্ঠ নির্মাণ কর। অতএব আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করো না।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 74  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 160
(43) সে বলল, আমি অচিরেই কোন পাহাড়ে আশ্রয় নেব, যা আমাকে পানি হতে রক্ষা করবে। নূহ (আঃ) বল্লেন আজকের দিনে আল্লাহর হুকুম থেকে কোন রক্ষাকারী নেই। একমাত্র তিনি যাকে দয়া করবেন। এমন সময় উভয়ের মাঝে তরঙ্গ আড়াল হয়ে দাঁড়াল, ফলে সে নিমজ্জিত হল।
সূরা: Hūd - আয়াত: 43  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 226
(19) আমি ভু-পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 19  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 263
(82) তারা পাহাড়ে নিশ্চিন্তে ঘর খোদাই করত।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 82  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 266
(15) এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 15  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 269
(47) যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 47  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 299
(90) হয় তো এর কারণেই এখনই নভোমন্ডল ফেটে পড়বে, পৃথিবী খন্ড-বিখন্ড হবে এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচুর্ণ হবে।
সূরা: Maryam - আয়াত: 90  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 311
(105) তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।
(106) অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।
(107) তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 105-106-107 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 319
(31) আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 31  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 324
(79) অতঃপর আমি সুলায়মানকে সে ফায়সালা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম এবং আমি উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম। আমি পর্বত ও পক্ষীসমূহকে দাউদের অনুগত করে দিয়েছিলাম; তারা আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। এই সমস্ত আমিই করেছিলাম।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 79  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 328
(18) তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ। আবার অনেকের উপর অবধারিত হয়েছে শাস্তি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 18  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 334
(149) তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।
(150) সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 149-150 - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 373
(61) বল তো কে পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থিত রাখার জন্যে পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।
সূরা: An-Naml - আয়াত: 61  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 382
(10) তিনি খুঁটি ব্যতীত আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করেছেন; তোমরা তা দেখছ। তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা, যাতে পৃথিবী তোমাদেরকে নিয়ে ঢলে না পড়ে এবং এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বপ্রকার জন্তু। আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছি, অতঃপর তাতে উদগত করেছি সর্বপ্রকার কল্যাণকর উদ্ভিদরাজি।
সূরা: Luqmān - আয়াত: 10  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 411
(72) আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এই আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহণ করল। নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 72  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 427
(10) আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং হে পক্ষী সকল, তোমরাও। আমি তাঁর জন্য লৌহকে নরম করে ছিলাম।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 10  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 429
(27) তুমি কি দেখনি আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টিবর্ষণ করেন, অতঃপর তদ্দ্বারা আমি বিভিন্ন বর্ণের ফল-মূল উদগত করি। পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বর্ণের গিরিপথ-সাদা, লাল ও নিকষ কালো কৃষ্ণ।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 27  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 437
(18) আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত;
(19) আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তাঁর প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।
সূরা: Ṣād - আয়াত: 18-19 - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 454
(10) তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 10  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 477
(10) এবং পর্বতমালা হবে চলমান,
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 10  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 523
(5) এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।
(6) অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 5-6 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(14) এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 14  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(9) এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 9  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(14) যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ।
সূরা: Al-Muzzammil - আয়াত: 14  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 574
(10) যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 10  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(27) আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 27  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(7) এবং পর্বতমালাকে পেরেক?
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 7  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(20) এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 20  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(32) পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 32  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 584
(3) যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,
সূরা: At-Takwīr - আয়াত: 3  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 586
(19) এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে?
সূরা: Al-Ghāshiyah - আয়াত: 19  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 592
(5) এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।
সূরা: Al-Qāri‘ah - আয়াত: 5  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 600


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers