কোরান সূরা যুখরুফ আয়াত 11 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Zukhruf ayat 11 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা যুখরুফ আয়াত 11 আরবি পাঠে(Zukhruf).
  
   

﴿وَالَّذِي نَزَّلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً بِقَدَرٍ فَأَنشَرْنَا بِهِ بَلْدَةً مَّيْتًا ۚ كَذَٰلِكَ تُخْرَجُونَ﴾
[ الزخرف: 11]

এবং যিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন পরিমিত। আতঃপর তদ্দ্বারা আমি মৃত ভূ-ভাগকে পুনরুজ্জীবিত করেছি। তোমরা এমনিভাবে উত্থিত হবে। [সূরা যুখরুফ: 11]

Surah Az-Zukhruf in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Zukhruf ayat 11


আর যিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন পরিমাপ মতো, তারপর তা দিয়ে আমরা প্রাণবন্ত করি মৃত দেশকে, এইভাবেই তোমাদের পুনরুত্থিত করা হবে।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১১. যিনি তোমাদের উদ্দেশ্যে তোমাদের পশুপক্ষি ও কৃষি ক্ষেতের জন্য পর্যাপ্ত পানি অবতীর্ণ করেছেন। এর সাহায্যে আমি তৃণলতা বিহীন শুষ্ক নগরীকে সজীব করি। আল্লাহ যেভাবে খরাগ্রস্ত যমীনকে উদ্ভিদের সাহয্যে সবুজায়ন করেন ঠিক তদ্রƒপ তিনি তোমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করবেন।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


যিনি আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন পরিমিতভাবে[১] অতঃপর তা দিয়ে আমি সঞ্জীবিত করি নির্জীব ভূখন্ডকে। এভাবেই তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে। [২] [১] অর্থাৎ, যতটায় তোমাদের প্রয়োজন পূরণ হয়। কারণ, প্রয়োজনের কম বৃষ্টি হলে তা তোমাদের জন্য ফলপ্রসূ হত না এবং বেশী হলে তা বন্যায় পরিণত হবে, যাতে তোমাদের ডুবে যাওয়ার ও ধ্বংস হওয়ার ভয় আছে। [২] অর্থাৎ, যেভাবে বৃষ্টির পানিতে মৃত ভূমি সজীব হয়ে ওঠে, অনুরূপ কিয়ামতের দিন তোমাদেরকেও জীবিত করে কবর থেকে বের করা হবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর যিনি আসমান থেকে বারি বর্ষণ করেন পরিমিতভাবে []। অতঃপর তা দ্বারা আমরা সঞ্জীবিত করি নির্জীব জনপদকে। এভাবেই তোমাদেরকে বের করা হবে। [] অর্থাৎ প্রত্যেক অঞ্চলের জন্য বৃষ্টির একটা গড় পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন যা দীর্ঘকাল প্রতি বছর একই ভাবে চলতে থাকে। এ ক্ষেত্রে এমন কোন অনিয়ম নেই যে কখনো বছরে দুই ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হবে আবার কখননো দু’ইশ ইঞ্চি হবে। তাছাড়াও তিনি বিভিন্ন মওসুমের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টিকে বিক্ষিপ্ত করে এমনভাবে বর্ষণ করেন সাধারণত তা ব্যাপক মাত্রায় ভূমির উৎপাদন ক্ষমতার জন্য উপকারী হয়। এটাও তাঁর জ্ঞান ও কৌশলেরই অংশ যে, তিনি ভূ-পৃষ্ঠের কিছু অংশকে প্রায় পুরোপুরিই বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত করে পানি ও লতাগুল্ম শূন্য মরুভূমি বানিয়ে দিয়েছেন এবং অপর কিছু অঞ্চলে কখনো দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেন আবার কখনো ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বর্ষন করেন। [ দেখুন, তাবারী ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৯-১৪ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় নবী ( সঃ )-কে বলেনঃ হে মুহাম্মাদ ( সঃ )! তুমি যদি এই মুশরিকদেরকে জিজ্ঞেস কর যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন? তবে অবশ্যই তারা উত্তরে বলবে যে, পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহই এগুলো সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তারা তাঁর একত্বকে স্বীকার করে নেয়া সত্ত্বেও তার সাথে ইবাদতে অন্যদেরকেও শরীক করছে।মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা এবং ওতে করেছি তোমাদের চলার পথ যাতে তোমরা সঠিক পথে চলতে পার। অর্থাৎ যমীনকে আমি স্থির ও মযবুত বানিয়েছি, যাতে তোমরা এর উপর উঠা-বসা ও চলা-ফেরা করতে পার এবং শুতে ও জাগতে পার। অথচ স্বয়ং এ যমীন পানির উপর রয়েছে, কিন্তু মযবূত পর্বতমালা এতে স্থাপন করে দিয়ে একে হেলা-দোলা ও নড়াচড়া করা হতে মুক্ত রাখা হয়েছে। এতে রাস্তা বানিয়ে দেয়া হয়েছে যাতে তোমরা এক শহর হতে অন্য শহরে এবং এক দেশ হতে অন্য দেশে গমনাগমন করতে পার। তিনি আকাশ হতে এমন পরিমিত পরিমাণে বৃষ্টি বর্ষণ করেন যে, তা জমির জন্যে যথেষ্ট হয়। এর ফলে ভূমি শস্য-শ্যামল হয়ে ওঠে। এই পানি মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তু পানও করে থাকে। এই বৃষ্টির দ্বারা মৃত ও শুষ্ক জমিকে সজীব করে তোলা হয়। শুষ্কতা সিক্ততায় পরিবর্তিত হয়। জঙ্গল ও মাঠ-ময়দান সবুজ-শ্যামল হয়ে ওঠে এবং গাছপালা ফুলে ফলে পূর্ণ হয়ে যায়। বিভিন্ন প্রকারের সুন্দর ও সুস্বাদু ফল-মূল উৎপন্ন হয়। এটাকেই আল্লাহ তা'আলা মৃতকে পুনর্জীবিত করার দলীল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ ‘এই ভাবেই তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে।'মহান আল্লাহ বলেনঃ “ তিনি যুগলসমূহের প্রত্যেককে সৃষ্টি করেছেন । তিনি শস্য, ফলমূল, শাক-সবজী ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকারের জিনিস সৃষ্টি করেছেন। মানুষের উপকারের জন্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন নানা প্রকারের জীবজন্তু। সামুদ্রিক সফরের জন্যে তিনি নৌযানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এবং স্থল ভাগের সফরের জন্যে তিনি সরবরাহ করেছেন চতুষ্পদ জন্তু। এগুলোর মধ্যে মানুষ কতকগুলোর গোত ভক্ষণ করে থাকে এবং কতকগুলো তাদেরকে দুধ দিয়ে থাকে। আর কতকগুলো তাদের সওয়ারীর কাজে ব্যবহৃত হয়। তারা ঐগুলোর উপর তাদের বোঝা চাপিয়ে দেয় এবং নিজেরাও সওয়ার হয়। তাই মহান আল্লাহ বলেনঃ “ তোমাদের উচিত যে, সওয়ার হওয়ার পর আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশার্থে বলবেঃ পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি এদেরকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না এদেরকে বশীভূত করতে । আর আমরা ( মৃত্যুর পর ) আমাদের প্রতিপালকের নিকট অবশ্যই প্রত্যাবর্তন করবো। এই আগমন ও প্রস্থান এবং এই সংক্ষিপ্ত সফরের মাধ্যমে আখিরাতের সফরকে স্মরণ কর।” যেমন দুনিয়ার পাথেয়ের বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ তা'আলা আখিরাতের পাথেয়ের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করে বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ তোমরা পাথেয় গ্রহণ কর, তবে আখিরাতের পাথেয়ই হলো উত্তম পাথেয় ।( ২:১৯৭ ) অনুরূপভাবে পার্থিব পোশাকের বর্ণনা দেয়ার পর পারলৌকিক পোশাকের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করে বলেনঃ “ তাকওয়ার পোশাকই হলো উত্তম পোশাক ।” সওয়ারীর উপর সওয়ার হওয়ার সময় দু'আ পাঠের হাদীসসমূহঃআমীরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালিব ( রাঃ )-এর হাদীসঃ হযরত আলী ইবনে রাবীআহ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি হযরত আলী ( রাঃ )-কে তাঁর সওয়ারীর উপর সওয়ার হওয়ার সময় পা-দানীতে পা রাখা অবস্থাতেই ( আরবী ) পড়তে শুনেছেন। যখন ঠিকভাবে সওয়ার হয়ে যান তখন পাঠ করেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই প্রাপ্য, পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি এটাকে আমাদের বশীভূত করেছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না একে বশীভূত করতে । আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট অবশ্যই প্রত্যাবর্তন করবো।” অতঃপর তিনি তিনবার ( আরবী ) এবং তিন বার ( আরবী ) বলেন। তারপর পাঠ করেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আপনি ছাড়া কোন মা'বুদ নেই, আমি আমার উপর যুলুম করেছি, সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন । তারপর তিনি হেসে উঠেন। হযরত আলী ইবনে রাবীআহ ( রাঃ ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “ হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি হাসলেন কেন?” তিনি উত্তরে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে এই প্রশ্নই করেছিলাম । তিনি জবাবে বলেছিলেন, আল্লাহ তা'আলা যখন স্বীয় বান্দার মুখে ( আরবী ) ( হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন! ) শুনতে পান তখন তিনি অত্যন্ত খুশী হন এবং বলেনঃ “ আমার বান্দা জানে যে, আমি ছাড়া আর কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না ।( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু দাঊদ ( রঃ ), ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) এবং ইমাম নাসাঈও ( রঃ ) এটা বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী ( রঃ ) এটাকে হাসান সহীহ বলেছেন)হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তাঁকে তাঁর সওয়ারীর পিছনে বসিয়ে নেন। ঠিকঠাকভাবে বসে যাওয়ার পর রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তিনবার তিনবার এবং তিনবার পাঠ করেন। অতঃপর একবার পড়েন। তারপর সওয়ারীর উপর চিত হয়ে শয়নের মত হন এবং এরপর হেসে ওঠেন। অতঃপর তিনি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রাঃ )-এর দিকে মুখ ফিরিয়ে বলেনঃ “ যে ব্যক্তি কোন জানোয়ারের উপর সওয়ার হয়ে আমি যেমন করলাম এরূপ করে, তখন মহামহিমান্বিত আল্লাহ তার প্রতি মনোযোগী হয়ে এই ভাবে হেসে ওঠেন যেভাবে আমি তোমার দিকে তাকিয়ে হেসে উঠলাম । ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার ( রাঃ ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) যখনই স্বীয় সওয়ারীর উপর আরোহণ করতেন তখনই তিনি তিনবার তাকবীর পাঠ করে কুরআন কারীমের ( আরবী ) হতে ( আরবী ) পর্যন্ত আয়াত দু’টি পাঠ করতেন। অতঃপর বলতেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ হে আল্লাহ! আমি আমার এই সফরে আপনার নিকট কল্যাণ ও তাকওয়া প্রার্থনা করছি এবং ঐ আমল কামনা করছি যাতে আপনি সন্তুষ্ট । হে আল্লাহ! আমাদের উপর সফরকে হালকা করে দিন এবং আমাদের জন্যে দূরত্বকে জড়িয়ে নিন। হে আল্লাহ! আপনিই সফরে সাথী এবং পরিবার পরিজনের রক্ষক। হে আল্লাহ! আপনি সফরে আমাদের সাথী হয়ে যান এবং বাড়ীতে আমাদের পরিবার পরিজনের রক্ষক হয়ে যান। আর যখন তিনি সফর হতে বাড়ী অভিমুখে ফিরতেন তখন বলতেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী ইনশাআল্লাহ প্রতিপালকের ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী ।( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ), ইমাম মুসলিম ( রঃ ), ইমাম আবু দাউদ ( রঃ ) এবং ইমাম নাসাঈ ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু লাস খুযায়ী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) আমাদেরকে সাদকার একটি উট দান করেন যেন আমরা ওর উপর সওয়ার হয়ে হজ্বের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি। আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ ) ! আমরা তো এটা দেখতে পারি না যে, আপনি আমাদেরকে এর উপর সওয়ার করিয়ে দিবেন! তিনি তখন বললেনঃ “ জেনে রেখো যে, প্রত্যেক উটে উপর শয়তান থাকে । তোমরা যখন এর উপর সওয়ার হবে তখন আমি তোমাদেরকে যে নির্দেশ দিচ্ছি তাই করবে। প্রথমে আল্লাহর নাম স্মরণ করবে, তারপর একে নিজের খাদেম বানাবে। মনে রেখো যে, আল্লাহ তাআলাই সওয়ার করিয়ে থাকেন।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবূ লাস ( রাঃ )-এর নাম মুহাম্মাদ ইবনে আসওয়াদ ইবনে খালফ ( রাঃ ) মুসনাদের অন্য একটি হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ প্রত্যেক উটের পিঠের উপর শয়তান থাকে । সুতরাং যখন তোমরা ওর উপর সওয়ার হবে তখন আল্লাহর নাম নাও, অতঃপর প্রয়োজন সংক্ষেপ করো না বা প্রয়োজন পূরণে ত্রুটি করো না।"

সূরা যুখরুফ আয়াত 11 সূরা

والذي نـزل من السماء ماء بقدر فأنشرنا به بلدة ميتا كذلك تخرجون

سورة: الزخرف - آية: ( 11 )  - جزء: ( 25 )  -  صفحة: ( 490 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে
  2. তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং
  3. বস্তুতঃ এ ছিল এক মহানাদ। অতঃপর সঙ্গে সঙ্গে সবাই স্তদ্ধ হয়ে গেল।
  4. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
  5. আল্লাহর নিকট আসমান ও যমীনের কোন বিষয়ই গোপন নেই।
  6. আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে এবং তোমাদের উপর কোন
  7. তারা তো বলতঃ
  8. আর সে সময়ের কথা স্মরণ কর, যখন তোমার পালনকর্তা সংবাদ দিয়েছেন যে, অবশ্যই কেয়ামত দিবস
  9. এভাবেই আমি আপনার প্রতি কিতাব অবর্তীণ করেছি। অতঃপর যাদের কে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, তারা একে
  10. হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে ন্যায় সাক্ষ্যদানের ব্যাপারে অবিচল থাকবে এবং কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতার কারণে

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা যুখরুফ ডাউনলোড করুন:

সূরা Zukhruf mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Zukhruf শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত যুখরুফ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত যুখরুফ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত যুখরুফ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত যুখরুফ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত যুখরুফ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত যুখরুফ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত যুখরুফ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত যুখরুফ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত যুখরুফ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত যুখরুফ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত যুখরুফ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers