কোরান সূরা হাক্কা আয়াত 3 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al-Haqqah ayat 3 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা হাক্কা আয়াত 3 আরবি পাঠে(Al-Haqqah).
  
   

﴿وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحَاقَّةُ﴾
[ الحاقة: 3]

আপনি কি কিছু জানেন, সেই সুনিশ্চিত বিষয় কি? [সূরা হাক্কা: 3]

Surah Al-Haqqah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al-Haqqah ayat 3


আহা, কি দিয়ে তোমাকে বোঝানো যাবে নিশ্চিত-সত্যটা কি?


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩. আর আপনাকে কে জানাবে, অবধারিত বিষয়টি কী?

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


কিসে তোমাকে জানাল সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী? [১] [১] অর্থাৎ, কিসের মাধ্যমে তুমি এর পূর্ণ বাস্তবতা সম্পর্কে অবহিত হতে পার? উদ্দেশ্য এ জ্ঞানের অস্বীকৃতি জ্ঞাপন। অর্থাৎ, তোমার এ ব্যাপারে জ্ঞান নেই। কেননা, তুমি এখন তা না দেখেছ, আর না তার ভয়াবহতা পরিদর্শন করেছ। এ হল সৃষ্টিকুলের জ্ঞানের আওতা-বহির্ভূত। ( ফাতহুল ক্বাদীর ) কোন কোন আলেম বলেন, কুরআনে যে ব্যাপারেই অতীতকালের ক্রিয়াপদ وَمَآ أَدْرَاكَ ব্যবহার করে প্রশ্ন করা হয়েছে, তার উত্তর দিয়ে ব্যাখ্যা বর্ণনা করে দেওয়া হয়েছে। আর যে ব্যাপারে ভবিষ্যৎকালের ক্রিয়াপদ وَمَا يُدْريْكَ ব্যবহার করে প্রশ্ন করা হয়েছে, উত্তরের মাধ্যমে তার জ্ঞান বা ব্যাখ্যা মানুষকে জানানো হয়নি। ( ফাতহুল ক্বাদীর, আয়সারুত্ তাফাসীর )

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


আর কিসে আপনাকে জানাবে সে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী ?

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১-১২ নং আয়াতের তাফসীর ‘হাককাহ কিয়ামতের একটি নাম। আর এ নামের কারণ এই যে, জান্নাতে শান্তি দানের অঙ্গীকার এবং জাহান্নামে শাস্তি প্রদানের প্রতিজ্ঞার সত্যতা ও যথার্থতার দিন এটাই। এ জন্যেই এ দিনের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ হে নবী ( সঃ )! তুমি এই হাক্‌কাহর সঠিক অবস্থা অবগত নও।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ ঐ লোকদের বর্ণনা দিচ্ছেন যারা এই কিয়ামতকে অবিশ্বাস করার ফলে প্রতিফল প্রাপ্ত হয়েছিল। তিনি বলেনঃ সামূদ সম্প্রদায়ের অবস্থা দেখো, একদিকে ফেরেশতাদের প্রলয়ংকারী শব্দ আসে, আর অপরদিকে ভয়াবহ ভূমিকম্প শুরু হয়ে যায়, ফলে সব নীচ-উপর হয়ে যায়। সুতরাং হযরত কাতাদা ( রাঃ )-এর উক্তি অনুসারে ( আরবি ) শব্দের অর্থ হলো ভীষণ চীৎকার। আর হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, এর দ্বারা গুনাহ্ বা পাপ। উদ্দেশ্য। অর্থাৎ তারা পাপের কারণে ধ্বংস হয়ে যায়। হযরত রাবী' ইবনে আনাস ( রঃ ) হযরত ইবনে যায়েদ ( রঃ )-এর উক্তি এই যে, এর দ্বারা তাদের ঔদ্ধত্যপনা উদ্দেশ্য। ইবনে যায়েদ ( রঃ )-এর প্রমাণ হিসেবে কুরআন কারীমের নিম্নের আয়াতটি পেশ করেছেনঃ( আরবি ) অর্থাৎ “ সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা ও ঔদ্ধত্য বশতঃ অবিশ্বাস করেছিল ।( ৯১:১১ ) অর্থাৎ উষ্ট্ৰীকে কেটে ফেলেছিল। আর আ’দ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞাবায়ু দ্বারা। ঐ ঝঞা বায়ু কল্যাণ ও বরকত শূন্য ছিল এবং ফেরেশতাদের হস্ত দ্বারা বের করা হচ্ছিল। ওটা পর্যায়ক্রমে সাত রাত ও আট দিন ধরে প্রবাহিত হয়েছিল। এতে তাদের জন্যে অমঙ্গল ও ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই ছিল না। যেমন আল্লাহ্ তা'আলার উক্তিঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ অমঙ্গলজনক দিনগুলোতে ।" হযরত রাবী ( রঃ ) বলেন যে, এই ঝঞা বায়ু শুক্রবার হতে বইতে শুরু করে। কারো কারো মতে বুধবার হতে শুরু হয়। আরবরা এই বায়ুকে ( আরবি ) এ জন্যেও বলে থাকে যে, কুরআন কারীমে বলা হয়েছেঃ আ'দ সম্প্রদায়ের অবস্থা সারশূন্য বিক্ষিপ্ত খর্জুর কাণ্ডের ন্যায় হয়ে যায়। দ্বিতীয় কারণ এটাও যে, সাধারণতঃ এই বায়ু শীতের শেষে প্রবাহিত হয়ে থাকে। আর ( আরবি ) বলা হয় শেষকে। এ কারণও বর্ণনা করা হয়েছে যে, আ'দ সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা মহিলা একটি গুহায় ঢুকে পড়ে এবং অষ্টম দিবসে এই ঝঞা বায়ু তাকে ধ্বংস করে দেয়। এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। ( আরবি ) শব্দের অর্থ হলো খারাপ, সড়া ও ফাঁপা বা সারশূন্য। ভাবার্থ এই যে, এ ঝঞাবায়ু তাদেরকে উপরে উঠিয়ে নিয়ে নীচে ফেলে দেয়। তাদের মস্তক ফেটে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। আর দেহের বাকী অংশ এরূপ হয়ে যায় যে, তা যেন সারশূন্য খর্জুর-খাণ্ড। সহীহ্ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ( সঃ ) বলেছেনঃ “ আমাকে ‘সাবা' অর্থাৎ পূবালী বাতাস দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, আর আ’দ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে পশ্চিমা বাতাস দ্বারী”মুসনাদে ইবনে আবী হাতিমে হযরত ইবনে উমার ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে। যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ আ'দ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার জন্যে বায়ুর ভাণ্ডারের মধ্য হতে শুধুমাত্র আংটি পরিমাণ স্থান খুলে দেয়া হয়, যেখান দিয়ে বাতাস বের হতে থাকে । প্রথমে ঐ বায়ু গ্রাম ও পল্লীর উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং গ্রামবাসী ছোট, বড়, নারী, পুরুষ সবর্কে তাদের মালধন ও জীব-জন্তুসহ উঠিয়ে নিয়ে আসমান ও যমীনের মধ্যস্থলে লটকিয়ে দেয়। এগুলো খুবই উঁচুতে ছিল বলে শহরবাসীদের কাছে কালো রঙএর মেঘ বলে মনে হয়। তারা খুবই খুশী হয় এই মনে করে যে, অত্যাধিক গরমের কারণে তাদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে গেছে, সুতরাং এই মেঘ হতে পানি বর্ষিত হলে তারা শান্তি লাভ করবে। ইতিমধ্যে আল্লাহ্ পাকের হুকুমে বাতাস ঐগুলোকে শহরবাসীর উপর নিক্ষেপ করে এবং তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যায়।” হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) বলেন যে, ঐ বাতাসের পালক এবং লেজ ছিল। মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ এরপর বলেনঃ বলতো, এরপর তাদের কাউকেও তুমি বিদ্যমান দেখতে পাও কি? অর্থাৎ তাদের কেউই মুক্তি পায়নি, বরং সবাই ধ্বংস হয়ে গেছে। মহান আল্লাহ বলেনঃ ফিরাউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং লূত সম্প্রদায় পাপাচারে লিপ্ত ছিল। তারা তাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দিলেন- কঠোর শাস্তি।( আরবি )-এর দ্বিতীয় কিরআত ( আরবি ) ও রয়েছে অর্থাৎ ( আরবি )-এর নীচে যের দিয়েও পড়া হয়েছে। তখন অর্থ হবেঃ ফিরাউন এবং তার পাশের ও তার যুগের তার অনুসারী কাফির কিবতী সবাই। ( আরবি ) দ্বারা রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী পূর্ববর্তী উম্মতদেরকে বুঝানো হয়েছে।( আরবি )-এর অর্থ হলো অবাধ্যতা ও অপরাধ। সুতরাং অর্থ হলোঃ তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ যুগের রাসূলকে অবিশ্বাস করেছিল। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ তারা সবাই রাসূলদেরকে অবিশ্বাস করে, ফলে তাদের উপর শাস্তি এসে পড়ে ।( ৫০:১৪ ) এটাও স্মরণ রাখার বিষয় যে, একজন নবীকে অস্বীকার করার অর্থ সমস্ত নবীকেই অস্বীকার করা। যেমন আল্লাহ্ পাক বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ নূহ ( আঃ )-এর সম্প্রদায় রাসূলদেরকে অবিশ্বাস করেছিল ।( ২৬:১০৫ ) ( আরবি ) অর্থাৎ “ আ'দ সম্প্রদায় রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল ।( ২৬:১২৩ ) ( আরবি ) অর্থাৎ “ সামূদ সম্প্রদায় রাসূলদেরকে অবিশ্বাস করেছিল ।( ২৬:১৪১ ) অথচ সকলের নিকট অর্থাৎ প্রত্যেক উম্মতের নিকট একজন রাসূলই এসেছিলেন।এখানেও অর্থ এটাই যে, তারা তাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করেছিল। ফলে আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে কঠিনভাবে পাকড়াও করেছিলেন এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিয়েছিলেন। এরপর মহা প্রতাপান্বিত আল্লাহ্ স্বীয় অনুগ্রহের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেনঃ দেখো, যখন নূহ ( আঃ )-এর দু'আর কারণে ভূ-পৃষ্ঠে তূফান আসলো ও পানি সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে চতুর্দিক প্লাবিত করলো এবং আশ্রয় লাভের কোন স্থান থাকলো না তখন আমি নূহ ( আঃ ) ও তার অনুসারীদেরকে নৌযানে আরোহণ করালাম।হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন যে, যখন হযরত নূহ ( আঃ )-এর সম্প্রদায় তাকে অবিশ্বাস করলো, বিরোধিতা শুরু করলো এবং উৎপীড়ন করতে লাগলো তখন অতিষ্ঠ হয়ে তাদের ধ্বংসের জন্যে প্রার্থনা করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রার্থনা কবূল করলেন এবং ভয়াবহ তুফান নাযিল করলেন। হযরত নূহ ( আঃ ) এবং যারা তাঁর নৌযানে আরোহণ করেছিল তারা ছাড়া ভূপৃষ্ঠের একটি লোকও বাঁচেনি, সবাই পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। সুতরাং এখনকার সমস্ত মানুষ হযরত নূহ ( আঃ )-এর বংশধর এবং তাঁর সন্তানদেরই অন্তর্ভুক্ত। হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন যে, পানির এক একটি ফোঁটা আল্লাহ্ তা'আলার অনুমতিক্রমে পানির রক্ষক ফেরেশতার মাপের মাধ্যমে বর্ষিত হয়। অনুরূপভাবে বাতাসের একটা হালকা প্রবাহও বিনা মাপে প্রবাহিত হয় না। কিন্তু আ’দ সম্প্রদায়ের উপর দিয়ে যে বাতাস প্রবাহিত হয়েছিল এবং হযরত নূহ ( আঃ )-এর কওমের উপর যে পানি বর্ষিত ও উথিত হয়েছিল তা বিনা মাপেই ছিল। আল্লাহ্‌ নির্দেশক্রমে পানি ও বাতাস এতো জোরে চলেছিল যে, রক্ষক ফেরেশতাদের তা আওতার বাইরে ছিল। এ জন্যই আল্লাহ তা'আলা নিজের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুগ্রহের কথা স্মরণ করাতে গিয়ে বলেনঃ( আরবি ) অর্থাৎ যখন জলোচ্ছাস হয়েছিল তখন আমি তোমাদেরকে অর্থাৎ ( পূর্ব পুরুষদেরকে ) আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে। যাতে এ নৌযান তোমাদের জন্যে একটা নমুনারূপে থেকে যায় এবং শ্রুতিধর কর্ণ এটা সংরক্ষণ করে। আজও তোমরা ঐ রকমই নৌযানে আরোহণ করে সমুদ্রের লম্বা-চওড়া সফর করে থাকো। যেমন আল্লাহ পাক অন্য জায়গায় বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ আমি তোমাদের আরোহণের জন্যে নৌকা ও চতুষ্পদ জন্তু বানিয়েছি, যাতে তোমরা ওগুলোর উপর আরোহণ করে তোমাদের প্রতিপালকের নিয়ামত স্মরণ করতে পারো ।( ৪৩:১২-১৩ ) আর এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ তাদের জন্যে এক নিদর্শন এই যে, আমি তাদের বংশধরদেরকে বোঝাই নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম এবং তাদের জন্যে অনুরূপ যানবাহন সৃষ্টি করেছি যাতে তারা আরোহণ করে ।( ৩৬:৪১-৪২ )হযরত কাতাদাহ্ ( রঃ ) উপরের এ আয়াতের এ ভাবার্থও বর্ণনা করেছেন যে, হযরত নূহ ( আঃ )-এর ঐ নৌযানটিই বাকী ছিল, যেটাকে এই উম্মতের পূর্ববর্তী লোকেরাও দেখেছিল। কিন্তু সঠিক ভাবার্থ প্রথমটিই বটে।মহান আল্লাহ বলেন যে, আমি এটা করেছিলাম তোমাদের শিক্ষার জন্যে এবং এই জন্যে যে, শ্রুতিধর কর্ণ এটা সংরক্ষণ করে। অর্থাৎ তারা যেন এই নিয়ামতকে ভুলে না যায়। অর্থাৎ যাদের সঠিক বোধ ও স্থির জ্ঞান রয়েছে, যারা আল্লাহর কথা ও তাঁর নিয়ামতের প্রতি বেপরোয়া ভাব প্রকাশ করে না, তাদের উপদেশ ও শিক্ষার এটাও একটা মাধ্যম হয়ে গেল।মুসনাদে ইবনে আবী হাতিমে বর্ণিত আছে যে, হযরত মাকহুল ( রঃ ) বলেনঃ যখন এ শব্দগুলো অবতীর্ণ হয় তখন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “ আমি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা করেছি যে, তিনি যেন হযরত আলী ( রাঃ )-কে এরূপও করে দেন । হযরত আলী ( রাঃ ) বলতেনঃ “ এরপর থেকে রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর নিকট হতে কিছু শ্রবণ করার পর আমি তা ভুলিনি ।( এটা ইমাম ইবনে জারীর (রঃ )-ও বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটা মুরসাল)মুসনাদে ইবনে আবি হাতিমে হ্যরত বুরাইদাহ্ আসলামী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) হযরত আলী ( রাঃ )-কে বলেনঃ “ আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, আমি যেন তোমাকে নিকটে রাখি, দূরে না রাখি, তোমাকে শিক্ষাদান করি ও তুমি তা মুখস্থ রাখে এবং মুখস্থ রাখা তোমার জন্যে উচিতও বটে ।” তখন ( আরবি ) ( শ্রুতিধর কর্ণ এটা সংরক্ষণ করে ) এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। ( এ রিওয়াইয়াটি অন্য সনদেও ইমাম ইবনে জারীর (রঃ ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটাও সঠক নয়)

সূরা হাক্কা আয়াত 3 সূরা

وما أدراك ما الحاقة

سورة: الحاقة - آية: ( 3 )  - جزء: ( 29 )  -  صفحة: ( 566 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত।
  2. আর যে স্থান থেকে তুমি বের হও, নিজের মুখ মসজিদে হারামের দিকে ফেরাও-নিঃসন্দেহে এটাই হলো
  3. তাদের পূর্বে আমি কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি। আপনি কি তাদের কাহারও সাড়া পান, অথবা তাদের
  4. মরিয়ম-তনয় মসীহ রসূল ছাড়া আর কিছু নন। তাঁর পূর্বে অনেক রসূল অতিক্রান্ত হয়েছেন আর তার
  5. এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।
  6. যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
  7. যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে,
  8. আল্লাহ আরেকটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন, দু’ব্যক্তির, একজন বোবা কোন কাজ করতে পারে না। সে মালিকের
  9. অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
  10. আর যারা কাফের এবং আমার আয়াতসমূহ ও পরকালের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলছে, তাদেরকেই আযাবের মধ্যে উপস্থিত

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা হাক্কা ডাউনলোড করুন:

সূরা Al-Haqqah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al-Haqqah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত হাক্কা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত হাক্কা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত হাক্কা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত হাক্কা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত হাক্কা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত হাক্কা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত হাক্কা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত হাক্কা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত হাক্কা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত হাক্কা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত হাক্কা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত হাক্কা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত হাক্কা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত হাক্কা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত হাক্কা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers