কোরান সূরা রা'দ আয়াত 34 তাফসীর
﴿لَّهُمْ عَذَابٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَشَقُّ ۖ وَمَا لَهُم مِّنَ اللَّهِ مِن وَاقٍ﴾
[ الرعد: 34]
দুনিয়ার জীবনেই এদের জন্য রয়েছে আযাব এবং অতি অবশ্য আখেরাতের জীবন কঠোরতম। আল্লাহর কবল থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই। [সূরা রা'দ: 34]
Surah Ar-Rad in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Raad ayat 34
তাদের জন্য শাস্তি রয়েছে এই দুনিয়ার জীবনেই, আর পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর, আর তাদের জন্য আল্লাহ্র বিরুদ্ধে কোনো রক্ষাকারী নেই।
Tafsir Mokhtasar Bangla
৩৪. তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে মু’মিনদের হাতে হত্যা ও বন্দী করার মাধ্যমে শাস্তি রয়েছে। তবে অপেক্ষমাণ পরকালের শাস্তি তাদের জন্য দুনিয়ার আযাবের চেয়ে অনেক কঠিন ও ভয়াবহ। কারণ, তাতে বিভীষিকা ও অবিচ্ছিন্নতা রয়েছে। তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহর শাস্তি থেকে তাদেরকে রক্ষা করবে।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
তাদের জন্য পার্থিব জীবনে আছে শাস্তি[১] এবং পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর।[২] আর আল্লাহর ( শাস্তি ) হতে রক্ষাকর্তা তাদের কেউ নেই। [১] এর অর্থ হত্যা ও বন্দিদশা, যা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় এই কাফেরদের ভাগে আসে। [২] যেমন নবী ( সাঃ ) লিআনকারী ও লিআনকারিণীকে বলেছিলেন, " দুনিয়ার শাস্তি আখেরাতের শাস্তির তুলনায় হাল্কা ও সহজ। " ( মুসলিম, কিতাবুল লিআন, লিআনের সংজ্ঞা জানতে সূরা নূর ২৪:৭নং আয়াতের টীকা দ্রঃ ) এ ছাড়া দুনিয়ার শাস্তি ( যেমনই হোক এবং যতই হোক তা কাফেরদের জন্য ) সাময়িক ও অস্থায়ী এবং আখেরাতের শাস্তি চিরস্থায়ী, যা শেষ হবে না। তাছাড়া জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুনের তুলনায় ঊনসত্তর গুণ বেশি তীব্র। অনুরূপ অন্য কিছুও রয়েছে। সুতরাং শাস্তির কঠিন হওয়ার ব্যাপারে কি সন্দেহ থাকতে পারে?
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে আছে শাস্তি এবং আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠোর! আর আল্লাহ্র শাস্তি থেকে রক্ষা করার মত তাদের কেউ নেই [ ১ ]। [ ১ ] আল্লাহ্ তা’আলা কাফেরদের জন্য দুনিয়াতে যে শাস্তি রেখেছেন তার থেকে আখেরাতের শাস্তি যে কত ভয়াবহ এখানে সে কথাই তুলে ধরেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও লি’আনকারী পুরুষ ও মহিলাকে আখেরাতের শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, “অবশ্যই দুনিয়ার আযাব আখেরাতের আযাবের চেয়ে অনেক সহজ” [ মুসলিমঃ ১৪৯৩ ] কারণ, দুনিয়ার আযাব যত দীর্ঘ সময়ই হোক না কেন তা তো লোকের মৃত্যুর সাথে সাথে বা দুনিয়ার শেষদিনটির সাথে সাথে শেষ হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে আখেরাতের আযাব কোন দিন শেষ হবার নয়, তা চিরস্থায়ী। আবার তার পরিমাণও অনেক বেশী। যার বর্ণনা আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনের অন্যত্র করেছেন। [ দেখুন, সূরা আল-ফাজরঃ ২৫-২৬, সূরা আল-ফুরকানঃ ১১-১৫ ]
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
৩৪-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআ’লা কাফিরদের শাস্তি এবং সৎলোকদের পুরস্কারের বর্ণনা দিচ্ছেন। তিনি কাফিরদের কুফরী ও শিরকের বর্ণনা দেয়ার পর তাদের শাস্তির বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তারা মুমিনমু’মিনদের হাতে নিহত ও ধ্বংস হবে। এর সাথে সাথেই তারা আখেরাতের কঠিন শাস্তিতে গ্রেফতার হবে, যা তাদের দুনিয়ার শাস্তি অপেক্ষা বহুগুণে কঠিন। পরস্পর লা'নতকারী স্বামী স্ত্রীকে যেমন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছিলেনঃ “ নিশ্চয় দুনিয়ার শাস্তি আখেরাতের শাস্তির তুলনায় খুবই সহজ ।” ওটা ঐরূপ যেমন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ এখানকার অর্থাৎ দুনিয়ার শাস্তি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের শাস্তি চিরস্থায়ী এবং তথাকার আগুনের তেজ এখানকার আগুন অপেক্ষা সত্তর গুণ বেশী এবং তথাকার পাকড়াও ও বন্ধন এতো শক্ত যা কল্পনা করা যায় না । যেমন আল্লাহ তাআ’লা বলেছেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ সেই দিন তাঁর শাস্তির শাস্তি কেউ দিতে পারবে না । এবং বন্ধনের মত বন্ধন কেউ করতে পারবে না।” ( ৮৯: ২৫-২৬ ) আল্লাহ তাআ’লা আর এক জায়গায় বলেছেনঃ “ যারা কিয়ামতকে অস্বীকার করে তাদের জন্যে আমি প্রস্তুত রেখেছি জ্বলন্ত অগ্নি । দূর হতে অগ্নি যখন তাদেরকে দেখবে তখন তারা শুনতে পাবে ওর ক্রুদ্ধ গর্জন ও চীৎকার। আর যখন তাদেরকে শৃংখলিত অবস্থায় নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা তথায় ধ্বংস কামনা করবে। তাদেরকে বলা হবেঃ আজ তোমরা একবারের জন্যে ধ্বংস কামনা করো না, বহুবার ধ্বংস হবার কামনা করতে থাকো। তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ এটাই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদেরকে? এটাই তো তাদের পুরস্কার ও প্রত্যাবর্তন স্থল।” এরপর পূণ্যবান লোকদের পরিণামের বর্ণনা দেয়া হচ্ছেঃ যাদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার একটি গুণ তো এই যে, তার চারদিকে নদী প্রবাহিত হচ্ছে। তারা যেখান থেকে ইচ্ছা পানি নিয়ে যাবে। সেই পানি নষ্ট হবে না। আবার সেখানে দুধের নহর রয়েছে। দুধও এমন যে, যার স্বাদ কখনো নষ্ট হবে না। সেখানে সূরার নহরও রয়েছে। এতে শুধু সুস্বাদই রয়েছে। এটা কখনো বিস্বাদ হবেনা এবং এতে কখনো নেশাও ধরবে না। তথায় স্বচ্ছ মধুর নহরও রয়েছে এবং সেখানে সর্বপ্রকারের ফলমূল রয়েছে। এবং এর সাথে সাথে রয়েছে প্রতিপালকের করুণা এবং তার ক্ষমা। তথাকার ফল চিরস্থায়ী সেখানকার খাদ্য ও পানীয় কখনো শেষ হবার নয়।হযরত ইবনু আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) কসূফের ( সূর্যগ্রহণের ) নামায পড়ছিলেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আমরা আপনাকে দেখলাম যে, আপনি যেন কোন জিনিষ পাবার ইচ্ছা করেছিলেন । তারপর আমরা দেখলাম যে, আপনি পশ্চাদপদে পিছনে সরতে লাগলেন, এর কারণ কি?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “ হ্যাঁ, আমি জান্নাত দেখেছিলাম এবং একটা ( ফলের ) গুচ্ছ ভেঙ্গে নেয়ার ইচ্ছা করেছিলাম । যদি আমি তা নিতাম তবে যতদিন এ দুনিয়া থাকতো ততদিন তা থাকতো এবং তোমরা তা খেতে থাকতে।” ( এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে )হযরত জাবির ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “ একদা আমরা যুহরের নামাযে রাসূলুল্লাহর ( সঃ ) সাথে ছিলাম । হঠাৎ তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন, তখন আমরাও এগিয়ে গেলাম। অতঃপর আমরা দেখলাম যে, তিনি যেন কোন জিনিষ নেয়ার ইচ্ছা করলেন। আবার তিনি পিছনে সরে আসলেন। নামায শেষে হযরত উবাই ইবনু কা'ব ( রাঃ ) জিজ্ঞেস করলেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আজ আমরা আপনাকে এমন একটা কাজ করতে দেখলাম যা ইতিপূর্বে কখনো দেখি নাই ( এর কারণ কি? ) ।” তিনি উত্তরে বললেনঃ “ হ্যাঁ, আমার সামনে জান্নাতকে পেশ করা হয়েছিল, যা ছিল তরুতাজা ও সুগন্ধময় । আমি ওর মধ্য থেকে একগুচ্ছ আঙ্গুর ভেঙ্গে নেয়ার ইচ্ছা করেছিলাম। কিন্তু আমার ও ওর মধ্যে আড় করে দেয়া হয়। যদি আমি ওটা ভেঙ্গে আনতাম তবে দুনিয়া থাকা পর্যন্ত সারা দুনিয়াবাসী ওটা খেতো, অথচ ওটা কিছুই কমতো না।” ( এ হাদীসটি হা’ফিয আবু ইয়া’লা (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত উৎবা' ইবনু আবদিস সালামী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, একজন বেদুইন নবীকে ( সঃ ) জিজ্ঞেস করেঃ “ জান্নাতে আঙ্গুর থাকবে কি?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “হ্যাঁ ।” সে পুনরায় জিজ্ঞেস করেঃ “ ওর গুচ্ছ কত বড় হবে?” জবাবে তিনি বলেনঃ “এতো বড় যে, যদি কোন কালো কাক এক মাস ধরে ওর উপর দিয়ে উড়তে থাকে তবুও ওটা অতিক্রম করতে পারবে না ।” ( এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) হযরত সাওবান ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ জান্নাতবাসী যখন কোন ফল ভাঙ্গবে তখন আর একটি ফল ঐ স্থানে এসে লেগে যাবে ।” ( এ হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত জা’বির ইবনু আবদিল্লাহ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ জান্নাতবাসী খুব খাবে এবং পান করবে, কিন্তু তাদের থুথু আসবে না, নাকে শ্লেষ্ম আসবে না এবং প্রস্রাব ও পায়খানার প্রয়োজন হবে না । তাদের শরীর দিয়ে মিশক আম্বরের মত সুগন্ধময় ঘর্ম বের হবে এবং তাতেই খাদ্য হজম হয়ে যাবে। আর যেমন ভাবে শ্বাস প্রশ্বাস চলে, তেমনি ভাবে নফসের উপর তসবীহ পাঠ ও আল্লাহ তাআ’লার পবিত্রতা বর্ণনার ইলহাম করা হবে।” ( এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ ) স্বীয় সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)হযরত যায়েদ ইবনু আরকাম ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আহলে কিতাবের একজন লোক রাসূলুল্লাহর ( সঃ ) কাছে এসে বলেঃ “ হে আবুল কা’সিম ( সঃ )! আপনি কি বিশ্বাস করেন যে, জান্নাতবাসী খাবে ও পান করবে?” তিনি উত্তরে বলেনঃ “হ্যাঁ, যার হাতে মুহাম্মদের ( সঃ ) প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! এখানকার একশ’ জন লোকের পানাহার ও সহবাসের শক্তি সেখানকার একজন লোককে দেয়া হবে ।” সে তখন বলেঃ “ নিশ্চয় যে খাবে ও পান করবে তার তো পায়খানা ও প্রস্রাবের প্রয়োজন অবশ্যই হবে, অথচ জান্নাতে তো আবর্জনা ও মালিন্য থাকতে পারে না?” জবাবে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “না, বরং ঘর্মের মাধ্যমে সমস্ত হজম হয়ে যাবে এবং ঐ ঘর্মের সুগন্ধ মিশক আম্বরের মত ।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ ) ও ইমাম নাসায়ী ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “ আমাকে রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেনঃ “জান্নাতে যে পাখীর দিকে তুমি ( ওর গোশত খাবার ইচ্ছার ) দৃষ্টিপাত করবে তৎক্ষণাৎ ওটা ভাজা হয়ে তোমার সামনে চলে আসবে ।” কোন কোন রিওয়াইয়াতে আছে যে, আবার ঐ পাখী আল্লাহর হুকুমে অনুরূপভাবে জীবিত হয়ে উঠে যাবে।'আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “ ( জান্নাতে রয়েছে ) প্রচুর ফলমূল, যা শেষ হবে না ও নিষিদ্ধও হবে না ।” আর এক জায়গায় আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “ সন্নিহিত বৃক্ষ ছায়া তাদের উপর থাকবে এবং ওর ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করা হবে ।” অন্য এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ “ যারা ঈমান আনয়ন করে ও ভাল কাজ করে তাদেরকে দাখিল করবো এমন জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখানে তাদের জন্যে পবিত্র সঙ্গী থাকবে এবং তাদেরকে আমি চির স্নিগ্ধ ছায়ায় দাখিল করবো ।” ইতিপূর্বে সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে যে, জান্নাতের একটি গাছের ছায়াতলে দ্রুতগামী সওয়ারীর আরোহী এক শ' বছর পর্যন্ত চলতে থাকবে তথাপি ওর ছায়া শেষ হবে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) ( আরবি ) ( এবং সম্প্রসারিত ছায়া ) ( ৫৬: ৩০ ) কুরআন কারীমের এই অংশটুকু পাঠ করেন।কুরাআন কারীমে জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা এক সাথে এসেছে যাতে মানুষের মধ্যে জান্নাতের আগ্রহ ও জাহান্নামের ভয় জন্মে। এখানেও আল্লাহ তাআ’লা জান্নাত ও তথাকার কতকগুলি নিয়মতের বর্ণনা দেয়ার পর বলেছেন যে, এটা পরিণাম হচ্ছে খোদাভীরু লোকদের। পক্ষান্তরে কাফিরদের পরিণাম হচ্ছে জাহান্নাম। যেমন এক জায়গায় আল্লাহ তাআ’লা বলেছেনঃ “ জাহান্নামের অধিবাসী ও জান্নাতের অধিবাসী সমান নয়, জান্নাতবাসীরাই সফলকাম ।”দামেস্কের খুৎবা পাঠক হযরত বিলাল ইবনু সা'দ ( রঃ ) জনগণকে সম্বোধন করে বলেনঃ “ হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের কোন আমল কবুল হওয়া এবং কোন পাপ মোচন হয়ে যাওয়ার কোন সনদ তোমাদের কারো কাছে এসেছে কি? তোমরা কি ধারণা করেছে যে, তোমাদেরকে অযথা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তোমরা আল্লাহ তাআ’লার আয়ত্তের মধ্যে আসবে না ? আল্লাহর শপথ! তাঁর আনুগত্যের প্রতিদান যদি দুনিয়াতেই দিয়ে দেয়া হতো তবে তোমরা সবাই পুণ্য কাজের উপর একত্রিত হয়ে পড়তে । তোমরা কি দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে গেলে? তোমরা কি ওরই পিছনে পড়ে থাকবে? তোমাদের কি জান্নাত লাভের আগ্রহ হয় না, যার ফল এবং ছায়া চিরস্থায়ী?” ( এ হাদীসটি ইবনু আবি হাতিম (রঃ ) বর্ণনা করেছেন)
সূরা রা'দ আয়াত 34 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- তাদের পূর্ববর্তীরাও তাই বলত, অতঃপর তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন উপকারে আসেনি।
- এই হলো সে সবের বিনিময় যা তোমরা তোমাদের পূর্বে পাঠিয়েছ নিজের হাতে। বস্তুতঃ এটি এ
- এ কারণে যে, তারা দয়াময় আল্লাহর জন্যে সন্তান আহবান করে।
- আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে।
- প্রভাত আগমন কালের,
- তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে।
- তোমরা যে খয়রাত বা সদ্ব্যয় কর কিংবা কোন মানত কর, আল্লাহ নিশ্চয়ই সেসব কিছুই জানেন।
- আল্লাহ বলেন, হে নূহ! নিশ্চয় সে আপনার পরিবারভুক্ত নয়। নিশ্চই সে দুরাচার! সুতরাং আমার কাছে
- যে কেউ সৎকর্ম নিয়ে আসবে, সে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান পাবে এবং সেদিন তারা গুরুতর অস্থিরতা থেকে
- তিনিই প্রথম আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন,
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা রা'দ ডাউনলোড করুন:
সূরা Raad mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Raad শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



