কোরান সূরা হাক্কা আয়াত 39 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Al-Haqqah ayat 39 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা হাক্কা আয়াত 39 আরবি পাঠে(Al-Haqqah).
  
   

﴿وَمَا لَا تُبْصِرُونَ﴾
[ الحاقة: 39]

এবং যা তোমরা দেখ না, তার- [সূরা হাক্কা: 39]

Surah Al-Haqqah in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Al-Haqqah ayat 39


এবং যা তোমরা দেখছ না তারও, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৩৯. তিনি আরো শপথ করলেন সে সব বস্তুর যা তোমরা দেখো না।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


এবং যা তোমরা দেখতে পাও না। [১] [১] অর্থাৎ, আল্লাহর সৃষ্টি করা এমন সব জিনিস, যা মহান আল্লাহর অস্তিত্ব এবং তাঁর কুদরত তথা মহাশক্তিকে প্রমাণ করে। সেগুলো তোমরা দেখতে পাও বা না পাও, সেগুলোর শপথ! পরে আসছে শপথের জবাব।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৩৮-৪৩ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তা'আলা স্বীয় সৃষ্টবস্তুর মধ্য হতে তার ঐ সব নিদর্শনের শপথ করছেন যেগুলো মানুষ দেখতে পাচ্ছে এবং ঐগুলোরও কসম খাচ্ছেন যেগুলো মানুষের দৃষ্টির অন্তরালে রয়েছে। তিনি এর উপর শপথ করছেন যে, কুরআন কারীম তাঁর বাণী ও তাঁর ওহী, যা তিনি স্বীয় বান্দা ও রাসূল ( সঃ )-এর উপর অবতীর্ণ করেছেন, যাকে তিনি আমানত আদায় ও রিসালাতের প্রচারের জন্যে পছন্দ ও মনোনীত করেছেন। ( আরবি ) দ্বারা হযরত মুহাম্মাদ ( সঃ )-কে বুঝানো হয়েছে। এর সম্বন্ধ তার সাথে লাগানোর কারণ এই যে, এর প্রচারক ও উপস্থাপক তো তিনিই। এ জন্যে ( আরবি ) শব্দ আনয়ন করা হয়েছে। কেননা, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) তো তাঁর পয়গাম পৌঁছিয়ে থাকেন যিনি তাঁকে প্রেরণ করেছেন। ভাষা তাঁর হলেও উক্তি হলো তাঁকে যিনি প্রেরণ করেছেন তাঁর। এ কারণেই সূরা তাকভীরে এর সম্বন্ধ লাগানো হয়েছে ফেরেশতা-দূতের সাথে ( অর্থাৎ হযরত জিবরাঈলের আঃ ) সাথে। ঘোষিত হয়েছেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ নিশ্চয়ই এই কুরআন সম্মানিত বার্তাবহের আনীত বাণী । যে সামর্থশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদা সম্পন্ন, যাকে সেখানে মান্য করা হয় এবং যে বিশ্বাসভাজন।”( ৮১:১৯-২১ ) আর ইনি হলেন হযরত জিবরাঈল ( আঃ )। এ জন্যেই এর পরেই বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ তোমাদের সাথী ( হযরত মুহাম্মাদ (সঃ )) পাগল নয় ।( ৮১:২২ ) তারপর বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ অবশ্যই মুহাম্মাদ ( সঃ ) তাকে জিবরাঈলকে ( আঃ ) তার প্রকৃত আকৃতিতে স্পষ্ট প্রান্তে দেখেছে ।( ৮১:২৩ ) এরপর বলেনঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ সে অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে কৃপণ নয় ।( ৮১:২৪ ) ( আরবি ) অর্থাৎ “ এটা অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয় ।( ৮১:২৫ )অনুরূপভাবে এখানেও বলেনঃ “ এটা কোন কবির রচনা নয়, তোমরা অল্পই বিশ্বাস করে থাকে । এটা কোন গণকের কথাও নয়, তোমরা অল্পই অনুধাবন করে থাকো।” সুতরাং মহান আল্লাহ কোন কোন সময় নিজের বাণীর সম্বন্ধ লাগিয়েছেন মানব দূতের দিকে, আবার কখনো কখনো সম্বন্ধ লাগিয়েছেন ফেরেশতা দূতের দিকে। কেননা, তারা উভয়েই আল্লাহর বাণীর প্রচারক এবং তারা বিশ্বাস ভাজন। হ্যাঁ, তবে প্রকৃতপক্ষে বাণী কার? এটাও সাথে সাথে বর্ণনা করে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ এটা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে অবতীর্ণ ।” মুসনাদে আহমাদে হযরত উমার ইবনুল খাত্তাব ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ “ আমি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর উদ্দেশ্যে বের হই । দেখি যে, তিনি আমার পূর্বেই মসজিদে হারামে হাযির হয়ে গেছেন। আমি তার পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি সূরা হাককাহ পাঠ করতে শুরু করেন। কুরআনের অলংকারপূর্ণ ভাষা শুনে আমি মুগ্ধ হয়ে যাই। আমি মনে মনে বলি যে, কুরায়েশরা যে এঁকে কবি বলেছে তা সঠিকই বটে। আমার মনে এ খেয়াল জেগেই আছে, ইতিমধ্যে তিনি পাঠ করলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ নিশ্চয়ই এই কুরআন এক সম্মানিত রাসূলের বাহিত বার্তা । এটা কোন কবির রচনা নয়, তোমরা অল্পই বিশ্বাস করে থাকো।” তখন আমার মনে খেয়াল জাগলো যে, ইনি কবি না হলে অবশ্যই যাদুকর। তখন তিনি পাঠ করলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ এটা কোন যাদুকর বা গণকের কথাও নয়, তোমরা অল্পই অনুধাবন করে থাকো । এটা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে অবতীর্ণ। সে যদি আমার নামে কিছু রচনা করে চালাতে চেষ্টা করতো, তবে অবশ্যই আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম এবং কেটে দিতাম তার জীবন-ধমনী। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউই নেই, যে তাকে রক্ষা করতে পারে ( শেষ আয়াত পর্যন্ত )।” এটা ছিল প্রথম ঘটনা, যার ফলে ইসলাম আমার অন্তরে পূর্ণভাবে ঘর করে বসে এবং প্রতিটি লোমকূপে ওর সত্যতা প্রবেশ করে। সুতরাং যেসব কারণ হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব ( রাঃ )-কে সুপথ প্রদর্শনে ক্রিয়াশীল হয়েছিল তন্মধ্যে এটাও ছিল একটি বিশেষ কারণ। আমরা তাঁর ইসলাম গ্রহণের পূর্ণ ঘটনাটি ‘সীরাতে উমারফূ’ নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছিআল্লাহরই জন্যে সমস্ত প্রশংসা এবং আমরা তাঁর নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

সূরা হাক্কা আয়াত 39 সূরা

وما لا تبصرون

سورة: الحاقة - آية: ( 39 )  - جزء: ( 29 )  -  صفحة: ( 568 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর এবং ভয় কর এমন এক দিবসকে, যখন
  2. তারপর আমি পাকড়াও করেছি-ফেরাউনের অনুসারীদেরকে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে যাতে করে তারা
  3. যাদের সাথে তুমি চুক্তি করেছ তাদের মধ্য থেকে অতঃপর প্রতিবার তারা নিজেদের কৃতচুক্তি লংঘন করে
  4. তারা বললঃ মূসা আমাদের কাছে ফিরে আসা পর্যন্ত আমরা সদাসর্বদা এর সাথেই সংযুক্ত হয়ে বসে
  5. নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত-আকাশ।
  6. তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু-চক্রান্ত। তাদের
  7. তারা কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে না, যাতে দেখত তাদের পূর্বসুরিদের কি পরিণাম হয়েছে? তাদের শক্তি
  8. নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
  9. আমি ধ্বংস করেছি আদ, সামুদ, কপবাসী এবং তাদের মধ্যবর্তী অনেক সম্প্রদায়কে।
  10. আর আমি মূসাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি ত্রিশ রাত্রির এবং সেগুলোকে পূর্ন করেছি আরো দশ দ্বারা। বস্তুতঃ

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা হাক্কা ডাউনলোড করুন:

সূরা Al-Haqqah mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Al-Haqqah শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত হাক্কা  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত হাক্কা  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত হাক্কা  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত হাক্কা  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত হাক্কা  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত হাক্কা  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত হাক্কা  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত হাক্কা  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত হাক্কা  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত হাক্কা  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত হাক্কা  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত হাক্কা  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত হাক্কা  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত হাক্কা  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত হাক্কা  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত হাক্কা  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত হাক্কা  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত হাক্কা  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers