কোরান সূরা তূর আয়াত 41 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Tur ayat 41 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা তূর আয়াত 41 আরবি পাঠে(Tur).
  
   

﴿أَمْ عِندَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ﴾
[ الطور: 41]

না তাদের কাছে অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান আছে যে, তারাই তা লিপিবদ্ধ করে? [সূরা তূর: 41]

Surah At-Tur in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Tur ayat 41


অথবা অদৃশ্য কি তাদের কাছে রয়েছে যার ফলে তারা লিখে ফেলতে পারে?


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪১. না কি তাদের নিকট গাইবের জ্ঞান রয়েছে, ফলে তারা মানুষের জন্য গাইবের বিষয়ে অবগত কথাগুলো লিপিবদ্ধ করে এবং তাদেরকে তা থেকে যা ইচ্ছা সে ব্যাপারে সংবাদ পরিবেশন করে?!

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


নাকি তাদের অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, তারা লিখে রাখে?[১] [১] যে, তাদের পূর্বে মুহাম্মাদ ( সাঃ ) অবশ্যই মারা যাবেন এবং তাদের মৃত্যু পরে আসবে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


নাকি গায়েবী বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান আছে যে, তারা তা লিখছে?

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৩৫-৪৩ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা এখানে রবুবিয়্যাত ও তাওহীদে উলুহিয়্যাত সাব্যস্ত করতে গিয়ে বলেনঃ তারা কি কোন স্রষ্টা ছাড়াই সৃষ্ট হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? প্রকৃতপক্ষে এ দু'টোর কোনটাই নয়। বরং তাদের সৃষ্টিকর্তা হলেন আল্লাহ। পূর্বে তারা কিছুই ছিল না। তিনিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। হযরত জুবায়ের ইবনে মুতইম ( রাঃ ) বলেনঃ “ আমি নবী ( সঃ )-কে, মাগরিবের নামাযে সূরায়ে তূর পড়তে শুনি । যখন তিনি ( আরবী ) পর্যন্ত পৌঁছেন তখন আমার অন্তর উড়ে যাবার উপক্রম হয়।” ( এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) এই জুবায়ের ইবনে মুতইম ( রাঃ ) বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পর নবী ( সঃ )-এর নিকট বদরের বন্দীদেরকে মুক্তিপণের মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্যে এসেছিলেন। ঐ সময় তিনি মুশরিক ছিলেন। এই আয়াতগুলোর শ্রবণই তাঁর ইসলামে প্রবেশের কারণ হয়।এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা কি আকাশমণ্ডল না, এটাও নয়। বরং তারা জানে যে, স্বয়ং তাদের ও। একমাত্র আল্লাহ তা'আলা। এটা জানা সত্ত্বেও তারা তাদের অবিশ্বাস হতে বিরত থাকছে না।মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ তা'আলার ভাণ্ডার কি তাদের নিকট রয়েছে, না তারা এ সমুদয়ের নিয়ন্তা? অর্থাৎ দুনিয়ার ব্যবস্থাপনা কি তাদের হাতে আছে, না তারা সমস্ত ভাণ্ডারের মালিক? তারাই সারা মাখলুকের রক্ষক? না, প্রকৃত ব্যাপার তা নয়, বরং মালিক ও ব্যবস্থাপক হলেন একমাত্র আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা। তিনি পূর্ণ ক্ষমতাবান। তিনি যা ইচ্ছা করেন তাই করে থাকেন। এরপর প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ বলেনঃ উঁচু আকাশে উঠে যাওয়ার কোন সিঁড়ি তাদের কাছে আছে না কি? যদি থেকে থাকে তবে তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সেখানে পৌছে কথা শুনে আসে সে তার কথা ও কাজের কোন আসমানী দলীল পেশ করুক না কেন? কিন্তু না তারা কোন দলীল পেশ করতে পারে, না তারা কোন সত্য পথের অনুসারী। এটাও তাদের একটা বড় অন্যায় কথা যে, তারা বলেঃ ফেরেশতারা আল্লাহর কন্যা ( নাউযুবিল্লাহ )। এটা কতই না জঘন্য ব্যাপার যে, তারা নিজেদের জন্যে যে কন্যাদেরকে অপছন্দ করে তাদেরকেই আবার স্থির করে আল্লাহ্ তা'আলার জন্যে! তারা যখন শুনতে পায় যে, তাদের কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে তখন দুঃখে ও লজ্জায় তাদের চেহারা মলিন হয়ে যায়। অথচ ঐ কন্যাদেরকেই তারা সাব্যস্ত করছে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলার জন্যে! শুধু তাই নয়, বরং তারা তাদের ইবাদতও করছে! তাই তো প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ অত্যন্ত ধমকের সুরে বলছেনঃ তবে কি কন্যা সন্তান তার জন্যে এবং পুত্র সন্তান তোমাদের জন্যে?অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ স্বীয় নবী ( সঃ )-কে বলছেনঃ হে নবী ( সঃ )! তবে কি তুমি তোমার তাবলীগী কাজের উপর তাদের নিকট পারিশ্রমিক চাচ্ছ যা তাদের উপর ভারী হচ্ছে? অর্থাৎ নবী ( সঃ ) তো তাঁর তাবলীগী কাজের উপর কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছেন না! তাহলে তাদের কাছে তার আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দেয়াতে তাদের অসন্তুষ্ট হবার কারণ কি? না কি অদৃশ্য বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান আছে যে, তারা এই বিষয়ে কিছু লিখে? না, না, যমীন ও আসমানের সমস্ত সৃষ্টজীবের মধ্যে কেউই অদৃশ্যের খবর রাখে না। এই লোকগুলো আল্লাহর দ্বীন এবং আল্লাহর রাসূল ( সঃ ) সম্পর্কে আজে-বাজে কথা বলে স্বয়ং রাসূল ( সঃ )-কে, মুমিনদেরকে এবং সাধারণ লোকদেরকে প্রতারিত করতে চায়। কাফিরদের এটা জেনে রাখা উচিত যে, পরিণামে তারাই হবে ষড়যন্ত্রের শিকার। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ ছাড়া তাদের অন্য কোন মা’বূদ আছে কি? কেন তারা আল্লাহর ইবাদতে প্রতিমা ও অন্যান্য জিনিসকে শরীক করছে? আল্লাহ তাআলা তো মুশরিকদের এই কাজে চরম অসন্তুষ্ট। তারা যাকে শরীক স্থির করে তিনি তা হতে পবিত্র।

সূরা তূর আয়াত 41 সূরা

أم عندهم الغيب فهم يكتبون

سورة: الطور - آية: ( 41 )  - جزء: ( 27 )  -  صفحة: ( 525 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেন কসম না খায় যে, তারা
  2. আমি যে শ্রেষ্ট এ ব্যক্তি থেকে, যে নীচ এবং কথা বলতেও সক্ষম নয়।
  3. আর আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন?
  4. এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন।
  5. এবং যারা স্বীয় পালনকর্তার সন্তুষ্টির জন্যে সবর করে, নামায প্রতিষ্টা করে আর আমি তাদেরকে যা
  6. তারা আপনাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে। যদি আযাবের সময় নির্ধারিত না থাকত, তবে আযাব তাদের
  7. আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।
  8. এটা তোমার দুই হাতের কর্মের কারণে, আল্লাহ বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।
  9. সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে কোন বক্রতা
  10. শুনে রাখ, যা কিছু রয়েছে আসমানসমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। শুনে রাখ, আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য।

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা তূর ডাউনলোড করুন:

সূরা Tur mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Tur শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত তূর  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত তূর  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত তূর  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত তূর  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত তূর  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত তূর  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত তূর  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত তূর  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত তূর  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত তূর  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত তূর  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত তূর  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত তূর  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত তূর  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত তূর  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত তূর  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত তূর  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত তূর  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত তূর  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত তূর  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত তূর  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত তূর  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত তূর  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত তূর  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত তূর  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Saturday, June 13, 2026

Please remember us in your sincere prayers