কোরান সূরা সাদ আয়াত 67 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Sad ayat 67 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা সাদ আয়াত 67 আরবি পাঠে(Sad).
  
   

﴿قُلْ هُوَ نَبَأٌ عَظِيمٌ﴾
[ ص: 67]

বলুন, এটি এক মহাসংবাদ, [সূরা সাদ: 67]

Surah Saad in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Sad ayat 67


বলো -- ''এ এক বিরাট সংবাদ, --


Tafsir Mokhtasar Bangla


৬৭. হে রাসূল! আপনি এসব মিথ্যারোপকারীকে বলুন, অবশ্যই কুরআন হলো এক মহা সম্মানী সংবাদ বাহক।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


বল, ‘এ এক মহাসংবাদ। [১] [১] অর্থাৎ, আমি তোমাদেরকে আখেরাতের যে শাস্তি থেকে সতর্ক ও ভীতি প্রদর্শন করছি এবং যে তাওহীদের দাওয়াত দিচ্ছি, তা একটি মহাসংবাদ। তার ব্যাপারে উদাসীন ও বিমুখ হয়ে থেকো না। বরং তার প্রতি মনোযোগ দেওয়া এবং তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করার প্রয়োজন আছে।

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৬৫-৭০ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় নবী ( সঃ )-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তিনি যেন কাফির ও মূশরিকদেরকে বলেনঃ আমার সম্পর্কে তোমাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আমি তো তোমাদেরকে শুধু সতর্ককারী। আল্লাহ্, যিনি এক ও শরীক বিহীন, তিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কেউই নেই। তিনি একক। তিনি সব কিছুর উপরই পূর্ণ ক্ষমতাবান। সব কিছুই তার অধীনস্থ। তিনি যমীন, আসমান এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত সব জিনিসেরই মালিক। সমস্ত ব্যবস্থাপনা তাঁরই হাতে। তিনি বড় মর্যাদাবান এবং মহা পরাক্রমশালী। তাঁর এই শ্রেষ্ঠত্ব, বড়ত্ব এবং মহাপরাক্রম সত্ত্বেও তিনি মহা ক্ষমাশীলও বটে।মহান আল্লাহ্ বলেনঃ হে নবী ( সঃ )! তুমি বলঃ এটা এক মহা সংবাদ। তা হলো আল্লাহ্ তা'আলার আমাকে তোমাদের নিকট রাসূলরূপে প্রেরণ করা। কিন্তু হে উদাসীনের দল! এরপরেও তোমরা আমার বর্ণনাকৃত প্রকৃত ও সত্য বিষয়গুলো হতে বিমুখ হয়ে রয়েছো! এটাও বলা হয়েছে যে, “ এটা বড় জিনিস” দ্বারা কুরআন কারীমকে বুঝানো হয়েছে ।মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেন, হে নবী ( সঃ )! তুমি তাদেরকে আরো বলঃ হযরত আদম ( আঃ )-এর ব্যাপারে ফেরেশতাদের মধ্যে যে বাদানুবাদ হয়েছিল, যদি আমার কাছে অহী না আসতো তবে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারতাম কি? ইবলীসের হযরত আদম ( আঃ )-কে সিজদা না করা, মহামহিমান্বিত আল্লাহর সামনে শয়তানের বিরুদ্ধাচরণ করা এবং নিজেকে বড় মনে করা ইত্যাদির খবর আমি কি করে দিতে পারতাম?”হযরত মুআয ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ( সঃ ) ফজরের নামাযে আসতে খুবই বিলম্ব করেন । এমনকি সূর্যোদয়ের প্রায় সময় হয়ে আসে। অতঃপর তিনি খুব তাড়াহুড়া করে বেরিয়ে আসেন। নামাযের ইকামত দেয়া হয় এবং তিনি খুব হালকাভাবে নামায পড়িয়ে দেন। সালাম ফিরানোর পর বলেনঃ “ তোমরা যেভাবে আছ ঐ ভাবেই বসে থাকো ।” তারপর আমাদের দিকে মুখ করে তিনি বলেনঃ “ রাত্রে আমি তাহাজ্জুদের নামাযের জন্যে উঠেছিলাম । নামায পড়তে পড়তে আমাকে তন্দ্রা পেয়ে বসে। শেষ পর্যন্ত আমি জেগে উঠি এবং আমার প্রতিপালককে সুন্দর আকৃতিতে দেখতে পাই। তিনি আমাকে বলেন, “ ঊর্ধ্বলোকে ফেরেশতারা এ সময় কি নিয়ে বাদানুবাদ করছে তা জান কি?” আমি উত্তর দিলামঃ হে আমার প্রতিপালক! না, আমি জানি না । এভাবে তিনবার প্রশ্ন ও উত্তর হলো। অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ আমার দুই কাঁধের মাঝে হাত রাখলেন। এমন কি আমি তাঁর অঙ্গুলীসমূহের শীতলতা অনুভব করলাম এবং এরপর আমার কাছে সব কিছু উজ্জ্বল হয়ে গেল। আবার আমাকে জিজ্ঞেস করা হলোঃ “ আচ্ছা, এখন বলতো, ঊর্ধ্বলোকে কি নিয়ে বাদানুবাদ হচ্ছে?” আমি উত্তরে বললামঃ গুনাহর কাফফারা সম্বন্ধে আলাপ আলোচনা চলছে । পুনরায় তিনি প্রশ্ন করলেনঃ “ বলতো কাফফারা ( পাপ মোচনের পন্থা ) কি কি?” আমি জবাব দিলামঃ জামাআতে নামায পড়ার জন্যে পা উঠিয়ে চলা, নামাযের পরে মসজিদে বসে থাকা এবং মনে না চাওয়া সত্ত্বেও পূর্ণভাবে অযু করা । মহান আল্লাহ্ আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ “ কিভাবে মর্যাদা বৃদ্ধি পায়?” আমি উত্তরে বললামঃ ( দরিদ্রদেরকে ) খাদ্য খেতে দেয়া, নম্রভাবে কথা বলা এবং রাত্রে যখন লোকেরা ঘুমিয়ে থাকে তখন উঠে নামায পড়া । তখন আমার প্রতিপালক আমাকে বললেনঃ “ কি চাইবে চাও ।” আমি বললামঃ আমি আপনার কাছে ভাল কাজ করার, মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার এবং দরিদ্রদেরকে ভালবাসার তাওফীক প্রার্থনা করছি। আর এই প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন, আমার প্রতি সদয় হবেন এবং যখন কোন কওমকে ফিত্নায় ফেলার ইচ্ছা করবেন, ঐ ফিতায় আমাকে না ফেলেই উঠিয়ে নিবেন। আর আমি আপনার কাছে আপনার মহব্বত, যে আপনাকে মহব্বত করে তার মহব্বত এবং এমন কাজের মহব্বত প্রার্থনা করছি যা আমাকে আপনার মহব্বতের নিকটবর্তী করে। এরপর রাসূলুল্লাহ( সঃ ) বলেনঃ “ এটা সম্পূর্ণরূপে সত্য । এটা তোমরা নিজেরা পড়বে ও অন্যদেরকে শিখাবে।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন এবং এটা বিখ্যাত স্বপ্নের হাদীস। কেউ কেউ বলেন যে, এটা জাগ্রত অবস্থার ঘটনা। কিন্তু এটা ভুল কথা। সঠিক কথা এই যে, এটা স্বপ্নের ঘটনা)

সূরা সাদ আয়াত 67 সূরা

قل هو نبأ عظيم

سورة: ص - آية: ( 67 )  - جزء: ( 23 )  -  صفحة: ( 457 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এটা ঐ জান্নাত যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে।
  2. তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে সোপর্দ। ইনিই আল্লাহ আমার পালনকর্তা আমি
  3. নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।
  4. তারা কি জেনে নেয়নি যে, আল্লাহ তাদের রহস্য ও শলা-পরামর্শ সম্পর্কে অবগত এবং আল্লাহ খুব
  5. তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ পানপাত্র।
  6. যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের
  7. তারা বলল, আমরা তোমাদেরকে অশুভ-অকল্যাণকর দেখছি। যদি তোমরা বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাদেরকে প্রস্তর
  8. মসীহ আল্লাহর বান্দা হবেন, তাতে তার কোন লজ্জাবোধ নেই এবং ঘনিষ্ঠ ফেরেশতাদেরও না। বস্তুতঃ যারা
  9. তিনিই তাঁর দাসের প্রতি প্রকাশ্য আয়াত অবতীর্ণ করেন, যাতে তোমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোকে আনয়ন করেন।
  10. যদি আল্লাহ চাইতেন তবে তারা শেরক করত না। আমি আপনাকে তাদের সংরক্ষক করিনি এবং আপনি

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা সাদ ডাউনলোড করুন:

সূরা Sad mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Sad শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত সাদ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত সাদ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত সাদ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত সাদ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত সাদ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত সাদ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত সাদ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত সাদ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত সাদ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত সাদ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত সাদ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত সাদ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত সাদ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত সাদ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত সাদ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত সাদ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত সাদ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত সাদ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত সাদ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত সাদ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত সাদ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত সাদ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত সাদ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত সাদ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত সাদ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers