কোরান সূরা মুমতাহিনাহ আয়াত 7 তাফসীর
﴿۞ عَسَى اللَّهُ أَن يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ الَّذِينَ عَادَيْتُم مِّنْهُم مَّوَدَّةً ۚ وَاللَّهُ قَدِيرٌ ۚ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ﴾
[ الممتحنة: 7]
যারা তোমাদের শত্রু আল্লাহ তাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সম্ভবতঃ বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আল্লাহ সবই করতে পারেন এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়। [সূরা মুমতাহিনাহ: 7]
Surah Al-Mumtahanah in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Mumtahina ayat 7
হতে পারে যে আল্লাহ্ তোমাদের মধ্যে ও যাদের সঙ্গে তোমরা শত্রুতা করছ তাদের কারো-কারোর মধ্যে বন্ধুত্ব ঘটিয়ে দেবেন। কেননা আল্লাহ্ সর্বশক্তিমান। আর আল্লাহ্ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
Tafsir Mokhtasar Bangla
৭. হে মুমিনরা! হতে পারে আল্লাহ তোমাদের শ্রত্রæদেরকে ইসলামে দীক্ষিত করার মাধ্যমে তোমাদের ও তাদের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি করবেন। ফলে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই হিসাবে পরিগণিত হবে। বস্তুতঃ আল্লাহ ক্ষমতাবান। তিনি তাদের অন্তরগুলোকে ঈমানের দিকে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা তাওবা করে তাদের প্রতি ক্ষমাশীল ও দয়াপরবশ।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে, সম্ভবতঃ আল্লাহ তাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। [১] আর আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [১] অর্থাৎ, তাদেরকে মুসলমান করে তোমাদের ভাই ও সাথী বানিয়ে দেবেন। যার ফলে তোমাদের মাঝের শত্রুতা ও বিদ্বেষ বন্ধুত্ব ও ভালবাসায় পরিবর্তন হয়ে যাবে। আর হলও তা-ই। মক্কা বিজয়ের পর মানুষ দলে দলে মুসলমান হতে শুরু করল। আর তাদের মুসলিম হওয়ার সাথে সাথেই আপোসের বিদ্বেষ ভালবাসায় পরিবর্তন হয়ে গেল। যারা মুসলমানদের রক্ত-পিপাসু ছিল, তারা পরস্পরের সাহায্যকারীতে পরিণত হয়ে গেল।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
যাদের সাথে তোমাদের শক্ৰতা রয়েছে সম্ভবত আল্লাহ তাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন [ ১ ]; এবং আল্লাহ্ ক্ষমতাবান। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [ ১ ] আলোচ্য আয়াতসমূহে আল্লাহ তা'আলা ইঙ্গিত করেছেন যে, আজ যারা কাফের, ফলে তারা তোমাদের শত্রু ও তোমরা তাদের শক্ৰ, সত্বরই হয়তো আল্লাহ তা'আলা এই শক্রতাকে বন্ধুত্বে পর্যবসিত করে দিবেন। অর্থাৎ তাদেরকে ঈমানের তওফীক দিয়ে তোমাদের পারস্পরিক সুসম্পর্ককে নতুন ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করে দিবেন। এই ভবিষ্যদ্বাণী মক্কা বিজয়ের সময় বাস্তবরূপ লাভ করে। ফলে নিহতদের বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল কাফের মুসলিম হয়ে যায়। [ আল-ওয়াহেদী: আসবাবুন নুযুল, ৪৫০ ] পবিত্র কুরআনের এক আয়াতে এর বর্ণনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا অর্থাৎ “ আর আপনি দেখতে পাবেন মানুষদেরকে যে তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীন ইসলামে প্রবেশ করবে” [ সূরা আন-নাসর:২ ] বাস্তবেও তাই হয়েছে । আবু সুফিয়ান ( রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে ইসলামের ভীষণ দুশমন ছিলেন। কিন্তু এ সময়ে আল্লাহ্ তা'আলা আবু সুফিয়ানের কন্যা উম্মে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বাদশা নাজাসী তাকে রাসূলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন, ফলে আবু সুফিয়ানের বিরোধিতায় ভাটা পড়ে, তিনি পরবর্তীতে ইসলাম গ্ৰহণ করেন। তার পুত্ৰ মু'আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুও ইসলাম গ্ৰহণ করেন। তারা পরবর্তীতে ইসলামের পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজেদের শক্তিকে কাজে লাগান। [ দেখুন-কুরতুবী ]
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
৭-৯ নং আয়াতের তাফসীর: কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনের নিষেধাজ্ঞার পর এবং তাদের হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতার বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ্ তা'আলা এখন বলেনঃ হতে পারে যে, অদূর ভবিষ্যতে আল্লাহ্ তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে দিবেন। শক্রতা, ঘৃণা ও বিচ্ছেদের পর হয়তো তিনি তোমাদের ও তাদের মধ্যে প্রেম-প্রীতি ও মহব্বত সৃষ্টি করে দিবেন। কোন্ জিনিস এমন আছে যে, আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা ওর উপর ক্ষমতা রাখেন না? তিনি পৃথক পৃথক ও পরস্পর বিরোধী জিনিসকে একত্রিত করার ক্ষমতা রাখেন। শত্রুতার পর বন্ধুত্ব সৃষ্টি করার হাত তার রয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় বলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ কর, তোমরা ছিলে পরস্পর শত্রু এবং তিনি তোমাদের হৃদয়ে প্রীতির সঞ্চার করেন । ফলে তার অনুগ্রহে তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে। তোমরা অগ্নিকুণ্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ্ ওটা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন।” ( ৩:১০৩ )রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) আনসারদেরকে সম্বোধন করে বলেছিলেনঃ “ আমি কি তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট পাইনি? অতঃপর আল্লাহ আমারই কারণে তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন । তোমরা পৃথক পৃথক ছিলে, তারপর আমারই কারণে আল্লাহ্ তোমাদেরকে একত্রিত করেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ আল্লাহ্ তিনিই যিনি তোমাকে ( নবী সঃ -কে ) তাঁর সাহায্যের দ্বারা এবং মুমিনদের দ্বারা শক্তিশালী করেছেন । আর তাদের হৃদয়ে তিনি প্রেম-প্রীতি ও মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন। ভূ-পৃষ্ঠে যত কিছু আছে সবই যদি তুমি খরচ করতে তবুও তাদের হৃদয়ে প্রেম-প্রীতি ও ভালবাসা সৃষ্টি করতে পারতে না। বরং আল্লাহই তাদের হৃদয়ে ভালবাসার সঞ্চার করেছেন। নিশ্চয়ই তিনি মহাপরাক্রমশালী, বিজ্ঞানময়।” ( ৮:৬২-৬৩ ) একটি হাদীসে এসেছেঃ “ বন্ধুত্বের সময়ও একথা স্মরণ রেখো যে, কোন সময় শত্রুতা হয়ে যেতে পারে এতে বিস্ময়ের কিছুই নেই । আর শত্রুতায়ও সীমালংঘন করে যেয়ো না। কেননা, এই শত্রুতার পরে বন্ধুত্ব হয়ে যেতে পারে এতেও বিস্ময়ের কিছুই নেই।” কোন কবি বলেছেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ এমন দুই জন শত্রু যারা একে অপর হতে সম্পূর্ণরূপে পৃথক হয়ে রয়েছে এবং তারা পূর্ণরূপে ধারণা করেছে যে, তারা পরস্পরে কখনো মিলিত হবে না, এদেরকেও আল্লাহ্ একত্রিত করে থাকেন এবং এমনভাবে তাদেরকে মিলিত করেন যে, তারা যেন কখনো দুই জন ছিলই না ।” আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। কাফির তাওবা করলে তিনি তার তাওবা কবুল করে থাকেন। সে যখন তাঁর প্রতি ঝুঁকে পড়ে তখন তিনি তাকে নিজের করুণার ছায়ায় স্থান দেন, গুনাহ্ যত বড়ই হোক না কেন এবং গুনাহগার যেই হোক না কেন। সে যখনই মালিকের দিকে ঝুঁকে পড়ে তখনই তাঁর রহমতের তরঙ্গ উথলিয়ে ওঠে। হযরত মুকাতিল ইবনে হাইয়ান ( রঃ ) বলেন যে, এ আয়াতটি হযরত আবু সুফিয়ান সাখর ইবনে হারূবের ( রাঃ ) ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। তাঁর কন্যা উম্মে হাবিবাহ্ ( রাঃ )-কে রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বিয়ে করে নেন। আর এই বিবাহই মহব্বতের কারণ হয়ে যায়। কিন্তু এ উক্তিটি মনে ধরে না। কেননা, এই বিবাহ মক্কা বিজয়ের বহু পূর্বে সংঘটিত হয়েছিল। আর সর্বসম্মত মত এই যে, হযরত আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) মক্কা বিজয়ের রাত্রে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। বরং এর চেয়ে উত্তম ব্যাখ্যা ওটাই যা ইমাম ইবনে আবি হাতিম ( রঃ ) বর্ণনা করেছেন। তা এই যে, রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) হযরত আবু সুফিয়ান সার ইবনে হারূবকে ( রাঃ ) ইয়ামনের কতক অংশের উপর আমিল নিযুক্ত করেছিলেন। অতঃপর যখন রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) ইন্তেকাল করেন তখন হযরত আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) মদীনায় আগমন করছিলেন। পথে যুল-খিমারের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ। সে মুরতাদ ( ধর্মত্যাগী ) হয়ে গিয়েছিল। তখন হযরত আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) তার সাথে যুদ্ধ করেন। সুতরাং ধর্মত্যাগীর বিরুদ্ধে প্রথম জিহাদকারী তিনিই ছিলেন। হযরত ইবনে শিহাব ( রঃ ) বলেন যে, হযরত আবু সুফিয়ান ( রাঃ )-এর ব্যাপারেই ( আরবী )- এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।সহীহ মুসলিমে হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) ইসলাম গ্রহণ করার পর রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ )-কে বলেনঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আমার তিনটি আবেদন রয়েছে । যদি অনুমতি দেন তবে তা আরয করি।” রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বললেনঃ “ ঠিক আছে, বল ।” তখন তিনি বললেনঃ “ আমাকে আপনি অনুমতি দিন যে, আমি কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবো যেমন ( পূর্বে ) মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করতাম ।” রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বললেনঃ “ হা ( ঠিক আছে ) ।” তিনি বললেনঃ “ আমার পুত্র মুআবিয়া ( রাঃ )-কে আপনার অহী লেখক নিযুক্ত করুন!” রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বললেনঃ “হ্যাঁ ( তাই হবে ) ।” অতঃপর তিনি বললেনঃ “ আমার উত্তম আরবী কন্যা উম্মে হাবীবাহ্ ( রাঃ )-কে আপনি বিয়ে করে নিন!” রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) এটাও মেনে নিলেন । এ ব্যাপারে সমালোচনা আছে যা পূর্বে গত হয়েছে। এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেনঃ “ যেসব কাফির তোমাদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়নি এবং তোমাদেরকে বহিষ্কারও করেনি, যেমন স্ত্রীলোকে এবং দুর্বল লোকেরা, তাদের সাথে তোমরা সদ্ব্যবহার, ইহসান এবং আদল ও ইনসাফ করতে থাকো । এরূপ করতে আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। বরং তিনি তো এরূপ ন্যায়পরায়ণ লোকদেরকে ভালবাসেন। হযরত আসমা বিনতে আবি বকর ( রাঃ ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “ আমার মাতা মুশরিকা থাকা অবস্থায় আমার নিকট আগমন করে, এটা ঐ যুগের ঘটনা যখন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) ও মক্কার কুরায়েশদের মধ্যে সন্ধিপত্র স্বাক্ষরিত ছিল । আমি তখন নবী ( সঃ )-এর নিকট এসে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আমার মা আমার নিকট আগমন করেছে এবং সে ইসলাম হতে বিমুখ। সুতরাং আমি তার সাথে ( আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রেখে ) মিলিত হবো?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “ হ্যাঁ, তুমি তোমার মাতার সাথে মিলিত হও ( ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রেখো ) ।” ( এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারী ( রঃ ) ও ইমাম মুসলিম ( রঃ ) এটা তাখরীজ করেছেন)মুসনাদে আহমাদের এক রিওয়াইয়াতে রয়েছে যে, তার নাম ছিল কাতীলাহ্। সে পনীর, ঘি ইত্যাদি উপঢৌকন হিসেবে আনয়ন করেছিল। কিন্তু হযরত আসমা ( রাঃ ) প্রথমে না তাঁর মাতাকে তার বাড়ীতে স্থান দিয়েছিলেন, না তার উপঢৌকন গ্রহণ করেছিলেন। বরং তিনি রাসূলুল্লাহ্ ( সঃ )-এর খিদমতে হাযির হয়ে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাকে তার বাড়ীতে স্থানও দেন। হযরত বাযযার ( রঃ )-এর বর্ণনায় হযরত আয়েশা সিদ্দীকা ( রাঃ )-এর নামও রয়েছে। কিন্তু এটা ঠিক নয়। কেননা হযরত আয়েশা ( রাঃ )-এর মাতার নাম ছিল উম্মে রূমান এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তারপর তিনি মদীনায় হিজরত করেছিলেন। হ্যাঁ, তবে হযরত আসমা ( রাঃ )-এর মাতা উম্মে রূমান ছিল না, বরং তাঁর মাতার নাম ছিল কাতলা, যেমন উপরের হাদীসে বর্ণিত হলো। এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সব চেয়ে ভাল জানেন। -এর তাফসীর সূরায়ে হুজুরাতে গত হয়েছে যে, হলো ঐ লোকেরা যারা তাদের পরিবারবর্গের ব্যাপারে হলেও ন্যায় বিচার করে থাকে ( এবং যদিও ঐ বিচার তাদের পরিবারবর্গের বিপক্ষে হয় )। আল্লাহ্ তা'আলার আরশের ডান দিকে নূরের মিম্বরের উপর তারা সমাসীন থাকবে।মহান আল্লাহ্ বলেনঃ আল্লাহ্ শুধু তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বহিষ্কার করেছে এবং তোমাদের বহিষ্করণে সাহায্য করেছে। অতঃপর আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা মুশরিকদের সাথে মেলামেশাকারী ও বন্ধুত্বকারীদেরকে ধমকের সুরে বলছেনঃ যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারা তো যালিম। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “ হে মুমিনগণ! তোমরা ইয়াহূদী ও নাসারাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা একে অপরের বন্ধু । তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত দান করেন।” ( ৫:৫১ )
সূরা মুমতাহিনাহ আয়াত 7 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব, তাঁর বংশধরদের মধ্যে নবুওয়ত ও কিতাব রাখলাম এবং
- বলুনঃ যদি আমার পালনকর্তার রহমতের ভান্ডার তোমাদের হাতে থাকত, তবে ব্যয়িত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবশ্যই
- আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবাণী এবং আমার জীবন ও মরন বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে।
- জেনে রাখুন, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। ক্ষমাপ্রার্থনা করুন, আপনার ক্রটির জন্যে এবং মুমিন পুরুষ
- এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা ধ্বংস হবে এবং যা কিছু তারা করেছে তা যে
- অতএব, আপনি অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে।
- তিনিই বৃষ্টির পূর্বে সুসংবাদবাহী বায়ু পাঠিয়ে দেন। এমনকি যখন বায়ুরাশি পানিপূর্ন মেঘমালা বয়ে আনে, তখন
- এবং যদি তার জামা পেছনের দিক থেকে ছিন্ন থাকে, তবে মহিলা মিথ্যাবাদিনী এবং সে সত্যবাদী।
- তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা,
- ওরা প্রত্যেকেই কি মাথার উপর স্ব স্ব কৃতকর্ম নিয়ে দন্ডায়মান নয়? এবং তারা আল্লাহর জন্য
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মুমতাহিনাহ ডাউনলোড করুন:
সূরা Mumtahina mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Mumtahina শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



