কোরান সূরা মুহাম্মদ আয়াত 11 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Muhammad ayat 11 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা মুহাম্মদ আয়াত 11 আরবি পাঠে(Muhammad).
  
   

﴿ذَٰلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ مَوْلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَأَنَّ الْكَافِرِينَ لَا مَوْلَىٰ لَهُمْ﴾
[ محمد: 11]

এটা এজন্যে যে, আল্লাহ মুমিনদের হিতৈষী বন্ধু এবং কাফেরদের কোন হিতৈষী বন্ধু নাই। [সূরা মুহাম্মদ: 11]

Surah Muhammad in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Muhammad ayat 11


এমনটাই, কেননা যারা ঈমান এনেছে তাদের অভিভাবক নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌, আর অবিশ্বাসীদের ক্ষেত্রে তো -- তাদের জন্য কোনো মুরব্বী নেই।


Tafsir Mokhtasar Bangla


১১. উল্লেখিত এই প্রতিদানই উভয় দলের জন্য অবধারিত। কেননা, ঈমানদারদের সাহায্যকারী হলেন আল্লাহ। পক্ষান্তরে কাফিরদের কোন সাহায্যকারী নেই।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


এটা এ জন্য যে, আল্লাহ বিশ্বাসীদের অভিভাবক এবং অবিশ্বাসীদের কোন অভিভাবক নেই। [১] [১] তাই উহুদ যুদ্ধে কাফেরদের শ্লোগানের উত্তরে মুসলিমরা যে শ্লোগান বলেছিলেন তা আয়াতের বাস্তব রূপ। যেমন কাফেররা বলেছিল, أُعْلُ هُبَل، أُعْلُ هُبَل ( হুবালের নাম উচ্চ হোক )। এর উত্তরে মুসলিমগণ বলেছিলেন, اللهُ أَعْلَى وأَجَلُّ ( আল্লাহই সর্বোচ্চ ও সর্বমহান )। কাফেরদের আরো একটি শ্লোগান ছিল, لَنَا الْعُزَّى وَلاَ عُزَّى لَكُمْ ( আমাদের উয্যা আছে, তোমাদের উয্যা নেই। ) উত্তরে মুসলিমগণ বলেছিলেন, اللهُ مَوْلاَنَا وَلاَ مَوْلَى لَكُمْ ( আল্লাহ আমাদের সাহায্যকারী, তোমাদের কোন সাহায্যকারী নেই। ) ( বুখারী )

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


এটা এজন্যে যে, নিশ্চয় আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক এবং নিশ্চয় কাফিরদের কোন অভিভাবক নেই []। [] مولى শব্দটি অনেক অর্থে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ অভিভাবক [ মুয়াসসার, বাগভী ] এখানে এই অর্থই বোঝানো হয়েছে। এর আরেক অর্থ মালিক। কুরআনের অন্যত্র কাফেরদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: ثُمَّ رُدُّوا إِلَى اللَّهِ مَوْلَاهُمُ الْحَقِّ ۚ أَلَا لَهُ الْحُكْمُ وَهُوَ أَسْرَعُ الْحَاسِبِينَ - ‘অতঃপর তাদেরকে ( কাফেরদের ) তাদের মাওলার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।' [ সূরা আল-আন’আম: ৬২ ]

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


১০-১৩ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যারা আল্লাহর শরীক স্থাপন করে এবং তাঁর রাসল ( সঃ )-কে অবিশ্বাস করে তারা কি ভূ-পৃষ্ঠে ভ্রমণ করেনি? করলে তারা জানতে পারতো এবং স্বচক্ষে দেখে নিতো যে, তাদের পূর্বে যারা তাদের মত ছিল তাদের পরিণাম হয়েছিল খুবই মারাত্মক। তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়ে তাদের নাম ও নিশানা মিটিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে শুধু মুসলমান ও মুমিনরাই পরিত্রাণ পেয়েছিল। কাফিরদের জন্যে এরূপই শাস্তি এসে থাকে।মহান আল্লাহর উক্তিঃ ‘এটা এই জন্যে যে, আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক এবং কাফিরদের কোন অভিভাবক নেই। এ জন্যেই উহুদের যুদ্ধের দিন মুশরিকদের সরদার আবু সুফিয়ান সাখর ইবনে হারব যখন গর্বভরে নবী ( সঃ ) ও তাঁর দু’জন খলীফা ( রাঃ ) সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলো, কিন্তু কোন উত্তর পায়নি তখন বলেছিলোঃ “ এরা সবাই ধ্বংস হয়ে গেছে ।” তখন হযরত উমার ইবনে খাত্তাব ( রাঃ ) জবাব দিলেনঃ “ হে আল্লাহর শত্রু! তুমি মিথ্যা বললে । যাদের বেঁচে থাকা তোমার দেহে কাঁটার মত বিধছে তাদেরকে আল্লাহ তা'আলা তোমার জন্যে বাঁচিয়ে রেখেছেন।” আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) তখন বললোঃ “ জেনে রেখো যে, এটা বদরের প্রতিশোধের দিন । আর যুদ্ধ তো বালতির মত ( কখনো এই হাতে এবং কখনো ঐ হাতে )। তোমরা তোমাদের নিহতদের মধ্যে কতকগুলোকে নাক, কান ইত্যাদি কর্তিত অবস্থায় পাবে। আমি এরূপ করার হুকুম জারী করিনি, তবে এতে আমি অসন্তুষ্ট নই।” অতঃপর সে গর্ববোধক কবিতা পাঠ করতে শুরু করে। সে বলেঃ ( আরবী ) অর্থাৎ “ আমাদের হুবুল' দেবতা সমুন্নত হোক ।” তখন রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) সাহাবীদেরকে ( রাঃ ) বলেনঃ “ তোমরা উত্তর দিচ্ছ না কেন?” তারা তখন বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! আমরা কি বলবো?” তিনি জবাবে বললেনঃ “তোমরা বল, ( আরবী ) অর্থাৎ “আল্লাহ অতি উচ্চ ও মহাসম্মানিত ।” আবু সুফিয়ান ( রাঃ ) আবার বললঃ ( আরবী ) এই অর্থাৎ “ আমাদের উম্ ( দেবতা ) রয়েছে এবং তোমাদের উ নেই ।রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-এর ফরমান অনুযায়ী সাহাবীগণ ( রাঃ )-এর জবাবে বলেনঃ ( আরবী ) অর্থাৎ আল্লাহ আমাদের অভিভাবক এবং তোমাদের কোন অভিভাবকনেই ।”মহামহিমান্বিত আল্লাহ খবর দিচ্ছেন যে, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা কিয়ামতের দিন জান্নাতে প্রবেশ করবে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। পক্ষান্তরে যারা কুফরী করে ও ভোগ-বিলাসে মগ্ন থাকে তাদের জীবনের উদ্দেশ্য শুধু পানাহার ও পেট পূরণ করা। তারা জন্তু-জানোয়ারের মত উদরপূর্তি করে। অর্থাৎ জন্তু-জানোয়ার যেমন মুখের সামনে যা পায় তা-ই খায়, অনুরূপভাবে এ লোকগুলোও হারাম হালালের কোন ধার ধারে না। পেট পূর্ণ হলেই হলো। তাদের জীবনের উদ্দেশ্য শুধু এটাই। তাদের নিবাস হলো জাহান্নাম। সহীহ হাদীসে এসেছে যে, মু'মিন খায় একটি পাকস্থলীতে এবং কাফির খায় সাতটি পাকস্থলীতে। তাই তাদের কুফরীর প্রতিফল হিসেবে তাদের বাসস্থান হবে জাহান্নাম।এরপর প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ মক্কার কাফিরদেরকে ধমকের সূরে বলছেন যে, তারা তাঁর নবী ( সঃ )-কে তাঁর যে জনপদ হতে বিতাড়িত করেছে তা অপেক্ষা অতি শক্তিশালী কত জনপদ ছিল, ওগুলোর অধিবাসীদেরকে আল্লাহ তাআলা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। কেননা, এদের মত তারাও তাঁর নবীদেরকে ( আঃ ) অবিশ্বাস করেছিল এবং তাঁর আদেশ নিষেধের বিরুদ্ধাচরণ করেছিল। সুতরাং এরা যে আল্লাহর প্রিয় রাসূল ( সঃ )-কে অবিশ্বাস করছে এবং তাঁকে বিভিন্ন প্রকারের কষ্ট দিচ্ছে, এদের পরিণাম কি হতে পারে? এই নবী ( সঃ ) তো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী! এটা স্বীকার করে নেয়া যেতে পারে যে, এই বিশ্বশান্তির দূত ( সঃ )-এর কল্যাণময় অস্তিত্বের কারণে পার্থিব শাস্তি হয় তো এদের উপর আসবে না, কি পারলৌকিক ভীষণ শাস্তি হতে এরা কোনক্রমেই রক্ষা পেতে পারে না।যখন মক্কাবাসী রাসূলুল্লাহ ( সঃ )-কে তাঁর প্রিয় জন্মভূমি হতে বিতাড়িত করে এবং তিনি গুহায় এসে আত্মগোপন করেন, ঐ সময় তিনি মক্কার দিকে মুখ করে বলেনঃ “ হে মক্কা! তুমি সমস্ত শহর হতে আল্লাহ তা'আলার নিকট অত্যধিক প্রিয় এবং অনুরূপভাবে আমার নিকটও তুমি সমস্ত শহর হতে অত্যন্ত প্রিয় । যদি মুশরিকরা আমাকে তোমার মধ্য হতে বের করে না দিতো তবে আমি কখনো তোমার মধ্য হতে বের হতাম না। ( এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ ) বর্ণনা করেছেন) সুতরাং যারা সীমালংঘনকারী, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সীমালংঘনকারী হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যে আল্লাহর সীমালংঘন করে, অথবা নিজের হন্তা ছাড়া অন্যকে হত্যা করে কিংবা অজ্ঞতা যুগের গোঁড়ামির উপর থেকে হত্যাকার্য চালিয়ে যায়। অতঃপর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবী ( সঃ )-এর উপর ...
( আরবী )-এই আয়াত অবতীর্ণ করেন।

সূরা মুহাম্মদ আয়াত 11 সূরা

ذلك بأن الله مولى الذين آمنوا وأن الكافرين لا مولى لهم

سورة: محمد - آية: ( 11 )  - جزء: ( 26 )  -  صفحة: ( 507 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে
  2. আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি
  3. যাদেরকে লোকেরা বলেছে যে, তোমাদের সাথে মোকাবেলা করার জন্য লোকেরা সমাবেশ করেছে বহু সাজ-সরঞ্জাম; তাদের
  4. লওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ।
  5. নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না।
  6. আর আমি যখন তোমাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং তুর পর্বতকে তোমাদের মাথার উপর তুলে
  7. অতঃপর তার পালনকর্তা তার দোয়া কবুল করে নিলেন। অতঃপর তাদের চক্রান্ত প্রতিহত করলেন। নিশ্চয় তিনি
  8. বলুন, হে আল্লাহ আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনিই আপনার বান্দাদের মধ্যে
  9. সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের একজন।
  10. যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তা˦#2503;দরকে ক্ষমা ও মহান প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মুহাম্মদ ডাউনলোড করুন:

সূরা Muhammad mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Muhammad শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত মুহাম্মদ  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Friday, June 5, 2026

Please remember us in your sincere prayers