কোরান সূরা মুরসালাত আয়াত 43 তাফসীর

  1. Mokhtasar
  2. Ahsanul Bayan
  3. AbuBakr Zakaria
  4. Ibn Kathir
Surah Mursalat ayat 43 Bangla tafsir - তাফসীর ইবনে কাসীর - Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান - Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স - বাংলা ভাষায় নোবেল কোরআনের অর্থের অনুবাদ উর্দু ভাষা ও ইংরেজি ভাষা & তাফসীর ইবনে কাসীর : সূরা মুরসালাত আয়াত 43 আরবি পাঠে(Mursalat).
  
   

﴿كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ﴾
[ المرسلات: 43]

বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর। [সূরা মুরসালাত: 43]

Surah Al-Mursalat in Bangla

জহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Mursalat ayat 43


''খাও আর পিয়ো মহানন্দে যা তোমরা করে চলেছিলে সেজন্য।’’


Tafsir Mokhtasar Bangla


৪৩. তাদের উদ্দেশ্যে বলা হবে, তোমরা দুনিয়ার জীবনে কৃত নেক আমলের বিনিময়ে পবিত্র জীবিকা ভক্ষণ করো এবং তৃপ্তিকর নিষ্কলুষ পানি পান করো।

Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান


তোমরা তোমাদের কর্মের পুরস্কার স্বরূপ তৃপ্তির সাথে পানাহার কর। [১] [১] এটা অনুগ্রহ স্বরূপ বলা হবে না। بِمَا كُنْتُمْ এ بَ হরফটি কারণ বর্ণনাকারীরূপে ব্যবহূত হয়েছে। অর্থাৎ, জান্নাতের এই নিয়ামতগুলো সেই নেক কাজগুলোর কারণে তোমরা পেয়েছ, যা তোমরা দুনিয়াতে করেছিলে। এর অর্থ হল, আল্লাহর যে রহমতের অসীলায় মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই রহমত লাভ করার মাধ্যম হল সৎকর্মাবলী। যারা সৎকর্ম ছাড়াই আল্লাহর রহমত ও তাঁর ক্ষমা পাওয়ার আশাবাদী, তাদের দৃষ্টান্ত ঠিক সেই চাষীর মত, যে জমিতে চাষ না দিয়েই এবং বীজ না বুনেই ফসল পাওয়ার আশাবাদী হয়ে বসে থাকে। অথবা তার মত যে নিম গাছের বীজ লাগিয়ে আঙ্গুর ফলের আশা রাখে।

Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স


তোমাদের কর্মের পুরস্কারস্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।’

Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর


৪১-৫০ নং আয়াতের তাফসীর উপরে অসৎ লোকদের শাস্তির বর্ণনা দেয়া হয়েছে, এখন এখানে সৎকর্মশীলদের পুরস্কারের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। যারা মুত্তাকী ও পরহেযগার ছিল, আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগীতে সদা লিপ্ত থাকতো, ফারায়েয ও ওয়াজেবাতের পাবন্দ থাকতো, আল্লাহর নাফরমানী ও হারাম কার্যাবলী হতে বেঁচে থাকতো, তারা কিয়ামতের দিন জান্নাতে থাকবে। এখানে নানা প্রকারের নহর জারী রয়েছে। পাপী ও অপরাধীরা কালো ও দুর্গন্ধময় ধূম্রের মধ্যে পরিবেষ্টিত থাকবে। আর পুণ্যবানরা জান্নাতের ঘন, ঠাণ্ডা ও পরিপূর্ণ ছায়ায় আরামে শুয়ে থাকবে। তাদের সামনে দিয়ে নির্মল প্রস্রবণ প্রবাহিত হবে। বিভিন্ন প্রকারের ফল-ফলাদি ও তরি-তরকারী বিদ্যমান থাকবে যেটা খাবার মন চাইবে খেতে পারবে। কোন বাধা প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। না কমে যাবার ভয় থাকবে, না ধ্বংস, না শেষ হয়ে যাবার আশংকা থাকবে। তারপর উৎসাহ বাড়াবার জন্যে ও মনের খুশী বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বার বার বলবেনঃ হে আমার প্রিয় বান্দারা! হে জান্নাত বাসীরা! তোমরা মনের আনন্দে তৃপ্তির সাথে পানাহার করতে থাকো। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি। হ্যাঁ, তবে মিথ্যা আরোপকারীদের জন্যে আজ বড়ই দুর্ভোগ!এরপর অবিশ্বাসকারীদেরকে ধমকের সুরে বলা হচ্ছেঃ তোমরা পানাহার কর ও ভোগ করে নাও অল্প কিছু দিন, তোমরা তো অপরাধী। সুতরাং সত্বরই এসব নিয়ামত শেষ ও ধ্বংস হয়ে যাবে এবং তোমাদেরকে মৃত্যুর ঘাটে অবতরণ করতে হবে। অতঃপর পরিণামে তোমরা জাহান্নামেই যাবে। তোমাদের দুষ্কর্ম ও অন্যায় কার্যকলাপের শাস্তি আল্লাহ তা'আলার নিকট তৈরী রয়েছে। পাপীরা তাঁর দৃষ্টির অন্তরালে নেই। যারা কিয়ামতকে বিশ্বাস করে না, তাঁর নবী ( সঃ )-কে মানে না এবং তাঁর ওহীকে অবিশ্বাস করে, তারা কিয়ামতের দিন কঠিন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের জন্যে বড়ই দুর্ভোগ! যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ পাক বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ “ অল্প কিছুদিন আমি তাদেরকে সুখ ভোগ করতে দিবো, অতঃপর তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তির দিকে আসতে বাধ্য করবো” ( ৩১:২৪ ) অন্য এক জায়গায় আল্লাহ্ পাক বলেনঃ ( আরবী )অর্থাৎ “নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করে তারা সফলকাম হয় । দুনিয়ায় তারা সামান্য কয়েক দিন সুখ ভোগ করবে মাত্র, অতঃপর আমার নিকটই তাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। তাদের কুফরীর কারণে আমি তাদেরকে কঠিন শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো।” ( ১০:৬৯-৭০ ) এরপর মহা মহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ এই অজ্ঞ অস্বীকারকারীদেরকে যখন বলা হয়ঃ তোমরা আল্লাহর সামনে নত হয়ে যাও, জামাআতের সাথে নামায আদায় কর, তখন তা হতেও তারা বিমুখ হয়ে যায় এবং ওটাকে ঘৃণার চক্ষে দেখে ও অহংকারের সাথে অস্বীকার করে বসে। এই মিথ্যা আরোপকারীদের জন্যে কিয়ামতের দিন বড়ই দুর্ভোগ ও বিপদ রয়েছে।এরপর মহান আল্লাহ্ বলেনঃ এ লোকগুলো যখন এই পাক কালামের উপর ঈমান আনয়ন করছে না তখন আর কোন্ কালামের উপর তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে! যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ পাক বলেনঃ ( আরবি )অর্থাৎ তারা আল্লাহর উপর ও তার আয়াতসমূহের উপর যখন ঈমান আনছে তখন আর কোন্ কালামের উপর তারা ঈমান আনয়ন করবে!” ( ৪৫:৬ )মুসনাদে ইবনে আবী হাতিমে হযরত আবূ হুরাইরা ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে। যে, রাসূলুল্লাহ( সঃ ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ( আরবি ) সূরাটি পাঠ করবে এবং ( আরবি )-এ আয়াতটিও পড়বে তখন সে যেন বলেঃ ( আরবি ) অর্থাৎ “ আমি আল্লাহর উপর এবং তিনি যা অবতীর্ণ করেছেন তার উপর ঈমান এনেছি” । এ হাদীসটি সূরা কিয়ামাহর তাফসীরে গত হয়েছে।

সূরা মুরসালাত আয়াত 43 সূরা

كلوا واشربوا هنيئا بما كنتم تعملون

سورة: المرسلات - آية: ( 43 )  - جزء: ( 29 )  -  صفحة: ( 581 )


English Türkçe Indonesia
Русский Français فارسی
تفسير Urdu اعراب

বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত

  1. ফেরআউন ও তার অমাত্যদের কাছে। অতঃপর তারা অহংকার করল এবং তারা উদ্ধত সম্প্রদায় ছিল।
  2. তিনিই সঠিকভাবে নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। যেদিন তিনি বলবেনঃ হয়ে যা, অতঃপর হয়ে যাবে। তাঁর কথা
  3. গোনাহগার ব্যতীত কেউ এটা খাবে না।
  4. কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়, তার পশ্চাদ্ধাবন করে উজ্জ্বল উল্কাপিন্ড।
  5. সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
  6. স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট
  7. এটা তোমার দুই হাতের কর্মের কারণে, আল্লাহ বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।
  8. আর আমি যখন তোমাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং তুর পর্বতকে তোমাদের মাথার উপর তুলে
  9. অতঃপর যখন তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহের মাধ্যমে দান করা হয়, তখন তাতে কার্পণ্য করেছে এবং কৃত
  10. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ

বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :

সুরত আল বাক্বারাহ্ আলে ইমরান সুরত আন-নিসা
সুরত আল-মায়েদাহ্ সুরত ইউসুফ সুরত ইব্রাহীম
সুরত আল-হিজর সুরত আল-কাহফ সুরত মারইয়াম
সুরত আল-হাজ্জ সুরত আল-ক্বাসাস আল-‘আনকাবূত
সুরত আস-সাজদা সুরত ইয়াসীন সুরত আদ-দুখান
সুরত আল-ফাতহ সুরত আল-হুজুরাত সুরত ক্বাফ
সুরত আন-নাজম সুরত আর-রাহমান সুরত আল-ওয়াক্বি‘আহ
সুরত আল-হাশর সুরত আল-মুলক সুরত আল-হাক্কাহ্
সুরত আল-ইনশিক্বাক সুরত আল-আ‘লা সুরত আল-গাশিয়াহ্

সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা মুরসালাত ডাউনলোড করুন:

সূরা Mursalat mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Mursalat শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আহমেদ আল-আজমি
আহমেদ আল-আজমি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস ইব্রাহীম আল-আখদার
ইব্রাহীম আল-আখদার
সুরত মুরসালাত  ভয়েস বান্দার বেলাইলা
বান্দার বেলাইলা
সুরত মুরসালাত  ভয়েস খালিদ গালিলি
খালিদ গালিলি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
সুরত মুরসালাত  ভয়েস খলিফা আল টুনাইজি
খলিফা আল টুনাইজি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস সাদ আল-গামদি
সাদ আল-গামদি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস সৌদ আল-শুরাইম
সৌদ আল-শুরাইম
সুরত মুরসালাত  ভয়েস সালাহ আবু খাতর
সালাহ বুখাতীর
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আবদুল বাসিত আব্দুল সামাদ
আবদ এল বাসেট
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আবদুল রশিদ সুফি
আবদুল রশিদ সুফি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
আব্দুল্লাহ্ বাস্‌ফার
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আবদুল্লাহ আওওয়াদ আল-জুহানী
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আলী আল-হুদায়েফি
আলী আল-হুদায়েফি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আলী জাবের
আলী জাবের
সুরত মুরসালাত  ভয়েস ফারেস আব্বাদ
ফারেস আব্বাদ
সুরত মুরসালাত  ভয়েস মাহের আলমাইকুলই
মাহের আলমাইকুলই
সুরত মুরসালাত  ভয়েস মোহাম্মদ আইয়ুব
মোহাম্মদ আইয়ুব
সুরত মুরসালাত  ভয়েস মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস মুহাম্মাদ জিব্রীল
মুহাম্মাদ জিব্রীল
সুরত মুরসালাত  ভয়েস মুহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাবি
আল-মিনশাবি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আল হোসারি
আল হোসারি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস আল-আফসী
মিশারী আল-আফসী
সুরত মুরসালাত  ভয়েস নাসের আল কাতামি
নাসের আল কাতামি
সুরত মুরসালাত  ভয়েস ইয়াসের আল-দোসারি
ইয়াসের আল-দোসারি


Tuesday, June 23, 2026

Please remember us in your sincere prayers