কোরান সূরা হাজ্জ আয়াত 77 তাফসীর
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ارْكَعُوا وَاسْجُدُوا وَاعْبُدُوا رَبَّكُمْ وَافْعَلُوا الْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ ۩﴾
[ الحج: 77]
হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু কর, সেজদা কর, তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর এবং সৎকাজ সম্পাদন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। [সূরা হাজ্জ: 77]
Surah Al-Hajj in Banglaজহুরুল হক সূরা বাংলা Surah Hajj ayat 77
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা রুকু করো ও সিজদা করো, আর তোমাদের প্রভুর এবাদত করো এবং ভালকাজ করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।
Tafsir Mokhtasar Bangla
৭৭. হে আল্লাহর উপর ঈমান আনয়নকারী ও তাঁর দেয়া শরীয়তের উপর আমলকারী মু’মিনরা! তোমরা নিজেদের সালাতে একমাত্র আল্লাহর জন্যই রুকু’ ও সাজদাহ করো। আর সাদাকা ও আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার ন্যায় কল্যাণের কাজগুলো করো। যাতে তোমরা উদ্দেশ্যে সফল ও ভয়ানক বস্তু থেকে নাজাত পেতে পারো।
Tafsir Ahsanul Bayan তাফসীরে আহসানুল বায়ান
হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা রুকূ কর, সিজদা কর[১] এবং তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত কর ও সৎকর্ম কর; যাতে তোমরা সফলকাম[২] হতে পার। [৩] ( সাজদাহ-ইমাম শাফেয়ীর মতে ) [১] অর্থাৎ, নামাযের প্রতি যত্নবান হও যা শরীয়তে বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইবাদতের আদেশও করা হয়েছে, যার মধ্যে নামাযও শামিল। কিন্তু নামাযের বিশেষ গুরুতত্ত্ব ও মর্যাদার দিক দিয়ে লক্ষ্য রেখে তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ হয়েছে।[২] অর্থাৎ, সফলতা আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর আনুগত্যে; অর্থাৎ সৎকর্ম সম্পাদনের মধ্যেই নিহিত রয়েছে। আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য হতে মুখ ফিরিয়ে শুধু দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও বিলাস-সামগ্রীর আধিক্যে সফলতা নেই; যেমন অধিকাংশ মানুষের ধারণা।[৩] এই আয়াত শেষে তিলাঅতের সিজদা করা মুস্তাহাব। সিজদার আহকাম জানতে সূরা আ'রাফের শেষ আয়াতের ৭:২০৬ টীকা দ্রষ্টব্য।
Tafsir Abu Bakr Zakaria bangla কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স
হে মুমিনগণ! তোমরা রুকূ‘ কর, সিজদা কর এবং তোমাদের রব-এর ‘ইবাদত কর ও সৎকাজ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার [ ১ ]। [ ১ ] অর্থাৎ সফল হতে হলে এ কাজগুলো করতে হবে। সালাত কায়েম করতে হবে, রুকু ও সিজদার মাধ্যমে, এ দু‘টি সালাতেরই গুরুত্বপূর্ণ রুকন। আর এ ইবাদতই হচ্ছে চক্ষু শীতলকারী, চিন্তান্বিত অন্তরের জন্য সান্ত্বনা। আর আল্লাহ্র রুবুবিয়াতে বিশ্বাসের এটাই দাবী যে, বান্দা একমাত্র তাঁরই ইবাদাত করবে এবং যাবতীয় কল্যাণের কাজ করবে। [ সা‘দী ]
Tafsir ibn kathir bangla তাফসীর ইবনে কাসীর
৭৭-৭৮ নং আয়াতের তাফসীর: এই দ্বিতীয় সিজদাটির ব্যাপারে দু’টি উক্তি রয়েছে। প্রথম সিজুদার জায়গায় আমরা ঐ হাদীসটি বর্ণনা করেছি যাতে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ সূরায়ে ‘হাজ্জ’কে দুটি সিজদার মাধ্যমে ফযীলত দান করা হয়েছে । যারা এ দুটো সিজদা করে না তারা যেন এই আয়াতটি না পড়ে।”আল্লাহ তাআলা রুকু সিজদা, ইবাদত ও সৎকর্মের হুকুম করার পর বলছেনঃ তোমরা তোমাদের জান, মাল ও কথা দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ কর এবং যেভাবে জিহাদ করা উচিত সেভাবেই কর। যেমন তিনি বলেছেনঃ ( আরবী ) “ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যেভাবে ভয় করা উচিত ।” তিনি তোমাদেরকে মনোনীত করেছেন। অন্যান্য উম্মত বর্গের উপর তিনি তোমাদেরকে মর্যাদা দান করেছেন। পূর্ণ রাসূল ( সঃ ) ও পূর্ণ শরীয়ত দানের মাধ্যমে তোমাদেরকে সম্মানিত করেছেন। তোমাদেরকে তিনি সহজ এবং উত্তম দ্বীন প্রদান করেছেন। এমন আহকাম তোমাদের উপর রাখেন নাই যা পালন করা তোমাদের পক্ষে কঠিন। এমন বোঝা তিনি তোমাদের উপর চাপিয়ে দেন নাই বহন করা তোমাদের সাধ্যাতিত।‘আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ ( সঃ ) তাঁর বান্দা ও রাসূল এ দুটি সাক্ষ্য দানের পর ইসলামের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রুকন হচ্ছে নামায। বাড়ীতে অবস্থানকালে চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয নামায চার রাকআতই পড়তে হয়। আর সফরে থাকাকালে চার রাকআতের স্থলে দু'রাকআত পড়ার নির্দেশ রয়েছে। ভয়ের নামায তো হাদীস অনুযায়ী মাত্র এক রাকআত পড়ার হুকুম আছে। ওটাও আবার পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীর উপর এবং কিবলামুখী হয়ে হোক কিংবা কিবলার দিকে মুখ না হোক। সফরের নফল নামাযেরও অনুরূপ হুকুম আছে যে, সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন নামায হয়ে যাবে। রুগ্ন ব্যক্তি বসে নামায পড়তে পারে এবং বসে না পারলে শুয়েও পড়তে পারে। অন্যান্য ফরয ও ওয়াজিব গুলোকেও মহান আল্লাহ সহজ সাধ্য করেছেন। এজন্যেই রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলতেনঃ “ আমি একনিষ্ঠ ও খুবই সহজ দ্বীন নিয়ে প্রেরিত হয়েছি ।রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) যখন হযরত মুআয ( রাঃ ) এবং হযরত আবু মূসাকে ( রাঃ ) ইয়ামানের আমীর নিযুক্ত করে পাঠান তখন তাদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেনঃ “ তোমরা ( জনগণকে ) সুসংবাদ দেবে, তাদের মধ্যে ঘৃণা সৃষ্টি করবে না এবং এমন কাজের হুকুম করবে যা পালন করা তাদের পক্ষে সহজ সাধ্য হয়, কঠিন না হয় । এই বিষয় সম্পৰ্কীয় বহু হাদীস রয়েছে। হযরত ইবনু আব্বাস ( রাঃ ) এই আয়াতের নিম্নরূপ তাফসীরই করেছেনঃ “ তোমাদের দ্বীনে কোন সংকীর্ণতা কঠোরতা নেই ।” ইমাম ইবনু জারীর ( রঃ ) বলেন যে, ( আরবী ) এর ( আরবী ) উপর ( আরবী ) বা যবর দেয়া হয়েছে ( আরবী ) হিসেবে। এটা যেন ( আরবী ) এইরূপ ছিল। আবার ( আরবী ) কে উহ্য মেনে নিয়ে ( আরবী ) কে ওর ( আরবী ) হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এই অবস্থায় এটা ( আরবী ) এই আয়াতের মত হয়ে যাবে।মহান আল্লাহর উক্তিঃ তিনি পূর্বে তোমাদের নামকরণ করেছেন মুসলিম। অর্থাৎ আল্লাহ তাআ'লা হযরত ইবরাহীমেরও ( আঃ ) পূর্বে মুসলিম নামকরণ করেন। কেননা, তার প্রার্থনা ছিলঃ “ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ( দু’জন অর্থাৎ হযরত ইবরাহীম (আঃ ) ও হযরত ইসমাঈল ( আঃ ) এবং আমাদের সন্তানদের মধ্য হতে একটি দলকে ‘মুসলিম বানিয়ে দিন । কিন্তু ইমাম ইবনু জারীর ( রঃ ) বলেন এই উক্তিটি সঠিক বলে বিবেচিত হচ্ছে না। যে, পূর্বে দ্বারা হযরত ইবরাহীমের ( আঃ ) পূর্বে বুঝানো হয়েছে। কেননা এটা প্রকাশমান যে, হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) এই উম্মতের নাম এই কুরআনে ‘মুসলিম রাখেন নাই। তাহলে পূর্বে দ্বারা অর্থ হবেঃ পূর্ববর্তী কিতাব সমূহে, যিকরে এবং এই পবিত্র শেষ কিতাবে।” হযরত মুজাহিদ ( রঃ ) প্রভৃতি গুরুজনেরও উক্তি এটাই। আর এটা সঠিকও বটে। কেননা ইতিপূর্বে এই উম্মতের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা করা হয়েছে। এবং তাদের দ্বীন সহজ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। অতঃপর এই দ্বীনের প্রতি আরো বেশী অকির্ষণ সৃষ্টি করার জন্যে বলা হচ্ছেঃ এটা হলো ঐ দ্বীন যা হযরত ইবরাহীম ( আঃ ) আনয়ন করেছিলেন।এরপর এই উম্মতের বুযুর্গীর জন্যে এবং তাদেরকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের বর্ণনা আমার পূর্ববর্তী কিতাব সমূহেও ছিল। যুগ যুগ ধরে নবীদের ( আঃ ) আসমানী কিতাবসমূহে তোমাদের আলোচনা হতে থেকেছে। পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের পাঠকরা তোমাদের সম্পর্কে পূর্ণ ওয়াকিফহাল। সুতরাং এই কুরআনের পূর্বে এবং এই কুরআনেও তোমাদের নাম ‘মুসলিম'। আর এই নামকরণ করেছেন স্বয়ং আল্লাহ।হযরত হারিস আশআরী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) বলেছেনঃ “ যে ব্যক্তি অজ্ঞতার দাবী এখনও করে ( অর্থাৎ বাপ-দাদার উপর এবং বংশের উপর গর্ব প্রকাশ করে; আর অন্যান্য মুসলমানদেরকে ইতর ও তুচ্ছ জ্ঞান করে ) সে জাহান্নামের ইন্ধন ।” তখন একটি লোক জিজ্ঞেস করেঃ “ হে আল্লাহর রাসূল ( সঃ )! যদিও সে রোযা রাখে ও নামায পড়ে ( তবুও কি ) ?" উত্তরে তিনি বলেনঃ “হা ,হাঁ' । যদিও সে রোযাদার হয় এবং নামাযীও হয় ( তবুও সে জাহান্নামের ইন্ধন হবে )।” সুতরাং আল্লাহ তাআলা তোমাদের যে নাম রেখেছেন সেই নামেই ডাকো। তা হলো ‘মুসলেমীন', ‘মুমিনীন' এবং ইবাদুল্লাহ'।" ( ইমাম নাসাঈ (রঃ ) এই আয়াতের তাফসীরে এ হাদীসটি আনয়ন করেছেন) সূরায়ে বাকারার। এই আয়াতের তাফসীরে আমরা এই হাদীসটিকে পূর্ণ রূপে বর্ণনা করেছি। মহান আল্লাহর উক্তিঃ আমি তোমাদেরকে ন্যায়পরায়ণ এবং উত্তম উম্মত এ জন্যেই বানিয়েছি এবং এজন্যেই আমি তোমাদের সুখ্যাতি অন্যান্য সমস্ত উম্মতের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছি যাতে তোমরা কিয়ামতের দিন মানব জাতির জন্যে সাক্ষীস্বরূপ হও। পূর্ববর্তী সমস্ত উম্মত উম্মতে মুহাম্মদীর ( সঃ ) শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা স্বীকার করবে। এই উম্মত সমস্ত উম্মতের উপর নেতৃত্ব লাভ করেছে। এই জন্যেই এই উম্মতের সাক্ষ্য অন্যান্য উম্মত বর্গের উপর ধর্তব্য হবে। তাদের সাক্ষ্য হবে এটাই যে, পূর্ববর্তী উম্মত বর্গের কাছে তাদের নব্বীরা ( আঃ ) আল্লাহর পয়গাম পৌছিয়ে দিয়েছিলেন। আর এই উম্মতের উপর স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ( সঃ ) সাক্ষ্য প্রদান করবেন যে, তিনি তাদের কাছে আল্লাহর দ্বীন পৌছিয়ে দিয়েছেন এবং রিসালাতের দায়িত্ব তিনি পূর্ণভাবে পালন করেছেন। এই ব্যাপারে যতগুলি হাদীস রয়েছে এবং যত কিছু তাফসীর আছে সবই আমরা সূরায়ে বাকারার সপ্তদশ রুকুর ( আরবী ) ( ২:১৪৩ ) এই আয়াতের তাফসীরে লিখে এসেছি। সুতরাং এখানে পুনরাবৃত্তির কোন প্রয়োজন নেই। সেখানে আমরা হযরত নূহ ( আঃ ) এবং তাঁর উম্মতের ঘটনাও বর্ণনা করেছি।আল্লাহ তাআলার উক্তি সুতরাং তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে অবলম্বন কর। অর্থাৎ এত বড় নিয়ামতের অধিকারী যিনি তোমাদেরকে করেছেন তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। এর পন্থা এই যে, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর যা কিছু ফরয করেছেন তা অতি আগ্রহের সাথে খুশী মনে তোমরা পালন কর। বিশেষ করে নামায ও যাকাতের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হবে। আল্লাহ তাআলা যা কিছু ওয়াজিব করেছেন তা আন্তরিক মুহাব্বতের সাথে পালন কর। যা কিছু তিনি হারাম করেছেন তার কাছেও যেয়ো না। সুতরাং নামায, যা নির্ভেজাল আল্লাহরই জন্যে এবং যাকাত, যার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত ছাড়াও তার সৃষ্টজীবের প্রতিও ইহসান করা হয়, ধনী লোকেরা তাদের মালের একটা অংশ সন্তুষ্ট চিত্তে দরিদ্রদেরকে দান করে, এতে তাদের কাজ চলে, মনে তৃপ্তি আসে। এতেও মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সহজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অংশও কম এবং বছরে মাত্র একবার।যাকাতের সমস্ত নিয়ম কানুন সূরায়ে তাওবা’র ( আরবী ) ( ৯:৬০ ) এই আয়াতের তাফসীরে আমরা বর্ণনা করে দিয়েছি। আল্লাহ তাবারাকা ওয়াতাআলা বলেনঃ আল্লাহকে অবলম্বন কর। তাঁর উপর পূর্ণ ভরসা রাখো। তোমাদের সমস্ত কাজে তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। সব সময় তাঁর উপরই নির্ভর কর। তারই সাহায্য সহায়তা ও পৃষ্ঠ পোষকতার প্রতি দৃষ্টি রাখো।মহামহিমান্বিত আল্লাহর উক্তিঃ তিনিই তোমাদের অভিভাবক। তিনিই তোমাদের রক্ষক। তিনিই তোমাদের সহায়ক। তোমাদেরকে তোমাদের শত্রুদের উপর বিজয় দানকারী তিনিই। তিনিই সর্বোত্তম অভিভাবক। তিনি যার অভিভাবক হন, তার আর কোন অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। সর্বোত্তম সাহায্যকারী তিনিই। দুনিয়ার সবাই যদি শত্রু হয়ে যায় তাতেও কোন যায় আসে না। সবারই উপর তিনি পূর্ণ ক্ষমতাবান। তিনি সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী।মুসনাদে ইবনু আবি হাতিমে হযরত ওয়াহীব ইবনু অরূদ ( রাঃ ) হতে। বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “ হে ইবনু আদম! তোমার ক্রোধের সময় তুমি আমাকে স্মরণ করো, তা হলে আমিও আমার ক্রোধের সময় তোমাকে ক্ষমা করে দেবো । আর যাদের উপর আমার শাস্তি অবতীর্ণ হবে তাদের মধ্য থেকে আমি তোমাকে রক্ষা করবো। ধ্বংস প্রাপ্তদের সাথে আমি তোমাকে ধ্বংস করবো না। হে আদম সন্তান! যখন তোমার উপর যুলুম করা হয় তখন তুমি ধৈর্য ধারণ কর, আমার প্রতি দৃষ্টিপাত কর এবং আমার সাহায্যের উপর ভরসা রাখো ও আমার সাহায্যের উপর সন্তুষ্ট থাকো। জেনে রেখো যে, তুমি তোমার নিজেকে সাহায্য করবে এর চেয়ে আমিই তোমাকে সাহায্য করবে এটাই উত্তম।” এ সব ব্যাপারে সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।
সূরা হাজ্জ আয়াত 77 সূরা
| English | Türkçe | Indonesia |
| Русский | Français | فارسی |
| تفسير | Urdu | اعراب |
বাংলায় পবিত্র কুরআনের আয়াত
- এরা দোদুল্যমান অবস্থায় ঝুলন্ত; এদিকেও নয় ওদিকেও নয়। বস্তুতঃ যাকে আল্লাহ গোমরাহ করে দেন, তুমি
- তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।
- এদেরকে এবং ওদেরকে প্রত্যেককে আমি আপনার পালনকর্তার দান পৌছে দেই এবং আপনার পালকর্তার দান অবধারিত।
- কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
- সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখান থেকে স্থান পরিবর্তন করতে চাইবে না।
- যখন আমি একদল জিনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম, তারা কোরআন পাঠ শুনছিল,। তারা যখন কোরআন
- বলে দিন, তোমরা যদি মনের কথা গোপন করে রাখ অথবা প্রকাশ করে দাও, আল্লাহ সে
- তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে ‘যানজাবীল’ মিশ্রিত পানপাত্র।
- পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের
- যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,
বাংলায় কোরআনের সূরা পড়ুন :
সবচেয়ে বিখ্যাত কোরআন তেলাওয়াতকারীদের কণ্ঠে সূরা হাজ্জ ডাউনলোড করুন:
সূরা Hajj mp3 : উচ্চ মানের সাথে সম্পূর্ণ অধ্যায়টি Hajj শুনতে এবং ডাউনলোড করতে আবৃত্তিকারকে বেছে নিন
আহমেদ আল-আজমি
ইব্রাহীম আল-আখদার
বান্দার বেলাইলা
খালিদ গালিলি
হাতেম ফরিদ আল ওয়ার
খলিফা আল টুনাইজি
সাদ আল-গামদি
সৌদ আল-শুরাইম
সালাহ বুখাতীর
আবদ এল বাসেট
আবদুল রশিদ সুফি
আব্দুল্লাহ্ বাস্ফার
আবদুল্লাহ আল-জুহানী
আলী আল-হুদায়েফি
আলী জাবের
ফারেস আব্বাদ
মাহের আলমাইকুলই
মোহাম্মদ আইয়ুব
মুহাম্মদ আল-মুহাইসনি
মুহাম্মাদ জিব্রীল
আল-মিনশাবি
আল হোসারি
মিশারী আল-আফসী
নাসের আল কাতামি
ইয়াসের আল-দোসারি
Please remember us in your sincere prayers



