পবিত্র কুরআনে আল্লাহর প্রতিশ্রুতি মুমিনদের প্রতি সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(82) পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 82  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 12
(112) হাঁ, যে ব্যক্তি নিজেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সমর্পন করেছে এবং সে সৎকর্মশীলও বটে তার জন্য তার পালনকর্তার কাছে পুরস্কার বয়েছে। তাদের ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 112  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 17
(218) আর এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে আর আল্লাহর পথে লড়াই (জেহাদ) করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী করুনাময়।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 218  - পারা: 2 - পৃষ্ঠা: 34
(277) নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যাকাত দান করেছে, তাদের জন্যে তাদের পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কছে রয়েছে। তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 277  - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 47
(57) পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে। তাদের প্রাপ্য পরিপুর্ণভাবে দেয়া হবে। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 57  - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 57
(107) আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে। তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 107  - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 63
(179) নাপাককে পাক থেকে পৃথক করে দেয়া পর্যন্ত আল্লাহ এমন নন যে, ঈমানদারগণকে সে অবস্থাতেই রাখবেন যাতে তোমরা রয়েছ, আর আল্লাহ এমন নন যে, তোমাদিগকে গায়বের সংবাদ দেবেন। কিন্তু আল্লাহ স্বীয় রসূল গণের মধ্যে যাকে ইচ্ছা বাছাই করে নিয়েছেন। সুতরাং আল্লাহর ওপর এবং তাঁর রসূলগণের ওপর তোমরা প্রত্যয় স্থাপন কর। বস্তুতঃ তোমরা যদি বিশ্বাস ও পরহেযগারীর ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকে থাক, তবে তোমাদের জন্যে রয়েছে বিরাট প্রতিদান।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 179  - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 73
(57) আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, অবশ্য আমি প্রবিষ্ট করাব তাদেরকে জান্নাতে, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহর সমূহ। সেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। সেখানে তাদের জন্য থাকবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্ত্রীগণ। তাদেরকে আমি প্রবিষ্ট করব ঘন ছায়া নীড়ে।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 57  - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 87
(122) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, আমি তাদেরকে উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করাব, যেগুলোর তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়। তারা চিরকাল তথায় অবস্থান করবে। আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সত্য সত্য। আল্লাহর চাইতে অধিক সত্যবাদী কে?
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 122  - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 98
(146) অবশ্য যারা তওবা করে নিয়েছে, নিজেদের অবস্থার সংস্কার করেছে এবং আল্লাহর পথকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে আল্লাহর ফরমাবরদার হয়েছে, তারা থাকবে মুসলমানদেরই সাথে। বস্তুতঃ আল্লাহ শীঘ্রই ঈমানদারগণকে মহাপূণ্য দান করবেন।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 146  - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 101
(152) আর যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর রসূলের উপর এবং তাঁদের কারও প্রতি ঈমান আনতে গিয়ে কাউকে বাদ দেয়নি, শীঘ্রই তাদেরকে প্রাপ্য সওয়াব দান করা হবে। বস্তুতঃ আল্লাহ ক্ষমাশীল দয়ালু।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 152  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 102
(162) কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা তাও মান্য করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো মহাপুণ্য।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 162  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 103
(173) অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে পরিপূর্ণ সওয়াব দান করবেন, বরং স্বীয় অনুগ্রহে আরো বেশী দেবেন। পক্ষান্তরে যারা লজ্জাবোধ করেছে এবং অহঙ্কার করেছে তিনি তাদেরকে দেবেন বেদনাদায়ক আযাব। আল্লাহকে ছাড়া তারা কোন সাহায্যকারী ও সমর্থক পাবে না।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 173  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 105
(175) অতএব, যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং তাতে দৃঢ়তা অবলম্বন করেছে তিনি তাদেরকে স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহের আওতায় স্থান দেবেন এবং নিজের দিকে আসার মত সরল পথে তুলে দেবেন।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 175  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 105
(9) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তা˦#2503;দরকে ক্ষমা ও মহান প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 9  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 108
(42) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে আমি কাউকে তার সামর্থ্যের চাইতে বেশী বোঝা দেই না। তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা তাতেই চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 42  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 155
(44) জান্নাতীরা দোযখীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের সাথে আমাদের প্রতিপালক যে ওয়াদা করেছিলেন, তা আমরা সত্য পেয়েছি? অতএব, তোমরাও কি তোমাদের প্রতিপালকের ওয়াদা সত্য পেয়েছ? তারা বলবেঃ হ্যাঁ। অতঃপর একজন ঘোষক উভয়ের মাঝখানে ঘোষণা করবেঃ আল্লাহর অভিসম্পাত জালেমদের উপর।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 44  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 156
(2) যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে।
(3) সে সমস্ত লোক যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।
(4) তারাই হল সত্যিকার ঈমানদার! তাদের জন্য রয়েছে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রুযী।
সূরা: Al-Anfāl - আয়াত: 2-3-4 - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 177
(71) আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী।
(72) আল্লাহ ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেনে কানন-কুঞ্জের, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণ। তারা সে গুলোরই মাঝে থাকবে। আর এসব কানন-কুঞ্জে থাকবে পরিচ্ছন্ন থাকার ঘর। বস্তুতঃ এ সমুদয়ের মাঝে সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। এটিই হল মহান কৃতকার্যতা।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 71-72 - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 198
(100) আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 100  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 203
(2) মানুষের কাছে কি আশ্চর্য লাগছে যে, আমি ওহী পাঠিয়েছি তাদেরই মধ্য থেকে একজনের কাছে যেন তিনি মানুষকে সতর্ক করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন ঈমনাদারগণকে যে, তাঁদের জন্য সত্য মর্যাদা রয়েছে তাঁদের পালনকর্তার কাছে। কাফেররা বলতে লাগল, নিঃসন্দেহে এ লোক প্রকাশ্য যাদুকর।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 2  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 208
(4) তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে তোমাদের সবাইকে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য, তিনিই সৃষ্টি করেন প্রথমবার আবার পুনর্বার তৈরী করবেন তাদেরকে বদলা দেয়ার জন্য যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে ইনসাফের সাথে। আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের পান করতে হবে ফুটন্ত পানি এবং ভোগ করতে হবে যন্ত্রনাদায়ক আযাব এ জন্যে যে, তারা কুফরী করছিল।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 4  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 208
(9) অবশ্য যেসব লোক ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তাদেরকে হেদায়েত দান করবেন তাদের পালনকর্তা, তাদের ঈমানের মাধ্যমে। এমন সুসময় কানন-কুঞ্জের প্রতি যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণসমূহ।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 9  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 209
(103) অতঃপর আমি বাঁচিয়ে নেই নিজের রসূলগণকে এবং তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এমনিভাবে। ঈমানদারদের বাঁচিয়ে নেয়া আমার দায়িত্বও বটে।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 103  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 220
(23) নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে এবং স্বীয় পালনকর্তার সমীপে বিনতি প্রকাশ করেছে তারাই বেহেশতবাসী, সেখানেই তারা চিরকাল থাকবে।
সূরা: Hūd - আয়াত: 23  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 224
(109) অতএব, তারা যেসবের উপাসনা করে তুমি সে ব্যাপারে কোনরূপ ধোঁকায় পড়বে না। তাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদারা যেমন পূজা উপাসনা করত, এরাও তেমন করছে। আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ কিছু মাত্রও কম না করেই পুরোপুরি দান করবো।
সূরা: Hūd - আয়াত: 109  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 234
(19) যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 19  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 252
(24) বলবেঃ তোমাদের সবরের কারণে তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আর তোমাদের এ পরিণাম-গৃহ কতই না চমৎকার।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 24  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 252
(27) কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন কেন অবতীর্ণ হলো না? বলে দিন, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যে, মনোনিবেশ করে, তাকে নিজের দিকে পথপ্রদর্শন করেন।
(28) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।
(29) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ এবং মনোরম প্রত্যাবর্তণস্থল।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 27-28-29 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 252
(23) এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 23  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 258
(27) আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 27  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 259
(9) এই কোরআন এমন পথ প্রদর্শন করে, যা সর্বাধিক সরল এবং সৎকর্ম পরায়ণ মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 9  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 283
(2) একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন যা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি ভীষণ বিপদের ভয় প্রদর্শন করে এবং মুমিনদেরকে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করে-তাদেরকে সুসংবাদ দান করে যে, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান রয়েছে।
(3) তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 2-3 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 293
(30) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার নষ্ট করি না।
(31) তাদেরই জন্যে আছে বসবাসের জান্নাত। তাদের পাদদেশে প্রবাহিত হয় নহরসমূহ। তাদের তথায় স্বর্ণ-কংকনে অলংকৃত করা হবে এবং তারা পাতলা ও মোটা রেশমের সবুজ কাপর পরিধান করবে এমতাবস্থায় যে, তারা সিংহাসনে সমাসীন হবে। চমৎকার প্রতিদান এবং কত উত্তম আশ্রয়।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 30-31 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 297
(107) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 107  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 304
(60) কিন্তু তারা ব্যতীত, যারা তওবা করেছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে। সুতরাং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের উপর কোন জুলুম করা হবে না।
সূরা: Maryam - আয়াত: 60  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 309
(96) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদেরকে দয়াময় আল্লাহ ভালবাসা দেবেন।
সূরা: Maryam - আয়াত: 96  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 312
(75) আর যারা তাঁর কাছে আসে এমন ঈমানদার হয়ে যায় সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্তবা।
(76) বসবাসের এমন পুষ্পোদ্যান রয়েছে যার তলদেশে দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে এটা তাদেরই পুরস্কার, যারা পবিত্র হয়।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 75-76 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 316
(112) যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 112  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 319
(94) অতঃপর যে বিশ্বাসী অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার প্রচেষ্টা অস্বীকৃত হবে না এবং আমি তা লিপিবদ্ধ করে রাখি।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 94  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 330
(101) যাদের জন্য প্রথম থেকেই আমার পক্ষ থেকে কল্যাণ নির্ধারিত হয়েছে তারা দোযখ থেকে দূরে থাকবে।
(102) তারা তার ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে।
(103) মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 101-102-103 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 330
(14) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরণীসমূহ প্রবাহিত হয়। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 14  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 333
(23) নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন উদ্যান সমূহে, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হবে। তাদেরকে তথায় স্বর্ণ-কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হবে এবং তথায় তাদের পোশাক হবে রেশমী।
(24) তারা পথপ্রদর্শিত হয়েছিল সৎবাক্যের দিকে এবং পরিচালিত হয়েছিল প্রশংসিত আল্লাহর পথপানে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 23-24 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 334
(50) সুতরাং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে আছে পাপ মার্জনা এবং সম্মানজনক রুযী।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 50  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 338
(56) রাজত্ব সেদিন আল্লাহরই; তিনিই তাদের বিচার করবেন। অতএব যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তারা নেয়ামত পূর্ণ কাননে থাকবে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 56  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 339
(1) মুমিনগণ সফলকাম হয়ে গেছে,
(2) যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র;
(3) যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত,
(4) যারা যাকাত দান করে থাকে
(5) এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।
(6) তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 342
(11) তারা শীতল ছায়াময় উদ্যানের উত্তরাধিকার লাভ করবে। তারা তাতে চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 11  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 342
(57) নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তার ভয়ে সন্ত্রস্ত,
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 57  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 345
(61) তারাই কল্যাণ দ্রুত অর্জন করে এবং তারা তাতে অগ্রগামী।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 61  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 346
(38) (তারা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে) যাতে আল্লাহ তাদের উৎকৃষ্টতর কাজের প্রতিদান দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও অধিক দেন। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রুযী দান করেন।
সূরা: An-Nūr - আয়াত: 38  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 355
(52) যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর শাস্তি থেকে বেঁচে থাকে তারাই কৃতকার্য।
সূরা: An-Nūr - আয়াত: 52  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 356
(24) সেদিন জান্নাতীদের বাসস্থান হবে উত্তম এবং বিশ্রামস্থল হবে মনোরম।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 24  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 362
(63) রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 63  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 365
(76) তথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে। অবস্থানস্থল ও বাসস্থান হিসেবে তা কত উত্তম।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 76  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 366
(2) মুমিনদের জন্যে পথ নির্দেশ ও সুসংবাদ।
সূরা: An-Naml - আয়াত: 2  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 377
(67) তবে যে তওবা করে, বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আশা করা যায়, সে সফলকাম হবে।
সূরা: Al-Qaṣaṣ - আয়াত: 67  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 393
(7) আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজ গুলো মিটিয়ে দেব এবং তাদেরকে কর্মের উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দেব।
সূরা: Al-‘Ankabūt - আয়াত: 7  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 397
(58) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদে স্থান দেব, যার তলদেশে প্রস্রবণসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। কত উত্তম পুরস্কার কর্মীদের।
সূরা: Al-‘Ankabūt - আয়াত: 58  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 403
(15) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে;
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 15  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 405
(44) যে কুফরী করে, তার কফুরের জন্যে সে-ই দায়ী এবং যে সৎকর্ম করে, তারা নিজেদের পথই শুধরে নিচ্ছে।
(45) যারা বিশ্বাস করেছে ও সৎকর্ম করেছে যাতে, আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে প্রতিদান দেন। নিশ্চয় তিনি কাফেরদের ভালবাসেন না।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 44-45 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 409
(8) যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতে ভরা জান্নাত।
সূরা: Luqmān - আয়াত: 8  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 411
(15) কেবল তারাই আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে, যারা আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশপ্রাপ্ত হয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং অহংকারমুক্ত হয়ে তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে।
(16) তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
(17) কেউ জানে না তার জন্যে কৃতকর্মের কি কি নয়ন-প্রীতিকর প্রতিদান লুক্কায়িত আছে।
(18) ঈমানদার ব্যক্তি কি অবাধ্যের অনুরূপ? তারা সমান নয়।
(19) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে তাদের কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের জান্নাত।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 15-16-17-18-19 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 416
(23) মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি।
(24) এটা এজন্য যাতে আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 23-24 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 421
(35) নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালণকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, , যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 35  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 422
(44) যেদিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে; সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি তাদের জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 44  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 424
(47) আপনি মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিরাট অনুগ্রহ রয়েছে।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 47  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 424
(4) তিনি পরিণামে যারা মুমিন ও সৎকর্ম পরায়ণ, তাদেরকে প্রতিদান দেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মান জনক রিযিক।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 4  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 428
(37) তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করবে না। তবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তারা তাদের কর্মের বহুগুণ প্রতিদান পাবে এবং তারা সুউচ্চ প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 37  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 432
(7) যারা কুফর করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 7  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 435
(32) অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছি। তাদের কেউ কেউ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেউ মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর নির্দেশক্রমে কল্যাণের পথে এগিয়ে গেছে। এটাই মহা অনুগ্রহ।
(33) তারা প্রবেশ করবে বসবাসের জান্নাতে। তথায় তারা স্বর্ণনির্মিত, মোতি খচিত কংকন দ্বারা অলংকৃত হবে। সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের।
(34) আর তারা বলবে-সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের দূঃখ দূর করেছেন। নিশ্চয় আমাদের পালনকর্তা ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।
(35) যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদেরকে বসবাসের গৃহে স্থান দিয়েছেন, তথায় কষ্ট আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং স্পর্শ করে না ক্লান্তি।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 32-33-34-35 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 438
(11) আপনি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারেন, যারা উপদেশ অনুসরণ করে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দিন ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের।
সূরা: Yā-Sīn - আয়াত: 11  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 440
(40) তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 40  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 447
(49) যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 49  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 447
(17) যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে।
(18) যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
সূরা: Az-Zumar - আয়াত: 17-18 - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 460
(7) যারা আরশ বহন করে এবং যারা তার চারপাশে আছে, তারা তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছুতে পরিব্যাপ্ত। অতএব, যারা তওবা করে এবং আপনার পথে চলে, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
(8) হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পত্নী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
(9) এবং আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 7-8-9 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 467
(8) নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 8  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 477
(22) আপনি কাফেরদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা মুমিন ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার।
(23) এরই সুসংবাদ দেন আল্লাহ তার সেসব বান্দাকে, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে। বলুন, আমি আমার দাওয়াতের জন্যে তোমাদের কাছে কেবল আত্নীয়তাজনিত সৌহার্দ চাই। যে কেউ উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্যে তাতে পুণ্য বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, গুণগ্রাহী।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 22-23 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 485
(26) তিনি মুমিন ও সৎকর্মীদের দোয়া শোনেন এবং তাদের প্রতি স্বীয় অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেন। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 26  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 486
(36) অতএব, তোমাদেরকে যা দেয়া হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ মাত্র। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, তা উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী তাদের জন্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও তাদের পালনকর্তার উপর ভরসা করে।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 36  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 487
(40) আর মন্দের প্রতিফল তো অনুরূপ মন্দই। যে ক্ষমা করে ও আপোষ করে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে; নিশ্চয় তিনি অত্যাচারীদেরকে পছন্দ করেন নাই।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 40  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 487
(68) হে আমার বান্দাগণ, তোমাদের আজ কোন ভয় নেই এবং তোমরা দুঃখিতও হবে না।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 68  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 494
(73) তথায় তোমাদের জন্যে আছে প্রচুর ফল-মূল, তা থেকে তোমরা আহার করবে।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 73  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 494
(30) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে তাদের পালনকর্তা স্বীয় রহমতে দাখিল করবেন। এটাই প্রকাশ্য সাফল্য।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 30  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(13) নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ অতঃপর অবিচল থাকে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত হবে না।
(14) তারাই জান্নাতের অধিকারী! তারা তথায় চিরকাল থাকবে। তারা যে কর্ম করত, এটা তারই প্রতিফল।
সূরা: Al-Aḥqāf - আয়াত: 13-14 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 503
(2) আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, আল্লাহ তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।
সূরা: Muḥammad - আয়াত: 2  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 507
(12) যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার নিম্নদেশে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। আর যারা কাফের, তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং চতুস্পদ জন্তুর মত আহার করে। তাদের বাসস্থান জাহান্নাম।
সূরা: Muḥammad - আয়াত: 12  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 508
(4) তিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরও ঈমান বেড়ে যায়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
(5) ঈমান এজন্যে বেড়ে যায়, যাতে তিনি ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করান, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে এবং যাতে তিনি তাদের পাপ মোচন করেন। এটাই আল্লাহর কাছে মহাসাফল্য।
সূরা: Al-Fatḥ - আয়াত: 4-5 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 511
(29) মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন । তওরাতে তাদের অবস্থা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্থা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন।
সূরা: Al-Fatḥ - আয়াত: 29  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 515
(7) তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু আল্লাহ তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।
সূরা: Al-Ḥujurāt - আয়াত: 7  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 516
(15) তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন-সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।
সূরা: Al-Ḥujurāt - আয়াত: 15  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 517
(21) যারা ঈমানদার এবং যাদের সন্তানরা ঈমানে তাদের অনুগামী, আমি তাদেরকে তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করব না। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃত কর্মের জন্য দায়ী।
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 21  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 524
(28) আমরা পূর্বেও আল্লাহকে ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম দয়ালু।
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 28  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 524
(31) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর, যাতে তিনি মন্দকর্মীদেরকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেন এবং সৎকর্মীদেরকে দেন ভাল ফল।
(32) যারা বড় বড় গোনাহ ও অশ্লীলকার্য থেকে বেঁচে থাকে ছোটখাট অপরাধ করলেও নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার ক্ষমা সুদূর বিস্তৃত। তিনি তোমাদের সম্পর্কে ভাল জানেন, যখন তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মৃত্তিকা থেকে এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে কচি শিশু ছিলে। অতএব তোমরা আত্নপ্রশংসা করো না। তিনি ভাল জানেন কে সংযমী।
সূরা: An-Najm - আয়াত: 31-32 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 527
(46) যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 46  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(74) কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 74  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(10) অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 10  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(40) এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 40  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 535
(88) যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 88  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(91) তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 91  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(12) যেদিন আপনি দেখবেন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে, তাদের সম্মুখ ভাগে ও ডানপার্শ্বে তাদের জ্যোতি ছুটোছুটি করবে বলা হবেঃ আজ তোমাদের জন্যে সুসংবাদ জান্নাতের, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
সূরা: Al-Ḥadīd - আয়াত: 12  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 539
(21) তোমরা অগ্রে ধাবিত হও তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে, যা আকাশ ও পৃথিবীর মত প্রশস্ত। এটা প্রস্তুত করা হয়েছে আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণের প্রতি বিশ্বাসস্থাপনকারীদের জন্যে। এটা আল্লাহর কৃপা, তিনি যাকে ইচ্ছা, এটা দান করেন। আল্লাহ মহান কৃপার অধিকারী।
সূরা: Al-Ḥadīd - আয়াত: 21  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 540
(22) যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে।
সূরা: Al-Mujādilah - আয়াত: 22  - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 545
(9) সেদিন অর্থাৎ, সমাবেশের দিন আল্লাহ তোমাদেরকে সমবেত করবেন। এ দিন হার-জিতের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তার পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার তলদেশে নির্ঝরিনীসমূহ প্রবাহিত হবে, তারা তথায় চিরকাল বসবাস করবে। এটাই মহাসাফল্য।
সূরা: At-Taghābun - আয়াত: 9  - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 556
(10) আল্লাহ তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন।
(11) একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে বিশ্বাসী ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।
সূরা: Aṭ-Ṭalāq - আয়াত: 10-11 - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 559
(8) মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা’আলার কাছে তওবা কর-আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ নবী এবং তাঁর বিশ্বাসী সহচরদেরকে অপদস্থ করবেন না। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। তারা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব শক্তিমান।
সূরা: At-Taḥrīm - আয়াত: 8  - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 561
(19) অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 19  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(24) বিগত দিনে তোমরা যা প্রেরণ করেছিলে, তার প্রতিদানে তোমরা খাও এবং পান কর তৃপ্তি সহকারে।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 24  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(22) তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 22  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 569
(35) তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 35  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 569
(40) তারা থাকবে জান্নাতে এবং পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 40  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 576
(22) সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে।
(23) তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 22-23 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(5) নিশ্চয়ই সৎকর্মশীলরা পান করবে কাফুর মিশ্রিত পানপাত্র।
সূরা: Al-Insān - আয়াত: 5  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(38) অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল,
(39) সহাস্য ও প্রফুল্ল।
সূরা: ‘Abasa - আয়াত: 38-39 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 585
(34) আজ যারা বিশ্বাসী, তারা কাফেরদেরকে উপহাস করছে।
(35) সিংহাসনে বসে, তাদেরকে অবলোকন করছে,
সূরা: Al-Muṭaffifīn - আয়াত: 34-35 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 589
(7) যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে
(8) তার হিসাব-নিকাশ সহজে হয়ে যাবে
(9) এবং সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে
সূরা: Al-Inshiqāq - আয়াত: 7-8-9 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 589
(25) কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
সূরা: Al-Inshiqāq - আয়াত: 25  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 590
(11) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।
সূরা: Al-Burūj - আয়াত: 11  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 590
(14) নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়
(15) এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে।
সূরা: Al-A‘lā - আয়াত: 14-15 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 592
(8) অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব,
সূরা: Al-Ghāshiyah - আয়াত: 8  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 592
(16) এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট।
সূরা: Al-Ghāshiyah - আয়াত: 16  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 592
(17) অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।
(18) তারাই সৌভাগ্যশালী।
সূরা: Al-Balad - আয়াত: 17-18 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 594
(9) যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়।
সূরা: Ash-Shams - আয়াত: 9  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 595
(5) অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,
(6) এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,
(7) আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
সূরা: Al-Lail - আয়াত: 5-6-7 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 595
(6) কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
সূরা: At-Tīn - আয়াত: 6  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 597
(7) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।
(8) তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার তলদেশে নির্ঝরিণী প্রবাহিত। তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্যে, যে তার পালনকর্তাকে ভয় কর।
সূরা: Al-Bayyinah - আয়াত: 7-8 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 599
(6) অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,
(7) সে সুখীজীবন যাপন করবে।
সূরা: Al-Qāri‘ah - আয়াত: 6-7 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 600
(2) নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
(3) কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
সূরা: Al-‘Aṣr - আয়াত: 2-3 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 601


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers