পবিত্র কুরআনে আখিরাত প্রমাণের দলিল সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(232) আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে, তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না। এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে। এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 232  - পারা: 2 - পৃষ্ঠা: 37
(9) হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 9  - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 50
(25) কিন্তু তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে যখন আমি তাদেরকে একদিন সমবেত করবো যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই আর নিজেদের কৃতকর্ম তাদের প্রত্যেকেই পাবে তাদের প্রাপ্য প্রদান মোটেই অন্যায় করা হবে না।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 25  - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 53
(134) যে বিষয়ের ওয়াদা তোমাদের সাথে করা হয়, তা অবশ্যই আগমন করবে এবং তোমরা অক্ষম করতে পারবে না।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 134  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 145
(53) তারা বলল-হে হুদ, তুমি আমাদের কাছে কোন প্রমাণ নিয়ে আস নাই, আমরা তোমার কথায় আমাদের দেব-দেবীদের বর্জন করতে পারি না আর আমরা তোমার প্রতি ঈমান আনয়নকারীও নই।
সূরা: Hūd - আয়াত: 53  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 227
(2) আল্লাহ, যিনি উর্ধ্বদেশে স্থাপন করেছেন আকাশমন্ডলীকে স্তম্ভ ব্যতীত। তোমরা সেগুলো দেখ। অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকে নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক আবর্তন করে। তিনি সকল বিষয় পরিচালনা করেন, নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সাথে সাক্ষাত সম্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 2  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 249
(85) আমি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 85  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 266
(1) আল্লাহর নির্দেশ এসে গেছে। অতএব এর জন্যে তাড়াহুড়া করো না। ওরা যেসব শরীক সাব্যস্ত করছে সেসব থেকে তিনি পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 1  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 267
(77) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন রহস্য আল্লাহর কাছেই রয়েছে। কিয়ামতের ব্যাপারটি তো এমন, যেমন চোখের পলক অথবা তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 77  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 275
(21) এমনিভাবে আমি তাদের খবর প্রকাশ করে দিলাম, যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই। যখন তারা নিজেদের কর্তব্য বিষয়ে পরস্পর বিতর্ক করছিল, তখন তারা বললঃ তাদের উপর সৌধ নির্মাণ কর। তাদের পালনকর্তা তাদের বিষয়ে ভাল জানেন। তাদের কর্তব্য বিষয়ে যাদের মত প্রবল হল, তারা বললঃ আমরা অবশ্যই তাদের স্থানে মসজিদ নির্মান করব।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 21  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 296
(15) কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে।
(16) সুতরাং যে ব্যক্তি কেয়ামতে বিশ্বাস রাখে না এবং নিজ খাহেশের অনুসরণ করে, সে যেন তোমাকে তা থেকে নিবৃত্ত না করে। নিবৃত্ত হলে তুমি ধবংস হয়ে যাবে।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 15-16 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 313
(55) এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 55  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 315
(103) মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 103  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 331
(7) এবং এ কারণে যে, কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 7  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 333
(11) বরং তারা কেয়ামতকে অস্বীকার করে এবং যে কেয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করেছি।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 11  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 360
(5) যে আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
সূরা: Al-‘Ankabūt - আয়াত: 5  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 396
(55) যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খেয়ে বলবে যে, এক মুহুর্তেরও বেশী অবস্থান করিনি। এমনিভাবে তারা সত্যবিমুখ হত।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 55  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 410
(3) কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 3  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 428
(29) তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বল, এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে?
(30) বলুন, তোমাদের জন্যে একটি দিনের ওয়াদা রয়েছে যাকে তোমরা এক মহূর্তও বিলম্বিত করতে পারবে না এবং ত্বরান্বিত ও করতে পারবে না।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 29-30 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 431
(59) কেয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে সন্দেহ নেই; কিন্ত অধিকাংশ লোক বিশ্বাস স্থাপন করে না।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 59  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 474
(7) এমনি ভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 7  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 483
(17) আল্লাহই সত্যসহ কিতাব ও ইনসাফের মানদন্ড নাযিল করেছেন। আপনি কি জানেন, সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটবর্তী।
(18) যারা তাতে বিশ্বাস করে না তারা তাকে তড়িৎ কামনা করে। আর যারা বিশ্বাস করে, তারা তাকে ভয় করে এবং জানে যে, তা সত্য। জেনে রাখ, যারা কেয়ামত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা দূরবর্তী পথ ভ্রষ্টতায় লিপ্ত রয়েছে।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 17-18 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 485
(47) আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 47  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 488
(66) তারা কেবল কেয়ামতেরই অপেক্ষা করছে যে, আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে যাবে এবং তারা খবর ও রাখবে না।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 66  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 494
(83) অতএব, তাদেরকে বাকচাতুরী ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দিন সেই দিবসের সাক্ষাত পর্যন্ত, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 83  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 495
(26) আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 26  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(32) যখন বলা হত, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে আমরা জানি না কেয়ামত কি ? আমরা কেবল ধারণাই করি এবং এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 32  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(34) যেদিন কাফেরদেরকে জাহান্নামের সামনে পেশ করা হবে, সেদিন বলা হবে, এটা কি সত্য নয়? তারা বলবে, হঁ্যা আমাদের পালনকর্তার শপথ। আল্লাহ বলবেন, আযাব আস্বাদন কর। কারণ, তোমরা কুফরী করতে।
(35) অতএব, আপনি সবর করুন, যেমন উচ্চ সাহসী পয়গম্বরগণ সবর করেছেন এবং ওদের বিষয়ে তড়িঘড়ি করবেন না। ওদেরকে যে বিষয়ে ওয়াদা দেয়া হত, তা যেদিন তারা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন তাদের মনে হবে যেন তারা দিনের এক মুহুর্তের বেশী পৃথিবীতে অবস্থান করেনি। এটা সুস্পষ্ট অবগতি। এখন তারাই ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে, যারা পাপাচারী সম্প্রদায়।
সূরা: Al-Aḥqāf - আয়াত: 34-35 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 506
(5) তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।
(6) ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 5-6 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 520
(23) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 23  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 521
(7) আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 7  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 523
(42) তোমার পালনকর্তার কাছে সবকিছুর সমাপ্তি,
সূরা: An-Najm - আয়াত: 42  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 527
(57) কেয়ামত নিকটে এসে গেছে।
(58) আল্লাহ ব্যতীত কেউ একে প্রকাশ করতে সক্ষম নয়।
সূরা: An-Najm - আয়াত: 57-58 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 528
(31) হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 31  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 532
(1) যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,
(2) যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 1-2 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(42) অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া-কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 42  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 570
(24) এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
সূরা: Al-Jinn - আয়াত: 24  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 573
(7) নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 7  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(1) তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
(2) মহা সংবাদ সম্পর্কে,
(3) যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।
(4) না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,
(5) অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 1-2-3-4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(17) নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 17  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers