পবিত্র কুরআনে অস্বীকার (সত্যকে মিথ্যা বলা) সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(39) আর যে লোক তা অস্বীকার করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার প্রয়াস পাবে, তারাই হবে জাহান্নামবাসী; অন্তকাল সেখানে থাকবে।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 39  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 7
(105) আহলে-কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কাফের, তাদের মনঃপুত নয় যে, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি কোন কল্যাণ অবতীর্ণ হোক। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 105  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 16
(10) যারা অবিশ্বাস করে এবং আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তার দোযখী।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 10  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 109
(51) হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 51  - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 117
(4) তাদের কাছে তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী থেকে কোন নিদর্শন আসেনি; যার প্রতি তারা বিমুখ হয় না।
(5) অতএব, অবশ্য তারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে যখন তা তাদের কাছে এসেছে। বস্তুতঃ অচিরেই তাদের কাছে ঐ বিষয়ের সংবাদ আসবে, যার সাথে তারা উপহাস করত।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 4-5 - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 128
(27) আর আপনি যদি দেখেন, যখন তাদেরকে দোযখের উপর দাঁড় করানো হবে! তারা বলবেঃ কতই না ভাল হত, যদি আমরা পুনঃ প্রেরিত হতাম; তা হলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।
(28) এবং তারা ইতি পূর্বে যা গোপন করত, তা তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে পড়েছে। যদি তারা পুনঃ প্রেরিত হয়, তবুও তাই করবে, যা তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 27-28 - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 130
(39) যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 39  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 132
(49) যারা আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে তাদের নাফরমানীর কারণে আযাব স্পর্শ করবে।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 49  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 133
(57) আপনি বলে দিনঃ আমার কাছে প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি প্রমাণ আছে এবং তোমরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছ। তোমরা যে বস্তু শীঘ্র দাবী করছ, তা আমার কাছে নেই। আল্লাহ ছাড়া কারো নির্দেশ চলে না। তিনি সত্য বর্ণনা করেন এবং তিনিই শ্রেষ্ঠতম মীমাংসাকারী।
(58) আপনি বলে দিনঃ যদি আমার কাছে তা থাকত, যা তোমরা শীঘ্র দাবী করছ, তবে আমার ও তোমাদের পারস্পরিক বিবাদ কবেই চুকে যেত। আল্লাহ জালেমদের সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণে অবহিত।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 57-58 - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 134
(129) এমনিভাবে আমি পাপীদেরকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে দেব তাদের কাজকর্মের কারণে।
(130) হে জ্বিন ও মানব সম্প্রদায়, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বরগণ আগমন করেনি? যাঁরা তোমাদেরকে আমার বিধানাবলী বর্ণনা করতেন এবং তোমাদেরকে আজকের এ দিনের সাক্ষাতের ভীতি প্রদর্শন করতেন? তারা বলবেঃ আমরা স্বীয় গোনাহ স্বীকার করে নিলাম। পার্থিব জীবন তাদেরকে প্রতারিত করেছে। তারা নিজেদের বিরুদ্ধে স্বীকার করে নিয়েছে যে, তারা কাফের ছিল।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 129-130 - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 144
(36) যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলবে এবং তা থেকে অহংকার করবে, তারাই দোযখী এবং তথায় চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 36  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 154
(40) নিশ্চয়ই যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছে এবং এগুলো থেকে অহংকার করেছে, তাদের জন্যে আকাশের দ্বার উম্মুক্ত করা হবে না এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট প্রবেশ করে। আমি এমনিভাবে পাপীদেরকে শাস্তি প্রদান করি।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 40  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 155
(44) জান্নাতীরা দোযখীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের সাথে আমাদের প্রতিপালক যে ওয়াদা করেছিলেন, তা আমরা সত্য পেয়েছি? অতএব, তোমরাও কি তোমাদের প্রতিপালকের ওয়াদা সত্য পেয়েছ? তারা বলবেঃ হ্যাঁ। অতঃপর একজন ঘোষক উভয়ের মাঝখানে ঘোষণা করবেঃ আল্লাহর অভিসম্পাত জালেমদের উপর।
(45) যারা আল্লাহর পথে বাধা দিত এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করত। তারা পরকালের বিষয়েও অবিশ্বাসী ছিল।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 44-45 - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 156
(77) তারপর এরই পরিণতিতে তাদের অন্তরে কপটতা স্থান করে নিয়েছে সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তার তাঁর সাথে গিয়ে মিলবে। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা লংঘন করেছিল এবং এজন্যে যে, তারা মিথ্যা কথা বলতো।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 77  - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 199
(52) অতঃপর বলা হবে, গোনাহগারদিগকে, ভোগ করতে থাক অনন্ত আযাব-তোমরা যা কিছু করতে তার তাই প্রতিফল।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 52  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 214
(107) তারা সেখানে চিরকাল থাকবে, যতদিন আসমান ও যমীন বর্তমান থাকবে। তবে তোমার প্রতিপালক অন্য কিছু ইচ্ছা করলে ভিন্ন কথা। নিশ্চয় তোমার পরওয়ারদেগার যা ইচ্ছা করতে পারেন।
সূরা: Hūd - আয়াত: 107  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 233
(18) যারা পালনকর্তার আদেশ পালন করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 18  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 251
(27) আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 27  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 259
(42) জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।
(43) তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত-বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।
(44) মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 42-43-44 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 260
(90) যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর।
(91) যারা কোরআনকে খন্ড খন্ড করেছে।
(92) অতএব আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই ওদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
(93) ওদের কাজকর্ম সম্পর্কে।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 90-91-92-93 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 266
(85) যখন জালেমরা আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন তাদের থেকে তা লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে কোন অবকাশ দেয়া হবে না।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 85  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 276
(104) যারা আল্লাহর কথায় বিশ্বাস করে না, তাদেরকে আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেন না এবং তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
(105) মিথ্যা কেবল তারা রচনা করে, যারা আল্লাহর নিদর্শনে বিশ্বাস করে না এবং তারাই মিথ্যাবাদী।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 104-105 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 279
(113) তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল আগমন করেছিলেন। অনন্তর ওরা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল। তখন আযাব এসে তাদরকে পাকড়াও করল এবং নিশ্চিতই ওরা ছিল পাপাচারী।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 113  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 280
(10) এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করেছি।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 10  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 283
(45) যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন, তখন আমি আপনার মধ্যে ও পরকালে অবিশ্বাসীদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন পর্দা ফেলে দেই।
(46) আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দেই, যাতে তারা একে উপলব্ধি করতে না পারে এবং তাদের কর্ণকুহরে বোঝা চাপিয়ে দেই। যখন আপনি কোরআনে পালনকর্তার একত্ব আবৃত্তি করেন, তখন ও অনীহাবশতঃ ওরা পৃষ্ট প্রদর্শন করে চলে যায়।
(47) যখন তারা কান পেতে আপনার কথা শোনে, তখন তারা কেন কান পেতে তা শোনে, তা আমি ভাল জানি এবং এও জানি গোপনে আলোচনাকালে যখন জালেমরা বলে, তোমরা তো এক যাদুগ্রস্থ ব্যক্তির অনুসরণ করছ।
(48) দেখুন, ওরা আপনার জন্যে কেমন উপমা দেয়। ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে। অতএব, ওরা পথ পেতে পারে না।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 45-46-47-48 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 286
(38) সেদিন তারা কি চমৎকার শুনবে এবং দেখবে, যেদিন তারা আমার কাছে আগমন করবে। কিন্তু আজ জালেমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
(39) আপনি তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন যখন সব ব্যাপারের মীমাংসা হয়ে যাবে। এখন তারা অনবধানতায় আছে এবং তারা বিশ্বাস স্থাপন করছে না।
সূরা: Maryam - আয়াত: 38-39 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 307
(72) অতঃপর আমি পরহেযগারদেরকে উদ্ধার করব এবং জালেমদেরকে সেখানে নতজানু অবস্থায় ছেড়ে দেব।
সূরা: Maryam - আয়াত: 72  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 310
(97) আমোঘ প্রতিশ্রুত সময় নিকটবর্তী হলে কাফেরদের চক্ষু উচ্চে স্থির হয়ে যাবে; হায় আমাদের দূর্ভাগ্য, আমরা এ বিষয়ে বেখবর ছিলাম; বরং আমরা গোনাহগরই ছিলাম।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 97  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 330
(51) এবং যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার জন্যে চেষ্টা করে, তারাই দোযখের অধিবাসী।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 51  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 338
(53) এ কারণে যে, শয়তান যা মিশ্রণ করে, তিনি তা পরীক্ষাস্বরূপ করে দেন, তাদের জন্যে, যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং যারা পাষাণহৃদয়। গোনাহগাররা দূরবর্তী বিরোধিতায় লিপ্ত আছে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 53  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 338
(57) এবং যারা কুফরি করে এবং আমার আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে তাদের জন্যে লাঞ্ছনাকর শাস্তি রয়েছে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 57  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 339
(71) তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 71  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 340
(227) তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 227  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 376
(20) পক্ষান্তরে যারা অবাধ্য হয়, তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তথায় ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের যে আযাবকে মিথ্যা বলতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 20  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 416
(42) অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 42  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 433
(22) একত্রিত কর গোনাহগারদেরকে, তাদের দোসরদেরকে এবং যাদের এবাদত তারা করত।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 22  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 446
(47) যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই তারা কেয়ামতের দিন সে সবকিছুই নিস্কৃতি পাওয়ার জন্যে মুক্তিপন হিসেবে দিয়ে দেবে। অথচ তারা দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি, যা তারা কল্পনাও করত না।
সূরা: Az-Zumar - আয়াত: 47  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 463
(18) আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 18  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 469
(52) সে দিন যালেমদের ওযর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 52  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 473
(69) আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে?
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 69  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 475
(76) প্রবেশ কর তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে সেখানে চিরকাল বসবাসের জন্যে। কত নিকৃষ্ট দাম্ভিকদের আবাসস্থল।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 76  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 475
(19) যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে নেওয়া হবে। এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 19  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 478
(21) তাদের কি এমন শরীক দেবতা আছে, যারা তাদের জন্যে সে ধর্ম সিদ্ধ করেছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি ? যদি চুড়ান্ত সিন্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ব্যাপারে ফয়সালা হয়ে যেত। নিশ্চয় যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 21  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 485
(44) আল্লাহ যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তার জন্যে তিনি ব্যতীত কোন কার্যনির্বাহী নেই। পাপাচারীরা যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা বলছে আমাদের ফিরে যাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 44  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 487
(74) নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের আযাবে চিরকাল থাকবে।
(75) তাদের থেকে আযাব লাঘব করা হবে না এবং তারা তাতেই থাকবে হতাশ হয়ে।
(76) আমি তাদের প্রতি জুলুম করিনি; কিন্তু তারাই ছিল জালেম।
(77) তারা ডেকে বলবে, হে মালেক, পালনকর্তা আমাদের কিসসাই শেষ করে দিন। সে বলবে, নিশ্চয় তোমরা চিরকাল থাকবে।
(78) আমি তোমাদের কাছে সত্যধর্ম পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যধর্মে নিস্পৃহ!
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 74-75-76-77-78 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 495
(47) একে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 47  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 498
(19) আল্লাহর সামনে তারা আপনার কোন উপকারে আসবে না। যালেমরা একে অপরের বন্ধু। আর আল্লাহ পরহেযগারদের বন্ধু।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 19  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 500
(14) বনবাসীরা এবং তোব্বা সম্প্রদায়। প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যা বলেছে, অতঃপর আমার শাস্তির যোগ্য হয়েছে।
সূরা: Qāf - আয়াত: 14  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 518
(29) আমার কাছে কথা রদবদল হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই।
সূরা: Qāf - আয়াত: 29  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 519
(8) তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 8  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 521
(14) তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 14  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 521
(11) সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে,
(12) যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি কথা বানায়।
(13) সেদিন তোমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নির দিকে ধাক্কা মেরে মেরে নিয়ে যাওয়া হবে।
(14) এবং বলা হবেঃ এই সেই অগ্নি, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে,
(15) এটা কি জাদু, না তোমরা চোখে দেখছ না?
(16) এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যা করতে তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে।
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 11-12-13-14-15-16 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 523
(92) আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,
(93) তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।
(94) এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 92-93-94 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(19) আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে তারাই তাদের পালনকর্তার কাছে সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও জ্যোতি এবং যারা কাফের ও আমার নিদর্শন অস্বীকারকারী তারাই জাহান্নামের অধিবাসী হবে।
সূরা: Al-Ḥadīd - আয়াত: 19  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 540
(44) অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
(45) আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
সূরা: Al-Qalam - আয়াত: 44-45 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 566
(15) আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
সূরা: Al-Jinn - আয়াত: 15  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 573
(23) কিন্তু আল্লাহ তা’আলার বাণী পৌছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-Jinn - আয়াত: 23  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 573
(11) বিত্ত-বৈভবের অধিকারী মিথ্যারোপকারীদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন এবং তাদেরকে কিছু অবকাশ দিন।
সূরা: Al-Muzzammil - আয়াত: 11  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 574
(46) এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 46  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 576
(24) আর অনেক মুখমন্ডল সেদিন উদাস হয়ে পড়বে।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 24  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(35) অতঃপর, তোমার দুর্ভোগের উপর দূর্ভোগ।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 35  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(31) তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের জন্যে তো প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
সূরা: Al-Insān - আয়াত: 31  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(46) কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 46  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(50) এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 50  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(21) নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 21  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(29) আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 29  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(10) সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,
সূরা: Al-Muṭaffifīn - আয়াত: 10  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 588
(17) এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।
সূরা: Al-Muṭaffifīn - আয়াত: 17  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 588
(22) বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।
(23) তারা যা সংরক্ষণ করে, আল্লাহ তা জানেন।
(24) অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।
সূরা: Al-Inshiqāq - আয়াত: 22-23-24 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 589
(16) যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সূরা: Al-Lail - আয়াত: 16  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 596


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers