পবিত্র কুরআনে কিয়ামত দিবসের ভয়াবহতা সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(48) আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 48  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 7
(123) তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত ও হবে না।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 123  - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 19
(254) হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছি, সেদিন আসার পূর্বেই তোমরা তা থেকে ব্যয় কর, যাতে না আছে বেচা-কেনা, না আছে সুপারিশ কিংবা বন্ধুত্ব। আর কাফেররাই হলো প্রকৃত যালেম।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 254  - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 42
(106) সেদিন কোন কোন মুখ উজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো। বস্তুতঃ যাদের মুখ কালো হবে, তাদের বলা হবে, তোমরা কি ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গিয়েছিলে? এবার সে কুফরীর বিনিময়ে আযাবের আস্বাদ গ্রহণ কর।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 106  - পারা: 4 - পৃষ্ঠা: 63
(42) সেদিন কামনা করবে সে সমস্ত লোক, যারা কাফের হয়েছিল এবং রসূলের নাফরমানী করেছিল, যেন যমীনের সাথে মিশে যায়। কিন্তু গোপন করতে পারবে না আল্লাহর নিকট কোন বিষয়।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 42  - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 85
(115) আল্লাহ বললেনঃ নিশ্চয় আমি সে খাঞ্চা তোমাদের প্রতি অবতরণ করব। অতঃপর যে ব্যাক্তি এর পরেও অকৃতজ্ঞ হবে, আমি তাকে এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি বিশ্বজগতের অপর কাউকে দেব না।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 115  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 127
(15) আপনি বলুন, আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হতে ভয় পাই কেননা, আমি একটি মহাদিবসের শাস্তিকে ভয় করি।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 15  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 129
(53) তারা কি এখন এ অপেক্ষায়ই আছে যে, এর বিষয়বস্তু প্রকাশিত হোক? যেদিন এর বিষয়বস্তু প্রকাশিত হবে, সেদিন পূর্বে যারা একে ভূলে গিয়েছিল, তারা বলবেঃ বাস্তবিকই আমাদের প্রতিপালকের পয়গম্বরগণ সত্যসহ আগমন করেছিলেন। অতএব, আমাদের জন্যে কোন সুপারিশকারী আছে কি যে, সুপারিশ করবে অথবা আমাদেরকে পুনঃ প্রেরণ করা হলে আমরা পূর্বে যা করতাম তার বিপরীত কাজ করে আসতাম। নিশ্চয় তারা নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তারা মনগড়া যা বলত, তা উধাও হয়ে যাবে।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 53  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 157
(54) বস্তুতঃ যদি প্রত্যেক গোনাহগারের কাছে এত পরিমাণ থাকে যা আছে সমগ্র যমীনের মাঝে, আর অবশ্যই যদি সেগুলো নিজের মুক্তির বিনিময়ে দিতে চাইবে আর গোপনে গোপনে অনুতাপ করবে, যখন আযাব দেখবে। বস্তুতঃ তাদের জন্য সিদ্ধান্ত হবে ন্যায়সঙ্গত এবং তাদের উপর জুলম হবে না।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 54  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 215
(3) আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অনন্তর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং অধিক আমলকারীকে বেশী করে দেবেন আর যদি তোমরা বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি।
সূরা: Hūd - আয়াত: 3  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 221
(104) আর আমি যে উহা বিলম্বিত করি, তা শুধু একটি ওয়াদার কারণে যা নির্ধারিত রয়েছে।
(105) যেদিন তা আসবে সেদিন আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কোন কথা বলতে পারে না। অতঃপর কিছু লোক হবে হতভাগ্য আর কিছু লোক সৌভাগ্যবান।
(106) অতএব যারা হতভাগ্য তারা দোযখে যাবে, সেখানে তারা আর্তনাদ ও চিৎকার করতে থাকবে।
সূরা: Hūd - আয়াত: 104-105-106 - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 233
(31) আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা নামায কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 31  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 259
(42) জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।
(43) তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত-বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।
(44) মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 42-43-44 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 260
(48) যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।
সূরা: Ibrāhīm - আয়াত: 48  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 261
(37) অতঃপর তাদের মধ্যে দলগুলো পৃথক পৃথক পথ অবলম্বন করল। সুতরাং মহাদিবস আগমনকালে কাফেরদের জন্যে ধবংস।
সূরা: Maryam - আয়াত: 37  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 307
(1) হে লোক সকল! তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার।
(2) যেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যধাত্রী তার দুধের শিশুকে বিস্মৃত হবে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং মানুষকে তুমি দেখবে মাতাল; অথচ তারা মাতাল নয় বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব সুকঠিন।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 1-2 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 332
(55) কাফেররা সর্বদাই সন্দেহ পোষন করবে যে পর্যন্ত না তাদের কাছে আকস্মিকভাবে কেয়ামত এসে পড়ে অথবা এসে পড়ে তাদের কাছে এমন দিবসের শাস্তি যা থেকে রক্ষার উপায় নেই।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 55  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 338
(37) এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।
সূরা: An-Nūr - আয়াত: 37  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 355
(25) সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে এবং সেদিন ফেরেশতাদের নামিয়ে দেয়া হবে,
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 25  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 362
(88) যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 88  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 371
(135) আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 135  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 372
(43) যে দিবস আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাহূত হবার নয়, সেই দিবসের পূর্বে আপনি সরল ধর্মে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুন। সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 43  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 409
(57) সেদিন জালেমদের ওযর-আপত্তি তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তওবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগও তাদের দেয়া হবে না।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 57  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 410
(33) হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর এবং ভয় কর এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোন কাজে আসবে না এবং পুত্রও তার পিতার কোন উপকার করতে পারবে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয় এবং আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তানও যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে।
সূরা: Luqmān - আয়াত: 33  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 414
(42) অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 42  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 433
(18) আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 18  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 469
(32) হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি।
(33) যেদিন তোমরা পেছনে ফিরে পলায়ন করবে; কিন্তু আল্লাহ থেকে তোমাদেরকে রক্ষাকারী কেউ থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 32-33 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 470
(51) আমি সাহায্য করব রসূলগণকে ও মুমিনগণকে পার্থিব জীবনে ও সাক্ষীদের দন্ডায়মান হওয়ার দিবসে।
(52) সে দিন যালেমদের ওযর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 51-52 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 473
(67) বন্ধুবর্গ সেদিন একে অপরের শত্রু হবে, তবে খোদাভীরুরা নয়।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 67  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 494
(16) যেদিন আমি প্রবলভাবে ধৃত করব, সেদিন পুরোপুরি প্রতিশোধ গ্রহণ করবই।
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 16  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 496
(40) নিশ্চয় ফয়সালার দিন তাদের সবারই নির্ধারিত সময়।
(41) যেদিন কোন বন্ধুই কোন বন্ধুর উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
(42) তবে আল্লাহ যার প্রতি দয়া করেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী দয়াময়।
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 40-41-42 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 498
(26) আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।
(27) নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের রাজত্ব আল্লাহরই। যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মিথ্যাপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
(28) আপনি প্রত্যেক উম্মতকে দেখবেন নতজানু অবস্থায়। প্রত্যেক উম্মতকে তাদের আমলনামা দেখতে বলা হবে। তোমরা যা করতে, অদ্য তোমারদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 26-27-28 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(30) যেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করব; তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছ? সে বলবেঃ আরও আছে কি?
সূরা: Qāf - আয়াত: 30  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 519
(3) এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 3  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(3) তোমাদের স্বজন-পরিজন ও সন্তান-সন্ততি কিয়ামতের দিন কোন উপকারে আসবে না। তিনি তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।
সূরা: Al-Mumtaḥanah - আয়াত: 3  - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 549
(42) গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
সূরা: Al-Qalam - আয়াত: 42  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 565
(10) বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
(11) যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে,
(12) তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
(13) তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
(14) এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 10-11-12-13-14 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(17) অতএব, তোমরা কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দিব বৃদ্ধ?
সূরা: Al-Muzzammil - আয়াত: 17  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 574
(9) সেদিন হবে কঠিন দিন,
(10) কাফেরদের জন্যে এটা সহজ নয়।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 9-10 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 575
(10) সে দিন মানুষ বলবেঃ পলায়নের জায়গা কোথায় ?
(11) না কোথাও আশ্রয়স্থল নেই।
(12) আপনার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে।
(13) সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে যা সামনে প্রেরণ করেছে ও পশ্চাতে ছেড়ে দিয়েছে।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 10-11-12-13 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(7) তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
সূরা: Al-Insān - আয়াত: 7  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 579
(10) আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি।
সূরা: Al-Insān - আয়াত: 10  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 579
(27) নিশ্চয় এরা পার্থিব জীবনকে ভালবাসে এবং এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে।
সূরা: Al-Insān - আয়াত: 27  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(13) বিচার দিবসের জন্য।
(14) আপনি জানেন বিচার দিবস কি?
(15) সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 13-14-15 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(35) এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 35  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(38) এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 38  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(38) যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।
(39) এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।
(40) আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং কাফের বলবেঃ হায়, আফসোস-আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 38-39-40 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(8) সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 8  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(34) অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
(35) অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
(36) এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 34-35-36 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 584
(33) অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে,
সূরা: ‘Abasa - আয়াত: 33  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 585
(37) সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।
সূরা: ‘Abasa - আয়াত: 37  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 585
(17) আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?
(18) অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?
(19) যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কতৃꦣ2468;্ব হবে আল্লাহর।
সূরা: Al-Infiṭār - আয়াত: 17-18-19 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 587
(9) যেদিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষিত হবে,
(10) সেদিন তার কোন শক্তি থাকবে না এবং সাহায্যকারীও থাকবে না।
সূরা: Aṭ-Ṭāriq - আয়াত: 9-10 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 591
(22) এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,
(23) এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
(24) সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!
(25) সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।
(26) এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।
সূরা: Al-Fajr - আয়াত: 22-23-24-25-26 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 593
(4) যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত
(5) এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।
সূরা: Al-Qāri‘ah - আয়াত: 4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 600


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers