পবিত্র কুরআনে জান্নাতের নামসমূহ সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
🍃 বিষয়ের অংশসমূহ
🕌 আখিরাত🕌 জান্নাতুল 'আদন🕌 জান্নাতুল ফিরদাউস🕌 জান্নাতুল মা'ওয়া🕌 জান্নাতুন নাঈম🕌 জান্নাতুল খুলদ🕌 জান্নাতুন 'আলিয়াহ🕌 জান্নাতুল মা'ওয়া🕌 জান্নাতুন নাঈম🕌 আল-হুসনা (শ্রেষ্ঠ প্রতিদান)🕌 দারুল আখিরাহ (আখিরাতের আবাস)🕌 দারুস সালাম (শান্তির আবাস)🕌 দারুল কারার (স্থায়ী আবাস)🕌 দারুল মুত্তাকীন (মুত্তাকীদের আবাস)🕌 দারুল মুকামাহ (স্থায়ী আবাসস্থল)🕌 রওজাতুল জান্নাত (জান্নাতের বাগান)🕌 আর-রওদাহ (বেহেশতের বাগান)🕌 তুবা (সৌভাগ্য/কল্যাণ)🕌 ইল্লিয়্যিন (উচ্চ স্থানসমূহ)🕌 আল-ফিরদাউস (বেহেশত)🕌 আল-ফাদল আল-কাবীর (মহা অনুগ্রহ)🕌 আল-ইয়ামীন (ডান হাত/শপথ)
📖 কুরআনে জান্নাতের নামসমূহ - একটি অংশ নির্বাচন করুন
﴿وَٱتَّبَعُواْ مَا تَتۡلُواْ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلۡكِ سُلَيۡمَٰنَۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيۡمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُواْ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحۡرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلۡمَلَكَيۡنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنۡ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحۡنُ فِتۡنَةٞ فَلَا تَكۡفُرۡۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنۡهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيۡنَ ٱلۡمَرۡءِ وَزَوۡجِهِۦۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنۡ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذۡنِ ٱللَّهِۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمۡ وَلَا يَنفَعُهُمۡۚ وَلَقَدۡ عَلِمُواْ لَمَنِ ٱشۡتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ مِنۡ خَلَٰقٖۚ وَلَبِئۡسَ مَا شَرَوۡاْ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمۡۚ لَوۡ كَانُواْ يَعۡلَمُونَ ﴾ [Al-Baqarah: 102]
(102) তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 102 - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 16
(35) এবং স্বর্ণনির্মিতও দিতাম। এগুলো সবই তো পার্থিব জীবনের ভোগ সামগ্রী মাত্র। আর পরকাল আপনার পালনকর্তার কাছে তাঁদের জন্যেই যারা ভয় করে।
সূরা: Az-Zukhruf - আয়াত: 35 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 492
(72) আল্লাহ ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেনে কানন-কুঞ্জের, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণ। তারা সে গুলোরই মাঝে থাকবে। আর এসব কানন-কুঞ্জে থাকবে পরিচ্ছন্ন থাকার ঘর। বস্তুতঃ এ সমুদয়ের মাঝে সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। এটিই হল মহান কৃতকার্যতা।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 72 - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 198
(23) তা হচ্ছে বসবাসের বাগান। তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের সৎকর্মশীল বাপ-দাদা, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানেরা। ফেরেশতারা তাদের কাছে আসবে প্রত্যেক দরজা দিয়ে।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 23 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 252
(31) সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 31 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 270
(107) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 107 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 304
(19) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে তাদের কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের জান্নাত।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 19 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 416
(65) আর যদি আহলে-কিতাবরা বিশ্বাস স্থাপন করত এবং খোদাভীতি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের মন্দ বিষয়সমূহ ক্ষমা করে দিতাম এবং তাদেরকে নেয়ামতের উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করতাম।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 65 - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 119
(9) অবশ্য যেসব লোক ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তাদেরকে হেদায়েত দান করবেন তাদের পালনকর্তা, তাদের ঈমানের মাধ্যমে। এমন সুসময় কানন-কুঞ্জের প্রতি যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণসমূহ।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 9 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 209
(8) যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতে ভরা জান্নাত।
সূরা: Luqmān - আয়াত: 8 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 411
(15) বলুন এটা উত্তম, না চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার সুসংবাদ দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদেরকে? সেটা হবে তাদের প্রতিদান ও প্রত্যাবর্তন স্থান।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 15 - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 361
(22) সুউচ্চ জান্নাতে।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 22 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(10) তারা থাকবে, সুউচ্চ জান্নাতে।
সূরা: Al-Ghāshiyah - আয়াত: 10 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 592
(15) যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত।
সূরা: An-Najm - আয়াত: 15 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 526
(89) তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 89 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(38) তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 38 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 569
(95) গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 95 - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 94
(26) যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 26 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 212
(18) যারা পালনকর্তার আদেশ পালন করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 18 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 251
(83) এই পরকাল আমি তাদের জন্যে নির্ধারিত করি, যারা দুনিয়ার বুকে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে ও অনর্থ সৃষ্টি করতে চায় না। খোদাভীরুদের জন্যে শুভ পরিণাম।
সূরা: Al-Qaṣaṣ - আয়াত: 83 - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 395
(127) তাদের জন্যেই তাদের প্রতিপালকের কাছে নিরাপত্তার গৃহ রয়েছে এবং তিনি তাদের বন্ধু তাদের কর্মের কারণে।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 127 - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 144
(25) আর আল্লাহ শান্তি-নিরাপত্তার আলয়ের প্রতি আহবান জানান এবং যাকে ইচ্ছা সরলপথ প্রদর্শন করেন।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 25 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 211
(39) হে আমার কওম, পার্থিব এ জীবন তো কেবল উপভোগের বস্তু, আর পরকাল হচ্ছে স্থায়ী বসবাসের গৃহ।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 39 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 471
(30) পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি চমৎকার?
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 30 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 270
(35) যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদেরকে বসবাসের গৃহে স্থান দিয়েছেন, তথায় কষ্ট আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং স্পর্শ করে না ক্লান্তি।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 35 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 438
(22) আপনি কাফেরদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা মুমিন ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার।
সূরা: Ash-Shūra - আয়াত: 22 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 485
(15) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে;
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 15 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 405
(29) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ এবং মনোরম প্রত্যাবর্তণস্থল।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 29 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 253
(11) তারা শীতল ছায়াময় উদ্যানের উত্তরাধিকার লাভ করবে। তারা তাতে চিরকাল থাকবে।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 11 - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 342
(47) আপনি মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিরাট অনুগ্রহ রয়েছে।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 47 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 424
(27) যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 27 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 535
(38) ডান দিকের লোকদের জন্যে।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 38 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 535
(90) আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 90 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers