পবিত্র কুরআনে কিয়ামতের নিদর্শনসমূহ (ইরহাসাতুল কিয়ামাহ) সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(210) তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, মেঘের আড়ালে তাদের সামনে আসবেন আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ ? আর তাতেই সব মীমাংসা হয়ে যাবে। বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌঁছবে।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 210  - পারা: 2 - পৃষ্ঠা: 32
(73) তিনিই সঠিকভাবে নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। যেদিন তিনি বলবেনঃ হয়ে যা, অতঃপর হয়ে যাবে। তাঁর কথা সত্য। যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার করা হবে, সেদিন তাঁরই আধিপত্য হবে। তিনি অদৃশ্য বিষয়ে এবং প্রত্যক্ষ বিষয়ে জ্ঞাত। তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 73  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 136
(158) তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে। যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্যে ফলপ্রসূ হবে না, যে পূর্ব থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোনরূপ সৎকর্ম করেনি। আপনি বলে দিনঃ তোমরা পথের দিকে চেয়ে থাক, আমরাও পথে দিকে তাকিয়ে রইলাম।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 158  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 150
(48) তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না।
(49) আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 48-49 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 299
(100) সেদিন আমি কাফেরদের কাছে জাহান্নামকে প্রত্যক্ষ ভাবে উপস্থিত করব।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 100  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 304
(105) তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।
(106) অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।
(107) তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।
সূরা: Ṭā-Hā - আয়াত: 105-106-107 - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 319
(96) যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 96  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 330
(104) সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 104  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 331
(82) যখন প্রতিশ্রুতি (কেয়ামত) সমাগত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে একটি জীব নির্গত করব। সে মানুষের সাথে কথা বলবে। এ কারণে যে মানুষ আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না।
সূরা: An-Naml - আয়াত: 82  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 384
(51) যদি আপনি দেখতেন, যখন তারা ভীতসস্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, অতঃপর পালিয়েও বাঁচতে পারবে না এবং নিকটবর্তী স্থান থেকে ধরা পড়বে।
(52) তারা বলবে, আমরা সত্যে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। কিন্তু তারা এতদূর থেকে তার নাগাল পাবে কেমন করে?
(53) অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল। আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।
(54) তাদের ও তাদের বাসনার মধ্যে অন্তরাল হয়ে গেছে, যেমন-তাদের সতীর্থদের সাথেও এরূপ করা হয়েছে, যারা তাদের পূর্বে ছিল। তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 51-52-53-54 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 434
(10) অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে।
(11) যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 10-11 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 496
(20) এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন।
সূরা: Qāf - আয়াত: 20  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 519
(41) শুন, যে দিন এক আহবানকারী নিকটবর্তী স্থান থেকে আহবান করবে।
(42) যেদিন মানুষ নিশ্চিত সেই ভয়াবহ আওয়াজ শুনতে পাবে, সেদিনই পুনরত্থান দিবস।
সূরা: Qāf - আয়াত: 41-42 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 520
(9) সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে প্রবলভাবে।
(10) এবং পর্বতমালা হবে চলমান,
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 9-10 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 523
(1) কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।
সূরা: Al-Qamar - আয়াত: 1  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 528
(37) যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 37  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 532
(4) যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।
(5) এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।
(6) অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 4-5-6 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(13) যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে-একটি মাত্র ফুৎকার
(14) এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,
(15) সেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে।
(16) সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।
(17) এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 13-14-15-16-17 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(8) সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
(9) এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 8-9 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(14) যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ।
সূরা: Al-Muzzammil - আয়াত: 14  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 574
(8) যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে;
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 8  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 575
(7) যখন দৃষ্টি চমকে যাবে,
(8) চন্দ্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে।
(9) এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে-
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 7-8-9 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(8) অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,
(9) যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,
(10) যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং
(11) যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 8-9-10-11 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(18) যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।
(19) আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।
(20) এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।
সূরা: An-Naba’ - আয়াত: 18-19-20 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 582
(6) যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
(7) অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 6-7 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(1) যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে,
(2) যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে,
(3) যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,
(4) যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে;
(5) যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে,
(6) যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,
(7) যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,
সূরা: At-Takwīr - আয়াত: 1-2-3-4-5-6-7 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 586
(11) যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে,
(12) যখন জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে
(13) এবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে,
সূরা: At-Takwīr - আয়াত: 11-12-13 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 586
(1) যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
(2) যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,
(3) যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,
সূরা: Al-Infiṭār - আয়াত: 1-2-3 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 587
(1) যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
(2) ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্ত
(3) এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।
(4) এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।
(5) এবং তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং পৃথিবী এরই উপযুক্ত।
সূরা: Al-Inshiqāq - আয়াত: 1-2-3-4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 589
(21) এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে
সূরা: Al-Fajr - আয়াত: 21  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 593
(1) যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
(2) যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।
(3) এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?
(4) সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
(5) কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।
সূরা: Az-Zalzalah - আয়াত: 1-2-3-4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 599


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers