পবিত্র কুরআনে প্রতিশ্রুতি ও শাস্তির ভীতি সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(24) আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
(25) আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।
সূরা: Al-Baqarah - আয়াত: 24-25 - পারা: 1 - পৃষ্ঠা: 4
(56) অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
(57) পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে। তাদের প্রাপ্য পরিপুর্ণভাবে দেয়া হবে। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না।
(58) আমি তোমাদেরকে পড়ে শুনাই এ সমস্ত আয়াত এবং নিশ্চিত বর্ণনা।
সূরা: Āl-‘Imrān - আয়াত: 56-57-58 - পারা: 3 - পৃষ্ঠা: 57
(114) তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়; কিন্তু যে সলা-পরামর্শ দান খয়রাত করতে কিংবা সৎকাজ করতে কিংবা মানুষের মধ্যে সন্ধিস্থাপন কল্পে করতো তা স্বতন্ত্র। যে একাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমি তাকে বিরাট ছওয়াব দান করব।
(115) যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 114-115 - পারা: 5 - পৃষ্ঠা: 97
(173) অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে পরিপূর্ণ সওয়াব দান করবেন, বরং স্বীয় অনুগ্রহে আরো বেশী দেবেন। পক্ষান্তরে যারা লজ্জাবোধ করেছে এবং অহঙ্কার করেছে তিনি তাদেরকে দেবেন বেদনাদায়ক আযাব। আল্লাহকে ছাড়া তারা কোন সাহায্যকারী ও সমর্থক পাবে না।
(174) হে মানবকুল! তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট সনদ পৌঁছে গেছে। আর আমি তোমাদের প্রতি প্রকৃষ্ট আলো অবতীর্ণ করেছি।
(175) অতএব, যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং তাতে দৃঢ়তা অবলম্বন করেছে তিনি তাদেরকে স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহের আওতায় স্থান দেবেন এবং নিজের দিকে আসার মত সরল পথে তুলে দেবেন।
সূরা: An-Nisā’ - আয়াত: 173-174-175 - পারা: 6 - পৃষ্ঠা: 105
(98) জেনে নাও, নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তি দাতা ও নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল-দয়ালূ।
সূরা: Al-Mā’idah - আয়াত: 98  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 124
(133) আপনার প্রতিপালক অমুখাপেক্ষী, করুণাময়। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে উচ্ছেদ করে দিবেন এবং তোমাদের পর যাকে ইচ্ছা তোমাদের স্থলে অভিষিক্ত করবেন; যেমন তোমাদেরকে অন্য এক সম্প্রদায়ের বংশধর থেকে সৃষ্টি করেছেন।
(134) যে বিষয়ের ওয়াদা তোমাদের সাথে করা হয়, তা অবশ্যই আগমন করবে এবং তোমরা অক্ষম করতে পারবে না।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 133-134 - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 145
(147) যদি তারা আপনাকে মিথ্যবাদী বলে, তবে বলে দিনঃ তোমার প্রতিপালক সুপ্রশস্ত করুণার মালিক। তাঁর শাস্তি অপরাধীদের উপর থেকে টলবে না।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 147  - পারা: 8 - পৃষ্ঠা: 148
(94) আর আমি কোন জনপদে কোন নবী পাঠাইনি, তবে (এমতাবস্থায়) যে পাকড়াও করেছি সে জনপদের অধিবাসীদিগকে কষ্ট ও কঠোরতার মধ্যে, যাতে তারা শিথিল হয়ে পড়ে।
(95) অতঃপর অকল্যাণের স্থলে তা কল্যাণে বদলে দিয়েছে। এমনকি তারা অনেক বেড়ে গিয়েছি এবং বলতে শুরু করেছে, আমাদের বাপ-দাদাদের উপরও এমন আনন্দ-বেদনা এসেছে। অতঃপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি এমন আকস্মিকভাবে যে তারা টেরও পায়নি।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 94-95 - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 162
(179) আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।
সূরা: Al-A‘rāf - আয়াত: 179  - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 174
(23) বস্তুতঃ আল্লাহ যদি তাদের মধ্যে কিছুমাত্র শুভ চিন্তা জানতেন, তবে তাদেরকে শুনিয়ে দিতেন। আর এখনই যদি তাদের শুনিয়ে দেন, তবে তারা মুখ ঘুরিয়ে পালিয়ে যাবে।
সূরা: Al-Anfāl - আয়াত: 23  - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 179
(25) আর তোমরা এমন ফাসাদ থেকে বেঁচে থাক যা বিশেষতঃ শুধু তাদের উপর পতিত হবে না যারা তোমাদের মধ্যে জালেম এবং জেনে রেখ যে, আল্লাহর আযাব অত্যন্ত কঠোর।
সূরা: Al-Anfāl - আয়াত: 25  - পারা: 9 - পৃষ্ঠা: 179
(59) আর কাফেররা যেন একা যা মনে না করে যে, তারা বেঁচে গেছে; কখনও এরা আমাকে পরিশ্রান্ত করতে পারবে না।
সূরা: Al-Anfāl - আয়াত: 59  - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 184
(17) মুশরিকরা যোগ্যতা রাখে না আল্লাহর মসজিদ আবাদ করার, যখন তারা নিজেরাই নিজেদের কুফরীর স্বীকৃতি দিচ্ছে। এদের আমল বরবাদ হবে এবং এরা আগুনে স্থায়ীভাবে বসবাস করবে।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 17  - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 189
(82) অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক এবং তারা তাদের কৃতকর্মের বদলাতে অনেক বেশী কাঁদবে।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 82  - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 200
(88) কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে।
(89) আল্লাহ তাদের জন্য তৈরী করে রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে প্রস্রবণ। তারা তাতে বাস করবে অনন্তকাল। এটাই হল বিরাট কৃতকার্যতা।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 88-89 - পারা: 10 - পৃষ্ঠা: 201
(98) আবার কোন কোন বেদুইন এমন ও রয়েছে যারা নিজেদের ব্যয় করাকে জরিমানা। বলে গন্য করে এবং তোমার উপর কোন দুর্দিন আসে কিনা সে অপেক্ষায় থাকে। তাদেরই উপর দুর্দিন আসুক। আর আল্লাহ হচ্ছেন শ্রবণকারী, পরিজ্ঞাত।
(99) আর কোন কোন বেদুইন হল তারা, যারা ঈমান আনে আল্লাহর উপর, কেয়ামত দিনের উপর এবং নিজেদের ব্যয়কে আল্লাহর নৈকট্য এবং রসূলের দোয়া লাভের উপায় বলে গণ্য করে। জেনো! তাই হল তাদের ক্ষেত্রে নৈকট্য। আল্লাহ তাদেরকে নিজের রহমতের অন্তর্ভূক্ত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়।
(100) আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 98-99-100 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 202
(124) আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে।
(125) বস্তুতঃ যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে এটি তাদের কলুষের সাথে আরো কলুষ বৃদ্ধি করেছে এবং তারা কাফের অবস্থায়ই মৃত্যু বরণ করলো।
সূরা: At-Taubah - আয়াত: 124-125 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 207
(26) যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল।
(27) আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 26-27 - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 212
(107) তারা সেখানে চিরকাল থাকবে, যতদিন আসমান ও যমীন বর্তমান থাকবে। তবে তোমার প্রতিপালক অন্য কিছু ইচ্ছা করলে ভিন্ন কথা। নিশ্চয় তোমার পরওয়ারদেগার যা ইচ্ছা করতে পারেন।
(108) আর যারা সৌভাগ্যবান তারা বেহেশতের মাঝে, সেখানেই চিরদিন থাকবে, যতদিন আসমান ও যমীন বর্তমান থাকবে। তবে তোমার প্রভু অন্য কিছু ইচ্ছা করলে ভিন্ন কথা। এ দানের ধারাবাহিকতা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়।
সূরা: Hūd - আয়াত: 107-108 - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 233
(18) যারা পালনকর্তার আদেশ পালন করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 18  - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 251
(43) তাদের সবার নির্ধারিত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।
(44) এর সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক দরজার জন্যে এক একটি পৃথক দল আছে।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 43-44 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 264
(50) এবং ইহাও যে, আমার শাস্তিই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।
সূরা: Al-Ḥijr - আয়াত: 50  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 264
(22) আমাদের ইলাহ একক ইলাহ। অনন্তর যারা পরজীবনে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সত্যবিমুখ এবং তারা অহংকার প্রদর্শন করেছে।
(23) নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের গোপন ও প্রকাশ্য যাবতীয় বিষয়ে অবগত। নিশ্চিতই তিনি অহংকারীদের পছন্দ করেন না।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 22-23 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 269
(38) তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে। কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।
(39) তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল।
(40) আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে, হয়ে যাও,। সুতরাং তা হয়ে যায়।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 38-39-40 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 271
(106) যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর জন্য মন উম্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে শাস্তি।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 106  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 279
(110) যারা দুঃখ-কষ্ট ভোগের পর দেশত্যাগী হয়েছে অতঃপর জেহাদ করেছে, নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা এসব বিষয়ের পরে অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 110  - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 279
(8) হয়ত তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন। কিন্তু যদি পুনরায় তদ্রূপ কর, আমিও পুনরায় তাই করব। আমি জাহান্নামকে কাফেরদের জন্যে কয়েদখানা করেছি।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 8  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 283
(60) এবং স্মরণ করুন, আমি আপনাকে বলে দিয়েছিলাম যে, আপনার পালনকর্তা মানুষকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন এবং যে দৃশ্য আমি আপনাকে দেখিয়েছি তাও কোরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত বৃক্ষ কেবল মানুষের পরীক্ষার জন্যে। আমি তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করি। কিন্তু এতে তাদের অবাধ্যতাই আরও বৃদ্ধি পায়।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 60  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 288
(97) আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, সেই তো সঠিক পথ প্রাপ্ত এবং যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তাদের জন্যে আপনি আল্লাহ ছাড়া কোন সাহায্যকারী পাবেন না। আমি কেয়ামতের দিন তাদের সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, মুক অবস্থায় এবং বধির অবস্থায়। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম। যখনই নির্বাপিত হওয়ার উপক্রম হবে আমি তখন তাদের জন্যে অগ্নি আরও বৃদ্ধি করে দিব।
(98) এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 97-98 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 292
(88) এবং যে বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে তার জন্য প্রতিদান রয়েছে কল্যাণ এবং আমার কাজে তাকে সহজ নির্দেশ দেব।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 88  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 303
(102) কাফেররা কি মনে করে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার বান্দাদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করবে? আমি কাফেরদের অভ্যর্থনার জন্যে জাহান্নামকে প্রস্তুত করে রেখেছি।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 102  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 304
(68) সুতরাং আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই তাদেরকে এবং শয়তানদেরকে একত্রে সমবেত করব, অতঃপর অবশ্যই তাদেরকে নতজানু অবস্থায় জাহান্নামের চারপাশে উপস্থিত করব।
সূরা: Maryam - আয়াত: 68  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 310
(78) সে কি অদৃশ্য বিষয় জেনে ফেলেছে, অথবা দয়াময় আল্লাহর নিকট থেকে কোন প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত হয়েছে?
সূরা: Maryam - আয়াত: 78  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 311
(1) মানুষের হিসাব-কিতাবের সময় নিকটবর্তী; অথচ তারা বেখবর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
(2) তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে, তারা তা খেলার ছলে শ্রবণ করে।
(3) তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়?
(4) পয়গম্বর বললেনঃ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের কথাই আমার পালনকর্তা জানেন। তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 1-2-3-4 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 322
(10) আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 10  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 322
(16) আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 16  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 323
(39) যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
(40) বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
সূরা: Al-Anbiyā’ - আয়াত: 39-40 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 325
(19) এই দুই বাদী বিবাদী, তারা তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বিতর্ক করে। অতএব যারা কাফের, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 19  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 334
(25) যারা কুফর করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচছা করে, আমি তাদেরকে যন্ত্রানাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 25  - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 335
(50) সুতরাং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে আছে পাপ মার্জনা এবং সম্মানজনক রুযী।
(51) এবং যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার জন্যে চেষ্টা করে, তারাই দোযখের অধিবাসী।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 50-51 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 338
(56) রাজত্ব সেদিন আল্লাহরই; তিনিই তাদের বিচার করবেন। অতএব যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তারা নেয়ামত পূর্ণ কাননে থাকবে।
(57) এবং যারা কুফরি করে এবং আমার আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে তাদের জন্যে লাঞ্ছনাকর শাস্তি রয়েছে।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 56-57 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 339
(82) তারা বলেঃ যখন আমরা মরে যাব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব ?
(83) অতীতে আমাদেরকে এবং আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এই ওয়াদাই দেয়া হয়েছে। এটা তো পূর্ববতীদের কল্প-কথা বৈ কিছুই নয়।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 82-83 - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 347
(93) বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেখান,
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 93  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 348
(95) আমি তাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দিয়েছি, তা আপনাকে দেখাতে অবশ্যই সক্ষম।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 95  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 348
(64) মনে রেখো নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা আছে, তা আল্লাহরই। তোমরা যে অবস্থায় আছ তা তিনি জানেন। যেদিন তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে, সেদিন তিনি বলে দেবেন তারা যা করেছে। আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ই জানেন।
সূরা: An-Nūr - আয়াত: 64  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 359
(198) যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 198  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 375
(209) স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।
সূরা: Ash-Shu‘arā’ - আয়াত: 209  - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 376
(67) তবে যে তওবা করে, বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আশা করা যায়, সে সফলকাম হবে।
সূরা: Al-Qaṣaṣ - আয়াত: 67  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 393
(65) তারা যখন জলযানে আরোহণ করে তখন একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন স্থলে এনে তাদেরকে উদ্ধার করেন, তখনই তারা শরীক করতে থাকে।
(66) যাতে তারা তাদের প্রতি আমার দান অস্বীকার করে এবং ভোগ-বিলাসে ডুবে থাকে। সত্বরই তারা জানতে পারবে।
সূরা: Al-‘Ankabūt - আয়াত: 65-66 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 404
(14) যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।
(15) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে;
(16) আর যারা কাফের এবং আমার আয়াতসমূহ ও পরকালের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলছে, তাদেরকেই আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 14-15-16 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 405
(33) মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের পালনকর্তাকে আহবান করে তাঁরই অভিমুখী হয়ে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের পালনকর্তার সাথে শিরক করতে থাকে,
(34) যাতে তারা অস্বীকার করে যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। অতএব, মজা লুটে নাও, সত্বরই জানতে পারবে।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 33-34 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 408
(45) যারা বিশ্বাস করেছে ও সৎকর্ম করেছে যাতে, আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে প্রতিদান দেন। নিশ্চয় তিনি কাফেরদের ভালবাসেন না।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 45  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 409
(12) যদি আপনি দেখতেন যখন অপরাধীরা তাদের পালনকর্তার সামনে নতশির হয়ে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা দেখলাম ও শ্রবণ করলাম। এখন আমাদেরকে পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকর্ম করব। আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়ে গেছি।
(13) আমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেককে সঠিক দিক নির্দেশ দিতাম; কিন্তু আমার এ উক্তি অবধারিত সত্য যে, আমি জিন ও মানব সকলকে দিয়ে অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করব।
(14) অতএব এ দিবসকে ভূলে যাওয়ার কারণে তোমরা মজা আস্বাদন কর। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের কারণে স্থায়ী আযাব ভোগ কর।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 12-13-14 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 416
(28) তারা বলে তোমরা সত্যবাদী হলে বল; কবে হবে এই ফয়সালা?
(29) বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে অবকাশ ও দেয়া হবে না।
(30) অতএব আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 28-29-30 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 417
(8) সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য। তিনি কাফেরদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 8  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 419
(73) যাতে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ, মুশরিক নারীদেরকে শাস্তি দেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
সূরা: Al-Aḥzāb - আয়াত: 73  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 427
(4) তিনি পরিণামে যারা মুমিন ও সৎকর্ম পরায়ণ, তাদেরকে প্রতিদান দেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মান জনক রিযিক।
(5) আর যারা আমার আয়াত সমূহকে ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়, তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 4-5 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 428
(29) তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বল, এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে?
(30) বলুন, তোমাদের জন্যে একটি দিনের ওয়াদা রয়েছে যাকে তোমরা এক মহূর্তও বিলম্বিত করতে পারবে না এবং ত্বরান্বিত ও করতে পারবে না।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 29-30 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 431
(35) তারা আরও বলেছে, আমরা ধনে-জনে সমৃদ্ধ, সুতরাং আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 35  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 432
(38) আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়, তাদেরকে আযাবে উপস্থিত করা হবে।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 38  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 432
(51) যদি আপনি দেখতেন, যখন তারা ভীতসস্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, অতঃপর পালিয়েও বাঁচতে পারবে না এবং নিকটবর্তী স্থান থেকে ধরা পড়বে।
(52) তারা বলবে, আমরা সত্যে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। কিন্তু তারা এতদূর থেকে তার নাগাল পাবে কেমন করে?
(53) অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল। আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।
(54) তাদের ও তাদের বাসনার মধ্যে অন্তরাল হয়ে গেছে, যেমন-তাদের সতীর্থদের সাথেও এরূপ করা হয়েছে, যারা তাদের পূর্বে ছিল। তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 51-52-53-54 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 434
(7) যারা কুফর করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 7  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 435
(32) অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছি। তাদের কেউ কেউ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেউ মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর নির্দেশক্রমে কল্যাণের পথে এগিয়ে গেছে। এটাই মহা অনুগ্রহ।
(33) তারা প্রবেশ করবে বসবাসের জান্নাতে। তথায় তারা স্বর্ণনির্মিত, মোতি খচিত কংকন দ্বারা অলংকৃত হবে। সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 32-33 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 438
(36) আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই শাস্তি দিয়ে থাকি।
(37) সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 36-37 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 438
(42) তারা জোর শপথ করে বলত, তাদের কাছে কোন সতর্ককারী আগমন করলে তারা অন্য যে কোন সম্প্রদায় অপেক্ষা অধিকতর সৎপথে চলবে। অতঃপর যখন তাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করল, তখন তাদের ঘৃণাই কেবল বেড়ে গেল।
(43) পৃথিবীতে ঔদ্ধত্যের কারণে এবং কুচক্রের কারণে। কুচক্র কুচক্রীদেরকেই ঘিরে ধরে। তারা কেবল পূর্ববর্তীদের দশারই অপেক্ষা করছে। অতএব আপনি আল্লাহর বিধানে পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।
সূরা: Fāṭir - আয়াত: 42-43 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 439
(53) এটা তো হবে কেবল এক মহানাদ। সে মুহুর্তেই তাদের সবাইকে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে।
সূরা: Yā-Sīn - আয়াত: 53  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 443
(64) তোমাদের কুফরের কারণে আজ এতে প্রবেশ কর।
সূরা: Yā-Sīn - আয়াত: 64  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 444
(3) পাপ ক্ষমাকারী, তওবা কবুলকারী, কঠোর শাস্তিদাতা ও সামর্থ?476;ান। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তাঁরই দিকে হবে প্রত্যাবর্তন।
সূরা: Ghāfir - আয়াত: 3  - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 467
(30) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে তাদের পালনকর্তা স্বীয় রহমতে দাখিল করবেন। এটাই প্রকাশ্য সাফল্য।
(31) আর যারা কুফর করেছে, তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে, তোমাদের কাছে কি আয়াতসমূহ পঠিত হত না? কিন্তু তোমরা অহংকার করছিলে এবং তোমরা ছিলে এক অপরাধী সম্প্রদায়।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 30-31 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(1) কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর।
(2) অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের।
(3) অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের,
(4) অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের,
(5) তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।
(6) ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 520
(12) তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 12  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 521
(1) কসম তূরপর্বতের,
(2) এবং লিখিত কিতাবের,
(3) প্রশস্ত পত্রে,
(4) কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের,
(5) এবং সমুন্নত ছাদের,
(6) এবং উত্তাল সমুদ্রের,
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 523
(16) এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যা করতে তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে।
সূরা: Aṭ-Ṭūr - আয়াত: 16  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 524
(31) হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 31  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 532
(58) প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 58  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(60) সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 60  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(62) এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 62  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(64) কালোমত ঘন সবুজ।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 64  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(66) তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 66  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(68) তথায় আছে ফল-মূল, খর্জুর ও আনার।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 68  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 533
(72) তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 72  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(74) কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 74  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(76) তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।
সূরা: Ar-Raḥmān - আয়াত: 76  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(8) যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 8  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 534
(57) আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 57  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 536
(83) অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 83  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(96) অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 96  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 537
(19) অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 19  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 567
(42) এবং এটা কোন অতীন্দ্রিয়বাদীর কথা নয়; তোমরা কমই অনুধাবন কর।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 42  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(48) এটা খোদাভীরুদের জন্যে অবশ্যই একটি উপদেশ।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 48  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(52) অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ননা করুন।
সূরা: Al-Ḥāqqah - আয়াত: 52  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 568
(41) তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
সূরা: Al-Ma‘ārij - আয়াত: 41  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 570
(32) কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ,
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 32  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 576
(56) তারা স্মরণ করবে না, কিন্তু যদি আল্লাহ চান। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 56  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(1) আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের,
(2) আরও শপথ করি সেই মনের, যে নিজেকে ধিক্কার দেয়-
(3) মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?
(4) পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।
(5) বরং মানুষ তার ভবিষ্যত জীবনেও ধৃষ্টতা করতে চায়
(6) সে প্রশ্ন করে-কেয়ামত দিবস কবে?
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(15) যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 15  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(1) কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,
(2) সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,
(3) মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ
(4) মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং
(5) ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ-
(6) ওযর-আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(15) সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 15  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 580
(1) শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
(2) শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
(3) শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
(4) শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
(5) শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
(6) যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(14) তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 14  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(1) শপথ গ্রহ-নক্ষত্র শোভিত আকাশের,
(2) এবং প্রতিশ্রুত দিবসের,
(3) এবং সেই দিবসের, যে উপস্থিত হয় ও যাতে উপস্থিত হয়
(4) অভিশপ্ত হয়েছে গর্ত ওয়ালারা অর্থাৎ,
(5) অনেক ইন্ধনের অগ্নিসংযোগকারীরা;
(6) যখন তারা তার কিনারায় বসেছিল।
সূরা: Al-Burūj - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 590
(9) যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের ক্ষমতার মালিক, আল্লাহর সামনে রয়েছে সবকিছু।
সূরা: Al-Burūj - আয়াত: 9  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 590
(1) শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।
(2) আপনি জানেন, যে রাত্রিতে আসে সেটা কি?
(3) সেটা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
(4) প্রত্যেকের উপর একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।
(5) অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে।
(6) সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।
সূরা: Aṭ-Ṭāriq - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 591
(17) অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে।
সূরা: Aṭ-Ṭāriq - আয়াত: 17  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 591
(1) শপথ ফজরের,
(2) শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,
(3) যা জোড় ও যা বিজোড়
(4) এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
(5) এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।
(6) আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,
সূরা: Al-Fajr - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 593
(14) নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।
সূরা: Al-Fajr - আয়াত: 14  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 593
(1) শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,
(2) শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,
(3) শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,
(4) শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,
(5) শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।
(6) শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,
সূরা: Ash-Shams - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 595
(15) আল্লাহ তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না।
সূরা: Ash-Shams - আয়াত: 15  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 595
(1) শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
(2) শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়
(3) এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,
(4) নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের।
(5) অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,
(6) এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,
সূরা: Al-Lail - আয়াত: 1-2-3-4-5-6 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 595
(21) সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।
সূরা: Al-Lail - আয়াত: 21  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 596
(1) শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের,
(2) এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের,
(3) এবং এই নিরাপদ নগরীর।
(4) আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে।
(5) অতঃপর তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নীচে।
সূরা: At-Tīn - আয়াত: 1-2-3-4-5 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 597


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers