পবিত্র কুরআনে পুনরুত্থান অস্বীকার করা সম্পর্কিত আয়াত


✅ পবিত্র কুরআনের বিষয়সমূহ
(29) তারা বলেঃ আমাদের এ পার্থিব জীবনই জীবন। আমাদেরকে পুনরায় জীবিত হতে হবে না।
সূরা: Al-An‘ām - আয়াত: 29  - পারা: 7 - পৃষ্ঠা: 131
(7) অবশ্যই যেসব লোক আমার সাক্ষাৎ লাভের আশা রাখে না এবং পার্থিব জীবন নিয়েই উৎফুল্ল রয়েছে, তাতেই প্রশান্তি অনুভব করেছে এবং যারা আমার নির্দশনসমূহ সম্পর্কে বেখবর।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 7  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 209
(15) আর যখন তাদের কাছে আমার প্রকৃষ্ট আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে সমস্ত লোক বলে, যাদের আশা নেই আমার সাক্ষাতের, নিয়ে এসো কোন কোরআন এটি ছাড়া, অথবা একে পরিবর্তিত করে দাও। তাহলে বলে দাও, একে নিজের পক্ষ থেকে পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে নির্দেশেরই আনুগত্য করি, যা আমার কাছে আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 15  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 210
(18) আর উপাসনা করে আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন বস্তুর, যা না তাদের কোন ক্ষতিসাধন করতে পারে, না লাভ এবং বলে, এরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। তুমি বল, তোমরা কি আল্লাহকে এমন বিষয়ে অবহিত করছ, যে সম্পর্কে তিনি অবহিত নন আসমান ও যমীনের মাঝে ? তিনি পুতঃপবিত্র ও মহান সে সমস্ত থেকে যাকে তোমরা শরীক করছ।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 18  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 210
(45) আর যেদিন তাদেরকে সমবেত করা হবে, যেন তারা অবস্থান করেনি, তবে দিনের একদন্ড একজন অপরজনকে চিনবে। নিঃসন্দেহে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতকে এবং সরলপথে আসেনি।
সূরা: Yūnus - আয়াত: 45  - পারা: 11 - পৃষ্ঠা: 214
(7) তিনিই আসমান ও যমীন ছয় দিনে তৈরী করেছেন, তাঁর আরশ ছিল পানির উপরে, তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যদি আপনি তাদেরকে বলেন যে, "নিশ্চয় তোমাদেরকে মৃত্যুর পরে জীবিত ওঠানো হবে, তখন কাফেরেরা অবশ্য বলে এটা তো স্পষ্ট যাদু!";
সূরা: Hūd - আয়াত: 7  - পারা: 12 - পৃষ্ঠা: 222
(5) যদি আপনি বিস্ময়ের বিষয় চান, তবে তাদের একথা বিস্ময়কর যে, আমরা যখন মাটি হয়ে যাব, তখনও কি নতুন ভাবে সৃজিত হব? এরাই স্বীয় পালনকর্তার সত্তায় অবিশ্বাসী হয়ে গেছে, এদের গর্দানেই লৌহ-শৃংখল পড়বে এবং এরাই দোযখী এরা তাতে চিরকাল থাকবে।
(6) এরা আপনার কাছে মঙ্গলের পরিবর্তে দ্রুত অমঙ্গল কামনা করে। তাদের পূর্বে অনুরূপ অনেক শাস্তিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী অতিক্রান্ত হয়েছে। আপনার পালনকর্তা মানুষকে তাদের অন্যায় সত্বেও ক্ষমা করেন এবং আপনার পালনকর্তা কঠিন শাস্তিদাতা ও বটে।
(7) কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হল না কেন? আপনার কাজ তো ভয় প্রদর্শন করাই এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যে পথপ্রদর্শক হয়েছে।
সূরা: Ar-Ra‘d - আয়াত: 5-6-7 - পারা: 13 - পৃষ্ঠা: 249
(22) আমাদের ইলাহ একক ইলাহ। অনন্তর যারা পরজীবনে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সত্যবিমুখ এবং তারা অহংকার প্রদর্শন করেছে।
(23) নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের গোপন ও প্রকাশ্য যাবতীয় বিষয়ে অবগত। নিশ্চিতই তিনি অহংকারীদের পছন্দ করেন না।
(24) যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ পূর্ববর্তীদের কিসসা-কাহিনী।
(25) ফলে কেয়ামতের দিন ওরা পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার এবং পাপভার তাদেরও যাদেরকে তারা তাদের অজ্ঞতাহেতু বিপথগামী করে শুনে নাও, খুবই নিকৃষ্ট বোঝা যা তারা বহন করে।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 22-23-24-25 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 269
(38) তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে। কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।
(39) তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল।
সূরা: An-Naḥl - আয়াত: 38-39 - পারা: 14 - পৃষ্ঠা: 271
(49) তারা বলেঃ যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
(50) বলুনঃ তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা।
(51) অথবা এমন কোন বস্তু, যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন; তথাপি তারা বলবেঃ আমাদের কে পুর্নবার কে সৃষ্টি করবে। বলুনঃ যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃজন করেছেন। অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবেঃ এটা কবে হবে? বলুনঃ হবে, সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই।
(52) যেদিন তিনি তোমাদেরকে আহবান করবেন, অতঃপর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে চলে আসবে। এবং তোমরা অনুমান করবে যে, সামান্য সময়ই অবস্থান করেছিলে।
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 49-50-51-52 - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 286
(98) এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
সূরা: Al-Isrā’ - আয়াত: 98  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 292
(48) তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না।
সূরা: Al-Kahf - আয়াত: 48  - পারা: 15 - পৃষ্ঠা: 299
(44) হে আমার পিতা, শয়তানের এবাদত করো না। নিশ্চয় শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য।
সূরা: Maryam - আয়াত: 44  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 308
(69) অতঃপর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে দয়াময় আল্লাহর সর্বাধিক অবাধ্য আমি অবশ্যই তাকে পৃথক করে নেব।
সূরা: Maryam - আয়াত: 69  - পারা: 16 - পৃষ্ঠা: 310
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِن كُنتُمۡ فِي رَيۡبٖ مِّنَ ٱلۡبَعۡثِ فَإِنَّا خَلَقۡنَٰكُم مِّن تُرَابٖ ثُمَّ مِن نُّطۡفَةٖ ثُمَّ مِنۡ عَلَقَةٖ ثُمَّ مِن مُّضۡغَةٖ مُّخَلَّقَةٖ وَغَيۡرِ مُخَلَّقَةٖ لِّنُبَيِّنَ لَكُمۡۚ وَنُقِرُّ فِي ٱلۡأَرۡحَامِ مَا نَشَآءُ إِلَىٰٓ أَجَلٖ مُّسَمّٗى ثُمَّ نُخۡرِجُكُمۡ طِفۡلٗا ثُمَّ لِتَبۡلُغُوٓاْ أَشُدَّكُمۡۖ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ وَمِنكُم مَّن يُرَدُّ إِلَىٰٓ أَرۡذَلِ ٱلۡعُمُرِ لِكَيۡلَا يَعۡلَمَ مِنۢ بَعۡدِ عِلۡمٖ شَيۡـٔٗاۚ وَتَرَى ٱلۡأَرۡضَ هَامِدَةٗ فَإِذَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡهَا ٱلۡمَآءَ ٱهۡتَزَّتۡ وَرَبَتۡ وَأَنۢبَتَتۡ مِن كُلِّ زَوۡجِۭ بَهِيجٖ  * ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلۡحَقُّ وَأَنَّهُۥ يُحۡيِ ٱلۡمَوۡتَىٰ وَأَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ  * وَأَنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٞ لَّا رَيۡبَ فِيهَا وَأَنَّ ٱللَّهَ يَبۡعَثُ مَن فِي ٱلۡقُبُورِ [Al-Ḥajj: 5-7]
(5) হে লোকসকল! যদি তোমরা পুনরুত্থানের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ হও, তবে (ভেবে দেখ-) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি। এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্যে। আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে মাতৃগর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই, এরপর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি; তারপর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পণ কর। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে নিষ্কর্মা বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়, যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায় এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।
(6) এগুলো এ কারণে যে, আল্লাহ সত্য এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
(7) এবং এ কারণে যে, কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন।
সূরা: Al-Ḥajj - আয়াত: 5-6-7 - পারা: 17 - পৃষ্ঠা: 332
(74) আর যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তারা সোজা পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 74  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 346
(81) বরং তারা বলে যেমন তাদের পূর্ববর্তীরা বলত।
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 81  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 347
(89) এখন তারা বলবেঃ আল্লাহর। বলুনঃ তাহলে কোথা থেকে তোমাদেরকে জাদু করা হচ্ছে?
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 89  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 347
(115) তোমরা কি ধারণা কর যে, আমি তোমাদেরকে অনর্থক সৃষ্টি করেছি এবং তোমরা আমার কাছে ফিরে আসবে না?
সূরা: Al-Mu’minūn - আয়াত: 115  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 349
(11) বরং তারা কেয়ামতকে অস্বীকার করে এবং যে কেয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করেছি।
সূরা: Al-Furqān - আয়াত: 11  - পারা: 18 - পৃষ্ঠা: 360
(4) যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে সুশোভিত করে দিয়েছি। অতএব, তারা উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়।
(5) তাদের জন্যেই রয়েছে মন্দ শাস্তি এবং তারাই পরকালে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত।
সূরা: An-Naml - আয়াত: 4-5 - পারা: 19 - পৃষ্ঠা: 377
(65) বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে।
(66) বরং পরকাল সম্পর্কে তাদের জ্ঞান নিঃশেষ হয়ে গেছে; বরং তারা এ বিষয়ে সন্দেহ পোষন করছে বরং এ বিষয়ে তারা অন্ধ।
(67) কাফেররা বলে, যখন আমরা ও আমাদের বাপ-দাদারা মৃত্তিকা হয়ে যাব, তখনও কি আমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে?
(68) এই ওয়াদাপ্রাপ্ত হয়েছি আমরা এবং পূর্ব থেকেই আমাদের বাপ-দাদারা। এটা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ কিছু নয়।
সূরা: An-Naml - আয়াত: 65-66-67-68 - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 383
(23) যারা আল্লাহর আয়াত সমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে, তারাই আমার রহমত থেকে নিরাশ হবে এবং তাদের জন্যেই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
সূরা: Al-‘Ankabūt - আয়াত: 23  - পারা: 20 - পৃষ্ঠা: 398
(16) আর যারা কাফের এবং আমার আয়াতসমূহ ও পরকালের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলছে, তাদেরকেই আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে।
সূরা: Ar-Rūm - আয়াত: 16  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 406
(32) যখন তাদেরকে মেঘমালা সদৃশ তরংগ আচ্ছাদিত করে নেয়, তখন তারা খাঁটি মনে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে স্থলভাগের দিকে উদ্ধার করে আনেন, তখন তাদের কেউ কেউ সরল পথে চলে। কেবল মিথ্যাচারী, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে।
সূরা: Luqmān - আয়াত: 32  - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 414
(10) তারা বলে, আমরা মৃত্তিকায় মিশ্রিত হয়ে গেলেও পুনরায় নতুন করে সৃজিত হব কি? বরং তারা তাদের পালনকর্তার সাক্ষাতকে অস্বীকার করে।
(11) বলুন, তোমাদের প্রাণ হরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
সূরা: As-Sajdah - আয়াত: 10-11 - পারা: 21 - পৃষ্ঠা: 415
(3) কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 3  - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 428
(7) কাফেররা বলে, আমরা কি তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান দেব, যে তোমাদেরকে খবর দেয় যে; তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে।
(8) সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ এবং যারা পরকালে অবিশ্বাসী, তারা আযাবে ও ঘোর পথভ্রষ্টতায় পতিত আছে।
(9) তারা কি তাদের সামনের ও পশ্চাতের আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিলক্ষ্য করে না? আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খন্ড তাদের উপর পতিত করব। আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।
সূরা: Saba’ - আয়াত: 7-8-9 - পারা: 22 - পৃষ্ঠা: 428
(78) সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভূত কথা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে কে জীবিত করবে অস্থিসমূহকে যখন সেগুলো পচে গলে যাবে?
সূরা: Yā-Sīn - আয়াত: 78  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 445
(15) এবং বলে, কিছুই নয়, এযে স্পষ্ট যাদু।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 15  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 446
(19) বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র-যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 19  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 446
(50) অতঃপর তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 50  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 447
(58) এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।
সূরা: Aṣ-Ṣāffāt - আয়াত: 58  - পারা: 23 - পৃষ্ঠা: 448
(6) বলুন, আমিও তোমাদের মতই মানুষ, আমার প্রতি ওহী আসে যে, তোমাদের মাবুদ একমাত্র মাবুদ, অতএব তাঁর দিকেই সোজা হয়ে থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুর্ভোগ,
(7) যারা যাকাত দেয় না এবং পরকালকে অস্বীকার করে।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 6-7 - পারা: 24 - পৃষ্ঠা: 477
(54) শুনে রাখ, তারা তাদের পালনকর্তার সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে পতিত রয়েছে। শুনে রাখ, তিনি সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন।
সূরা: Fuṣṣilat - আয়াত: 54  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 482
(34) কাফেররা বলেই থাকে,
(35) প্রথম মৃত্যুর মাধ্যমেই আমাদের সবকিছুর অবসান হবে এবং আমরা পুনরুত্থিত হব না।
(36) তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে এস।
(37) ওরা শ্রেষ্ঠ, না তুব্বার সম্প্রদায় ও তাদের পূর্ববর্তীরা? আমি ওদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি। ওরা ছিল অপরাধী।
সূরা: Ad-Dukhān - আয়াত: 34-35-36-37 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 497
(24) তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে। তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন জ্ঞান নেই। তারা কেবল অনুমান করে কথা বলে।
(25) তাদের কাছে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন একথা বলা ছাড়া তাদের কোন মুক্তিই থাকে না যে, তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে আস।
(26) আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 24-25-26 - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(32) যখন বলা হত, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে আমরা জানি না কেয়ামত কি ? আমরা কেবল ধারণাই করি এবং এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।
সূরা: Al-Jāthiyah - আয়াত: 32  - পারা: 25 - পৃষ্ঠা: 501
(17) আর যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বলে, ধিক তোমাদেরকে, তোমরা কি আমাকে খবর দাও যে, আমি পুনরুত্থিত হব, অথচ আমার পূর্বে বহু লোক গত হয়ে গেছে? আর পিতা-মাতা আল্লাহর কাছে ফরিযাদ করে বলে, দুর্ভোগ তোমার তুমি বিশ্বাস স্থাপন কর। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তখন সে বলে, এটা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ নয়।
(18) তাদের পূর্বে যে সব জ্বিন ও মানুষ গত হয়েছে, তাদের মধ্যে এ ধরনের লোকদের প্রতিও শাস্তিবানী অবধারিত হয়ে গেছে। নিশ্চয় তারা ছিল ক্ষতিগ্রস্থ।
সূরা: Al-Aḥqāf - আয়াত: 17-18 - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 504
(33) তারা কি জানে না যে, আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং এগুলোর সৃষ্টিতে কোন ক্লান্তিবোধ করেননি, তিনি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম? কেন নয়, নিশ্চয় তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরা: Al-Aḥqāf - আয়াত: 33  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 506
(3) আমরা মরে গেলে এবং মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে গেলেও কি পুনরুত্থিত হব? এ প্রত্যাবর্তন সুদূরপরাহত।
সূরা: Qāf - আয়াত: 3  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 518
(11) বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ এবং বৃষ্টি দ্বারা আমি মৃত জনপদকে সঞ্জীবিত করি। এমনিভাবে পুনরুত্থান ঘটবে।
সূরা: Qāf - আয়াত: 11  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 518
(15) আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বরং তারা নতুন সৃষ্টির ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করেছে।
সূরা: Qāf - আয়াত: 15  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 518
(8) তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ।
সূরা: Adh-Dhāriyāt - আয়াত: 8  - পারা: 26 - পৃষ্ঠা: 521
(47) তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 47  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 535
(56) কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 56  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 536
(74) অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
সূরা: Al-Wāqi‘ah - আয়াত: 74  - পারা: 27 - পৃষ্ঠা: 536
(7) কাফেররা দাবী করে যে, তারা কখনও পুনরুত্থিত হবে না। বলুন, অবশ্যই হবে, আমার পালনকর্তার কসম, তোমরা নিশ্চয় পুরুত্থিত হবে। অতঃপর তোমাদেরকে অবহিত করা হবে যা তোমরা করতে। এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
সূরা: At-Taghābun - আয়াত: 7  - পারা: 28 - পৃষ্ঠা: 556
(7) তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর আল্লাহ তা’আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
সূরা: Al-Jinn - আয়াত: 7  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 572
(46) এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।
(47) আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 46-47 - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 576
(53) কখনও না, বরং তারা পরকালকে ভয় করে না।
সূরা: Al-Muddaththir - আয়াত: 53  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(3) মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 3  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(13) সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে যা সামনে প্রেরণ করেছে ও পশ্চাতে ছেড়ে দিয়েছে।
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 13  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 577
(36) মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 36  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(40) তবুও কি সেই আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?
সূরা: Al-Qiyāmah - আয়াত: 40  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 578
(29) চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 29  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(34) সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সূরা: Al-Mursalāt - আয়াত: 34  - পারা: 29 - পৃষ্ঠা: 581
(10) তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-
(11) গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
(12) তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
(13) অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,
(14) তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
সূরা: An-Nāzi‘āt - আয়াত: 10-11-12-13-14 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 583
(9) কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান-প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।
সূরা: Al-Infiṭār - আয়াত: 9  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 587
(10) সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,
সূরা: Al-Muṭaffifīn - আয়াত: 10  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 588
(17) এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।
সূরা: Al-Muṭaffifīn - আয়াত: 17  - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 588
(14) সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।
(15) কেন যাবে না, তার পালনকর্তা তো তাকে দেখতেন।
সূরা: Al-Inshiqāq - আয়াত: 14-15 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 589
(7) অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে?
(8) আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?
সূরা: At-Tīn - আয়াত: 7-8 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 597
(1) আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?
(2) সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়
(3) এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
সূরা: Al-Mā‘ūn - আয়াত: 1-2-3 - পারা: 30 - পৃষ্ঠা: 602


🍃 পবিত্র কুরআনের অন্যান্য বিষয়


Saturday, July 18, 2026

Please remember us in your sincere prayers