আল-মায়িদা · 4/120
অনুবাদ উচ্চারণ — আল-মায়িদা
يَسۡـَٔلُونَكَ مَاذَآ أُحِلَّ لَهُمۡۖ قُلۡ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَمَا عَلَّمۡتُم مِّنَ ٱلۡجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ ٱللَّهُۖ فَكُلُواْ مِمَّآ أَمۡسَكۡنَ عَلَيۡكُمۡ وَٱذۡكُرُواْ ٱسۡمَ ٱللَّهِ عَلَيۡهِۖ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ  ۝٤
Yas`aloonaka maazaaa uhilla lahum; qul uhilla lakumuttaiyibaatu wa maa`allamtum minal jawaarihi mukallibeena tu`allimoonahunnamimmaa `allamakumul laahu fakuloo mimmaaa amsakna `alaikum wazkurus mal laahi `alaih; wattaqul laah; innal laaha saree`ul hisaab
📖 বাংলা অর্থ
তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে যে, কি বস্তু তাদের জন্যে হালাল? বলে দিন, তোমাদের জন্যে পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হয়েছে। যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের প্রতি প্রেরণের জন্যে এবং ওদেরকে ঐ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দাও, যা আল্লাহ তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। এমন শিকারী জন্তু যে শিকারকে তোমাদের জন্যে ধরে রাখে, তা খাও এবং তার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। আল্লাহকে ভয় করতে থাক। নিশ্চয় আল্লাহ সত্ত্বর হিসাব গ্রহণকারী।
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • الطَّيِّبَاتُ (পবিত্র ও উত্তম বস্তুসমূহ): যা শরীয়তের দৃষ্টিতে পবিত্র, উপকারী এবং স্বাভাবিকভাবে ভালো।
  • الْجَوَارِحِ (শিকারী প্রাণী): যেসব প্রাণী শিকার ধরে, যেমন—কুকুর, চিতা, বাজপাখি ইত্যাদি।
  • مُكَلِّبِينَ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিকারী কুকুরের ব্যাপারে): যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর বা অন্যান্য শিকারী প্রাণীকে শিকার করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়।
  • أَمْسَكْنَ (ধরে রাখা): শিকারী প্রাণী শিকারকে ধরে রাখা বা হত্যা করা।

তাফসীর (ব্যাখ্যা):

হে নবী! আপনার সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করছে—তাদের জন্য কী কী হালাল করা হয়েছে? আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিচ্ছেন, আপনি তাদের বলুন: তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সব পবিত্র ও উত্তম বস্তু। অর্থাৎ, যেসব খাদ্য বা শিকার পবিত্র, উপকারী এবং ইসলামি বিধান অনুযায়ী বৈধ, তা তোমাদের জন্য হালাল।

এরপর আল্লাহ তাআলা শিকার সংক্রান্ত আরেকটি বিধান বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আরও হালাল করা হয়েছে সেই শিকার, যা তোমরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিকারী প্রাণীদের দ্বারা শিকার করো। যেমন—কুকুর, চিতা, বাজপাখি ইত্যাদি। তবে শর্ত হলো, এই প্রাণীগুলোকে তোমরা এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছ যে, তোমরা যখন তাদেরকে শিকারের নির্দেশ দাও, তারা তা করে; আর যখন নিষেধ করো, তারা থেমে যায়। এই প্রশিক্ষণ আল্লাহ তাআলাই তোমাদের শিখিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে এমন জ্ঞান দান করেছেন, যার মাধ্যমে তোমরা এই প্রাণীদেরকে শিকার করার উপযোগী করে তুলতে পারো।

অতএব, যখন এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাণীগুলো তোমাদের জন্য শিকার ধরে রাখে বা হত্যা করে, তখন তা খাওয়া তোমাদের জন্য হালাল। তবে শর্ত হলো, শিকারকে ছাড়ার সময় তোমরা আল্লাহর নাম নেবে (বিসমিল্লাহ বলে ছাড়বে)। আর যদি শিকারটি জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তোমরা তা জবাই করতে পারো, তবে জবাই করে খাবে। আর যদি শিকারটি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, তবুও তা খাওয়া জায়েজ, কারণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাণীটি তোমাদের জন্য তা ধরে রেখেছে।

আরও বলা হয়েছে, তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। তাঁর আদেশ মেনে চলো এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকো। মনে রেখো, আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। তিনি প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন, ছোট-বড় কিছুই তাঁর অগোচরে থাকবে না।

শিক্ষা ও উপদেশ:

  1. ইসলাম একটি সহজ ও সুন্দর জীবনব্যবস্থা। আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য পবিত্র ও উত্তম বস্তু হালাল করেছেন এবং অপবিত্র ও ক্ষতিকর বস্তু হারাম করেছেন। এটি ইসলামের পূর্ণতা ও রহমতের প্রমাণ।
  2. শিকার করার সময় আল্লাহর নাম নেওয়া এবং তাঁর বিধান মেনে চলা মুমিনের কর্তব্য। এর মাধ্যমে জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহর স্মরণ ও আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
  3. আল্লাহ তাআলা মানুষকে জ্ঞান ও দক্ষতা দান করেছেন, যার মাধ্যমে সে জীবিকা অর্জন করে। এই জ্ঞান ব্যবহার করে হালাল উপায়ে রিজিক অর্জন করা প্রশংসনীয়।
  4. প্রতিটি কাজের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতে হবে। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহভীতি ও সতর্কতা অবলম্বন করা অপরিহার্য। এই ভয়ই মানুষকে অন্যায় ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখে।
  5. ইসলাম শিকার ও জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে মানবিকতা ও ন্যায়বিচার শেখায়। প্রাণীদের প্রতি দয়া ও সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে, যা ইসলামের পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।
🎧 শুনুন

📜 আয়াত 2-6 — আল-মায়িদা

2يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تُحِلُّواْ شَعَٰٓئِرَ ٱللَّهِ وَلَا ٱلشَّهۡرَ ٱلۡحَرَامَ وَلَا ٱلۡهَدۡيَ وَلَا ٱلۡقَلَٰٓئِدَ وَلَآ ءَآمِّينَ ٱلۡبَيۡتَ ٱلۡحَرَامَ يَبۡتَغُونَ فَضۡلًا مِّن رَّبِّهِمۡ وَرِضۡوَٰنًاۚ وَإِذَا حَلَلۡتُمۡ فَٱصۡطَادُواْۚ وَلَا يَجۡرِمَنَّكُمۡ شَنَـَٔانُ قَوۡمٍ أَن صَدُّوكُمۡ عَنِ ٱلۡمَسۡجِدِ ٱلۡحَرَامِ أَن تَعۡتَدُواْۘ وَتَعَاوَنُواْ عَلَى ٱلۡبِرِّ وَٱلتَّقۡوَىٰۖ وَلَا تَعَاوَنُواْ عَلَى ٱلۡإِثۡمِ وَٱلۡعُدۡوَٰنِۚ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَۖ إِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ 
হে মুমিনগণ! হালাল মনে করো না আল্লাহর নিদর্শনসমূহ এবং সম্মানিত মাসসমূহকে এবং হরমে কুরবানীর জন্যে নির্দিষ্ট জন্তুকে এবং ঐসব জন্তুকে, যাদের গলায় কন্ঠাভরণ রয়েছে এবং ঐসব লোককে যারা সম্মানিত গৃহ অভিমুখে যাচ্ছে, যারা স্বীয় পালনকর্তার অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে। যখন তোমরা এহরাম থেকে বের হয়ে আস, তখন শিকার কর। যারা পবিত্র মসজিদ থেকে তোমাদেরকে বাধা প্রদান করেছিল, সেই সম্প্রদায়ের শুত্রুতা যেন তোমাদেরকে সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে। সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা।
3حُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَيۡتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحۡمُ ٱلۡخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلۡمُنۡخَنِقَةُ وَٱلۡمَوۡقُوذَةُ وَٱلۡمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيۡتُمۡ وَمَا ذُبِحَ عَلَى ٱلنُّصُبِ وَأَن تَسۡتَقۡسِمُواْ بِٱلۡأَزۡلَٰمِۚ ذَٰلِكُمۡ فِسۡقٌۗ ٱلۡيَوۡمَ يَئِسَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِن دِينِكُمۡ فَلَا تَخۡشَوۡهُمۡ وَٱخۡشَوۡنِۚ ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينًاۚ فَمَنِ ٱضۡطُرَّ فِي مَخۡمَصَةٍ غَيۡرَ مُتَجَانِفٍ لِّإِثۡمٍ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ 
তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব জন্তু আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। এসব গোনাহর কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীন থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
4يَسۡـَٔلُونَكَ مَاذَآ أُحِلَّ لَهُمۡۖ قُلۡ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَمَا عَلَّمۡتُم مِّنَ ٱلۡجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ ٱللَّهُۖ فَكُلُواْ مِمَّآ أَمۡسَكۡنَ عَلَيۡكُمۡ وَٱذۡكُرُواْ ٱسۡمَ ٱللَّهِ عَلَيۡهِۖ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ 
তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে যে, কি বস্তু তাদের জন্যে হালাল? বলে দিন, তোমাদের জন্যে পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হয়েছে। যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের প্রতি প্রেরণের জন্যে এবং ওদেরকে ঐ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দাও, যা আল্লাহ তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। এমন শিকারী জন্তু যে শিকারকে তোমাদের জন্যে ধরে রাখে, তা খাও এবং তার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। আল্লাহকে ভয় করতে থাক। নিশ্চয় আল্লাহ সত্ত্বর হিসাব গ্রহণকারী।
5ٱلۡيَوۡمَ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُۖ وَطَعَامُ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ حِلٌّ لَّكُمۡ وَطَعَامُكُمۡ حِلٌّ لَّهُمۡۖ وَٱلۡمُحۡصَنَٰتُ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ وَٱلۡمُحۡصَنَٰتُ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ مِن قَبۡلِكُمۡ إِذَآ ءَاتَيۡتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ مُحۡصِنِينَ غَيۡرَ مُسَٰفِحِينَ وَلَا مُتَّخِذِيٓ أَخۡدَانٍۗ وَمَن يَكۡفُرۡ بِٱلۡإِيمَٰنِ فَقَدۡ حَبِطَ عَمَلُهُۥ وَهُوَ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ مِنَ ٱلۡخَٰسِرِينَ 
আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
6يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِۚ وَإِن كُنتُمۡ جُنُبًا فَٱطَّهَّرُواْۚ وَإِن كُنتُم مَّرۡضَىٰٓ أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٍ أَوۡ جَآءَ أَحَدٌ مِّنكُم مِّنَ ٱلۡغَآئِطِ أَوۡ لَٰمَسۡتُمُ ٱلنِّسَآءَ فَلَمۡ تَجِدُواْ مَآءً فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدًا طَيِّبًا فَٱمۡسَحُواْ بِوُجُوهِكُمۡ وَأَيۡدِيكُم مِّنۡهُۚ مَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيَجۡعَلَ عَلَيۡكُم مِّنۡ حَرَجٍ وَلَٰكِن يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمۡ وَلِيُتِمَّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ 
হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর, মাথা মুছেহ কর এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও, অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-অর্থাৎ, স্বীয় মুখ-মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল। আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান-যাতে তোমরা কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ কর।
আল-মায়িদাকুরআন সূচী
120আয়াত
মাদানীRevelation
4আয়াত

অনুবাদ — আল-মায়িদা 4

সূরা আয়াত 4/120 — আল-মায়িদা المائدة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: আল-মায়িদা শুনুন, আল-মায়িদা অনুবাদ, আল-মায়িদা mp3, আল-মায়িদা pdf. আয়াত 2–6. বাংলা অর্থ: हिन्दी.




পবিত্র কুরআন


Tuesday, August 18, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না